📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 তিনটি বিষয় অবলম্বন কর্তব্য

📄 তিনটি বিষয় অবলম্বন কর্তব্য


মুহাম্মাদ বিন কাব কুরযী রহ. বলেন, তিনটি বিষয় এমন, যা কখনোই বর্জন করা উচিত নয়। যথা- ১. কারো প্রতি বাড়াবাড়ি না করা। কুরআনে এসেছে- إِنَّمَا بَغْيُكُمْ عَلَى أَنْفُسِكُمْ অর্থ: নিশ্চয় তোমাদের অবিচার তোমাদের উপর বর্তায়। ২. কারো বিরুদ্ধে চক্রান্ত না করা। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, وَلَا يَحِيقُ الْمَكْرُ السَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِ অর্থ: কুট-চক্রান্ত কেবল তার ধারককেই পরিবেষ্টন করবে। ৩. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ না করা। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন- فَمَنْ نَكَثَ فَإِنَّمَا يَنْكُثُ عَلَى نَفْسِهِ অর্থ: কেউ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পরিণাম তার উপরই বর্তায়।

টিকাঃ
৩৩৯. সূরা ইউনুস: আয়াত-৭৩
৩৪০. সূরা ফাতির: আয়াত-৪৩
৩৪১. সূরা ফাত্হ: আয়াত-১০

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 তাকওয়া ও তাকওয়ার স্তর

📄 তাকওয়া ও তাকওয়ার স্তর


তিনি আরো বলতেন, তাকওয়া দুই ধরনের। একটি হলো, ফরয। আর তাহলো, পাপ থেকে বেঁচে থাকা। আর অপরটি হলো, সাবধানতা। আর তা হলো, সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে বেঁচে থাকা। দুঃখ-দুশ্চিন্তা দু'ধরনের। একটি হলো, উপকারী। আর তা হলো, পরকালের চিন্তা। অপরটি হলো, অপকারী। আর তা হলো, দুনিয়ার চিন্তা। ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, বিশুদ্ধ তাকওয়া হলো, হারাম থেকে বেঁচে থাকা, দৃষ্টির হেফাজত করা (হারাম না দেখা) এবং জবানের হেফাজত করা (গীবত না করা, মিথ্যা না বলা)। এমনকি দেহের প্রতিটি অঙ্গকে হারাম কাজ থেকে বিরত রাখা।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 যুহদের প্রকারভেদ

📄 যুহদের প্রকারভেদ


হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম রহ. বলেন, যুহৃদ তিন প্রকার। যথা- ১. ফরজ। আর তা হলো, হারামের ক্ষেত্রে যুহৃদ অবলম্বন। ২. ফযীলত। আর তা হলো, হালালের ব্যাপারে যুহুদ অবলম্বন। ৩. নিরাপত্তা। নিরাপত্তার যুহৃদ হলো, সন্দেহজনক বিষয়ে যুহৃদ অবলম্বন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 পরহেযগারীর প্রকারভেদ ও তার পূর্ণতা

📄 পরহেযগারীর প্রকারভেদ ও তার পূর্ণতা


তিনি আরো বলেন, পরহেযগারী দুই প্রকার। যথা- ১. ফরজ পরহেযগারী। আর তা হলো, আল্লাহ তা'আলার অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থাকা। ২. সতর্কতামূলক পরহেযগারী। আর তা হলো, সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px