📄 রহমতের রশি ও আযাবের রশি
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ : حُسْنُ الْخُلُقِ زِمَامٌ مِنْ رَحْمَةِ اللهِ فِي أَنْفِ صَاحِبِهِ، وَالزَّمَامُ بِيَدِ الْمَلِكِ، وَالْمَلِكُ يَجْرُهُ إِلَى الْخَيْرِ، وَالْخَيْرُ يَجُرُّهُ إِلَى الْجَنَّةِ، وَسُوءُ الْخُلُقِ زِمَامٌ مِنْ عَذَابٍ فِي أَنْفِ صَاحِبِهِ، وَالزَّমَامُ بِيَدِ الشَّيْطَانِ، وَالشَّيْطَانُ يَجُرُّهُ إِلَى الشَّرَّ، وَالشَّرُّ يَجُرُّهُ إِلَى النَّارِ.
হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাযি. বলেন, রাসূল ইরশাদ করেছেন, উত্তম চরিত্র হলো রহমতের রশি, যার এক মাথা কোনো মানুষের নাকে গাঁথা থাকে। অপর মাথা আছে ফেরেশতাদের হাতে। তারা তাকে কল্যাণের দিকে টেনে নেয়। আর তা তাদের জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। আর বদ চরিত্র হলো আযাবের রশি। যার এক প্রান্ত কোনো মানুষের নাকে লাগানো আছে এবং অপর প্রান্ত আছে শয়তানের হাতে। শয়তান তাদের মন্দের দিকে পরিচালিত করে। আর মন্দ তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যায়।
টিকাঃ
৩১৪. শুআবুল ঈমান: হাদীস-৮০৩৭,৭৬৭৫; ইমাম বাইহাকী সনদটিকে জয়ীফ বলেছেন।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ : حُسْنُ الْخُلُقِ زِمَامٌ مِنْ رَحْمَةِ اللهِ فِي أَنْفِ صَاحِبِهِ، وَالزَّمَامُ بِيَدِ الْمَلِكِ، وَالْمَلِكُ يَجْرُهُ إِلَى الْخَيْرِ، وَالْخَيْرُ يَجُرُّهُ إِلَى الْجَنَّةِ، وَسُوءُ الْخُلُقِ زِمَامٌ مِنْ عَذَابٍ فِي أَنْفِ صَاحِبِهِ، وَالزَّমَامُ بِيَدِ الشَّيْطَانِ، وَالشَّيْطَانُ يَجُرُّهُ إِلَى الشَّرَّ، وَالشَّرُّ يَجُرُّهُ إِلَى النَّارِ.
হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাযি. বলেন, রাসূল ইরশাদ করেছেন, উত্তম চরিত্র হলো রহমতের রশি, যার এক মাথা কোনো মানুষের নাকে গাঁথা থাকে। অপর মাথা আছে ফেরেশতাদের হাতে। তারা তাকে কল্যাণের দিকে টেনে নেয়। আর তা তাদের জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। আর বদ চরিত্র হলো আযাবের রশি। যার এক প্রান্ত কোনো মানুষের নাকে লাগানো আছে এবং অপর প্রান্ত আছে শয়তানের হাতে। শয়তান তাদের মন্দের দিকে পরিচালিত করে। আর মন্দ তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যায়।
টিকাঃ
৩১৪. শুআবুল ঈমান: হাদীস-৮০৩৭,৭৬৭৫; ইমাম বাইহাকী সনদটিকে জয়ীফ বলেছেন।
📄 দুটি দীনী স্বভাব
عَنِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ هُذَا الدِّينَ، هُوَ الَّذِي ارْتَضَيْتُهُ لِنَفْسِي، وَلَا يُصْلِحُهُ إِلَّا خَصْلَتَانِ : السَّخَاءُ وَحُسْنُ الخُلُقِ، فَأَكْرِمُوهُ بِهِمَا مَا صَحِبْتُمُوهُ.
হযরত জাবের রাযি. হুজুর ﷺ-এর উক্তি নকল করে বলেন, এটাই দীন, যা আমি নিজের জন্য পছন্দ করি। আর এর উপযোগী স্বভাব হলো দু'টি : দানশীলতা ও উত্তম চরিত্র। যতদিন এই দীনকে আপন করে রাখবে, ততদিন এই দুটি স্বভাব দিয়ে তার সম্মান কর।
টিকাঃ
৩১৫. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৮৯২০; শুআবুল ঈমান: হাদীস-১০৮৬৬; সনদ জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৮/২৩]।
عَنِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ هُذَا الدِّينَ، هُوَ الَّذِي ارْتَضَيْتُهُ لِنَفْسِي، وَلَا يُصْلِحُهُ إِلَّا خَصْلَتَانِ : السَّخَاءُ وَحُسْنُ الخُلُقِ، فَأَكْرِمُوهُ بِهِمَا مَا صَحِبْتُمُوهُ.
হযরত জাবের রাযি. হুজুর ﷺ-এর উক্তি নকল করে বলেন, এটাই দীন, যা আমি নিজের জন্য পছন্দ করি। আর এর উপযোগী স্বভাব হলো দু'টি : দানশীলতা ও উত্তম চরিত্র। যতদিন এই দীনকে আপন করে রাখবে, ততদিন এই দুটি স্বভাব দিয়ে তার সম্মান কর।
টিকাঃ
৩১৫. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৮৯২০; শুআবুল ঈমান: হাদীস-১০৮৬৬; সনদ জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৮/২৩]।
📄 মেসবান ও মেহমান
কথিত আছে, মানুষ যখন মেহমানদের আমন্ত্রণ করে, তখন তিনটি জিনিসের প্রতি মেযবানের এবং তিনটি জিনিসের প্রতি মেহমানের লক্ষ্য রাখা চাই। মেজবান লক্ষ্য রাখবে তা নিম্নরূপ- ১. أَنْ لَا يَتَكَلَّفَ لِلضَّيْفِ مَا لَا يُطِيقُ ، وَلَا يُجَاوِزُ فِيهِ السُّنَّةَ অর্থাৎ, নিজের মর্যাদার অতিরিক্ত মেহমানের জন্য লৌকিকতা করবে না এবং সুন্নাত-পরিপন্থী কোনো কাজ করবে না। ২. أَنْ لَا يُطْعِمَهُ إِلَّا مِنْ حَلَالٍ অর্থাৎ, হালাল উপার্জন থেকে মেহমানদারি করবে। ৩. أَنْ يَحْفَظَ عَلَيْهِ وَقْتَ الصَّلَاةِ অর্থাৎ, নামাযের সময়ের প্রতি খেয়াল রাখবে। আর মেহমান খেয়াল রাখবে তা নিম্নরূপ- ১. أَنْ يَجْلِسَ حَيْثُ يَجْلِسُ অর্থাৎ, যেখানে জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানে বসে যাবে। ২. أَنْ يَرْضَى بِمَا قُدِّمَ إِلَيْهِ অর্থাৎ, যা উপস্থিত করা হবে, তা সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করবে। ৩. أَنْ يَدْعُوَ لَهُ عِنْدَ خُرُوجِهِ بِالْبَرَكَةِ অর্থাৎ, ফেরার সময় মেযবানের জন্য বরকতে দোয়া করবে।
عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَدَّى زَكَاةَ مَالِهِ، وَأَقْرَى الضَّيْفَ، وَأَعْطَى قَوْمَهُ التَّائِبَةَ، فَقَدْ وُقِيَ شُحَّ نَفْسِهِ।
হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত। হুজুর ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের মালের যাকাত দেয়, মেহমানদের মেহমানদারি করে এবং দুর্যোগের সময় নিজের সম্প্রদায়কে কিছু না কিছু দেয়, সে নিজের মনকে কার্পণ্য থেকে হিফাজত করেছে।
টিকাঃ
৩১৬. হাদীসটির সনদ জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৩/৭১; জয়ীফুল জামে': ২৫৫৭]।
কথিত আছে, মানুষ যখন মেহমানদের আমন্ত্রণ করে, তখন তিনটি জিনিসের প্রতি মেযবানের এবং তিনটি জিনিসের প্রতি মেহমানের লক্ষ্য রাখা চাই। মেজবান লক্ষ্য রাখবে তা নিম্নরূপ- ১. أَنْ لَا يَتَكَلَّفَ لِلضَّيْفِ مَا لَا يُطِيقُ ، وَلَا يُجَاوِزُ فِيهِ السُّنَّةَ অর্থাৎ, নিজের মর্যাদার অতিরিক্ত মেহমানের জন্য লৌকিকতা করবে না এবং সুন্নাত-পরিপন্থী কোনো কাজ করবে না। ২. أَنْ لَا يُطْعِمَهُ إِلَّا مِنْ حَلَالٍ অর্থাৎ, হালাল উপার্জন থেকে মেহমানদারি করবে। ৩. أَنْ يَحْفَظَ عَلَيْهِ وَقْتَ الصَّلَاةِ অর্থাৎ, নামাযের সময়ের প্রতি খেয়াল রাখবে। আর মেহমান খেয়াল রাখবে তা নিম্নরূপ- ১. أَنْ يَجْلِسَ حَيْثُ يَجْلِسُ অর্থাৎ, যেখানে জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানে বসে যাবে। ২. أَنْ يَرْضَى بِمَا قُدِّمَ إِلَيْهِ অর্থাৎ, যা উপস্থিত করা হবে, তা সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করবে। ৩. أَنْ يَدْعُوَ لَهُ عِنْدَ خُرُوجِهِ بِالْبَرَكَةِ অর্থাৎ, ফেরার সময় মেযবানের জন্য বরকতে দোয়া করবে।
عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَدَّى زَكَاةَ مَالِهِ، وَأَقْرَى الضَّيْفَ، وَأَعْطَى قَوْمَهُ التَّائِبَةَ، فَقَدْ وُقِيَ شُحَّ نَفْسِهِ।
হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত। হুজুর ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের মালের যাকাত দেয়, মেহমানদের মেহমানদারি করে এবং দুর্যোগের সময় নিজের সম্প্রদায়কে কিছু না কিছু দেয়, সে নিজের মনকে কার্পণ্য থেকে হিফাজত করেছে।
টিকাঃ
৩১৬. হাদীসটির সনদ জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৩/৭১; জয়ীফুল জামে': ২৫৫৭]।