📄 জান্নাতের পথ
عَنِ الْগَيْرَانِ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا فَقَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارَ، يَقُولُونَ: إِنَّا لَسْنَا عَلَى شَيْءٍ، فَقَالَ: بَلَى، إِذَا أَقَمْتَ الصَّلَاةَ، وَآتَيْتَ الزَّكَاةَ، وَصُمْتَ، وَحَجَجْتَ بَيْتَ اللهِ، وَقَرَيْتَ الضَّيْفَ دَخَلْتَ الْجَنَّةَ.
গায়রান বিন হুবাইস রহ. বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট এসে বলল, মুহাজির এবং আনসাররা বলছেন, আমরা কোনো পথের ওপর নেই। তিনি বললেন, কেন নয়? [অবশ্যই তুমি একটি পথে আছ।] যখন তুমি নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রোজা রাখবে, বাইতুল্লাহর হজ্জ করবে, মেহমানদের আপ্যায়ন করবে, তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে।
টিকাঃ
৩০৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২০১৯; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৮
عَنِ الْগَيْرَانِ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا فَقَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارَ، يَقُولُونَ: إِنَّا لَسْنَا عَلَى شَيْءٍ، فَقَالَ: بَلَى، إِذَا أَقَمْتَ الصَّلَاةَ، وَآتَيْتَ الزَّكَاةَ، وَصُمْتَ، وَحَجَجْتَ بَيْتَ اللهِ، وَقَرَيْتَ الضَّيْفَ دَخَلْتَ الْجَنَّةَ.
গায়রান বিন হুবাইস রহ. বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট এসে বলল, মুহাজির এবং আনসাররা বলছেন, আমরা কোনো পথের ওপর নেই। তিনি বললেন, কেন নয়? [অবশ্যই তুমি একটি পথে আছ।] যখন তুমি নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রোজা রাখবে, বাইতুল্লাহর হজ্জ করবে, মেহমানদের আপ্যায়ন করবে, তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে।
টিকাঃ
৩০৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২০১৯; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৮
📄 মেহমানদারী
عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِي، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ، وَالْيَوْمِ الآخِرِ، فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، جَائِزَتُهُ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ، وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.
হযরত আবূ শুরাইহ রাযি. বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী, সে যেন মেহমানদের সম্মান করে। একদিন একরাত বিশেষ মেহমানদারি। (স্বাভাবিক) মেহমানদারি তিন দিন। এর অতিরিক্ত হলে তা তার জন্য সদকা।
عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِي، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ، وَالْيَوْمِ الآخِرِ، فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، جَائِزَتُهُ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ، وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.
হযরত আবূ শুরাইহ রাযি. বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী, সে যেন মেহমানদের সম্মান করে। একদিন একরাত বিশেষ মেহমানদারি। (স্বাভাবিক) মেহমানদারি তিন দিন। এর অতিরিক্ত হলে তা তার জন্য সদকা।
📄 ইবরাহীমী আদর্শ
আতা রহ. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালাম খাবার খাওয়ার সময় কোনো মেহমান না পেলে খাবারের সঙ্গীর তালাশে এক দুই মাইল পর্যন্ত ঘুরে আসতেন। হযরত ইকরিমা রাযি. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামের উপাধি ছিল 'আবুয যয়ফান' [মেহমানদের পিতা]। তার ঘরের চার দিকে চারটি দরজা ছিল। সেগুলো দিয়ে তিনি দেখতেন, কোনো দিক থেকে কেউ আসছে কি না।
আতা রহ. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালাম খাবার খাওয়ার সময় কোনো মেহমান না পেলে খাবারের সঙ্গীর তালাশে এক দুই মাইল পর্যন্ত ঘুরে আসতেন। হযরত ইকরিমা রাযি. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামের উপাধি ছিল 'আবুয যয়ফান' [মেহমানদের পিতা]। তার ঘরের চার দিকে চারটি দরজা ছিল। সেগুলো দিয়ে তিনি দেখতেন, কোনো দিক থেকে কেউ আসছে কি না।
📄 খাবার খাওয়ানো
হযরত আলী রাযি. বলেন, এক ছা' বা দুই ছা' খাবারে কয়েকজনকে নিয়ে খাওয়া আমার নিকট বাজারে গিয়ে কোনো গোলাম ক্রয় করে আজাদ করে দেওয়া থেকে প্রিয়। হযরত ইবনে উমর রাযি. যখন কোনো খাবার তৈরি করতেন, আর সেখান দিয়ে কেউ যেত, সে অভাবী না হলে তাকে ডাকতেন না। অভাবী হলে ডেকে নিতেন এবং বলতেন, যার চাহিদা নাই, তোমরা তাকে দাওয়াত করছ। আর যার চাহিদা আছে, তাকে ছেড়ে দিচ্ছ?
হযরত আলী রাযি. বলেন, এক ছা' বা দুই ছা' খাবারে কয়েকজনকে নিয়ে খাওয়া আমার নিকট বাজারে গিয়ে কোনো গোলাম ক্রয় করে আজাদ করে দেওয়া থেকে প্রিয়। হযরত ইবনে উমর রাযি. যখন কোনো খাবার তৈরি করতেন, আর সেখান দিয়ে কেউ যেত, সে অভাবী না হলে তাকে ডাকতেন না। অভাবী হলে ডেকে নিতেন এবং বলতেন, যার চাহিদা নাই, তোমরা তাকে দাওয়াত করছ। আর যার চাহিদা আছে, তাকে ছেড়ে দিচ্ছ?