📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 অভাবীদের খাওয়ানো, সালাম প্রচার করা এবং রাতে নামায পড়া

📄 অভাবীদের খাওয়ানো, সালাম প্রচার করা এবং রাতে নামায পড়া


عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيَّ، قَالَ: قَالَ لِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا: يَا عَطِيَّةُ احْفَظْ وَصِيَّتِي، مَا أَرَاكَ بِصَاحِبِي غَيْرَ سَفَرِي هَذَا، أَحِبَّ آلَ مُحَمَّدٍ وَصَحْبَهُ، وَأَحِبَّ مُحِبِّي آلَ مُحَمَّদٍ، وَلَوْ وَقَعُوا فِي الذُّنُوبِ، وَالْخَطَايَا، وَأَبْغِضْ مُبْغِضِي آلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَوْ كَانُوا صُوَّامًا قُوَّامًا، وَأَطْعِمِ الطَّعَامَ، وَأَفْشِ السَّلَامَ، وَصَلَّ بِاللَّيْلِ، وَالنَّاسُ نِيَامُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَا اتَّخَذَ اللَّهُ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلًا إِلَّا لإِطْعَامِهِ الطَّعَامَ، وَإِفْشَائِهِ السَّلَامَ، وَصَلَاتِهِ بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامٌ.

আতিয়া আউফি রহ. বলেন, হযরত জাবের রাযি. আমাকে বললেন, হে আতিয়া! তুমি আমার ওসিয়তটি মনে রেখো। আমার মনে হয়, এবারের পর তোমার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হবে না; মুহাম্মদ ﷺ-এর পরিবার ও সঙ্গীদের ভালোবেসো। যারা তাদের ভালোবাসে, তাদেরও ভালোবাসো। যারা মুহাম্মাদ ﷺ-এর পরিবারের প্রতি বিদ্বেষ রাখে তুমিও তাদের প্রতি বিদ্বেষ রাখো। যদিও তারা রাতে নামায পড়ে এবং দিনে রোযা রাখে। অভাবীদের খাবার খাওয়াও, সালাম প্রচার কর এবং রাতে নামায পড়ো, যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে। কারণ আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা'আলা হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামকে এ কারণেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন যে, তিনি লোকদের খাবার খাওয়াতেন, সালাম প্রচার করতেন এবং রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকত, তখন তিনি নামায পড়তেন।

عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيَّ، قَالَ: قَالَ لِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا: يَا عَطِيَّةُ احْفَظْ وَصِيَّتِي، مَا أَرَاكَ بِصَاحِبِي غَيْرَ سَفَرِي هَذَا، أَحِبَّ آلَ مُحَمَّدٍ وَصَحْبَهُ، وَأَحِبَّ مُحِبِّي آلَ مُحَمَّদٍ، وَلَوْ وَقَعُوا فِي الذُّنُوبِ، وَالْخَطَايَا، وَأَبْغِضْ مُبْغِضِي آلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَوْ كَانُوا صُوَّامًا قُوَّامًا، وَأَطْعِمِ الطَّعَامَ، وَأَفْشِ السَّلَامَ، وَصَلَّ بِاللَّيْلِ، وَالنَّاسُ نِيَامُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَا اتَّخَذَ اللَّهُ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلًا إِلَّا لإِطْعَامِهِ الطَّعَامَ، وَإِفْشَائِهِ السَّلَامَ، وَصَلَاتِهِ بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامٌ.

আতিয়া আউফি রহ. বলেন, হযরত জাবের রাযি. আমাকে বললেন, হে আতিয়া! তুমি আমার ওসিয়তটি মনে রেখো। আমার মনে হয়, এবারের পর তোমার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হবে না; মুহাম্মদ ﷺ-এর পরিবার ও সঙ্গীদের ভালোবেসো। যারা তাদের ভালোবাসে, তাদেরও ভালোবাসো। যারা মুহাম্মাদ ﷺ-এর পরিবারের প্রতি বিদ্বেষ রাখে তুমিও তাদের প্রতি বিদ্বেষ রাখো। যদিও তারা রাতে নামায পড়ে এবং দিনে রোযা রাখে। অভাবীদের খাবার খাওয়াও, সালাম প্রচার কর এবং রাতে নামায পড়ো, যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে। কারণ আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা'আলা হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামকে এ কারণেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন যে, তিনি লোকদের খাবার খাওয়াতেন, সালাম প্রচার করতেন এবং রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকত, তখন তিনি নামায পড়তেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 জান্নাতের পথ

📄 জান্নাতের পথ


عَنِ الْগَيْرَانِ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا فَقَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارَ، يَقُولُونَ: إِنَّا لَسْنَا عَلَى شَيْءٍ، فَقَالَ: بَلَى، إِذَا أَقَمْتَ الصَّلَاةَ، وَآتَيْتَ الزَّكَاةَ، وَصُمْتَ، وَحَجَجْتَ بَيْتَ اللهِ، وَقَرَيْتَ الضَّيْفَ دَخَلْتَ الْجَنَّةَ.

গায়রান বিন হুবাইস রহ. বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট এসে বলল, মুহাজির এবং আনসাররা বলছেন, আমরা কোনো পথের ওপর নেই। তিনি বললেন, কেন নয়? [অবশ্যই তুমি একটি পথে আছ।] যখন তুমি নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রোজা রাখবে, বাইতুল্লাহর হজ্জ করবে, মেহমানদের আপ্যায়ন করবে, তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে।

টিকাঃ
৩০৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২০১৯; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৮

عَنِ الْগَيْرَانِ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا فَقَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارَ، يَقُولُونَ: إِنَّا لَسْنَا عَلَى شَيْءٍ، فَقَالَ: بَلَى، إِذَا أَقَمْتَ الصَّلَاةَ، وَآتَيْتَ الزَّكَاةَ، وَصُمْتَ، وَحَجَجْتَ بَيْتَ اللهِ، وَقَرَيْتَ الضَّيْفَ دَخَلْتَ الْجَنَّةَ.

গায়রান বিন হুবাইস রহ. বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট এসে বলল, মুহাজির এবং আনসাররা বলছেন, আমরা কোনো পথের ওপর নেই। তিনি বললেন, কেন নয়? [অবশ্যই তুমি একটি পথে আছ।] যখন তুমি নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রোজা রাখবে, বাইতুল্লাহর হজ্জ করবে, মেহমানদের আপ্যায়ন করবে, তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে।

টিকাঃ
৩০৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২০১৯; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৮

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 মেহমানদারী

📄 মেহমানদারী


عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِي، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ، وَالْيَوْمِ الآخِرِ، فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، جَائِزَتُهُ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ، وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.

হযরত আবূ শুরাইহ রাযি. বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী, সে যেন মেহমানদের সম্মান করে। একদিন একরাত বিশেষ মেহমানদারি। (স্বাভাবিক) মেহমানদারি তিন দিন। এর অতিরিক্ত হলে তা তার জন্য সদকা।

عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِي، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ، وَالْيَوْمِ الآخِرِ، فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، جَائِزَتُهُ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ، وَالضَّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ، فَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ.

হযরত আবূ শুরাইহ রাযি. বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী, সে যেন মেহমানদের সম্মান করে। একদিন একরাত বিশেষ মেহমানদারি। (স্বাভাবিক) মেহমানদারি তিন দিন। এর অতিরিক্ত হলে তা তার জন্য সদকা।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 ইবরাহীমী আদর্শ

📄 ইবরাহীমী আদর্শ


আতা রহ. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালাম খাবার খাওয়ার সময় কোনো মেহমান না পেলে খাবারের সঙ্গীর তালাশে এক দুই মাইল পর্যন্ত ঘুরে আসতেন। হযরত ইকরিমা রাযি. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামের উপাধি ছিল 'আবুয যয়ফান' [মেহমানদের পিতা]। তার ঘরের চার দিকে চারটি দরজা ছিল। সেগুলো দিয়ে তিনি দেখতেন, কোনো দিক থেকে কেউ আসছে কি না।

আতা রহ. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালাম খাবার খাওয়ার সময় কোনো মেহমান না পেলে খাবারের সঙ্গীর তালাশে এক দুই মাইল পর্যন্ত ঘুরে আসতেন। হযরত ইকরিমা রাযি. বলেন, হযরত ইবরাহিম আলাইহিস্ সালামের উপাধি ছিল 'আবুয যয়ফান' [মেহমানদের পিতা]। তার ঘরের চার দিকে চারটি দরজা ছিল। সেগুলো দিয়ে তিনি দেখতেন, কোনো দিক থেকে কেউ আসছে কি না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px