📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 যার সাথে যার ভালোবাসা তার সাথে তার হাশর

📄 যার সাথে যার ভালোবাসা তার সাথে তার হাশর


عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَتَى قِيَامُ السَّاعَةِ؟ فَقَالَ: مَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟ قَالَ: مَا أَعْدَدْتُ لَهَا كَثِيرًا مِنْ صَلَاةٍ، وَلَا صِيَامٍ إِلَّا أَنِّي أُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ وَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ. قَالَ أَنَسٌ : وَمَا رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ فَرِحُوا بِشَيْءٍ كَفَرَحِهِمْ بِذَلِكَ.

হযরত আনাস বিন মালেক রাযি. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সে বলল, ফরয আদায় করা ব্যতীত অন্য কোনো নামায-রোজা আমি ততটা করিনি। তবে আমি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার সাথেই তার হাশর হবে। তুমিও তাদের সাথে থাকবে, যাদের সাথে তোমার ভালোবাসা রয়েছে। হযরত আনাস রাযি. বলেন, এই কথা শুনে মুসলমানরা এতটা খুশি হলো যে, এই রকম খুশি আর কখনও হয়নি।

টিকাঃ
২৫৮. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৬৮৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৩৯।

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَتَى قِيَامُ السَّاعَةِ؟ فَقَالَ: مَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟ قَالَ: مَا أَعْدَدْتُ لَهَا كَثِيرًا مِنْ صَلَاةٍ، وَلَا صِيَامٍ إِلَّا أَنِّي أُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ وَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ. قَالَ أَنَسٌ : وَمَا رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ فَرِحُوا بِشَيْءٍ كَفَرَحِهِمْ بِذَلِكَ.

হযরত আনাস বিন মালেক রাযি. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সে বলল, ফরয আদায় করা ব্যতীত অন্য কোনো নামায-রোজা আমি ততটা করিনি। তবে আমি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার সাথেই তার হাশর হবে। তুমিও তাদের সাথে থাকবে, যাদের সাথে তোমার ভালোবাসা রয়েছে। হযরত আনাস রাযি. বলেন, এই কথা শুনে মুসলমানরা এতটা খুশি হলো যে, এই রকম খুশি আর কখনও হয়নি।

টিকাঃ
২৫৮. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৬৮৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৩৯।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 বান্দার দোষ গোপন করা

📄 বান্দার দোষ গোপন করা


عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: ثَلَاثَةً أَقُولُهُنَّ حَقًّا لَا يَتَوَلَّى اللَّهُ عَبْدًا فِي الدُّنْيَا، ফيُوَلِّيهِ غَيْرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَيْسَ مَنْ لَهُ سَهْمٌ فِي الْإِسْلَامِ كَمَنْ لَا سَهْمَ لَهُ، وَالْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ، وَالرَّابِعُ لَوْ حَلَفْتُ عَلَيْهَا لَبَرَّتْ، لَا يَسْتُرُ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ فِي الدُّنْيَا إِلَّا سَتَرَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ.

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তিনটি কথা আমি পুরো বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি। যথা-
১. দুনিয়ায় আল্লাহ যার অভিভাবক হয়েছেন, আখেরাতে তাকে অন্যের নিকট সোপর্দ করবেন না।
২. যে ইসলামের কিছু অংশ পেয়েছে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না, ইসলামে যাদের কোনও অংশই নেই।
৩. আর কিয়ামতের ময়দানে মানুষ তার সাথে থাকবে, যার সাথে তার ভালোবাসা আছে। আর চতুর্থটি যদি আমি শপথ করেও বলি, তা মিথ্যা হবে না-
৪. দুনিয়ায় আল্লাহ তা'আলা যার পাপ গোপন রাখেন, আখেরাতেও তা গোপন রাখবেন।

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: ثَلَاثَةً أَقُولُهُنَّ حَقًّا لَا يَتَوَلَّى اللَّهُ عَبْدًا فِي الدُّنْيَا، ফيُوَلِّيهِ غَيْرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَيْسَ مَنْ لَهُ سَهْمٌ فِي الْإِسْلَامِ كَمَنْ لَا سَهْمَ لَهُ، وَالْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ، وَالرَّابِعُ لَوْ حَلَفْتُ عَلَيْهَا لَبَرَّتْ، لَا يَسْتُرُ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ فِي الدُّنْيَا إِلَّا سَتَرَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ.

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তিনটি কথা আমি পুরো বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি। যথা-
১. দুনিয়ায় আল্লাহ যার অভিভাবক হয়েছেন, আখেরাতে তাকে অন্যের নিকট সোপর্দ করবেন না।
২. যে ইসলামের কিছু অংশ পেয়েছে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না, ইসলামে যাদের কোনও অংশই নেই।
৩. আর কিয়ামতের ময়দানে মানুষ তার সাথে থাকবে, যার সাথে তার ভালোবাসা আছে। আর চতুর্থটি যদি আমি শপথ করেও বলি, তা মিথ্যা হবে না-
৪. দুনিয়ায় আল্লাহ তা'আলা যার পাপ গোপন রাখেন, আখেরাতেও তা গোপন রাখবেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিরাস

📄 হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিরাস


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ دَخَلَ السُّوقَ فَقَالَ: أَنْتُمْ هَهُنَا وَمِيرَاثُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَسَّمُ فِي الْمَسْجِدِ، فَذَهَبَ النَّاسُ إِلَى الْمَسْجِدِ، وَتَرَكُوا السُّوقَ، يَذْكُرُونَ اللهَ تَعَالَى، وَيَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ قَالَ : فَذَلِكَ مِيرَاثُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. বাজারে গেলেন। বললেন, তোমরা এখানে? অথচ হুযুর ﷺ-এর মিরাস মসজিদে বণ্টন হচ্ছে। তখন লোকজন বাজার থেকে মসজিদে গেল। (সেখানে থেকে ফিরে এসে বলল, আবূ হুরায়রা! সেখানে তো কোনও মিরাস বণ্টন হতে দেখিনি। তিনি বললেন, সেখানে কী দেখেছ? তারা বলল, দেখলাম,) একদল লোক আল্লাহর যিকির করছে এবং কুরআন তিলাওয়াত করছে। তিনি বললেন, এটাই রাসূল-এর মিরাস।

عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ : لَأَنْ أَعْدُ وَ عَلَى قَوْمٍ أَسْأَلُهُمْ عَنْ أَوَامِرِ اللَّهُ تَعَالَى، أَوْ يَسْأَلُونِي عَنْهَا، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَحْمِلَ عَلَى مِائَةِ فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ تَعَالَى.

হযরত আলকামা বিন কায়স রহ. বলেন, এমন কারও সাথে সাক্ষাৎ করা, যাদের নিকট আমি আল্লাহর আহকাম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করব, কিংবা তারা আমাকে জিজ্ঞাসা করবে, এটা আমার নিকট আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের একশত ঘোড়া দান করা থেকেও প্রিয়।

عَن أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ : مَا جَلَسَ قَوْمٌ يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى إِلَّا نَادَاهُمْ مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ، قُومُوا فَقَدْ بَدَّلْتُ سَيِّئَاتِكُمْ حَسَنَاتٍ وَغَفَرْتُ لَكُمْ جَمِيعًا، وَمَا فَعَدَتْ عِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ، يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى إِلَّا فَعَدَتْ مَعَهُمْ عِدَّتُهُمْ مِنَ الْمَلَائِكَةِ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ-এর ইরশাদ করেন, যখন একটি দল আল্লাহর যিকিরের জন্য বসে, তখন আসমান থেকে এক আহ্বানকারী ডেকে বলে, উঠে পড়ো। আমি তোমাদের পাপকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দিয়েছি। আর তোমাদের সবাইকে মাফ করে দিয়েছি। আর জমিনের ওপর একটি দল যদি আল্লাহর যিকিরের জন্য বসে তখন তাদের সাথে ফেরেশতাদেরও একটি দল বসে।

শফিক যাহেদ রহ. বলেন, আমার মজলিস থেকে যখন লোকজন ওঠে, তখন তারা তিন রকম হয়; সম্পূর্ণরূপে কাফের; সম্পূর্ণরূপে মুনাফিক ও পূর্ণ ঈমানদার। কারণ, আমি কুরআনের তাফসির করি। কাজেই যা বলি, তা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকেই বলি। যে ব্যক্তি আমার কথা সত্য মানবে না, সে কাফের। আমার কথা শুনে যার মনে সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয়, সে মুনাফিক। আর যে অতীত কাজের জন্য লজ্জিত হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো গুনাহ না করার সংকল্প করে, সে পূর্ণ মুমিন হয়ে যায়।

টিকাঃ
২৫৯. সনদে বিচ্ছিন্নতা ও অপরিচিত রাবী বিদ্যমান [তাখরীজুল ইহইয়া লিল-ইরাকী: খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৩৯৩]।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ دَخَلَ السُّوقَ فَقَالَ: أَنْتُمْ هَهُنَا وَمِيرَاثُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَسَّمُ فِي الْمَسْجِدِ، فَذَهَبَ النَّاسُ إِلَى الْمَسْجِدِ، وَتَرَكُوا السُّوقَ، يَذْكُرُونَ اللهَ تَعَالَى، وَيَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ قَالَ : فَذَلِكَ مِيرَاثُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. বাজারে গেলেন। বললেন, তোমরা এখানে? অথচ হুযুর ﷺ-এর মিরাস মসজিদে বণ্টন হচ্ছে। তখন লোকজন বাজার থেকে মসজিদে গেল। (সেখানে থেকে ফিরে এসে বলল, আবূ হুরায়রা! সেখানে তো কোনও মিরাস বণ্টন হতে দেখিনি। তিনি বললেন, সেখানে কী দেখেছ? তারা বলল, দেখলাম,) একদল লোক আল্লাহর যিকির করছে এবং কুরআন তিলাওয়াত করছে। তিনি বললেন, এটাই রাসূল-এর মিরাস।

عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ : لَأَنْ أَعْدُ وَ عَلَى قَوْمٍ أَسْأَلُهُمْ عَنْ أَوَامِرِ اللَّهُ تَعَالَى، أَوْ يَسْأَلُونِي عَنْهَا، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَحْمِلَ عَلَى مِائَةِ فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ تَعَالَى.

হযরত আলকামা বিন কায়স রহ. বলেন, এমন কারও সাথে সাক্ষাৎ করা, যাদের নিকট আমি আল্লাহর আহকাম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করব, কিংবা তারা আমাকে জিজ্ঞাসা করবে, এটা আমার নিকট আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের একশত ঘোড়া দান করা থেকেও প্রিয়।

عَن أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ : مَا جَلَسَ قَوْمٌ يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى إِلَّا نَادَاهُمْ مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ، قُومُوا فَقَدْ بَدَّلْتُ سَيِّئَاتِكُمْ حَسَنَاتٍ وَغَفَرْتُ لَكُمْ جَمِيعًا، وَمَا فَعَدَتْ عِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ، يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى إِلَّا فَعَدَتْ مَعَهُمْ عِدَّتُهُمْ مِنَ الْمَلَائِكَةِ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ-এর ইরশাদ করেন, যখন একটি দল আল্লাহর যিকিরের জন্য বসে, তখন আসমান থেকে এক আহ্বানকারী ডেকে বলে, উঠে পড়ো। আমি তোমাদের পাপকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দিয়েছি। আর তোমাদের সবাইকে মাফ করে দিয়েছি। আর জমিনের ওপর একটি দল যদি আল্লাহর যিকিরের জন্য বসে তখন তাদের সাথে ফেরেশতাদেরও একটি দল বসে।

শফিক যাহেদ রহ. বলেন, আমার মজলিস থেকে যখন লোকজন ওঠে, তখন তারা তিন রকম হয়; সম্পূর্ণরূপে কাফের; সম্পূর্ণরূপে মুনাফিক ও পূর্ণ ঈমানদার। কারণ, আমি কুরআনের তাফসির করি। কাজেই যা বলি, তা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকেই বলি। যে ব্যক্তি আমার কথা সত্য মানবে না, সে কাফের। আমার কথা শুনে যার মনে সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয়, সে মুনাফিক। আর যে অতীত কাজের জন্য লজ্জিত হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো গুনাহ না করার সংকল্প করে, সে পূর্ণ মুমিন হয়ে যায়।

টিকাঃ
২৫৯. সনদে বিচ্ছিন্নতা ও অপরিচিত রাবী বিদ্যমান [তাখরীজুল ইহইয়া লিল-ইরাকী: খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৩৯৩]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আট ধরনের লোকের সাহচর্যের ফল

📄 আট ধরনের লোকের সাহচর্যের ফল


ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি আট ধরনের লোকের সাথে উঠাবসা করে, আল্লাহ তা'আলা তার মধ্যে আটটি জিনিস বৃদ্ধি করে দেন। যথা-
১. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْأَغْنِيَاءِ ، زَادَهُ اللهُ حُبَّ الدُّنْيَا وَالرَّغْبَةَ فِيهَا অর্থাৎঃ, ধনীদের সাথে বসলে দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা ও আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
২. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْفُقَرَاءِ ، زَادَهُ اللهُ الشُّكُرَ وَالرِّضَا بِقِسْمَةِ اللَّهِ تَعَالَى অর্থাৎঃ, গরিবদের সাথে বসলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও তার বণ্টনে সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।
৩. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ السُّلْطَانِ، زَادَهُ اللهُ الْكِبْرَ، وَقَسَاوَةَ الْقَلْبِ অর্থাৎঃ, বাদশাহর সাথে বসলে অহঙ্কার ও মনের কঠোরতা বৃদ্ধি পায়।
৪. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ النِّسَاءِ ، زَادَهُ اللهُ الْجَهْلَ، وَالشَّهْوَةَ অর্থাৎঃ, নারীদের সাথে বসলে অজ্ঞতা ও কামনা বৃদ্ধি পায়।
৫. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الصِّبْيَانِ، زَادَهُ اللهُ اللَّهْوَ وَالْمِرَاحَ অর্থাৎঃ, বাচ্চাদের সাথে বসলে অর্থহীন কাজ ও কৌতুকের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
৬. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْفُسَاقِ، زَادَهُ اللهُ الْجُرْأَةَ عَلَى الذُّنُوبِ، وَالْمَعَاصِيَ وَالْإِقْدَامَ عَلَيْهَا . وَالتَّسْوِيفَ فِي التَّوْبَةِ অর্থাৎ, ফাসেকদের সাথে বসলে পাপের প্রতি সাহস বৃদ্ধি পায় এবং তাওবা করতে বিলম্ব হয়।
৭. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الصَّالِحِينَ، زَادَهُ اللهُ الرَّغْبَةَ فِي الطَّاعَاتِ وَاجْتِنَابَ الْمَحَارِمَ অর্থাৎ, নেককারদের সাথে বসলে আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়; এবং
৮. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْعُلَمَاءِ، زَادَهُ اللَّهُ الْعِلْمَ وَالْوَرَعَ অর্থাৎ, আলেমদের সাথে বসলে ইলম ও তাকওয়া বৃদ্ধি পায়।

ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি আট ধরনের লোকের সাথে উঠাবসা করে, আল্লাহ তা'আলা তার মধ্যে আটটি জিনিস বৃদ্ধি করে দেন। যথা-
১. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْأَغْنِيَاءِ ، زَادَهُ اللهُ حُبَّ الدُّنْيَا وَالرَّغْبَةَ فِيهَا অর্থাৎঃ, ধনীদের সাথে বসলে দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা ও আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
২. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْفُقَرَاءِ ، زَادَهُ اللهُ الشُّكُرَ وَالرِّضَا بِقِسْمَةِ اللَّهِ تَعَالَى অর্থাৎঃ, গরিবদের সাথে বসলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও তার বণ্টনে সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।
৩. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ السُّلْطَانِ، زَادَهُ اللهُ الْكِبْرَ، وَقَسَاوَةَ الْقَلْبِ অর্থাৎঃ, বাদশাহর সাথে বসলে অহঙ্কার ও মনের কঠোরতা বৃদ্ধি পায়।
৪. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ النِّسَاءِ ، زَادَهُ اللهُ الْجَهْلَ، وَالشَّهْوَةَ অর্থাৎঃ, নারীদের সাথে বসলে অজ্ঞতা ও কামনা বৃদ্ধি পায়।
৫. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الصِّبْيَانِ، زَادَهُ اللهُ اللَّهْوَ وَالْمِرَاحَ অর্থাৎঃ, বাচ্চাদের সাথে বসলে অর্থহীন কাজ ও কৌতুকের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
৬. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْفُسَاقِ، زَادَهُ اللهُ الْجُرْأَةَ عَلَى الذُّنُوبِ، وَالْمَعَاصِيَ وَالْإِقْدَامَ عَلَيْهَا . وَالتَّسْوِيفَ فِي التَّوْبَةِ অর্থাৎ, ফাসেকদের সাথে বসলে পাপের প্রতি সাহস বৃদ্ধি পায় এবং তাওবা করতে বিলম্ব হয়।
৭. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الصَّالِحِينَ، زَادَهُ اللهُ الرَّغْبَةَ فِي الطَّاعَاتِ وَاجْتِنَابَ الْمَحَارِمَ অর্থাৎ, নেককারদের সাথে বসলে আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়; এবং
৮. وَمَنْ جَلَسَ مَعَ الْعُلَمَاءِ، زَادَهُ اللَّهُ الْعِلْمَ وَالْوَرَعَ অর্থাৎ, আলেমদের সাথে বসলে ইলম ও তাকওয়া বৃদ্ধি পায়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px