📄 আলেমদের সাথে বসার সম্মান
বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।
এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।
বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।
এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।
📄 যিকির ও আলেমদের মজলিস
জনৈক জ্ঞানী বলেছেন, দুনিয়ার মধ্যেই আল্লাহ তা'আলার একটি জান্নাত আছে। সেখানে চলে গেলে শুধু শান্তি আর শান্তি। জিজ্ঞাসা করা হলো, সেটা কী? তিনি বললেন, সেটা হলো যিকিরের মজলিস। এক হাদীসে আছে- الْمَجْلِسُ الصَّالِحُ، يُكَفِّرُ عَنِ الْمُؤْمِنِ أَلْفَيْ أَلْفِ مَجْلِسٍ مِنْ مَجَالِسِ السُّوءِ অর্থাৎ, একটি নেক মজলিস মুমিনের জন্য বিশ লক্ষ বদ মজলিসের কাফ্ফারা হতে পারে।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : إِنَّ الرَّجُلَ لَيَخْرُجُ مِنْ مَنْزِلِهِ، وَعَلَيْهِ مِنَ الذُّنُوبِ مِثْلُ جِبَالِ تِهَامَةَ، فَإِذَا سَمِعَ الْعِلْمَ خَافَ، وَاسْتَرْجَعَ عَنْ ذُنُوبِهِ، فَانْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ، وَلَيْسَ عَلَيْهِ ذَنْبٌ، فَلَا تُفَارِقُوا مَجَالِسَ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَخْلُقُ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ بُقْعَةً أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ مِنْ مَجَالِسِ الْعُلَمَاءِ.
হযরত উমর রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার মাথার ওপর তিহামা ময়দানের পাহাড়ের সমান গুনাহ থাকে। এরপর যখন সে কোনও ইলমী কথা শোনে এবং আল্লাহর ভয় তার মনে জাগে, তখন সে গুনাহ থেকে ফিরে আসে। আর যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে। তাই কখনও আলেমদের মজলিস থেকে দূরে থাকবে না। কারণ, দুনিয়ায় আলেমদের মজলিস থেকে উত্তম কোনও জায়গা আর নেই।
টিকাঃ
২৫৭. আল-ফিরদাউস লিদ-দাইলামী: হাদীস- ৫৮৩। হাদীসটি মুরসাল।
জনৈক জ্ঞানী বলেছেন, দুনিয়ার মধ্যেই আল্লাহ তা'আলার একটি জান্নাত আছে। সেখানে চলে গেলে শুধু শান্তি আর শান্তি। জিজ্ঞাসা করা হলো, সেটা কী? তিনি বললেন, সেটা হলো যিকিরের মজলিস। এক হাদীসে আছে- الْمَجْلِسُ الصَّالِحُ، يُكَفِّرُ عَنِ الْمُؤْمِنِ أَلْفَيْ أَلْفِ مَجْلِسٍ مِنْ مَجَالِسِ السُّوءِ অর্থাৎ, একটি নেক মজলিস মুমিনের জন্য বিশ লক্ষ বদ মজলিসের কাফ্ফারা হতে পারে।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : إِنَّ الرَّجُلَ لَيَخْرُجُ مِنْ مَنْزِلِهِ، وَعَلَيْهِ مِنَ الذُّنُوبِ مِثْلُ جِبَالِ تِهَامَةَ، فَإِذَا سَمِعَ الْعِلْمَ خَافَ، وَاسْتَرْجَعَ عَنْ ذُنُوبِهِ، فَانْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ، وَلَيْسَ عَلَيْهِ ذَنْبٌ، فَلَا تُفَارِقُوا مَجَالِسَ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَخْلُقُ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ بُقْعَةً أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ مِنْ مَجَالِسِ الْعُلَمَاءِ.
হযরত উমর রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার মাথার ওপর তিহামা ময়দানের পাহাড়ের সমান গুনাহ থাকে। এরপর যখন সে কোনও ইলমী কথা শোনে এবং আল্লাহর ভয় তার মনে জাগে, তখন সে গুনাহ থেকে ফিরে আসে। আর যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে। তাই কখনও আলেমদের মজলিস থেকে দূরে থাকবে না। কারণ, দুনিয়ায় আলেমদের মজলিস থেকে উত্তম কোনও জায়গা আর নেই।
টিকাঃ
২৫৭. আল-ফিরদাউস লিদ-দাইলামী: হাদীস- ৫৮৩। হাদীসটি মুরসাল।
📄 যার সাথে যার ভালোবাসা তার সাথে তার হাশর
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَتَى قِيَامُ السَّاعَةِ؟ فَقَالَ: مَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟ قَالَ: مَا أَعْدَدْتُ لَهَا كَثِيرًا مِنْ صَلَاةٍ، وَلَا صِيَامٍ إِلَّا أَنِّي أُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ وَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ. قَالَ أَنَسٌ : وَمَا رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ فَرِحُوا بِشَيْءٍ كَفَرَحِهِمْ بِذَلِكَ.
হযরত আনাস বিন মালেক রাযি. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সে বলল, ফরয আদায় করা ব্যতীত অন্য কোনো নামায-রোজা আমি ততটা করিনি। তবে আমি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার সাথেই তার হাশর হবে। তুমিও তাদের সাথে থাকবে, যাদের সাথে তোমার ভালোবাসা রয়েছে। হযরত আনাস রাযি. বলেন, এই কথা শুনে মুসলমানরা এতটা খুশি হলো যে, এই রকম খুশি আর কখনও হয়নি।
টিকাঃ
২৫৮. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৬৮৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৩৯।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَتَى قِيَامُ السَّاعَةِ؟ فَقَالَ: مَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟ قَالَ: مَا أَعْدَدْتُ لَهَا كَثِيرًا مِنْ صَلَاةٍ، وَلَا صِيَامٍ إِلَّا أَنِّي أُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ وَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ. قَالَ أَنَسٌ : وَمَا رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ فَرِحُوا بِشَيْءٍ كَفَرَحِهِمْ بِذَلِكَ.
হযরত আনাস বিন মালেক রাযি. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার জন্য তুমি কী প্রস্তুতি নিয়েছ? সে বলল, ফরয আদায় করা ব্যতীত অন্য কোনো নামায-রোজা আমি ততটা করিনি। তবে আমি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার সাথেই তার হাশর হবে। তুমিও তাদের সাথে থাকবে, যাদের সাথে তোমার ভালোবাসা রয়েছে। হযরত আনাস রাযি. বলেন, এই কথা শুনে মুসলমানরা এতটা খুশি হলো যে, এই রকম খুশি আর কখনও হয়নি।
টিকাঃ
২৫৮. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৬৮৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৩৯।
📄 বান্দার দোষ গোপন করা
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: ثَلَاثَةً أَقُولُهُنَّ حَقًّا لَا يَتَوَلَّى اللَّهُ عَبْدًا فِي الدُّنْيَا، ফيُوَلِّيهِ غَيْرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَيْسَ مَنْ لَهُ سَهْمٌ فِي الْإِسْلَامِ كَمَنْ لَا سَهْمَ لَهُ، وَالْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ، وَالرَّابِعُ لَوْ حَلَفْتُ عَلَيْهَا لَبَرَّتْ، لَا يَسْتُرُ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ فِي الدُّنْيَا إِلَّا سَتَرَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ.
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তিনটি কথা আমি পুরো বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি। যথা-
১. দুনিয়ায় আল্লাহ যার অভিভাবক হয়েছেন, আখেরাতে তাকে অন্যের নিকট সোপর্দ করবেন না।
২. যে ইসলামের কিছু অংশ পেয়েছে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না, ইসলামে যাদের কোনও অংশই নেই।
৩. আর কিয়ামতের ময়দানে মানুষ তার সাথে থাকবে, যার সাথে তার ভালোবাসা আছে। আর চতুর্থটি যদি আমি শপথ করেও বলি, তা মিথ্যা হবে না-
৪. দুনিয়ায় আল্লাহ তা'আলা যার পাপ গোপন রাখেন, আখেরাতেও তা গোপন রাখবেন।
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: ثَلَاثَةً أَقُولُهُنَّ حَقًّا لَا يَتَوَلَّى اللَّهُ عَبْدًا فِي الدُّنْيَا، ফيُوَلِّيهِ غَيْرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَيْسَ مَنْ لَهُ سَهْمٌ فِي الْإِسْلَامِ كَمَنْ لَا سَهْمَ لَهُ، وَالْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ، وَالرَّابِعُ لَوْ حَلَفْتُ عَلَيْهَا لَبَرَّتْ، لَا يَسْتُرُ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ فِي الدُّنْيَا إِلَّا سَتَرَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ.
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তিনটি কথা আমি পুরো বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি। যথা-
১. দুনিয়ায় আল্লাহ যার অভিভাবক হয়েছেন, আখেরাতে তাকে অন্যের নিকট সোপর্দ করবেন না।
২. যে ইসলামের কিছু অংশ পেয়েছে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না, ইসলামে যাদের কোনও অংশই নেই।
৩. আর কিয়ামতের ময়দানে মানুষ তার সাথে থাকবে, যার সাথে তার ভালোবাসা আছে। আর চতুর্থটি যদি আমি শপথ করেও বলি, তা মিথ্যা হবে না-
৪. দুনিয়ায় আল্লাহ তা'আলা যার পাপ গোপন রাখেন, আখেরাতেও তা গোপন রাখবেন।