📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 সৎ ও অসৎ-সঙ্গ

📄 সৎ ও অসৎ-সঙ্গ


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : مَثَلُ جَلِيسٍ صَالِحٍ كَمَثَلِ حَامِلِ الْمِسْكِ، إِنْ لَمْ يُعْطِكَ مِنْهُ أَصَابَكَ مِنْ رِيحِهِ، وَمَثَلُ جَلِيسِ السُّوءِ كَمَثَلِ الْقَيْنِ إِنْ لَمْ يَحْرِقُ ثِيَابَكَ أَصَابَكَ مِنْ دُخَانِهِ.

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সৎসঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো মেশ্ক (সুগন্ধি)-ওয়ালার মতো। সে তোমাকে মেশ্ক না দিলেও তার সুঘ্রাণ তোমার নিকট এসে যাবেই। আর অসৎ সঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো ভাট্টির মতো [যেখানে আগুন জ্বালানো হয়]। সেখানে বসলে কাপড় পুড়ে না গেলেও ধোঁয়া, অবশ্যই আসবে।

টিকাঃ
২৫৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২১০১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬২৮।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : مَثَلُ جَلِيسٍ صَالِحٍ كَمَثَلِ حَامِلِ الْمِسْكِ، إِنْ لَمْ يُعْطِكَ مِنْهُ أَصَابَكَ مِنْ رِيحِهِ، وَمَثَلُ جَلِيسِ السُّوءِ كَمَثَلِ الْقَيْنِ إِنْ لَمْ يَحْرِقُ ثِيَابَكَ أَصَابَكَ مِنْ دُخَانِهِ.

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সৎসঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো মেশ্ক (সুগন্ধি)-ওয়ালার মতো। সে তোমাকে মেশ্ক না দিলেও তার সুঘ্রাণ তোমার নিকট এসে যাবেই। আর অসৎ সঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো ভাট্টির মতো [যেখানে আগুন জ্বালানো হয়]। সেখানে বসলে কাপড় পুড়ে না গেলেও ধোঁয়া, অবশ্যই আসবে।

টিকাঃ
২৫৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২১০১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬২৮।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নেক মজলিস ও বদ মজলিসের ফল

📄 নেক মজলিস ও বদ মজলিসের ফল


عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، كَتَبَ كَلِمَتَيْنِ، وَوَضَعَهُمَا تَحْتَ الْعَرْشِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ، وَلَمْ يُعْلِمَ الْمَلَائِكَةَ عَنْ عِلْمِهِمَا، وَأَنَا أَعْلَمُ بِهِمَا. قِيلَ : يَا أَبَا إِسْحَاقَ وَمَا هُمَا؟ قَالَ : إِحْدَاهُمَا كُتِبَ لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الصَّالِحِينَ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الْفُجَّارِ، فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ عَمَلَهُ إِثْمًا، وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْفُجَّارِ، وَالْأُخْرَى لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الْأَشْرَارِ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الصَّالِحِينَ، وَالْأَبْرَارِ، وَيُحِبُّهُمْ فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ آثَامَهُ حَسَنَاتٍ وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْأَبْرَارِ.

হযরত কা'ব আহবার রহ. বলেন, আল্লাহ তা'আলা মাখলুক সৃষ্টি করার পূর্বে আরশের নিচে দুটি কথা লিখে রেখেছেন, যার সম্বন্ধে ফেরেশতারাও জানেন না। কিন্তু আমি তা জানি। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করল, হে আবু ইসহাক! সে কথা-দুটি কী? তিনি বলেন, একটি হলো, যদি কেউ সকল নেককারদের নেক আমল করে, আর তার উঠাবসা গুনাহগারদের সাথে হয়, তা হলে তার সকল নেক আমলকে গুনাহ সাব্যস্ত করব এবং গুনাহগারদের সাথে তার হাশর করব। আর দ্বিতীয়টি হলো, কেউ যদি মন্দ লোকদের মতো আমল করে, কিন্তু নেককারদের সাথে তার উঠাবসা হয় এবং তাদের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখে, তা হলে আমি তার মন্দগুলোকে নেকি গণ্য করব এবং কিয়ামতের দিন নেককারদের সাথে তার হাশর করব।

عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، كَتَبَ كَلِمَتَيْنِ، وَوَضَعَهُمَا تَحْتَ الْعَرْشِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ، وَلَمْ يُعْلِمَ الْمَلَائِكَةَ عَنْ عِلْمِهِمَا، وَأَنَا أَعْلَمُ بِهِمَا. قِيلَ : يَا أَبَا إِسْحَاقَ وَمَا هُمَا؟ قَالَ : إِحْدَاهُمَا كُتِبَ لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الصَّالِحِينَ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الْفُجَّارِ، فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ عَمَلَهُ إِثْمًا، وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْفُجَّارِ، وَالْأُخْرَى لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الْأَشْرَارِ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الصَّالِحِينَ، وَالْأَبْرَارِ، وَيُحِبُّهُمْ فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ آثَامَهُ حَسَنَاتٍ وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْأَبْرَارِ.

হযরত কা'ব আহবার রহ. বলেন, আল্লাহ তা'আলা মাখলুক সৃষ্টি করার পূর্বে আরশের নিচে দুটি কথা লিখে রেখেছেন, যার সম্বন্ধে ফেরেশতারাও জানেন না। কিন্তু আমি তা জানি। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করল, হে আবু ইসহাক! সে কথা-দুটি কী? তিনি বলেন, একটি হলো, যদি কেউ সকল নেককারদের নেক আমল করে, আর তার উঠাবসা গুনাহগারদের সাথে হয়, তা হলে তার সকল নেক আমলকে গুনাহ সাব্যস্ত করব এবং গুনাহগারদের সাথে তার হাশর করব। আর দ্বিতীয়টি হলো, কেউ যদি মন্দ লোকদের মতো আমল করে, কিন্তু নেককারদের সাথে তার উঠাবসা হয় এবং তাদের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখে, তা হলে আমি তার মন্দগুলোকে নেকি গণ্য করব এবং কিয়ামতের দিন নেককারদের সাথে তার হাশর করব।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আলেমদের সাথে বসার সম্মান

📄 আলেমদের সাথে বসার সম্মান


বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।

এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।

বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।

এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 যিকির ও আলেমদের মজলিস

📄 যিকির ও আলেমদের মজলিস


জনৈক জ্ঞানী বলেছেন, দুনিয়ার মধ্যেই আল্লাহ তা'আলার একটি জান্নাত আছে। সেখানে চলে গেলে শুধু শান্তি আর শান্তি। জিজ্ঞাসা করা হলো, সেটা কী? তিনি বললেন, সেটা হলো যিকিরের মজলিস। এক হাদীসে আছে- الْمَجْلِسُ الصَّالِحُ، يُكَفِّرُ عَنِ الْمُؤْمِنِ أَلْفَيْ أَلْفِ مَجْلِسٍ مِنْ مَجَالِسِ السُّوءِ অর্থাৎ, একটি নেক মজলিস মুমিনের জন্য বিশ লক্ষ বদ মজলিসের কাফ্ফারা হতে পারে।

عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : إِنَّ الرَّجُلَ لَيَخْرُجُ مِنْ مَنْزِلِهِ، وَعَلَيْهِ مِنَ الذُّنُوبِ مِثْلُ جِبَالِ تِهَامَةَ، فَإِذَا سَمِعَ الْعِلْمَ خَافَ، وَاسْتَرْجَعَ عَنْ ذُنُوبِهِ، فَانْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ، وَلَيْسَ عَلَيْهِ ذَنْبٌ، فَلَا تُفَارِقُوا مَجَالِسَ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَخْلُقُ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ بُقْعَةً أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ مِنْ مَجَالِسِ الْعُلَمَاءِ.

হযরত উমর রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার মাথার ওপর তিহামা ময়দানের পাহাড়ের সমান গুনাহ থাকে। এরপর যখন সে কোনও ইলমী কথা শোনে এবং আল্লাহর ভয় তার মনে জাগে, তখন সে গুনাহ থেকে ফিরে আসে। আর যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে। তাই কখনও আলেমদের মজলিস থেকে দূরে থাকবে না। কারণ, দুনিয়ায় আলেমদের মজলিস থেকে উত্তম কোনও জায়গা আর নেই।

টিকাঃ
২৫৭. আল-ফিরদাউস লিদ-দাইলামী: হাদীস- ৫৮৩। হাদীসটি মুরসাল।

জনৈক জ্ঞানী বলেছেন, দুনিয়ার মধ্যেই আল্লাহ তা'আলার একটি জান্নাত আছে। সেখানে চলে গেলে শুধু শান্তি আর শান্তি। জিজ্ঞাসা করা হলো, সেটা কী? তিনি বললেন, সেটা হলো যিকিরের মজলিস। এক হাদীসে আছে- الْمَجْلِسُ الصَّالِحُ، يُكَفِّرُ عَنِ الْمُؤْمِنِ أَلْفَيْ أَلْفِ مَجْلِسٍ مِنْ مَجَالِسِ السُّوءِ অর্থাৎ, একটি নেক মজলিস মুমিনের জন্য বিশ লক্ষ বদ মজলিসের কাফ্ফারা হতে পারে।

عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : إِنَّ الرَّجُلَ لَيَخْرُجُ مِنْ مَنْزِلِهِ، وَعَلَيْهِ مِنَ الذُّنُوبِ مِثْلُ جِبَالِ تِهَامَةَ، فَإِذَا سَمِعَ الْعِلْمَ خَافَ، وَاسْتَرْجَعَ عَنْ ذُنُوبِهِ، فَانْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ، وَلَيْسَ عَلَيْهِ ذَنْبٌ، فَلَا تُفَارِقُوا مَجَالِسَ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا اللَّهَ تَعَالَى لَمْ يَخْلُقُ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ بُقْعَةً أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ مِنْ مَجَالِسِ الْعُلَمَاءِ.

হযরত উমর রাযি. বলেন, এক ব্যক্তি যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার মাথার ওপর তিহামা ময়দানের পাহাড়ের সমান গুনাহ থাকে। এরপর যখন সে কোনও ইলমী কথা শোনে এবং আল্লাহর ভয় তার মনে জাগে, তখন সে গুনাহ থেকে ফিরে আসে। আর যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে। তাই কখনও আলেমদের মজলিস থেকে দূরে থাকবে না। কারণ, দুনিয়ায় আলেমদের মজলিস থেকে উত্তম কোনও জায়গা আর নেই।

টিকাঃ
২৫৭. আল-ফিরদাউস লিদ-দাইলামী: হাদীস- ৫৮৩। হাদীসটি মুরসাল।

ফন্ট সাইজ
15px
17px