📄 যিকিরকারীদের নিকট যে বসে, সে বঞ্চিত হয় না
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : إِنَّ اللَّهِ تَعَالَى مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ، فَإِذَا وَجَدُوا قَوْمًا يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى تَنَادَوْا وَقَالُوا : هَلُمُوا إِلَى بُغْيَتِكُمْ، فَيَجِيتُونَ فَيَحُفُونَ بِهِمْ، فَإِذَا صَعَدُوا إِلَى السَّمَاءِ فَيَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى : عَلَى أَيِّ شَيْءٍ تَرَكْتُمْ عِبَادِي يَصْنَعُونَ؟ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ، قَالُوا: تَرَكْنَاهُمْ يَحْمَدُونَكَ وَيُسَبِّحُونَكَ وَيَذْكُرُونَكَ. فَيَقُولُ: فَأَيُّ شَيْءٍ يَطْلُبُونَ؟ فَيَقُولُونَ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: هَلْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَا فَيَقُولُ: فَكَيْفَ لَوْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَوْ رَأَوْهَا لَكَانُوا أَشَدَّ لَهَا طَلَبًا وَأَشَدَّ عَلَيْهَا حِرْصًا. فَيَقُولُ: فَمِنْ أَيِّ شَيْءٍ يَتَعَوَّذُونَ؟ فَيَقُولُونَ: يَتَعَوَّذُونَ مِنَ النَّارِ. فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: هَلْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَا ، فَيَقُولُ : كَيْفَ لَوْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ : لَوْ رَأَوْهَا لَكَانُوا أَشَدَّ مِنْهَا هَرَبًا وَأَشَدَّ مِنْهَا خَوْفًا، فَيَقُولُ : إِنِّي أُشْهِدُكُمْ يَا مَلَائِكَتِي أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ ، فَيَقُولُونَ : إِنَّ فِيهِمْ فُلَانًا الْخَاتِيءَ لَمْ يُرِدْهُمْ وَإِنَّمَا جَاءَهُمْ لِحَاجَةٍ فَيَقُولُ : هُمُ الْقَوْمُ لَا يَشْقَى جَلِيسُهُمْ.
হযর আবু সাঈদ খুদরি রাযি. বলেন, হুযুর ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা'আলার কতক ফেরেশতা এমন আছে, যারা দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করে। যখন কোনও মজলিস দেখতে পায়, যেখানে আল্লাহর যিকির হচ্ছে, তখন একে অপরকে ডাকতে থাকে, এসো! তোমাদের লক্ষ্যবস্তু এখানে আছে। তখন সবাই এসে পড়ে এবং লোকদের ঘিরে ফেলে। এরপর যখন তারা আসমানে যায়, আল্লাহ তা'আলা (সবকিছু জানা সত্ত্বেও) তাদের জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দাদেরকে কোন অবস্থায় রেখে এসেছ? তারা বলে, তারা তোমার প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করছে, তোমার যিকির করছে। আল্লাহ বলেন, তারা কী চায়? ফেরেশতারা আরজ করে, তারা তোমার জান্নাত চায়। আল্লাহ বলেন, তারা কি আমার জান্নাত দেখেছে? ফেরেশতারা বলে, দেখেনি। আল্লাহ বলেন, তারা যদি জান্নাত দেখতে পেত, তা হলে কী হতো? ফেরেশতারা বলে, তা হলে তারা আরও বেশি চাইত এবং তার প্রতি আরও বেশি আকাঙ্ক্ষী হতো। আল্লাহ তা'আলা আবার জিজ্ঞাসা করেন, তারা কীসের থেকে আশ্রয় চায়? ফেরেশতারা বলে, জাহান্নাম থেকে। আল্লাহ বলেন, তারা কি জাহান্নাম দেখেছে? ফেরেশতারা বলে, না। ইরশাদ হয়, তারা যদি তা দেখতে পেত, তা হলে কী হতো? ফেরেশতারা বলে, তা হলে তারা আরও বেশি ভয় করত এবং তা থেকে পলায়ন করত। এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে আমার ফেরেশতারা! আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম। তখন ফেরেশতারা বলেন, তোমার অমুক গুনাহগার বান্দা তো তাদের নিকট শুধুমাত্র নিজের কোনও প্রয়োজনে এসছিল। তখন ইরশাদ হয়, এরা তো এমন একটি দল, যাদের নিকট বসে কেউ বঞ্চিত হয় না।
টিকাঃ
২৫৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬৪০৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৮৯।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : إِنَّ اللَّهِ تَعَالَى مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ، فَإِذَا وَجَدُوا قَوْمًا يَذْكُرُونَ اللَّهَ تَعَالَى تَنَادَوْا وَقَالُوا : هَلُمُوا إِلَى بُغْيَتِكُمْ، فَيَجِيتُونَ فَيَحُفُونَ بِهِمْ، فَإِذَا صَعَدُوا إِلَى السَّمَاءِ فَيَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى : عَلَى أَيِّ شَيْءٍ تَرَكْتُمْ عِبَادِي يَصْنَعُونَ؟ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ، قَالُوا: تَرَكْنَاهُمْ يَحْمَدُونَكَ وَيُسَبِّحُونَكَ وَيَذْكُرُونَكَ. فَيَقُولُ: فَأَيُّ شَيْءٍ يَطْلُبُونَ؟ فَيَقُولُونَ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: هَلْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَا فَيَقُولُ: فَكَيْفَ لَوْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَوْ رَأَوْهَا لَكَانُوا أَشَدَّ لَهَا طَلَبًا وَأَشَدَّ عَلَيْهَا حِرْصًا. فَيَقُولُ: فَمِنْ أَيِّ شَيْءٍ يَتَعَوَّذُونَ؟ فَيَقُولُونَ: يَتَعَوَّذُونَ مِنَ النَّارِ. فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: هَلْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ: لَا ، فَيَقُولُ : كَيْفَ لَوْ رَأَوْهَا؟ فَيَقُولُونَ : لَوْ رَأَوْهَا لَكَانُوا أَشَدَّ مِنْهَا هَرَبًا وَأَشَدَّ مِنْهَا خَوْفًا، فَيَقُولُ : إِنِّي أُشْهِدُكُمْ يَا مَلَائِكَتِي أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ ، فَيَقُولُونَ : إِنَّ فِيهِمْ فُلَانًا الْخَاتِيءَ لَمْ يُرِدْهُمْ وَإِنَّمَا جَاءَهُمْ لِحَاجَةٍ فَيَقُولُ : هُمُ الْقَوْمُ لَا يَشْقَى جَلِيسُهُمْ.
হযর আবু সাঈদ খুদরি রাযি. বলেন, হুযুর ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা'আলার কতক ফেরেশতা এমন আছে, যারা দুনিয়ায় ঘোরাফেরা করে। যখন কোনও মজলিস দেখতে পায়, যেখানে আল্লাহর যিকির হচ্ছে, তখন একে অপরকে ডাকতে থাকে, এসো! তোমাদের লক্ষ্যবস্তু এখানে আছে। তখন সবাই এসে পড়ে এবং লোকদের ঘিরে ফেলে। এরপর যখন তারা আসমানে যায়, আল্লাহ তা'আলা (সবকিছু জানা সত্ত্বেও) তাদের জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দাদেরকে কোন অবস্থায় রেখে এসেছ? তারা বলে, তারা তোমার প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করছে, তোমার যিকির করছে। আল্লাহ বলেন, তারা কী চায়? ফেরেশতারা আরজ করে, তারা তোমার জান্নাত চায়। আল্লাহ বলেন, তারা কি আমার জান্নাত দেখেছে? ফেরেশতারা বলে, দেখেনি। আল্লাহ বলেন, তারা যদি জান্নাত দেখতে পেত, তা হলে কী হতো? ফেরেশতারা বলে, তা হলে তারা আরও বেশি চাইত এবং তার প্রতি আরও বেশি আকাঙ্ক্ষী হতো। আল্লাহ তা'আলা আবার জিজ্ঞাসা করেন, তারা কীসের থেকে আশ্রয় চায়? ফেরেশতারা বলে, জাহান্নাম থেকে। আল্লাহ বলেন, তারা কি জাহান্নাম দেখেছে? ফেরেশতারা বলে, না। ইরশাদ হয়, তারা যদি তা দেখতে পেত, তা হলে কী হতো? ফেরেশতারা বলে, তা হলে তারা আরও বেশি ভয় করত এবং তা থেকে পলায়ন করত। এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে আমার ফেরেশতারা! আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম। তখন ফেরেশতারা বলেন, তোমার অমুক গুনাহগার বান্দা তো তাদের নিকট শুধুমাত্র নিজের কোনও প্রয়োজনে এসছিল। তখন ইরশাদ হয়, এরা তো এমন একটি দল, যাদের নিকট বসে কেউ বঞ্চিত হয় না।
টিকাঃ
২৫৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬৪০৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬৮৯।
📄 সৎ ও অসৎ-সঙ্গ
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : مَثَلُ جَلِيسٍ صَالِحٍ كَمَثَلِ حَامِلِ الْمِسْكِ، إِنْ لَمْ يُعْطِكَ مِنْهُ أَصَابَكَ مِنْ رِيحِهِ، وَمَثَلُ جَلِيسِ السُّوءِ كَمَثَلِ الْقَيْنِ إِنْ لَمْ يَحْرِقُ ثِيَابَكَ أَصَابَكَ مِنْ دُخَانِهِ.
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সৎসঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো মেশ্ক (সুগন্ধি)-ওয়ালার মতো। সে তোমাকে মেশ্ক না দিলেও তার সুঘ্রাণ তোমার নিকট এসে যাবেই। আর অসৎ সঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো ভাট্টির মতো [যেখানে আগুন জ্বালানো হয়]। সেখানে বসলে কাপড় পুড়ে না গেলেও ধোঁয়া, অবশ্যই আসবে।
টিকাঃ
২৫৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২১০১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬২৮।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : مَثَلُ جَلِيسٍ صَالِحٍ كَمَثَلِ حَامِلِ الْمِسْكِ، إِنْ لَمْ يُعْطِكَ مِنْهُ أَصَابَكَ مِنْ رِيحِهِ، وَمَثَلُ جَلِيسِ السُّوءِ كَمَثَلِ الْقَيْنِ إِنْ لَمْ يَحْرِقُ ثِيَابَكَ أَصَابَكَ مِنْ دُخَانِهِ.
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সৎসঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো মেশ্ক (সুগন্ধি)-ওয়ালার মতো। সে তোমাকে মেশ্ক না দিলেও তার সুঘ্রাণ তোমার নিকট এসে যাবেই। আর অসৎ সঙ্গের দৃষ্টান্ত হলো ভাট্টির মতো [যেখানে আগুন জ্বালানো হয়]। সেখানে বসলে কাপড় পুড়ে না গেলেও ধোঁয়া, অবশ্যই আসবে।
টিকাঃ
২৫৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-২১০১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬২৮।
📄 নেক মজলিস ও বদ মজলিসের ফল
عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، كَتَبَ كَلِمَتَيْنِ، وَوَضَعَهُمَا تَحْتَ الْعَرْشِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ، وَلَمْ يُعْلِمَ الْمَلَائِكَةَ عَنْ عِلْمِهِمَا، وَأَنَا أَعْلَمُ بِهِمَا. قِيلَ : يَا أَبَا إِسْحَاقَ وَمَا هُمَا؟ قَالَ : إِحْدَاهُمَا كُتِبَ لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الصَّالِحِينَ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الْفُجَّارِ، فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ عَمَلَهُ إِثْمًا، وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْفُجَّارِ، وَالْأُخْرَى لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الْأَشْرَارِ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الصَّالِحِينَ، وَالْأَبْرَارِ، وَيُحِبُّهُمْ فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ آثَامَهُ حَسَنَاتٍ وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْأَبْرَارِ.
হযরত কা'ব আহবার রহ. বলেন, আল্লাহ তা'আলা মাখলুক সৃষ্টি করার পূর্বে আরশের নিচে দুটি কথা লিখে রেখেছেন, যার সম্বন্ধে ফেরেশতারাও জানেন না। কিন্তু আমি তা জানি। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করল, হে আবু ইসহাক! সে কথা-দুটি কী? তিনি বলেন, একটি হলো, যদি কেউ সকল নেককারদের নেক আমল করে, আর তার উঠাবসা গুনাহগারদের সাথে হয়, তা হলে তার সকল নেক আমলকে গুনাহ সাব্যস্ত করব এবং গুনাহগারদের সাথে তার হাশর করব। আর দ্বিতীয়টি হলো, কেউ যদি মন্দ লোকদের মতো আমল করে, কিন্তু নেককারদের সাথে তার উঠাবসা হয় এবং তাদের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখে, তা হলে আমি তার মন্দগুলোকে নেকি গণ্য করব এবং কিয়ামতের দিন নেককারদের সাথে তার হাশর করব।
عَنْ كَعْبِ الْأَحْبَارِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ : إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، كَتَبَ كَلِمَتَيْنِ، وَوَضَعَهُمَا تَحْتَ الْعَرْشِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ الْخَلْقَ، وَلَمْ يُعْلِمَ الْمَلَائِكَةَ عَنْ عِلْمِهِمَا، وَأَنَا أَعْلَمُ بِهِمَا. قِيلَ : يَا أَبَا إِسْحَاقَ وَمَا هُمَا؟ قَالَ : إِحْدَاهُمَا كُتِبَ لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الصَّالِحِينَ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الْفُجَّارِ، فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ عَمَلَهُ إِثْمًا، وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْفُجَّارِ، وَالْأُخْرَى لَوْ كَانَ رَجُلٌ يَعْمَلُ عَمَلَ جَمِيعَ الْأَشْرَارِ بَعْدَ أَنْ تَكُونَ صُحْبَتُهُ مَعَ الصَّالِحِينَ، وَالْأَبْرَارِ، وَيُحِبُّهُمْ فَأَنَا الَّذِي أَجْعَلُ آثَامَهُ حَسَنَاتٍ وَأَحْشُرُهُ يَوْমَ الْقِيَامَةِ مَعَ الْأَبْرَارِ.
হযরত কা'ব আহবার রহ. বলেন, আল্লাহ তা'আলা মাখলুক সৃষ্টি করার পূর্বে আরশের নিচে দুটি কথা লিখে রেখেছেন, যার সম্বন্ধে ফেরেশতারাও জানেন না। কিন্তু আমি তা জানি। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করল, হে আবু ইসহাক! সে কথা-দুটি কী? তিনি বলেন, একটি হলো, যদি কেউ সকল নেককারদের নেক আমল করে, আর তার উঠাবসা গুনাহগারদের সাথে হয়, তা হলে তার সকল নেক আমলকে গুনাহ সাব্যস্ত করব এবং গুনাহগারদের সাথে তার হাশর করব। আর দ্বিতীয়টি হলো, কেউ যদি মন্দ লোকদের মতো আমল করে, কিন্তু নেককারদের সাথে তার উঠাবসা হয় এবং তাদের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখে, তা হলে আমি তার মন্দগুলোকে নেকি গণ্য করব এবং কিয়ামতের দিন নেককারদের সাথে তার হাশর করব।
📄 আলেমদের সাথে বসার সম্মান
বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।
এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।
বলা হয়ে থাকে, যে ব্যক্তি কোনও আলেমের মজলিসে উপস্থিত থাকে, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই শিখতে পারে না, তবুও সে সাতটি সম্মানে ভূষিত হয়। যথা-
১. শিক্ষার্থীর মর্যাদা লাভ করে।
২. যতক্ষণ সেখানে থাকে, ততক্ষণ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে।
৩. যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন তার ওপর রহমত নাযিল হতে থাকে।
৪. মজলিসে বসার পর সেখানে নাযিল হওয়া রহমতও সে পায়।
৫. যতক্ষণ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য নেকি লেখা হতে থাকে।
৬. ফেরেশতারা খুশি হয়ে মজলিসের লোকদের তাদের ডানা দিয়ে বেষ্টন করে নেন, আর সেও তাদের মধ্যে থাকে।
৭. প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং সওয়াব লেখা হয়।
এরপর আল্লাহ তা'আলা তাকে আরও ছয়টি সম্মান দান করেন-
১. আলেমদের মজলিসের প্রতি তার মহব্বত সৃষ্টি হয়।
২. তার অনুসরণকারীর সওয়াবও সে পায় অথচ অনুসরণকারীর সওয়াবে কমতি হয় না।
৩. মজলিসের একজনেরও যদি গুনাহ মাফ হয়ে যায়, সে অন্যদের জন্য সুপারিশ করবে।
৪. ফাসেকদের মজলিসের প্রতি ভালোবাসা কমতে থাকে।
৫. শিক্ষার্থী ও নেককারদের মধ্যে সে গণ্য হয়।
৬. আল্লাহ তা'আলার হুকুম আদায়কারী গণ্য হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ 'তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও।' উদ্দেশ্য হলো, তোমরা আলেম ও ফকীহ হয়ে যাও। এই সম্মান তার জন্য, যে মজলিস থেকে কিছুই শিখতে পারেনি। আর যে শিখতে পেরেছে, সে তো এর থেকেও অনেক বেশি মর্যাদা পাবে।