📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 যিকির সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত

📄 যিকির সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত


ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, আল্লাহর যিকির হলো, সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। কারণ, আল্লাহ তা'আলা সব ইবাদতের জন্য সময় ও পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু যিকিরের কোনো পরিমাণ বা সময় নির্ধারণ করে দেননি। বরং বেশি বেশি যিকির করতে বলেছেন। যেমন, কুরআনে এসেছে- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا اللَّهَ ذِكْرًا كَثِيرًا অর্থ: হে মুমিনগণ, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহর যিকির কর। অর্থাৎ, তোমরা সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির কর।
মানুষের চার অবস্থা। সে এর যে কোনো এক অবস্থাতেই থাকে-
১. এবাদতরত অবস্থায়। যদি ইবাদতরত অবস্থায় থাকে তাহলে আল্লাহ যে তাকে ইবাদতের তাওফীক দিয়েছেন এর জন্য শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং আল্লাহ যেন তার ইবাদত কবুল করেন তার জন্য দোয়া করতে হবে। আর এর নামই যিকির।
২. নাফরমানি বা গুনাহে লিপ্ত অবস্থায়। বান্দা যদি গুনাহে লিপ্ত থাকে তাহলে তা থেকে তওবা করতে হবে। আর এটাই যিকির।
৩. সচ্ছল অবস্থায়। আল্লাহ যদি তাকে সুখে রাখেন তাহলে শোকর আদায় করতে হবে। আর শোকর আদায় করাই যিকির।
৪. অসচ্ছল অবস্থায়। বান্দা যদি অভাব-অনটনে থাকে তাহলে তাকে সবর ইখতিয়ার করতে হবে। আর এটাও এক ধরনের যিকির।

টিকাঃ
১৬৩. সূরা আহযাব ৪১

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 যিকিরের ফলাফল

📄 যিকিরের ফলাফল


জেনে রাখো! যিকিরে পাঁচ ধরনের প্রশংসনীয় দিক রয়েছে। যথা-
১. أَنَّ فِيهِ رِضَا اللَّهِ تَعَالَى অর্থাৎ, এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে।
২. أَنَّهُ يَزِيدُ فِي الْحِرْضِ عَلَى الطَّاعَاتِ অর্থাৎ, এতে নেক কাজের উদ্দীপনা রয়েছে।
৩. أَنَّ فِيهِ حِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ অর্থাৎ, এতে শয়তানের প্ররোচনা থেকে হেফাজত রয়েছে।
৪. أَنَّهُ فِيهِ رِقَّةُ الْقَلْبِ অর্থাৎ, এতে অন্তরের নম্রতা রয়েছে।
৫. أَنْ يَمْنَعَهُ مِنَ الْمَعَاصِي অর্থাৎ, এতে পাপকর্মের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px