📄 অনুগ্রহ করা
عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَّا رَحِيمٌ. قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ كُلُّنَا رَحِيمٌ . قَالَ : لَيْسَ رَحْمَةُ أَحَدِكُمْ نَفْسَهُ خَاصَّةً، وَلৈাকিন্ হাত্তা ইয়ারহামান নাসা আম্মাতান, ওয়ালা ইয়ারহামুহুম ইল্লাল্লাহু তায়ালা।
হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, দয়ালু ব্যক্তি ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সবাই তো দয়ালু। তিনি বললেন, নিজের প্রতি দয়া করে দয়াবান হওয়া উদ্দেশ্য নয়। বরং দয়াবান তো সে, যে সাধারণ মানুষ, আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে দয়া করার কেউ নেই তাদেরকে দয়া করে।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: إِذَا رَأَيْتُمْ أَخَاكُمْ قَدْ أَصَابَهُ جَزَاءٌ فَلَا تَلْعَنُوهُ، وَلَا تُعِينُوا عَلَيْهِ الشَّيْطَانَ، وَلُكِنْ قُولُوا اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ.
হযরত আব্দুল্লাহ রহ. বলেন, কাউকে স্বীয় অপকর্মের ফল ভোগ করতে দেখলে তাকে ভর্ৎসনা করবে না। কারণ, এতে শয়তান খুশি হয়। বরং তার জন্য দোয়া করবে, হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম করুন, তাকে ক্ষমা করে দিন।
عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ : صَعِدَ النُّعْمَانُ بْنُ بَشِيرٍ الْمِنْبَرَ، فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، يَقُولُ: يَنْبَغِي لِلْمُسْلِمِينَ أَنْ يَكُونُوا بَيْنَهُمْ بِنَصِيحَةِ بَعْضِهِمْ بَعْضًا، وَتَرَاحُمِهِمْ بَيْنَهُمْ كَمَثَلِ الْعُضْوِ مِنَ الْجَسَدِ إِذَا اشْتَكَى بَعْضُهُ تَدَاعَى الْجَسَدُ كُلُّهُ بِالسَّهَرِ حَتَّى يَذْهَبَ الْأَلَمُ مِنْ ذَلِكَ الْعُضْوِ.
হযরত শা'বী রহ. থেকে বর্ণিত। হযরত নুমান ইবনে বশীর রাযি. মিম্বরে উঠে হামদ্ ও সানা পাঠ করে বললেন, আমি রাসূলকে বলতে শুনেছি, মুসলমান যেন পরস্পর মঙ্গল কামনা করে এবং সহমর্মিতা দেখায়। কারণ, সকল মুসলমান একটি দেহের ন্যায়। একটি অঙ্গ কষ্ট পেলে, সর্বাঙ্গ কষ্ট পায়।
টিকাঃ
১১৩. হাদীসটি ইয়াম তুবারানী সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৮/১৮৭]।
১১৪. হাদীসটি ইমাম ত্ববারানী বর্ণনা করেছেন। সনদের রাবীগণ সবাই বিশ্বস্ত; তবে আবু উবাইদা তার পিতা ইবনে মাসউদ থেকে শ্রবণ করেননি [মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৬/২৪৭]
১১৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬০১১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৫৮৬।
📄 হযরত উমর রাযি.-এর ঘটনা
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : بَيْنَمَا عُمَرُ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، يَعُسُّ ذَاتَ لَيْلَةٍ إِذْ مَرَّ بِرِفْقَةٍ قَدْ نَزَلَتْ، فَخَشِيَ عَلَيْهِمُ السَّرِقَةَ، فَأَتَى عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، فَقَالَ مَا الَّذِي جَاءَ بِكَ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ? قَالَ: مَرَّتُ بِرِفْقَةٍ قَدْ نَزَلَتْ، فَحَدَّثَتْنِي نَفْسِي أَنَّهُمْ إِذَا بَاتُوا نَامُوا، فَخَشِيتُ عَلَيْهِمُ السَّرِقَةَ، فَانْطَلِقْ بِنَا نَحْرُسْهُمْ قَالَ : فَانْطَلَقْنَا، فَقَعَدَا قَرِيبًا مِنَ الرَّفْقَةِ يَحْرُسَانِ حَتَّى إِذَا رَأَيَا الصُّبْحَ نَادَى عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ يَا أَهْلَ الرِّفْقَةِ الصَّلاةَ الصَّلَاةَ مِرَارًا، حَتَّى إِذَا رَآهُمْ تَحَرَّكُوا قَامَا فَرَجَعَا.
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. বলেন, হযরত উমর রাযি. খলীফা থাকাকালে রাতে ঘুরে ঘুরে দেখতেন কোথাও কোনো সমস্যা আছে কি-না। এক রাতে তিনি বের হয়ে দেখতে পেলেন শহরে একটি নতুন ব্যবসায়ী কাফেলা এসেছে। তার আশঙ্কা হলো কাফেলাটির কিছু চুরি হতে পারে। তাই তিনি হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযি.-এর নিকট গেলেন। খলিফা অসময়ে আসার কারণ জিজ্ঞেস করে তিনি বললেন, খলীফা, এত রাতে আপনি! তিনি বললেন, শহরে একটি নতুন কাফেলা এসেছে। আমার আশঙ্কা হয় যে, তারা রাতে ঘুমিয়ে পড়লে তাদের মাল চুরি হয়ে যাবে। চল আমার সাথে, আমরা তাদের পাহারা দেই। তারা বের হয়ে কাফেলার অনতিদূরে এক স্থানে বসে সারারাত পাহারা দিলেন। ভোর হলে তিনি তাদেরকে ডেকে বললেন, নামাযের জন্য উঠুন! নামাযের জন্য উঠুন! তারা ঘুম থেকে উঠলে দু'জন ফিরে গেলেন।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, সুতরাং আমাদের উচিত পূর্বসূরীদের আদর্শ অনুসরণ করে পরস্পর সহমর্মী হওয়া। কারণ, আল্লাহ তা'আলা নবী ﷺ-এর সাহাবীদের এই গুণের প্রশংসা করে বলেছেন, রুহামাউ বাইনাহুম অর্থ: তারা পরস্পর সহমর্মী। তাঁরা ছিলেন পরস্পর সহমর্মী, সকল সৃষ্টির প্রতি দয়াপ্রবণ। যিম্মিদের প্রতিও তারা দয়াবান ছিলেন।
عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ رأَى رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الذِّمَّةِ، يَسْأَلُ عَلَى أَبْوَابِ النَّاسِ، وَهُوَ شَيْخٌ كَبِيرٌ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ : مَا أَنْصَفْنَاكَ أَخَذْنَا مِنْكَ الْجِزْيَةَ مَا دُمْتَ شَابًّا، ثُمَّ ضَيَّعْنَاكَ الْيَوْمَ، وَأَمَرَ بِأَنْ يَجْرِيَ عَلَيْهِ قُوتُهُ مِنْ بَيْتِ مَالِ الْمُسْلِمِينَ.
হযরত উমর রাযি.-এর ঘটনা বর্ণিত আছে। তিনি এক যিম্মী বৃদ্ধকে ভিক্ষা করতে দেখে বললেন, আমরা তার প্রতি ইনসাফ করিনি। কারণ, যুবক থাকা অবস্থায় আমরা তার কাছে জিযিয়া নিয়েছি। আর আজ কোনো খোঁজ-খবর রাখি না। অতঃপর তিনি তাকে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ভাতা দেওয়ার আদেশ করেন।
عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، أَنَّهُ قَالَ : رَأَيْتُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ عَلَى قِتْبٍ وَهُوَ يَعْدُو بِالْأَبْطَحِ فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ : أَيْنَ تَصِيرُ? فَقَالَ : بَعِيرٌ نَدَّ مِنَ الصَّدَقَةِ فَأَنَا أَطْلُبُهُ ، فَقُلْتُ لَهُ : لَقَدْ أَذْلَلْتَ الْخُلَفَاءَ مِنْ بَعْدِكَ ، فَقَالَ : لَا تَلُمْنِي يَا أَبَا الْحَسَنِ، فَوَالَّذِي بَعَثَ مُحَمَّدًا ﷺ بِالنُّبُوَّةِ لَوْ أَنَّ عَنَاقًا ذَهَبَ بِشَاطِئِ الْفُرَاتِ، لَأُوخِذَ بِهَا عُمَرُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِأَنَّهُ لَا حُرْمَةَ لِوَالٍ ضَيَّعَ الْمُسْلِمِينَ وَلَا لِفَاسِقٍ رَوَّعَ الْمُؤْمِنِينَ.
হযরত আলী রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা আমি হযরত উমর রাযি. কে দেখতে পেলাম, তিনি হাওদায় বসে পাথুরে জমিনের উপর দিয়ে দ্রুত কোথাও যাচ্ছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, খলীফা! কোথায় যাচ্ছেন? তিনি উত্তর দিলেন, সদকার একটি উট হারিয়ে গেছে, তার খোঁজে বেরিয়েছি। আমি বললাম, আপনি তো আপনার পরবর্তী খলীফাদের ভালো ঝামেলায় ফেলে যাচ্ছেন। তিনি বললেন, হাসানের বাপ! আমাকে মন্দ বল না। সে সত্তার শপথ! যিনি মুহাম্মদকে নবুয়্যাত দিয়েছেন। ফুরাত নদীর তীরে একটি কুকুর যদি না খেয়ে মারা যায় তাহলে উমরকে কিয়ামতের দিন তার জন্য পাকড়াও করা হবে। কারণ, যে মুসলিম শাসক প্রজাদের খোঁজখবর রাখে না, সে শাসকের কোনো রক্ষা নেই। আর সে গুনাহগারের রক্ষা নেই, যে মুসলমানদের মাঝে আতঙ্ক ছড়ায়।
عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ : بُدَلَاءُ أُمَّتِي لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِكَثْرَةِ صَلَاةٍ وَلَا صِيَامٍ، وَلَكِنْ يَرْحَمُهُمُ اللهُ تَعَالَى بِسَلَامَةِ الصُّدُورِ، وَسَخَاوَةِ النَّفْسِ، وَالرَّحْمَةِ لِجَمِيعِ الْمُسْلِمِينَ.
হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের নেককাররা অধিক নামায-রোজার কারণে জান্নাতে যাবে না। তারা বরং জান্নাতে যাবে অন্তরের নিষ্কলুষতা, মনের উদারতা এবং মানুষের প্রতি দয়া করার কারণে।
টিকাঃ
১১৬. সূরা ফাত্হ: আয়াত-২৯
১১৭. আল-কামেল লি-ইবনে আদী : ৬/২৮৯; শুআবুল ঈমান হাদীস-৩৪৯৩; হাফেজ যাহাবী, ইবনে আদী ও ইবনে হাজার আসকালানী প্রমুখ হাদীসটিকে মুনকার বলেছেন [লিসানুল মিযান: ৭/৩০৭; তারিখুল ইসলাম লিয-যাহাবী: ২১/২৭৩]।
📄 এক মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের হক
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ : أَرْبَعٌ مِنْ حَقِّ الْمُسْلِمِينَ عَلَيْكَ أَنْ تُعِينَ مُحْسِنَهُمْ، وَأَنْ تَسْتَغْفِرَ لِمُذْنِبِهِمْ، وَأَنْ تَدْعُوَ لِمُدْبِرِهِمْ، وَأَنْ تُحِبَّ تَائِبَهُمْ.
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, তোমার উপর মুসলমানদের চারটি হক রয়েছে। যথা- ১. নেককারদের সহযোগিতা করা। ২. গুনাহগারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। ৩. জেহাদ থেকে পলায়নকারীদের জন্য দোয়া করা। ৪. তওবাকারীকে ভালোবাসা।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ : لِلْمُسْلِمِ عَلَى أَخِيهِ سِتُّ خِصَالٍ وَاجِبَةٍ، إِنْ تَرَكَ مِنْهَا وَاحِدَةً، فَقَدْ تَرَكَ حَقًّا وَاجِبًا، إِذَا دَعَاهُ أَنْ يُجِيبَهُ، وَإِذَا مَرِضَ أَنْ يَعُودَهُ، وَإِذَا مَاتَ أَنْ يَحْضُرَهُ، وَإِذَا لَقِيَهُ أَنْ يُسَلِّمَ عَلَيْهِ، وَإِذَا اسْتَنْصَحَهُ أَنْ يَنْصَحَهُ، وَإِذَا عَطَسَ أَنْ يُشَمِّتَهُ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, এক মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের ছয়টি হক রয়েছে। যদি সে তার একটিও বাদ দেয় তাহলে তার একটি ওয়াজিব ছাড়ার গুনাহ হবে। যথা- ১. আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়া। ২. অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া। ৩. মৃত্যুবরণ করলে দাফনে শরীক হওয়া। ৪. পথে দেখা হলে সালাম দেওয়া। ৫. পরামর্শ চাইলে ভালো পরামর্শ দেওয়া। ৬. হাঁচি দিয়ে (আলহামদুলিল্লাহ) বললে তার উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা।
টিকাঃ
১১৮. আল-ফিরদাউস: হাদীস-১৪৯৯।
১১৯. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৭৩৬; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-১৪৩৩।
📄 মাখলুকের প্রতি দয়া
عَن أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ قَالَ مَا بَعَثَ اللَّهُ نَبِيًّا إِلَّا رَعَى الْغَنَمَ فَقَالَ أَصْحَابُهُ وَأَنْتَ فَقَالَ نَعَمْ كُنْتُ أَرْعَاهَا عَلَى قَرَارِيطَ لِأَهْلِ مَكَّةَ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা যে নবী পাঠিয়েছেন, তিনি মেষ চরিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও মেষ চড়িয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমিও কয়েক কিরাত (মুদ্রা) এর বিনিময়ে মক্কাবাসীর মেষ চরিয়েছি।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, নবীদের মেষ চরানোর রহস্য হলো, পশু চরাতে দিয়ে দেখেছেন, সৃষ্টির প্রতি তাঁদের কতটুকু দয়া আছে। যখন দেখা গেছে যে, তারা পশুর প্রতিও দয়াবান, তখন মানুষকে দীন শিক্ষা দেওয়ার জন্য তাদেরকে নবী বানিয়ে দিয়েছেন।
এক বর্ণনায় আছে, হযরত মূসা আ. আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, রব! কোন গুণের কারণে আপনি আমাকে মনোনীত করেছেন? তিনি বললেন, আমার সৃষ্টির প্রতি তোমার দয়া দেখে। তুমি শুআইবের মেষপাল চরাতে। একদিন একটি মেষ পাল থেকে হারিয়ে গেলে তুমি তাকে খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলে। অবশেষে তা পেয়ে তুমি কোলে তুলে নিলে আর বললে, আরে তুই নিজেও ক্লান্ত হলি, আমাকেও ক্লান্ত করলি!! আমার সৃষ্টির প্রতি তোমার এই দয়া দেখেই আমি তোমাকে নবুওয়াত দান করেছি।
টিকাঃ
১২০. সহীহ বুখারী: হাদীস-২২৬২; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-২১৮৯।