📄 জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ ضَمَّ يَتِيمًا مِنْ بَيْنِ يَتَامَى الْمُسْلِمِينَ إِلَى طَعَامِهِ وَشَرَابِهِ، حَتَّى يُغْنِيَهُ اللَّهُ تَعَالَى، أَوْجَبَ اللهُ تَعَالَى لَهُ الْجَنَّةَ الْبَتَّةَ، إِلَّا أَنْ يَعْمَلَ عَمَلًا لَا يَغْفِرُ اللَّهُ لَهُ، وَمَنْ أَذْهَبَ اللَّهُ كَرِيمَتَهُ فَصَبَرَ وَاحْتَسَبَ أَوْجَبَ اللهُ تَعَالَى لَهُ الْجَنَّةَ الْبَتَّةَ، إِلَّا أَنْ يَعْمَلَ عَمَلًا لَا يَغْفِرُ اللَّهُ لَهُ قِيلَ: وَمَا كَرِيمَتُهُ? قَالَ: عَيْنُهُ، وَمَنْ كَانَ لَهُ ثَلَاثُ بَنَاتٍ فَأَدَّبَهُنَّ وَأَنْفَقَ عَلَيْهِنَّ حَتَّى يَمُتْنَ أَوْ يُبْنَى بِهِنَّ أَوْجَبَ اللهُ لَهُ الْجَنَّةَ الْبَتَّةَ إِلَّا أَنْ يَعْمَلَ عَمَلًا لَا يَغْفِرُ اللَّهُ تَعَالَى لَهُ، قَالَ: فَنَادَاهُ رَجُلٌ مِنَ الْأَعْرَابِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوِ اثْنَتَيْنِ? قَالَ: أَوِ اثْنَتَيْنِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ইয়াতীমকে তার পরিবারের সাথে যুক্ত করে নেয় এবং তার সচ্ছলতার আগ পর্যন্ত তার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেয়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। তবে যদি সে এমন কোনো গুনাহ করে যা ক্ষমার যোগ্য না, তাহলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ যার চক্ষু নিয়ে নেন আর এতে সে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণ করে। আল্লাহ তার জন্য জান্নাত অবধারিত করে দেন। তবে যদি সে এমন কোনো গুনাহ করে যা ক্ষমার যোগ্য না, তাহলে ভিন্ন কথা। যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনটি বোন থাকে। তাদেরকে সে উত্তম শিক্ষা দেয়, বিয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে, তাহলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত অবধারিত করে দিবেন। তবে যদি সে এমন কোনো গুনাহ করে যা ক্ষমার যোগ্য না, তাহলে ভিন্ন কথা। ইবনে আব্বাস বলেন, এক বেদুঈন রাসূলকে ডেকে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি দু'টি হয়? রাসূল ইরশাদ করলেন, তবুও।
📄 এতীমের ব্যাপারে কয়েকটি হাদীস ও উপদেশ
একথা প্রসিদ্ধ আছে যে, সুসংবাদ সে বাড়ির জন্য, যে বাড়িতে কোনো ইয়াতীম থাকে। আর দুঃসংবাদ সে বাড়ির জন্য যাতে এতিম থাকে, কিন্তু তাদের হক আদায় করা হয় না। যারা তাদের হক সম্পর্কে জানে সুসংবাদ তাদের জন্য। হাদীসে এসেছে, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, ইনদী ইয়াতীমুস ফামিম্মা আদ্বরিুবুহু? অর্থাৎ, আমার নিকট এক ইয়াতীম আছে, কী কারণে আমি তাকে প্রহার করতে পারি? রাসূল ইরশাদ করলেন, মিম্মা তাদ্বরিুবু বিহি ওয়ালাদাকা অর্থাৎ, যে কারণে তুমি তোমার সন্তানকে প্রহার কর। অর্থাৎ, আদব শিক্ষা দেওয়ার জন্য মানুষ যেভাবে নিজ সন্তানকে প্রহার করে তেমনিভাবে ইয়াতীমকে প্রহার করা যাবে। তবে কঠোরভাবে প্রহার করা যাবে না।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, যদি প্রহার না করে ইয়াতীমকে শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে তাকে প্রহার না করাই ভালো। কারণ, ইয়াতীমকে প্রহার খুবই কঠিন ব্যাপার।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِنَّ الْيَتِيمَ إِذَا ضُرِبَ اهْتَزَّ عَرْشُ الرَّحْمَنِ لِبُكَائِهِ، فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: يَا مَلَائِكَتِي مَنْ أَبْكَى الَّذِي غَيَّبْتُ أَبَاهُ فِي التَّرَابِ، وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِ. قَالَ: تَقُولُ الْمَلَائِكَةُ : رَبَّنَا لَا عِلْمَ لَنَا . قَالَ : فَإِنِّي أُشْهِدُكُمْ أَنَّ مَنْ أَرْضَاهُ فِي، فَأُرْضِيهِ مِنْ عِنْدِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ. قَالَ: وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَمْسَحُ رُؤُوسَهُمْ وَيَلْطُفُ بِهِمْ وَكَانَ عُمَرُ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ يَفْعَلُ ذَلِكَ.
হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, যখন ইয়াতীমকে প্রহার করা হয়, তার কান্নায় আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে। আল্লাহ তা'আলা তার ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, যার পিতাকে আমি মৃত্যু দিয়েছি, কে তাকে প্রহার করল? ফেরেশতাগণ বলেন, হে রব! আমাদের জানা নেই। তখন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করবেন, তোমরা সাক্ষী থাক, যে ব্যক্তি আমার খাতিরে ইয়াতীমকে খুশি করবে, কিয়ামতের দিন আমি নিজে তাকে খুশি করে দিব। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল সর্বদা ইয়াতীমকে স্নেহ করতেন, তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন। হযরত উমরও এমন করতেন।
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزِي، قَالَ: قَالَ اللهُ تَعَالَى لِدَاوُدَ النَّبِيِّ ﷺ كُنْ لِلْيَتِيمِ كَالْأَبِ الرَّحِيمِ وَاعْلَمْ أَنَّكَ كَمَا تَزْرَعُ كَذَلِكَ تَحْصُدُ، وَاعْلَمْ أَنَّ الْمَرْأَةَ الصَّالِحَةَ لِزَوْجِهَا كَالْمَلِكِ الْمُتَوَّجِ بِالذَّهَبِ، كُلَّمَا رَآهَا قَرَّتْ عَيْنُهُ، وَالْمَرْأَةَ السُّوءَ لِبَعْلِهَا كَالْحِمْلِ الثَّقِيلِ عَلَى الشَّيْخِ الْكَبِيرِ
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবযী রহ. বলেন, আল্লাহ তা'আলা হযরত দাউদ আ. কে বলেন, ইয়াতীমের সাথে দয়াবান পিতার মত আচরণ কর। আর মনে রেখো! তুমি যেমন বীজ চাষ করবে, তেমন ফসল পাবে। জেনে রাখ! পবিত্র সৎনারী, মুকুটপরা রাণীর মতো। যখনই তার প্রতি স্বামীর দৃষ্টি যায় তখনই তার অন্তর জুড়িয়ে যায়। পক্ষান্তরে অসত্ত্বারী স্বামীর জন্য বৃদ্ধের ঘাড়ে ভারী বোঝার মতো।
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ الْمُسْلِمِ كَهَاتَيْنِ فِي الْجَنَّةِ وَجَمَعَ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ.
হযরত যায়েদ ইবনে আসলাম রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, জান্নাতে আমি ও ইয়াতীমের দায়িত্ব গ্রহণকারী এভাবে থাকবো। একথা বলে, তিনি দুই আঙ্গুল এক সাথে করে ইশারা কররেন।
عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ، قَالَ : قَرَأْتُ فِي مَسْأَلَةِ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ : إِلَهِي مَا جَزَاءُ مَنْ أَسْنَدَ إِلَيْهِ الْيَتِيمَ وَالْأَرْمَلَةَ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِكَ? قَالَ: جَزَاؤُهُ أَنْ أُظِلَّهُ فِي ظِلِّي يَوْمَ لَا ظِلَّ إِلَّا ظِلِّي.
হযরত আবুল খলিল বলেন, হযরত দাউদ আ. আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, ইলাহী! আপনার সন্তুষ্টির জন্য যে ব্যক্তি ইয়াতীম ও বিধবার দায়িত্ব নেয় তার প্রতিদান কী? আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করলেন, তার প্রতিদান হলো, যেদিন আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না, সে দিন আমার ছায়ায় তাকে আমি আশ্রয় দিব।
عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ الْأَشْجَعِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، قَالَ: مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَكُونُ لَهُ ثَلَاثُ بَنَاتٍ يُنْفِقُ عَلَيْهِنَّ حَتَّى يُبْنَى بِهِنَّ أَوْ يَمُتْنَ، إِلَّا كُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ النَّارِ. فَقَالَتِ امْرَأَةٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوِ اثْنَتَانِ. قَالَ : اثْنَتَانِ.
হযরত আউফ ইবনে মালেক আশজাঈ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, কোনো ব্যক্তির যদি তিনটি মেয়ে থাকে, আর সে তাদের বিয়ে হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব পালন করে কিংবা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করে, তাহলে তারা তার জন্য জাহান্নামের মাঝে দেয়াল হয়ে যাবে। তখন এক মহিলা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি দুই মেয়ে হয়? রাসূল বললেন, দুই মেয়ে হলেও।
عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ أَنَا وَامْرَأَةٌ سَفْعَاءُ الْخَدَّيْنِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ. وَأَشَارَ بِإِصْبَعَيْهِ إِلَى امْرَأَةٍ مَاتَ زَوْجُهَا، فَحَبَسَتْ نَفْسَهَا عَلَى بَنَاتِهَا، حَتَّى يُبْنَى بِهِنَّ أَوْ يَمُتْنَ.
আউফ ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম ইরশাদ করেন, যে নারীর স্বামী কয়েকজন মেয়ে রেখে মারা যায়, তারপর সে তাদের বিয়ে দেওয়া পর্যন্ত কিংবা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লালন পালন করে, সে নারী আর আমি জান্নাতে এভাবে থাকবো। এ কথা বলে রাসূল ﷺ হাতের দুই আঙ্গুল একটিকে অপরটির সাথে মিলালেন।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ : مَنْ حَمَلَ مِنَ السُّوقِ طُرْفَةً إِلَى وَلَدِهِ كَانَ كَمَنْ حَمَلَ صَدَقَةً حَتَّى يَضَعَهَا فِي فِيهِمْ، وَلْيَبْدَأْ بِالْإِناثِ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالى يَرِقُّ لِلْإِنَاثِ وَمَنْ رَقَّ لِلْأُنْثَى، كَانَ كَمَنْ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ . وَمَنْ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ غُفِرَ لَهُ، وَمَنْ فَرَّحَ أُنْثَى فَرَّحَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْحُزْنِ.
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি বাজার থেকে সন্তানের জন্য কোনো কিছু কিনে আনবে সে সদকার সওয়াব পাবে। আর দেওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েদেরকে আগে দিবে। কারণ, আল্লাহ মেয়েদের প্রতি খুবই সদয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে সদয় হবে, সে আল্লাহর ভয়ে কান্নার সওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কান্না করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন। যে ব্যক্তি কন্যাদের আনন্দিত রাখবে আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তাকে আনন্দিত করবেন।
নবী করিম বলেন, হে আলী! এতিম যখন কাঁদে, তখন আল্লাহর আরশ কাঁপে। ফলে আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে জিবরাঈল! যে ইয়াতিমকে কাঁদায়, তার জন্য জাহান্নামের স্থান প্রশস্ত করে দাও। কেননা, তার জন্য আমি কাঁদি। আর যে ইয়াতিমকে হাসায়, তার জন্য জান্নাতে স্থান প্রশস্ত করে দাও। কেননা, আমি তার জন্য হাসি।
টিকাঃ
৪৫. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯১৭; মুসনাদে আবী ইয়ালা: হাদীস-২৪৫৭; আত-তারগীব, মুনযিরী: ৪/৩০২; আল্লামা বুসিরী সনদটিকে জয়ীফ বলেছেন [আল-ইতহাফ: ৫/৪৮৫]。
৪৬. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-২৮৭৫; সুনানে নাসায়ী হাদীস-৪০১২。
৪৭. সহীহ হাদীসে সাতটি সর্বনাশী গুণাহের কথা বলা হয়েছে (সহীহ বুখারী হাদীস-২৭৬৬; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৮৯)。
৪৮. সূরা নিসা: আয়াত-১০
৪৯. তাফসীরে কুরতুবী: ২/৯০
৫০. শুআবুল ঈমান: হাদীস-৫২৬৩; আল্লামা হাইসামীর ভাষ্যমতে, হাদীসটি হাসান বলে প্রতীয়মান হয় [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৮/১৬৩]
৫১. আল-কামেল লি-ইবনে আদী ২/৭২২; তাফসীরে কুরতুবী: ২০/১০১。
৫২. সহীহ বুখারী: হাদীস-৫৩০৪; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৯৮৩。
৫৩. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২৪০০৭; আত-তারগীব, মুনযিরী: ৩/১১১; হাদীসটি সহীহ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ৮/১৬০]。
৫৪. সুনানে আবূ দাউদ হাদীস-৫১৪৯; মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২৪০০৬; হাদীসটি হাসান [শায়েখ শুয়াইব আরনাউত]。
৫৫. কিতাবুল মাজরূহীন ১/২৯০; আল-মাওযুয়াত, ইবনুল জাওযী: ৩/৭৮; তাখরীজু আহাদীসিল এহইয়া, ইরাকী: ২/৬৯। হাদীসটি জাল বা জয়ীফ জিদ্দান。
৫৬. আল-কামেল: ৩/১৪২; তাযকিরাহ, যাহাবী: ৪/১২০৩; খতীব বাগদাদী হাদীসটিকে অত্যন্ত মুনকার বলেছেন আর যাহাবী সনদটিকে জয়ীফ বলেছেন [আল-উলু, যাহাবী: হাদীস-৯৬]।