📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 ঈদুল ফিতরের রাত

📄 ঈদুল ফিতরের রাত


এরপর ঈদুল ফিতরের রাত আসে। এ রাতকে বলা হয় পুরস্কারের রাত্রি। ঈদের সকালে আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদেরকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার নির্দেশ প্রদান করেন। তারা জমিনে নেমে আসেন এবং অলিগলিতে দাঁড়িয়ে উচ্চ আওয়াজে বলতে থাকেন, হে মুহাম্মাদের উম্মত! দয়াময় রবের নিকট চলো, তিনি তোমাদের বিপুল পরিমাণে দান করবেন এবং বড় গুনাহও ক্ষমা করে দিবেন। তাদের আওয়াজ জিন-ইনসান ব্যতীত সকলে শুনতে পায়। লোকেরা ঈদগাহে উপস্থিত হলে আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাদেরকে বলেন, হে ফেরেশতগণ! যে শ্রমিক কাজ সমাপ্ত করে তার প্রতিদান কী হওয়া উচিত? তারা বলেন, হে রব! তার পূর্ণ পারিশ্রমিক দেওয়া চাই। তখন আল্লাহ বলেন, ফেরেশতাগণ! আমি তোমাদেরকে সাক্ষি রেখে বলছি, তাদের রমযান জুড়ে রোযা ও ইবাদতের বিনিময়ে আমি তাদেরকে আমার সন্তুষ্টি ও মাগফেরাত দান করলাম। অতঃপর আল্লাহ বলেন, হে বান্দাগণ! তোমরা আমার নিকট চাও। আজ তোমরা দীন ও দুনিয়া বিষয়ে যাই চাও, আমি তোমাদেরকে তাই দান করব।

টিকাঃ
৭০০. শুআবুল ঈমান হাদীস-৩৬৯৫; আত-তারগীব লিল-আসবাহানী হাদীস-১৭৪১; ইবনে আররাক বলেন, হাদীসটি সহীহ নয়। অর্থাৎ জয়ীফ [তানযীহুশ শারীয়াহ: ২/১৪৬]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 রমযানের পাঁচটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য

📄 রমযানের পাঁচটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُعْطِيَتْ أُمَّتِي فِي شَهْرِ رَمَضَانَ خَمْسَ خِصَالٍ، لَمْ تُعْطَ أُمَّةٌ قَبْلَهَا: خُلُوفُ فَمِّ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ، وَتَسْتَغْفِرُ لَهُمُ الْمَلَائِكَةُ حَتَّى يُفْطِرُوا، وَتُصَفَّدُ فِيهِ مَرَدَةُ الشَّيْطَانِ، فَلَا يَخْلُصُونَ فِيهِ إِلَى مَا كَانُوا يَخْلُصُونَ فِي غَيْرِهِ، وَيُزَيِّنُ اللَّهُ كُلَّ يَوْمٍ جَنَّتَهُ، وَيَقُولُ لَهَا : يُوشِكُ عِبَادِي الصَّالِحُونَ أَنْ تُلْقَى عَنْهُمُ الْمُؤْنَةُ وَالْأَذَى، وَيَصِيرُوا إِلَيْكِ، وَيَغْفِرُ لَهُمْ فِي آخِرِ لَيْلَةٍ. قِيلَ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَهِيَ لَيْلَةُ الْقَدْرِ? قَالَ : لَا وَلَكِنَّ الْعَامِلَ إِنَّمَا يُوَفَّى أَجْرَهُ إِذَا قَضَى عَمَلَهُ.

হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, রমযানে আমার উম্মতকে এমন পাঁচটি বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে, যা পূর্বের কোনো উম্মমতকে দান করা হয়নি। যথা ১. রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর নিকট মেশকের সুঘ্রাণের চেয়েও উত্তম। ২. ইফতার পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাদেরকে মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকেন। ৩. এ মাসে দুষ্ট শয়তানদেরকে বন্দী করে রাখা হয়। ফলে তারা অন্য মাসে যা করতে সক্ষম, এ মাসে তা করতে পারে না। ৪. আল্লাহ তা'আলা প্রতিদিন তাদের জন্য জান্নাত সাজান এবং জান্নাতকে বলেন, অচিরেই আমার সৎকর্মশীল বান্দাগণ দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট ছুড়ে ফেলে তোমার কাছে এসে বিশ্রাম নিবে। ৫. শেষ রাত্রিতে তাদেরকে ক্ষমা করা হয়। প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল সে রাত কি ক্বদরের রাত? তিনি বললেন, না। নিয়ম হলো শ্রমিককে তার কাজ সমাপ্ত করার পর পারিশ্রমিক দিয়ে দেওয়া।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يُبَشِّرُ أَصْحَابَهُ وَيَقُولُ: قَدْ جَاءَكُمْ شَهْرُ رَمَضَانَ، شَهْرُ مُبَارَكٌ قَدِ افْتَرَضَ اللهُ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ، تُفْتَحُ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَتُغْلَقُ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَحِيمِ، وَتُغَلُّ فِيهِ مَرَدَةُ الشَّيْطَانِ، فَلَا يَخْلُصُونَ فِيهِ إِلَى مَا كَانُوا يَخْلُصُونَ فِي غَيْرِهِ، وَفِيهِ لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ সাহাবীগণকে সুসংবাদ দিয়ে বললেন, তোমাদের নিকট রমযান মাস উপস্থিত হয়েছে। এ মাস হলো বরকতময় মাস। আল্লাহ তা'আলা তোমাদের উপর এ মাসের রোযা ফরজ করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত রাখা হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। দুষ্ট শয়তানদেরকে বেড়ি পরানো হয়। এতে রয়েছে ক্বদরের রাত্রি, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম।

টিকাঃ
৭০১. শুআবুল ঈমান: হাদীস-৩৬০৩; আত-তারগীব, মুনযিরী : ২/১১৩; হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য [দিমইয়াতি, মুনযিরী]।
৭০২. মুসনাদে আহমাদ: ১৪/৫৪১; শুআবুল ঈমান হাদীস-৩৬০০; হাদীসটি সহীহ [আরনাউত]

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 রমযান সারা বছরের কাফফারা স্বরূপ

📄 রমযান সারা বছরের কাফফারা স্বরূপ


عَنْ خَيْثَمَةَ، قَالَ: كَانُوا يَقُولُونَ: مِنْ رَمَضَانَ إِلَى رَمَضَانَ، وَالْحَجِّ إِلَى الْحَجِّ، وَالْجُمْعَةِ إِلَى الْجُمْعَةِ، وَالصَّلَاةِ إِلَى الصَّلَاةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُنَّ مَا اجْتُنِبَتِ الْكَبَائِرُ.
হযরত খায়সামা রহ. থেকে ইমাম শাবী রহ. উক্তি নকল করে বলেন, উম্মতের মহান ব্যক্তিরা বলতেন, এক রজমযান থেকে অপর রমযান, এক জুমআ থেকে অপর জুমআ এবং এক নামায থেকে অপর নামায 'কবীরাহ গুনাহ ব্যতীত মধ্যবর্তী সময়ের যাবতীয় গুনাহের কাফফারা স্বরূপ।

عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ إِذَا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ: مَرْحَبًا بِمُطَهِّرِنَا، فَرَمَضَانُ خَيْرٌ كُلُّهُ صِيَامُ نَهَارِهِ وَقِيَامُ لَيْلِهِ، وَالنَّفَقَةُ فِيهِ كَالنَّفَقَةِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ.
রমযান মাস উপস্থিত হলে হযরত উমর রাযি. বলতেন, স্বাগতম হে আমাদেরকে পবিত্রকারী মাস! রমযানের পুরোটাই কল্যাণময়। এর দিনগুলোতে রোযা এবং রাত গুলো ইবাদত। এ মাসে সদকা করা জিহাদের জন্য ব্যয়ের সমতুল্য।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ : مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে রমযানের রোযা রাখবে এবং তারাবীহের নামাজে কিয়াম করবে আল্লাহ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: كُلُّ حَسَنَةٍ يَعْمَلُهَا ابْنُ آدَمَ تُضَاعَفُ لَهُ مِنْ عَشْرَةٍ إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ إِلَّا الصَّوْمَ فَإِنَّهُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ يَدَعُ شَهْوَتَهُ وَطَعَامَهُ وَشَرَابَهُ مِنْ أَجْلِي، وَالصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَلِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ فَرْحَةٌ عِنْدَ الْإِفْطَارِ وَفَرْحَةٌ عِنْدَ لِقَاءِ رَبِّهِ يَوْমَ الْقِيَامَةِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেন, আল্লাহ তা'আলা বলেন, মানুষ যে ভালো কাজই করে, আল্লাহ তা দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। আর রোযার বিনিময়ে আমি স্বয়ং দান করি। কারণ, সে আমার জন্য তার প্রবৃত্তিকে দমন করেছে, পানাহার বর্জন করেছে। রোযা হলো, ঢাল স্বরূপ। রোযাদারের দু'টি আনন্দ রয়েছে। একটি ইফতারের আনন্দ এবং অপরটি কিয়ামতের দিন তার রবের সঙ্গে সাক্ষাতের আনন্দ।

টিকাঃ
৭০৩. সহীহ বুখারী: হাদীস-১৯০১; সহীহ মুসলিম: হাদীস-৭৬০।
৭০৪. সহীহ বুখারী: হাদীস-১৯০৪; সহীহ মুসলিম: হাদীস-১১৫১; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৭৬৪।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 শবে কদর : হাজার মাসের তুলনায় উত্তম রাত্রি

📄 শবে কদর : হাজার মাসের তুলনায় উত্তম রাত্রি


عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آخِرَ يَوْمٍ مِنْ شَعْبَانَ فَقَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّهُ قَدْ أَظَلَّكُمْ شَهْرٌ عَظِيمٌ مُبَارَكٌ، শাহারুন ফীহি লাইলাতুল ক্বাদরি, ওয়াহিয়া খাইরুম মিন আলফি শাহরিন, শাহারুন ফারাদ্বাল্লা-হু সিয়ামাহু, ওয়াজায়ালা ক্বিয়া-মা লাইলিহি তাতওয়উয়ান, ফামান তাতওয়াআ ফীহি বিখাসলাতিন মিনাল খাইরি কানা কামানি আদদওয়া ফারিদ্বাতান ফীমা সিওয়াহু, ওয়ামান আদদওয়া ফারিদ্বাতান ফীহি কানা কামানি আদদওয়া সাবয়ীনা ফারিদ্বাতান ফীমা সিওয়াহু, শাহারু হুদায়িন, ওয়াহুয়া শাহারুস সবরি, ওয়াসসবরু ছাওয়াবুহুল জন্নাহ, ওয়াহুয়া শাহারুল মুওয়াসাহ, ওয়াসাহারুন ইউযাদ ফিহি রিজক্বল মুমিনি, মান ফাত্তওয়ারা ফীহি সায়িমান কানা লাহু ইতকু রাক্বাবাহ, ওয়ামাগফিরাতুন লিজুনূবিহী। ক্বলনা: ইয়া রাসূলাল্লা-হি লাইসা কুল্লুনা ইয়াজিদু মা ইউফাত্ত্বিরু বিসিসসায়িমা। ক্বালা: ইউতী ল্লা-হু হাজা ছাওয়াবা লিমান ফাত্তওয়ারা সায়িমান আলা মাযক্বাতি লাবানিন, আও তামরাতিন, আও শারবাতি মাইয়িন, ওয়ামান আশবাআ সায়িমান কানা লাহু মাগফিরাতান লিজুনূবিহী, ওয়াসাক্বাহু রাব্বুহু মিন হাওদ্বী শারবাতাল লা ইয়াজমাউ বায়দাহা হাত্তা ইয়াদখুলুল জন্নাহ, ওয়াকানা লাহু মিছলু আজরিহী মিন গাইরি আইঁ ইয়ানক্বুসা মিন আজরিহী শাইউন, ওয়াহুয়া শাহারুন আওয়্যালুহু রহমাতুন ওয়াআওসাতুহু মাগফিরাতুন, ওয়াআখিরুহু ইতকুম মিনান নারি, ওয়ামান খাফফাফা আন মামলুকিহী ফীহি আতক্বাহুল্লা-হু মিনান নারি।

হযরত সালমান ফারসী রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ শাবানের শেষ দিনে আমাদেরকে নসীহত করে বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের নিকটে মহান বরকতময় মাস হাযির হয়েছে। তাতে রয়েছে লাইলাতুল কদর। তা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এ মাসে আল্লাহ দিনে রোযা ফরয করেছেন এবং রাতে তারাবীহের কিয়াম নফল করেছেন। এ মাসের একটি নফল অন্য মাসের একটি ফরযতুল্য। আর একটি ফরজ অন্য মাসের সত্তরটি ফরযের তুল্য। এ মাস ধৈর্য, সহমর্মিতার মাস। ধৈর্যের প্রতিদান হলো, জান্নাত। এ মাসে মুমিনের রিযিক বাড়িয়ে দেয়া হয়। যে এ মাসে রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে একটি দাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে এবং মাগফিরাত লাভ করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! রোজাদারকে ইফতার করানোর সাধ্য আমাদের প্রত্যেকের নেই। রাসূল ﷺ বললেন, কেউ যদি দুধ কিংবা খেজুর অথবা এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও রোযাদারকে ইফতার করায়, আল্লাহ তাকে এ সওয়াব দান করবেন। আর যে রোযাদারকে তৃপ্তিসহকারে ইফতার করাবে, আল্লাহ তার যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং তাকে আমার হাউজ থেকে পানি পান করাবেন, যার পর সে জান্নাতে প্রবেশ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবে না। আর সে উক্ত রোযাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, এতে রোযাদারের সওয়াবে কোনো কমতি আসবে না। এ মাসের প্রথম (দশ দিন) রহমতের, মধ্যবর্তী (দশ দিন) মাগফিরাতের এবং শেষ (দশ দিন) জাহান্নাম থেকে মুক্তির। এ মাসে যে ব্যক্তি তার অধীনস্থের কাজ কমিয়ে দেবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন।

টিকাঃ
৭০৫. সহীহ ইবনে খুযাইমা: হাদীস-১৮৮৭, আত-তারগিব হাদীস-১৭২৬; শুআবুল ঈমান হাদীস- ৩৬০৮; হাফেয আইনী বলেছেন, সনদটি সহীহ নয় (বরং জয়ীফ) [উমদাতুল ক্বারী: ১০/৩৮৩]।

ফন্ট সাইজ
15px
17px