📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 কৃপণতা কুফরেন শাখা এবং দানশীলতা ঈমানের শাখা

📄 কৃপণতা কুফরেন শাখা এবং দানশীলতা ঈমানের শাখা


عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : مَا طَلَعَتِ شَمْسٌ إِلَّا بُعِثَ بِجَنْبَتَيْهَا مَلَكَانِ يُنَادِيَانِ، وَإِنَّهُمَا يُسْمِعَانِ أَهْلَ الْأَرْضِ إِلَّا الثَّقَلَيْنِ. أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمُّوا إِلَى رَبِّكُمْ فَإِنَّ مَا قَلَّ وَكَفَى خَيْرٌ مِمَّا كَثُرَ وَأَلْهَى، وَمَلَكَانِ يُنَادِيَانِ : اللَّهُمَّ عَجِّلْ لِمُنْفِقِ مَالِهِ خَلَفًا، وَعَجِّلْ لِمُمْسِكِ مَالِهِ تَلَفًا.

হযরত আবু দারদা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, সূর্যোদয়ের সময় তার দু'পাশে দু'জন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। তারা ঘোষণা করতে থাকেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে এসো। কারণ, যা অল্প ও যথেষ্ট পরিমাণ তা এমন সম্পদ থেকে উত্তম যা গাফেল করে দেয়। তাদের এ ঘোষণা জিন ইনসান ব্যতীত জমিনের সকলেই শুনতে পায়। অপর দু'জন ফেরেশতা বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! আপনার রাস্তায় ব্যয়কারীকে উত্তম বিনিময় দান করুন এবং কৃপণের সম্পদ দ্রুত ধ্বংস করুন।

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ ﷺ بِرَجُلٍ مُتَعَلَّقٍ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ وَهُৱ يَقُولُ : أَسْأَلُكَ بِحُرْمَةِ هَذَا الْبَيْتِ أَنْ تَغْفِرَ لِي، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ : يَا عَبْدَ اللهِ، سَلْ بِحُرْمَتِكَ فَإِنَّ حُرْمَةَ الْمُؤْمِنِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ مِنْ حُرْمَةِ هَذَا الْبَيْتِ. فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي ذَنْبًا عَظِيمًا. قَالَ : وَمَا ذَنْبُكَ? قَالَ : إِنَّ لِي مَالًا كَثِيرًا، وَإِنَّ مَاشِيَتِي كَثِيرَةٌ وَإِنَّ خَيْلِي كَثِيرَةٌ، وَلَكِنَّ الرَّجُلَ إِذَا سَأَلَنِي شَيْئًا مِنْ مَالِي فَكَأَنَّ شُعْلَةً مِنْ نَارٍ تَخْرُجُ مِنْ وَجْهِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ : تَنَجَّ عَنِّي يَا فَاسِقُ لَا تَحْرِقْنِي بِنَارِكَ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ صُمْتَ أَلْفَ عَامٍ، وَصَلَّيْتَ أَلْفَ عَامٍ ثُمَّ مُتَّ لَئِيمًا لَأَكَبَّكَ اللَّهُ فِي النَّارِ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ اللُّؤْمَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْكُفْرَ فِي النَّارِ، وَالسَّخَاوَةَ مِنَ الْإِيمَانِ وَالْإِيمَانَ فِي الْجَنَّةِ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ জনৈক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গমন করলেন। সে তখন কা'বার গিলাফ জড়িয়ে ধরে এই দোয়া করছিল, হে আল্লাহ এ ঘরের মর্যাদার দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। রাসূল তাকে বললেন, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার মর্যাদার দোহাই দিয়ে চাও। কারণ, মুমিনের মর্যাদা আল্লাহর নিকট এ ঘরের মর্যাদার চেয়েও অনেক বেশি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি বিরাট গুনাহ করেছি। রাসূল বললেন, কী গুনাহ করেছ? সে বলল, আমার বিপুল ধন-সম্পদ রয়েছে, অনেক চতুস্পদ জন্তু ও ঘোড়া রয়েছে। কিন্তু কেউ আমার কাছে কিছু চাইলে আমার মুখ থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের হতে থাকে। রাসূল বললেন, হে দুরাচার! তুমি আমার থেকে দূরে থাক। তোমার আগুনে আমাকেও পুড়িয়ো না। সে সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! যদি তুমি এক হাজার বছর রোযা রাখ, নামায পড়, আর কৃপণতা নিয়ে মারা যাও, তবুও আল্লাহ তোমাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। তুমি কি জান না, কৃপণতা হলো, কুফরীর শাখা। আর কুফর জাহান্নামে যাওয়ার কারণ? দানশীলতা ঈমানের শাখা। ঈমান জান্নাতে যাওয়ার কারণ।

টিকাঃ
৬৭৪. মুসনাদে আহমাদ: ৫/১৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: হাদীস-৩৩২৯। হাদীসটি সহীহ।
৬৭৫. সনদে জুয়াইবির নামক মারাত্মক দুর্বল রাবি বিদ্যমান। [তাকরীবুত তাহযীব]

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 বদান্যতা ও কার্পণ্যের শেকড়

📄 বদান্যতা ও কার্পণ্যের শেকড়


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ قَالَ: السَّخَاوَةُ شَجَرَةٌ أَصْلُهَا فِي الْجَنَّةِ، وَأَغْصَانُهَا مُتَدَلَّيَةٌ فِي الدُّنْيَا فَمَنْ تَعَلَّقَ بِغُصْنٍ مِنْهَا مَدَّهُ إِلَى الْجَنَّةِ، وَالْبُخْلُ شَجَرَةٌ أَصْلُهَا فِي النَّارِ، وَأَغْصَانُهَا مُتَدَلَّيَةٌ فِي الدُّنْيَا فَمَنْ تَعَلَّقَ بِغُصْنٍ مِنْهَا مَدَّهُ إِلَى النَّارِ.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, বদান্যতা একটি বৃক্ষ যার শেকড় জান্নাতে এবং তার শাখা প্রশাখা দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। যে তার শাখা আঁকড়ে ধরবে বৃক্ষ তাকে জান্নাতের দিকে টেনে নেবে। অনুরূপ কার্পণ্যও একটি বৃক্ষ, যার শেকড় জাহান্নামে এবং তার শাখা প্রশাখা দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। যে তার শাখা আঁকড়ে ধরবে, বৃক্ষ তাকে জাহান্নামে টেনে নেবে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : الْبَخِيلُ بَعِيدٌ مِنَ اللَّهِ، بَعِيدٌ مِنَ الْجَنَّةِ بَعِيدٌ مِنَ النَّاسِ، قَرِيبٌ مِنَ النَّارِ، وَالسَّخِيُّ قَرِيبٌ مِنَ الْجَنَّةِ، قَرِيبٌ مِنَ النَّاسِ، بَعِيدٌ عَنِ النَّارِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, কৃপণ আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে, মানুষ থেকে দূরে এবং জাহান্নামের অতি নিকটে। দানশীল আল্লাহর নিকটে, জান্নাতের নিকটে, মানুষের নিকটে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে।

অপর হাদীসে রাসূল বলেন- حَصَّنُوا أَمْوَالَكُمْ بِالزَّكَاةِ، وَدَاوُوا مَرْضَاكُمْ بِالصَّدَقَةِ، وَاسْتَقْبِلُوا أَنْوَاعَ الْبَلَاءِ بِالدُّعَاءِ. তোমরা যাকাতের মাধ্যমে সম্পদের সুরক্ষা কর এবং সদকার মাধ্যমে অসুস্থতার চিকিৎসা কর। আর বিপদাপদকে দোয়া দ্বারা বিনিময় কর।

টিকাঃ
৬৭৬. শুআবুল ঈমান: হাদীস-১০৮৭৫; হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল [আল-মাওযুয়াত, তানযীহ]।
৬৭৭. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯৬১। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।
৬৭৮. মারাসেলে আবী দাউদ হাদীস-১০৫; শোয়বুল ঈমান হাদীস-৩৫৫৭। শায়েখ আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহুল জামে-৩৩৫৮]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 জান্নাতের দরজার লেখা তিন বাক্য

📄 জান্নাতের দরজার লেখা তিন বাক্য


হযরত নাযযাল বিন সাবারাহ রাযি. বলেন, জান্নাতের দরজায় তিনটি বাক্য লেখা আছে। যথা- ১. لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ অর্থাৎ, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। ২. أُمَّةٌ مُذْنِبَةٌ وَرَبُّ غَفُورٌ অর্থাৎ, মানুষ গুনাহগার, মহান প্রতিপালক ক্ষমাশীল। ৩. وَجَدْنَا مَا عَمِلْنَا رَبِحْنَا مَا قَدَّمْنَا خَسِرْنَا مَا خَلَّفْنَا অর্থাৎ, আমরা যা আমল করেছি, তা পেয়েছি। যা সামনে পাঠিয়েছি, তাতে লাভ হয়েছে। আর যা পিছনে রেখে এসেছি, তাতে লোকসান হয়েছে।

বলা হয়, পাচঁটি বিষয় থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে পাচঁটি জিনিস থেকে বঞ্চিত করবেন। যথা-
১. মিয়াম মানায়ায যাকাতা মানাআল্লা-হু মিনহু হিফজাল মা-লি অর্থাৎ, যাকাত আদায় থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে সম্পদের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করবেন।
২. মিয়াম মানায়াস সাদাক্বাতা মানাআল্লা-হু মিনহুল আফিয়াহ অর্থাৎ, সদকা দেয়া থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে সুস্থতা থেকে বঞ্চিত করবেন।
৩. মিয়াম মানায়াল উশরা মানাআল্লা-হু মিনহু বারাকাতা আরদ্বিহী অর্থাৎ, জমিনের খাজনা প্রদান থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে জমিনের বরকত থেকে বঞ্চিত করবেন।
৪. মিয়াম মানায়াদ্দুআ-আ মানাআল্লা-হু মিনহুল ইজ্বাবাহ অর্থাৎ, দোয়া থেকে যে বিরত থাকে, আল্লাহ তার আমল কবুল হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন।
৫. মিয়াম তাহাওয়ানা বিসসালা-তি মানায়া মিনহু ইনদাল মাওতি ক্বাওলা: লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ অর্থাৎ, যে নামাযে অলসতা করবে, তার মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব থেকে বঞ্চিত করা হবে।

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ: دِرْهَمٌ يُنْفِقُهُ أَحَدُكُمْ فِي صِحَّتِهِ وَشُحِّهِ أَفْضَلُ مِنْ مِائَةٍ يُوصِي بِهَا عِنْدَ الْمَوْتِ.
হযরত ইবনে মাসউদ রাযি. বলেন, সুস্থতা ও প্রয়োজনের সময় এক দিরহাম দান করা মৃত্যুর সময় শত দিরহাম দান করার তুলনায় উত্তম ও অধিক ফযীলতপূর্ণ।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 এক আবেদ ও এক কৃপণের গল্প

📄 এক আবেদ ও এক কৃপণের গল্প


ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, ঈসা আ.-এর যুগে এক ব্যক্তিকে তার কৃপণতার কারণে মালউন তথা অভিশপ্ত নামে ডাকা হতো। জনৈক ব্যক্তি তার নিকট এসে বলল, হে অভিশপ্ত! আমাকে সমরাস্ত্র দাও, আমি তা যুদ্ধে ব্যবহার করব এবং এ দান তোমার মুক্তির কারণ হবে, ফলে তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু সে তাকে কিছুই দিলো না। তাই লোকটি ফিরে গেল। কিছু দূর গেলে তার মধ্যে অনুশোচনা আসল। সে মনে মনে লজ্জিত হলো। আর তাকে ডেকে এনে একটি তরবারী দান করল। পথিমধ্যে হযরত ঈসা আ.-এর সঙ্গে তার সাক্ষাত হলো। তার সঙ্গে একজন আবেদও ছিলেন। সে ক্রমাগত সত্তর বছর আল্লাহর ইবাদতে কাটিয়েছে। ঈসা আ. তাকে বললেন, এ তরবারী কোথায় পেলে? সে বলল, ঐ অভিশপ্ত ব্যক্তি আমাকে দান করেছে। একথা শুনে হযরত ঈসা আ. অত্যন্ত খুশি হলেন। উক্ত অভিশপ্ত তখন তার দরজায় বসা ছিল। ঈসা আ. আবেদকে সঙ্গে নিয়ে তার পাশ দিয়ে গমন করলেন। অভিশপ্ত সেই ব্যক্তি ঈসা আ. ও আমাকে দেখার জন্য দাঁড়িয়ে গেল এবং তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করল। আবেদ তখন বললেন, আমাকে তার আগুনে ভস্ম করার পূর্বেই আমি তার থেকে পালাই। তখন আল্লাহ তা'আলা ঈসা আ. কে ওহী পাঠালেন, আমার বান্দাকে বল, তরবারী দান এবং তোমাকে ভালোবাসার ফলে আমি তার গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছি। আর আবেদকে বল, এই অভিশপ্তই জান্নাতে তার সাথী হবে। ঈসা আ. উভয়কে সংবাদ জানালেন। একথা শুনে আবেদ বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তার সঙ্গে জান্নাত চাই না, আমার এমন বন্ধুরও প্রয়োজন নেই। তখন আল্লাহ ঈসা আ. কে ওহীর মাধ্যমে জানালেন যে, আমার বান্দাকে বল, তুমি আল্লাহর ফায়সালায় সন্তুষ্ট হওনি এবং তাঁর বান্দাকে অপমান করেছ। সুতরাং আমি তোমাকে জাহান্নামী ও অভিশপ্ত বানিয়ে দিলাম। জাহান্নামে যারা তার বন্ধু হওয়ার কথা ছিল, তাদেরকে তোমার বন্ধু বানিয়ে দিলাম এবং জান্নাতে তোমার যারা বন্ধু হওয়ার কথা ছিল, তোমার সে বন্ধুদেরকে তার বন্ধু বানিয়ে দিলাম।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ مَلَكًا يُنَادِي مِنْ أَبْوَابِ السَّمَاءِ يَقُولُ مَنْ يُقْرِضِ الْيَوْمَ يَجِدْ غَدًا، وَمَلَكُ آخَرُ يُنَادِي يَا مَعْشَرَ بَنِي آدَمَ لِدُوا لِلْمَوْتِ وَابْنُوا لِلْخَرَابِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, আসমানের দরজা থেকে এক ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, যে আজ কর্জ দেবে, ভবিষ্যতে তা পাবে। অপর ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, হে আদম সন্তান! তোমাদের জন্ম হয়েছে মৃত্যুর জন্য এবং তোমাদের নির্মাণ বিরান হওয়ার জন্য।

টিকাঃ
৬৮২. সহীহ ইবনে হিব্বান ৫/১৪০। হাফেজ ইবনে হাজার হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [মুওয়াফাকাতুল খবর: ২/২৯৮]

ফন্ট সাইজ
15px
17px