📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 উত্তম সদকা

📄 উত্তম সদকা


عَنْ أَبِي ذَرِّ الْغِفَارِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: الصَّلَاةُ عِمَادُ الْإِسْلَامِ، وَالْجِهَادُ سَنَامُ الْعَمَلِ، وَالصَّدَقَةُ شَيْءٌ عَجِيبٌ، وَالصَّدَقَةُ شَيْءٌ عَجِيبٌ، وَالصَّدَقَةُ شَيْءٌ عَجِيبٌ. وَسُئِلَ عَنِ الصَّوْمِ، فَقَالَ: قُرْبَةٌ وَلَيْسَ هُنَاكَ فَضْلٌ. قِيلَ: فَأَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: أَكْثَرُهَا فَأَكْثَرُهَا، ثُمَّ قَرَأَ : لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ (آل عمران : ৯২) قِيلَ : فَمَنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ؟ قَالَ: عَفْوُ مَالٍ، يَعْنِي يَتَصَدَّقُ بِفَضْلِ مَالٍ قِيلَ: ফেমাল্লাম ইয়াকুন ইনদাহু মালুন? ক্বালা: ফাআফউ ত্বোয়ায়ামিন। ক্বিলা: ফামাল্লাম ইয়াকুন ইনদাহু? ক্বালা: বিআইনিন ইউফাওয়িতুহু। ক্বিলা: ফামাল্লাম ইয়াফআল? ক্বালা: ওয়ালাও বিশিক্কি তামরাতিন। ক্বিলা: ফামাল্লাম ইয়াফআল ইয়াত্তাক্বিন নারা? ক্বালা: ইয়াকুফ্ফু নাফসাহু, ইয়ানি লা ইয়াজলিমুন নাসা।

হযরত আবু যর গিফারী রাযি. বলেন, নামায হলো, ইসলামের খুঁটি। জিহাদ হলো, আমলের রক্ষক। আর সদকা এক অদ্ভুত জিনিস। রোযা সম্পর্কে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, রোযা হলো ঢাল স্বরূপ এবং তা একটি নেক আমল। অতঃপর বলা হলো, উত্তম সদকা কোনটি? তিনি বললেন, যা অধিক এবং বড়। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেন- لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ অর্থ; যা তোমরা পছন্দ কর, তা থেকে ব্যয় ব্যতীত তোমরা কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ কল্যাণ অর্জন করতে পারবে না।

এরপর প্রশ্ন করা হলো, যদি কারো কাছে এমন প্রিয় কিছু না থাকে? তিনি বললেন, তাহলে প্রয়োজন পূরণের পর অবশিষ্ট সম্পদ থেকে দান করবে। এরপর বলা হলো, যদি সম্পদই না থাকে, তাহলে কী করবে? তিনি বললেন, তাহলে আহারের অবশিষ্টাংশ দান করবে। বলা হলো যদি আহার না থাকে? তিনি বললেন, শক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে। বলা হলো যার পক্ষে এমন করাও সম্ভব না হয়, সে কী করবে? তিনি বললেন, খেজুরের টুকরা দিয়ে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা করবে। কারো পক্ষে যদি এটাও সম্ভব না হয়? তিনি বললেন, নিজেকে সংবরণ করবে। অর্থাৎ, অন্যের উপর অবিচার থেকে নিজেকে বিরত রাখবে। অন্য রেওয়ায়াতে এটি মারফু হাদীস হিসাবে বর্ণিত আছে।

টিকাঃ
৬৭২. সুরা আলে ইমরান: আয়াত-৯২
৬৭৩, কাশফুল আস্তার : হাদীস-৯৪১; আল্লামা হাইসামী বলেন, সনদে একজন জয়ীফ রাবী রয়েছে [মাজমা-৩/১০৯]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 কৃপণতা কুফরেন শাখা এবং দানশীলতা ঈমানের শাখা

📄 কৃপণতা কুফরেন শাখা এবং দানশীলতা ঈমানের শাখা


عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : مَا طَلَعَتِ شَمْسٌ إِلَّا بُعِثَ بِجَنْبَتَيْهَا مَلَكَانِ يُنَادِيَانِ، وَإِنَّهُمَا يُسْمِعَانِ أَهْلَ الْأَرْضِ إِلَّا الثَّقَلَيْنِ. أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمُّوا إِلَى رَبِّكُمْ فَإِنَّ مَا قَلَّ وَكَفَى خَيْرٌ مِمَّا كَثُرَ وَأَلْهَى، وَمَلَكَانِ يُنَادِيَانِ : اللَّهُمَّ عَجِّلْ لِمُنْفِقِ مَالِهِ خَلَفًا، وَعَجِّلْ لِمُمْسِكِ مَالِهِ تَلَفًا.

হযরত আবু দারদা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, সূর্যোদয়ের সময় তার দু'পাশে দু'জন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। তারা ঘোষণা করতে থাকেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে এসো। কারণ, যা অল্প ও যথেষ্ট পরিমাণ তা এমন সম্পদ থেকে উত্তম যা গাফেল করে দেয়। তাদের এ ঘোষণা জিন ইনসান ব্যতীত জমিনের সকলেই শুনতে পায়। অপর দু'জন ফেরেশতা বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! আপনার রাস্তায় ব্যয়কারীকে উত্তম বিনিময় দান করুন এবং কৃপণের সম্পদ দ্রুত ধ্বংস করুন।

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ ﷺ بِرَجُلٍ مُتَعَلَّقٍ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ وَهُৱ يَقُولُ : أَسْأَلُكَ بِحُرْمَةِ هَذَا الْبَيْتِ أَنْ تَغْفِرَ لِي، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ : يَا عَبْدَ اللهِ، سَلْ بِحُرْمَتِكَ فَإِنَّ حُرْمَةَ الْمُؤْمِنِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ مِنْ حُرْمَةِ هَذَا الْبَيْتِ. فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي ذَنْبًا عَظِيمًا. قَالَ : وَمَا ذَنْبُكَ? قَالَ : إِنَّ لِي مَالًا كَثِيرًا، وَإِنَّ مَاشِيَتِي كَثِيرَةٌ وَإِنَّ خَيْلِي كَثِيرَةٌ، وَلَكِنَّ الرَّجُلَ إِذَا سَأَلَنِي شَيْئًا مِنْ مَالِي فَكَأَنَّ شُعْلَةً مِنْ نَارٍ تَخْرُجُ مِنْ وَجْهِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ : تَنَجَّ عَنِّي يَا فَاسِقُ لَا تَحْرِقْنِي بِنَارِكَ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ صُمْتَ أَلْفَ عَامٍ، وَصَلَّيْتَ أَلْفَ عَامٍ ثُمَّ مُتَّ لَئِيمًا لَأَكَبَّكَ اللَّهُ فِي النَّارِ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ اللُّؤْمَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْكُفْرَ فِي النَّارِ، وَالسَّخَاوَةَ مِنَ الْإِيمَانِ وَالْإِيمَانَ فِي الْجَنَّةِ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ জনৈক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গমন করলেন। সে তখন কা'বার গিলাফ জড়িয়ে ধরে এই দোয়া করছিল, হে আল্লাহ এ ঘরের মর্যাদার দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। রাসূল তাকে বললেন, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার মর্যাদার দোহাই দিয়ে চাও। কারণ, মুমিনের মর্যাদা আল্লাহর নিকট এ ঘরের মর্যাদার চেয়েও অনেক বেশি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি বিরাট গুনাহ করেছি। রাসূল বললেন, কী গুনাহ করেছ? সে বলল, আমার বিপুল ধন-সম্পদ রয়েছে, অনেক চতুস্পদ জন্তু ও ঘোড়া রয়েছে। কিন্তু কেউ আমার কাছে কিছু চাইলে আমার মুখ থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের হতে থাকে। রাসূল বললেন, হে দুরাচার! তুমি আমার থেকে দূরে থাক। তোমার আগুনে আমাকেও পুড়িয়ো না। সে সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! যদি তুমি এক হাজার বছর রোযা রাখ, নামায পড়, আর কৃপণতা নিয়ে মারা যাও, তবুও আল্লাহ তোমাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। তুমি কি জান না, কৃপণতা হলো, কুফরীর শাখা। আর কুফর জাহান্নামে যাওয়ার কারণ? দানশীলতা ঈমানের শাখা। ঈমান জান্নাতে যাওয়ার কারণ।

টিকাঃ
৬৭৪. মুসনাদে আহমাদ: ৫/১৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: হাদীস-৩৩২৯। হাদীসটি সহীহ।
৬৭৫. সনদে জুয়াইবির নামক মারাত্মক দুর্বল রাবি বিদ্যমান। [তাকরীবুত তাহযীব]

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 বদান্যতা ও কার্পণ্যের শেকড়

📄 বদান্যতা ও কার্পণ্যের শেকড়


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ قَالَ: السَّخَاوَةُ شَجَرَةٌ أَصْلُهَا فِي الْجَنَّةِ، وَأَغْصَانُهَا مُتَدَلَّيَةٌ فِي الدُّنْيَا فَمَنْ تَعَلَّقَ بِغُصْنٍ مِنْهَا مَدَّهُ إِلَى الْجَنَّةِ، وَالْبُخْلُ شَجَرَةٌ أَصْلُهَا فِي النَّارِ، وَأَغْصَانُهَا مُتَدَلَّيَةٌ فِي الدُّنْيَا فَمَنْ تَعَلَّقَ بِغُصْنٍ مِنْهَا مَدَّهُ إِلَى النَّارِ.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, বদান্যতা একটি বৃক্ষ যার শেকড় জান্নাতে এবং তার শাখা প্রশাখা দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। যে তার শাখা আঁকড়ে ধরবে বৃক্ষ তাকে জান্নাতের দিকে টেনে নেবে। অনুরূপ কার্পণ্যও একটি বৃক্ষ, যার শেকড় জাহান্নামে এবং তার শাখা প্রশাখা দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। যে তার শাখা আঁকড়ে ধরবে, বৃক্ষ তাকে জাহান্নামে টেনে নেবে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : الْبَخِيلُ بَعِيدٌ مِنَ اللَّهِ، بَعِيدٌ مِنَ الْجَنَّةِ بَعِيدٌ مِنَ النَّاسِ، قَرِيبٌ مِنَ النَّارِ، وَالسَّخِيُّ قَرِيبٌ مِنَ الْجَنَّةِ، قَرِيبٌ مِنَ النَّاسِ، بَعِيدٌ عَنِ النَّارِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, কৃপণ আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে, মানুষ থেকে দূরে এবং জাহান্নামের অতি নিকটে। দানশীল আল্লাহর নিকটে, জান্নাতের নিকটে, মানুষের নিকটে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে।

অপর হাদীসে রাসূল বলেন- حَصَّنُوا أَمْوَالَكُمْ بِالزَّكَاةِ، وَدَاوُوا مَرْضَاكُمْ بِالصَّدَقَةِ، وَاسْتَقْبِلُوا أَنْوَاعَ الْبَلَاءِ بِالدُّعَاءِ. তোমরা যাকাতের মাধ্যমে সম্পদের সুরক্ষা কর এবং সদকার মাধ্যমে অসুস্থতার চিকিৎসা কর। আর বিপদাপদকে দোয়া দ্বারা বিনিময় কর।

টিকাঃ
৬৭৬. শুআবুল ঈমান: হাদীস-১০৮৭৫; হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল [আল-মাওযুয়াত, তানযীহ]।
৬৭৭. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯৬১। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।
৬৭৮. মারাসেলে আবী দাউদ হাদীস-১০৫; শোয়বুল ঈমান হাদীস-৩৫৫৭। শায়েখ আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহুল জামে-৩৩৫৮]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 জান্নাতের দরজার লেখা তিন বাক্য

📄 জান্নাতের দরজার লেখা তিন বাক্য


হযরত নাযযাল বিন সাবারাহ রাযি. বলেন, জান্নাতের দরজায় তিনটি বাক্য লেখা আছে। যথা- ১. لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ অর্থাৎ, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। ২. أُمَّةٌ مُذْنِبَةٌ وَرَبُّ غَفُورٌ অর্থাৎ, মানুষ গুনাহগার, মহান প্রতিপালক ক্ষমাশীল। ৩. وَجَدْنَا مَا عَمِلْنَا رَبِحْنَا مَا قَدَّمْنَا خَسِرْنَا مَا خَلَّفْنَا অর্থাৎ, আমরা যা আমল করেছি, তা পেয়েছি। যা সামনে পাঠিয়েছি, তাতে লাভ হয়েছে। আর যা পিছনে রেখে এসেছি, তাতে লোকসান হয়েছে।

বলা হয়, পাচঁটি বিষয় থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে পাচঁটি জিনিস থেকে বঞ্চিত করবেন। যথা-
১. মিয়াম মানায়ায যাকাতা মানাআল্লা-হু মিনহু হিফজাল মা-লি অর্থাৎ, যাকাত আদায় থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে সম্পদের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করবেন।
২. মিয়াম মানায়াস সাদাক্বাতা মানাআল্লা-হু মিনহুল আফিয়াহ অর্থাৎ, সদকা দেয়া থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে সুস্থতা থেকে বঞ্চিত করবেন।
৩. মিয়াম মানায়াল উশরা মানাআল্লা-হু মিনহু বারাকাতা আরদ্বিহী অর্থাৎ, জমিনের খাজনা প্রদান থেকে যে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে জমিনের বরকত থেকে বঞ্চিত করবেন।
৪. মিয়াম মানায়াদ্দুআ-আ মানাআল্লা-হু মিনহুল ইজ্বাবাহ অর্থাৎ, দোয়া থেকে যে বিরত থাকে, আল্লাহ তার আমল কবুল হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন।
৫. মিয়াম তাহাওয়ানা বিসসালা-তি মানায়া মিনহু ইনদাল মাওতি ক্বাওলা: লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ অর্থাৎ, যে নামাযে অলসতা করবে, তার মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব থেকে বঞ্চিত করা হবে।

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ: دِرْهَمٌ يُنْفِقُهُ أَحَدُكُمْ فِي صِحَّتِهِ وَشُحِّهِ أَفْضَلُ مِنْ مِائَةٍ يُوصِي بِهَا عِنْدَ الْمَوْتِ.
হযরত ইবনে মাসউদ রাযি. বলেন, সুস্থতা ও প্রয়োজনের সময় এক দিরহাম দান করা মৃত্যুর সময় শত দিরহাম দান করার তুলনায় উত্তম ও অধিক ফযীলতপূর্ণ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px