📄 পূর্ণাঙ্গরূপে কেবলামুখী হওয়ার তিনটি মাধ্যম
১. أَوَّلُهَا : أَنْ تَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ بِوَجْهِكَ অর্থাৎ, চেহারাকে কেবলা মুখী করা।
২. وَالثَّانِي : أَنْ تُقْبِلَ عَلَى اللَّهِ بِقَلْبِكَ অর্থাৎ, অন্তরকে আল্লাহমুখী করা。
৩. وَالثَّالِثُ : أَنْ تَكُونَ خَاشِعًا ذَلِيلًا অর্থাৎ, ভয় ও বিনয় অবলম্বন করা।
📄 নিয়তের পূর্ণতা তিনটি বিষয়ের মাধ্যমে
১. أَوَّلُهَا : أَنْ تَعْلَمَ أَيَّ صَلَاةٍ تُصَلِّي অর্থাৎ, কোন নামায আদায় করা হলো, তা জানা থাকা。
২. وَالثَّانِي : أَنْ تَعْلَمَ أَنَّكَ تَقُومُ بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ تَعَالَى وَهُৱ يَرَاكَ ফাতাক্বুমা বিল হাইবাতি (فَتَقُومُ بِالْهَيْبَةِ) অর্থাৎ, মনে মনে এই উপলব্ধি রাখা যে, তুমি আল্লাহর সম্মুখে দাঁড়ানো, তিনি তোমাকে দেখছেন। ফলে আল্লাহর প্রতি ভয় জাগ্রত থাকবে।
৩. وَالثَّالِثُ : أَنْ تَعْلَمَ مَا فِي قَلْبِكَ ফাতুফরিগ ক্বলবাকা মিন আশগালিদ্দুনইয়া (فَتُفْرِغْ قَلْبَكَ مِنْ أَشْغَالِ الدُّنْيَا) অর্থাৎ, এ উপলব্ধি জাগ্রত রাখা যে, তোমার অন্তরে যা রয়েছে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্পূর্ণরূপে জ্ঞাত। ফলে অন্তরকে দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে মুক্ত করে নেবে।
📄 তিন উপায়ে তাকবিরের পূর্ণতা
১. أَوَّلُهَا : أَنْ تُكَبِّرُوا تَكْبِيرًا صَحِيحًا جَزْمًا অর্থাৎ, পূর্ণ ধ্যানের সাথে শুদ্ধরূপে তাকবীর বলা।
২. وَالثَّانِي : أَنْ تَرْفَعَ يَدَيْكَ حِذَاءَ أُذُنَيْكَ অর্থাৎ, কান বরাবর হাত উঠানো।
৩. وَالثَّالِثُ : أَنْ يَكُونَ قَلْبُكَ حَاضِرًا ফাতুকাব্বিরা মায়াত তাজিম (فَتُكَبَّرَ مَعَ التَّعْظِيمِ) অর্থাৎ, তাযীমের সঙ্গে তাকবীর বলা।
📄 তিন উপায়ে কিয়ামের পূর্ণতা
১. أَوَّلُهَا : أَنْ تَجْعَلَ بَصَرَكَ فِي مَوْضِعِ سُجُودِكَ অর্থাৎ, দৃষ্টিকে সিজদার স্থানে নিবদ্ধ রাখা。
২. وَالثَّانِي : أَنْ تَجْعَلَ قَلْبَكَ إِلَى اللَّهِ অর্থাৎ, অন্তরকে আল্লাহমুখী রাখা।
৩. وَالثَّالِثُ : أَنْ لَا تَلْتَفِتْ يَمِينًا وَلَا شِمَالًا অর্থাৎ, ডানে বামে না তাকানো।