📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নামাযের মাধ্যমে গুনাহ মাফ হয়

📄 নামাযের মাধ্যমে গুনাহ মাফ হয়


عَنْ الْحَارِثِ مَوْلَى عُثْمَانَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : جَلَسَ عُثْمَانُ يَوْمًا وَجَلَسْنَا مَعَهُ فَجَاءَ الْمُؤَذِّنُ فَدَعَا عُثْمَانُ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ بِمَاٍ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ قَالَ : رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هُذَا وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ : مَنْ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هُذَا، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى صَلَاةَ الظُّهْرِ غَفَرَ اللهُ لَهُ مَا كَانَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلَاةِ الصُّبْحِ، ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلَاةِ الظُّهْرِ ، ثُمَّ صَلَّى صَلَاةَ الْمَغْرِبِ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلَاةِ الْعَسْرِ، ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ غَفَرَ اللهُ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْمَغْرِبِ، ثُمَّ لَعَلَّهُ يَبِيتُ يَتَمَرَّغُ لَيْلَتَهُ، ثُمَّ إِذَا قَامَ وَتَوَضَّأَ وَصَلَّى الصُّبْحَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلَاةِ الْعِشَاءِ الْآخِرَةِ وَهُنَّ الْحَسَنَاتُ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ. قَالُوا: هَذِهِ الْحَسَنَاتُ فَمَا الْبَاقِيَاتُ الصَّالِحَاتُ? قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ اللَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ.

হযরত হারেস রাযি. বলেন, একদিন আমরা হযরত উসমান রাযি. কে ঘিরে বসা ছিলাম। ইত্যবসরে আযান হলো। উসমান রাযি. পানি আনতে বললেন। উযূ শেষে তিনি বললেন, আমি রাসূলকে এমন করে উযূ করতে দেখেছি। তাঁকে বলতে শুনেছি যে, আমার মতো করে উযূ করবে অতঃপর যোহরের নামায আদায় করবে, আল্লাহ তা'আলা ফজরের নামাযের পর থেকে করা তার যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। অনুরূপ আসরের নামাযের পর যোহর থেকে করা যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। মাগরিবের সালাত আদায়ের পর আসর থেকে করা যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। সর্বশেষ সে যখন এশার সালাত আদায় করবে, মাগরিব থেকে করা যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। এরপর পুরো রাত হয়তো সে ঘুমিয়ে কাটাবে। সকালে উঠে উযূ করে যখন সে নামায আদায় করবে, তখন সর্বশেষ আদায় করা এশার নামাযের পরের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। লোকেরা বলল, এ নামাযগুলা হলো, নেক আমল। তাহলে স্থায়ী নেক আমল কী? তিনি বললেন, তা হলো- سُبْحَانَ اللهِ، وَالحَمْدُ للهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ العَلِيِّ العظيم

টিকাঃ
৫৮৯. মুসনাদে আহমাদ ১/৭১; মুসনাদে বায্যার: হাদীস-৩০৭৬। আল্লামা হাইসামী সনদটিকে সহীহ বলেছেন [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৮৯]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 ঘরের নামায

📄 ঘরের নামায


عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَلْقَى اللَّهَ غَدًا مُسْلِمًا فَلْيُحَافِظُ عَلَى هَؤُلَاءِ الصَّلَاةِ الْمَفْرُوضَاتِ حَيْثُ يُنَادَى بِهِنَّ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى شَرَعَ لِنَبِيِّكُمْ سُنَنَ الْهُدَى وَإِنَّهُنَّ مِنْ سُنَنِ الْهُدَى، فَلَعَمْرِي لَوْ صَلَّيْتُمْ فِي بُيُوتِكُمْ كَمَا يُصَلِّي هُذَا الْمُתَخَلَّفُ فِي بَيْتِهِ، لَتَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ وَلَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ لَضَلَلْتُمْ وَلَقَدْ أَتَى عَلَيْنَا زَمَانٌ وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهُمْ إِلَّا مُنَافِقٌ مَعْلُومٌ نِفَاقُهُ وَلَقَدْ رَأَيْنَا الرَّجُلَ يَتَهَادَى بَيْنَ اثْنَيْنِ، حَتَّى يُقَامَ فِي الصَّفِّ وَمَا مِنْ رَجُلٍ يَتَطَهَّرُ، فَيُحْسِنُ طُهُورَهُ، ثُمَّ يَعْمَدُ إِلَى مَسْجِدٍ مِنَ الْمَسَاجِدِ فَيُصَلِّي فِيهِ إِلَّا كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ حَسَنَةً، وَيَرْفَعُ لَهُ بِهَا دَرَجَةً وَيَحُطُّ عَنْهُ خَطِيئَتَهُ حَتَّى إِنَّا كُنَّا نُقَارِبُ بَيْنَ الْخُطَا وَإِنَّ صَلَاةَ الرَّجُلِ فِي الْجَمَاعَةِ تَزِيدُ عَلَى صَلَاةِ الرَّجُلِ وَحْدَهُ، خَمْسًا وَعِشْرِينَ دَرَجَةً.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. বলেছেন, যে আগামীতে আল্লাহর সঙ্গে মুসলমান হিসেবে সাক্ষাত করতে চায়, সে যেন ফরজ নামাযের প্রতি যত্নবান হয়, যেগুলোর জন্য আযান দেয়। আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নবীর জন্য কিছু সুনানুল হুদা তথা হেদায়াতের আদর্শ দান করেছেন। নামায হলো, সুনানুল হুদা। আমার জীবনের শপথ! যদি তোমরা অমুকের মতো নিজ ঘরেই সালাত আদায় কর, তাহলে তোমরা অবশ্যই নবীর সুন্নাত (আদর্শ) ত্যাগ করলে। আর যদি তোমরা নবীর সুন্নাত পরিত্যাগ কর, তাহলে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। নিশ্চয় আমরা এমন সময় দেখেছি, যখন কেবল মুনাফিকী স্পষ্ট হয়ে গেছে, এমন মুনাফিক নামাযে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকত। আর আমরা এমনও দেখেছি (মুয়াযযিন) কেউ দু'জনের কাঁধে ভর দিয়ে নামাযের কাতারে এসে দাঁড়াত। যে ব্যক্তি পবিত্রতা অর্জন করবে এবং উত্তমরূপে তা সম্পাদন করবে, অতঃপর মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করবে, আল্লাহ তার প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি গুনাহ মুছে দেবেন। এই ফযীলত শোনার পর আমরা ছোট ছোট কদমে মসজিদে যেতাম। একাকী নামায আদায়ের চেয়ে জামাতের সঙ্গে নামায আদায় করার সওয়াব পঁচিশ গুণ বেশি।

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ قَالَ: أَرَدْنَا التَّقْلَةَ إِلَى الْمَسْجِدِ، وَالْبِقَاعُ حَوْلَ الْمَسْجِدِ، لَنَا خَالِيَةٌ فَبَلَغَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ فَأَتَانَا فِي دِيَارِنَا فَقَالَ: يَا بَنِي سَلَمَةَ بَلَغَنِي أَنَّكُمْ تُرِيدُونَ التَّقْلَةَ إِلَى الْمَسْجِدِ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعُدَ عَنَّا الْمَسْجِدُ وَالْبِقَاعُ حَوْلَهُ خَالِيَةٌ فَقَالَ: يَا بَنِي سَلَمَةَ دِيَارَكُمْ فَإِنَّهَا تُكْتَبُ آثَارُكُمْ قَالَ : فَمَا وَدَدْنَا أَنْ نَكُونَ بِحَضْرَةِ الْمَسْجِدِ.

হযরত জাবের রাযি. বলেন, মসজিদে নববীর পাশেই আমাদের কিছু জমি খালি পড়ে ছিল। আমরা মসজিদের পাশের জায়গায় স্থানান্তরিত হওয়ার ইচ্ছা করলাম। রাসূল ﷺ-এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছলে আমাদের গৃহে আসলেন। বললেন, বনী সালামা! শুনেছি তোমরা নাকি মসজিদের পাশে স্থানান্তরিত হওয়ার চিন্তা করছ? আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মসজিদ আমাদের থেকে অনেক দূরে অথচ তার পাশেই জায়গা খালি পড়ে আছে! রাসূল ﷺ তখন বললেন, হে বনী সালামা! তোমরা যেখানে আছো সেখানেই থাক! কারণ, তোমাদের মসজিদে গমনের প্রতিটি কদম লিখে রাখা হয়। জাবের বলেন, রাসূল ﷺ এরূপ বলার পর আমরা আর কখনোই মসজিদে নববীর নিকটে বসবাসের চিন্তা করিনি।

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ صَلَّى فِي الْجَمَاعَةِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا لَمْ تَفُتْهُ رَكْعَةٌ كَتَبَ اللهُ لَهُ بَرَاءَتَيْنِ بَرَاءَةً مِنَ النَّارِ وَبَرَاءَةً مِنَ النَّفَاقِ.

হযরত আনাস বিন মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ক্রমাগত চল্লিশ দিনে জামাতে নামায আদায় করবে, এক রাকাআতও ছুটবে না, আল্লাহ তার জন্য দু'টি মুক্তিনামা লিখে দিবেন। ১. আগুন থেকে মুক্তি। ২. মুনাফিকী থেকে মুক্তি।

টিকাঃ
৫৯০. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৬৫৪; সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৫৫০; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস- ৭৭৭; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-৪৩৫৫।
৫৯১. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৬৬৫; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৪৫৬৬।
৫৯২. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৪১; সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস-৭৯৮।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নামায চুরি

📄 নামায চুরি


عَنْ عُبَادةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ: مَنْ تَوَضَّأَ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَتَمَّ رُكُوعَهَا وَسُجُودَهَا وَالْقِرَاءَةَ فِيهَا قَالَتِ الصَّلَاةُ : حَفِظَكَ اللَّهُ كَمَا حَفِظْتَنِي، ثُمَّ يُصْعَدُ بِهَا إِلَى السَّمَاءِ وَلَهَا ضَوْءٌ وَنُورٌ فَتُفْتَحُ لَهَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ حَتَّى يَنْتَهِيَ بِهَا اللَّهُ تَبَارَكَ وَ تَعَالَى فَتَشْفَعُ لِصَاحِبِهَا، فَإِذَا ضَيَّعَ رُكُوعَهَا وَسُجُودَهَا وَالْقِرَاءَةَ فِيهَا قَالَتِ الصَّلَاةُ : ضَيَّعَكَ اللهُ كَمَا ضَيَّعْتَنِي، ثُمَّ يُصْعَدُ بِهَا وَلَهَا ظُلْمَةٌ حَتَّى يُنْتَهَى بِهَا إِلَى السَّمَاءِ فَتُغْلَقُ أَبْوَابُ السَّمَاءِ دُونَهَا، ثُمَّ تُلَفُّ كَمَا يُلَفُّ الثَّوْبُ الْخَلِقُ فَيُضْرَبُ بِهَا وَجْهُ صَاحِبِهَا.

হযরত উবাদা বিন সামেত রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে উযূ করবে এবং নামাযে দাঁড়িয়ে পূর্ণাঙ্গরূপে রুকু সেজদা আদায় করবে, কুরআন পাঠ করবে, তার নামায বলবে, আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করুন, যেভাবে আমাকে রক্ষা করেছো। অতঃপর নামাযকে আসমানে নিয়ে যাওয়া হবে, তখন তা থেকে নূর বিচ্ছুরিত হতে থাকবে। আসমানের দরজা খোলা হবে এবং তাকে আল্লাহ তা'আলার দরবারে পৌঁছে দেয়া হবে। নামায তার আদায়কারীর জন্য সুপারিশ করবে। পক্ষান্তরে রুকু সেজদা এবং কুরআন পাঠ যদি পুর্ণাঙ্গরূপে না করা হয়, তাহলে নামায বলতে থাকে, আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন, যেভাবে তুমি আমাকে ধ্বংস করেছ। অতঃপর তাকে আসমানে তুলে নেয়া হবে, তাকে ঘিরে থাকবে অন্ধকার। তার সামনে আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। অতঃপর ময়লা কাপড়ের মতো দলা পাকিয়ে তা নামায আদায়কারীর মুখে ছুড়ে মারা হবে।

عَنِ الْحَسَنِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَسْوَلُ النَّাসِ سَرِقَةً. قَالُوا : مَنْ هُৱ يَا رَسُولَ اللَّهِ? قَالَ : الَّذِي يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ قَالُوا : وَكَيْفَ يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ? قَالَ : لَا يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَلَا سُجُودَهَا.

হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে মন্দ চোরের কথা বলব না? সকলে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে কে? রাসূল ﷺ বলেন, যে তার নামায চুরি করে। লোকেরা প্রশ্ন করল নামায আবার কীভাবে চুরি করে? তিনি বললেন, রুকু সেজদা পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করে না।

وَعَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: الصَّلَاةُ مِكْيَالٌ فَمَنْ وَلَى مِكْيَالَهُ وُفِّيَ لَهُ وَمَنْ طَفَّفَ فَقَدْ عَلِمْتُمْ مَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى فِي الْمُطَفِّفِينَ

হযরত সালমান ফারসী রাযি. বলেন, নামায হলো, পরিমাপক। যে এতে পূর্ণাঙ্গ দেবে, তাকেও পূর্ণাঙ্গ দেওয়া হবে। আর যে এতে কম দেবে, তাকেও কম দেওয়া হবে। আর তোমরাই ভালো জানো কম প্রদানকারীদের ব্যাপারে আল্লাহ কুরআনে কী বলেছেন।

টিকাঃ
৫৯৩. মুসনাদে আবী দাউদ ত্বয়ালিসী: হাদীস-৫৮৬; শুআবুল ঈমান: হাদীস-৩১৪০; মুসনাদে বায্যার : ২৬৯১। আল্লামা বুসিরী ও আলবানীর মতে, হাদীসটির সনদ জয়ীফ।
৫৯৪. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২২৬৪২; সহীহ ইবনে খুযাইমা: হাদীস-৬৬৩। আল্লামা হাইসামী ও শুয়াইব আরনাউত প্রমুখের মতে, হাদীসটিকে সহীহ [মাজমা-২/১২৩]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হাশরের ময়দানে তিন শ্রেণীর মর্যাদা

📄 হাশরের ময়দানে তিন শ্রেণীর মর্যাদা


হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেছেন, যেদিন কিয়ামত কায়েম হবে। সকল সৃষ্টি তথা জিন, ইনসান ও সকল প্রাণীকে একই ময়দানে হাজির করা হবে। তারা কাতারবদ্ধ হয়ে হাঁটুতে ভর দিয়ে দাঁড়াবে। একজন ঘোষক ঘোষণা করবে-
১. আজ তোমরা জানতে পারবে কারা সম্মানিত। যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসার করেছে তারা দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে।
২. অতঃপর দ্বিতীয়বার ঘোষণা করা হবে, আজ জানতে পারবে, কারা মর্যাদার অধিকারী। যাদের পার্শ্বাদেশ বিছানা থেকে আলাদা হতো তারাও দাঁড়িয়ে যাও।
৩. ভয় ও আশা নিয়ে যারা তাদের রবকে ডাকতো এবং আল্লাহ তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন, তা থেকে খরচ করত তারাও দাঁড়িয়ে যাও। তারা দাঁড়াবে। তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে।

এরপর তৃতীয়বার ঘোষণা করা হবে, আজ জানতে পারবে, কারা মর্যাদাবান। যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিকির সালাত কায়েম ও যাকাত আদায় থেকে বিরত রাখত না তারা দাঁড়িয়ে যাও। তারা দাঁড়াবে। তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية