📄 সর্বদা আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হবে
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا غُلَامُ، أَوْ يَا غُلَيْمُ أَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ يَنْفَعُكَ اللهُ بِهِنَّ? قُلْتُ : بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ : احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ اللهَ تَجِدْهُ أَمَامَكَ، تَعَرَّفْ إِلَى اللَّهِ فِي الرَّخَاءِ يَعْرِفُكَ فِي الشَّدَّةِ إِذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللَّهَ. وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، قَدْ جَفَّ الْقَلَمُ بِمَا هُৱ كَائِنٌ. فَلَوْ أَنَّ الْخَلْقَ كُلَّهُمْ أَرَادُوا أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يُقَدِّرْهُ اللهُ لَكَ لَمْ يَقْدِرُوا عَلَيْهِ، وَإِنْ أَرَادُوا، أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَكْتُبْهُ اللهُ عَلَيْكَ لَمْ يَقْدِرُوا عَلَيْهِ اعْمَلْ اللَّهِ بِالشَّكْرِ وَالْيَقِينِ. وَاعْلَمْ أَنَّ فِي الصَّبْرِ عَلَى مَا تَكْرَهُ خَيْرًا كَثِيرًا، وَأَنَّ النَّصْرَ مَعَ الصَّبْرِ وَأَنَّ الْفَرَجَ مَعَ الْكَرْبِ وَأَنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ আমাকে বললেন, হে বালক অথবা তিনি বললেন হে শিশু! আমি কি তোমাকে এমন কথা শিক্ষা দেব না, যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমার উপকার করবেন? আমি বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল! রাসূল ﷺ বললেন, তুমি আল্লাহর হক সংরক্ষণ কর, আল্লাহ তোমাকে সংরক্ষণ করবেন। তুমি আল্লাহর হকের সংরক্ষণ কর তাকে তুমি সম্মুখেই পাবে। ভালো সময়ে তুমি তাঁর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলো, মন্দ সময়ে তাকে তুমি সাথে পাবে। যখন তুমি প্রার্থনা কর, আল্লাহর নিকটই কর। যখন সাহায্য চাও, আল্লাহর নিকটই সাহায্য চাও। যা হবে, তা লিখে কলম শুকিয়ে গেছে। কাজেই দুনিয়ার সবাই মিলে যদি তোমার উপকার করতে চায়, যা আল্লাহ তোমার জন্য বরাদ্দ করেননি, তা করতে তারা সক্ষম হবে না। অনুরূপ দুনিয়ার সবাই মিলে যদি তোমার অপকার করতে চায়, যা আল্লাহ তোমার জন্য বরাদ্দ করেননি, তা করতে তারা সক্ষম হবে না। জেনে রাখো! তোমার অপছন্দনীয় বিষয়ে ধৈর্যধারণে, প্রভূত কল্যাণ রয়েছে। সবরের সাথেই সাহায্য, বিপদের পরই মুক্তি এবং কঠিনতার পরই সহজতা।
টিকাঃ
৫২৯. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৫১৬; মুসনাদে আহমাদ: ৪/৪০৯; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
📄 সবর-ই মূল/সবর শ্রেষ্ঠ সম্পদ
عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهُ أَنَّهُ قَالَ : أَيُّهَا النَّاسُ، احْفَظُوا عَنِّي خَمْسًا: احْفَظُوا عَنِّي اثْنَتَيْنِ، وَاثْنَتَيْنِ وَوَاحِدَةً، أَلَا لَا يَخَافَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ إِلَّا ذَنْبَهُ، وَلَا يَرْجُو إِلَّا رَبَّهُ، وَلَا يَسْتَحِي مِنْكُمْ أَحَدٌ إِذَا لَمْ يَعْلَمْ أَنْ يَتَعَلَّمَ، وَلَا يَسْتَحِي أَحَدٌ مِنْكُمْ إِنْ سُئِلَ وَهُৱ لَا يَعْلَمُ، أَنْ يَقُولُ لَا أَعْلَمُ. وَاعْلَمُوا أَنَّ الصَّبْرَ مِنَ الْأُمُورِ بِمَنْزِلَةِ الرَّأْسِ مِنَ فَإِذَا فَارَقَ الرَّأْسُ الْجَسَدَ فَسَدَ الْجَسَدُ، وَإِذَا فَارَقَ الصَّبْرُ الْأُمُورَ فَسَدَتِ الْأُمُورُ. ثُمَّ قَالَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ : أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى الْفَقِيهِ كُلِّ الْفَقِيهِ? قَالُوا: بَلَى يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ. قَالَ: مَنْ لَمْ يُؤَيِّسِ النَّاسَ مِنْ رَوْحِ اللهِ، وَمَنْ لَمْ يُقَنَّطِ النَّاسَ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ تَعَالَى، وَمَنْ لَمْ يُؤَمِّنِ النَّاسَ مِنْ مَكْرِ اللَّهِ، وَمَنْ لَمْ يُزَيِّنْ لِلنَّاسِ مَعَاصِيَ اللهِ، وَلَا يُنْزِلُ الْعَارِفِينَ الْمُوَحَدِينَ الْجَنَّةَ، وَلَا يُنْزِلُ الْعَاصِينَ الْمُذْنِبِينَ النَّارَ، حَتَّى يَكُونَ الرَّبُّ هُৱ الَّذِي يَقْضِي بَيْنَهُمْ. لَا يَأْمَنَنَّ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ مِنْ عَذَابِ اللهِ، وَ اللهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى يَقُولُ : فَلَا يَأْمَنُ مَكْرَ اللَّهِ إِلا الْقَوْمُ الْخَاسِرُونَ (الأعراف: ৯৯) وَلَا يَيْأَسُ شَرُّ هَذِهِ الْأُمَّةِ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ، وَاللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ : إِنَّهُ لا يَيْأَسُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ إِلَّا الْقَوْمُ الْكَافِرُونَ (يوسف: ৮৭)
আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী রাযি. বলেন, হে লোক সকল! তোমরা আমার থেকে পাঁচটি বিষয় গ্রহণ কর। যথা-
১. তোমাদের নিজের গুনাহকে ভয় কর।
২. রবের কাছেই আশা কর।
৩. যা জানো না তা জানতে লজ্জাবোধ কর না।
৪. যে জানে না তার কাছে জানতে চাইলে সে যেন জানি না বলতে লজ্জাবোধ না করে।
৫. জেনে রাখো! দেহের মধ্যে মাথা যেমন, যাবতীয় বিষয়ে ধৈর্যধারণ তেমন। দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হলে যেমন তা বেকার হয়ে যায়, তেমনি কাজ কর্মে ধৈর্য না থাকলে তা অসার হয়ে যায়।
অতঃপর তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানীর সন্ধান দেব? লোকেরা বলল, অবশ্যই হে আমিরুল মুমিনীন! তিনি বললেন, সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী হলো সে, যে মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ করে না, আল্লাহর ক্ষমা থেকে মানুষকে হতাশ করে না, মানুষকে আল্লাহর কৌশল থেকে নির্ভয় করে না, আল্লাহর অবাধ্যতাকে সজ্জিতরূপে উপস্থাপন করে না, তাওহীদের প্রবক্তা আরেফদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয় না, গুনাহগারদের জাহান্নামের নিশ্চয়তা দেয় না, যতক্ষণ না আল্লাহ তা'আলা তাদের মাঝে ফায়সালা করেন, এ উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকেও আল্লাহর শাস্তি থেকে নিরাপদ মনে করে না এবং সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তিকেও আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে হতাশ করে না। কারণ, কুরআনে এসেছে-
ফলা ইয়ামানু মাকরাল্লা-হি ইল্লাল ক্বাওমুল খাসিরুন (فَلَا يَأْمَنُ مَكْرَ اللَّهِ إِلَّا الْقَوْمُ الْخَاسِرُونَ) অর্থ: সুতরাং কেবল ধ্বংসপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ই নিজেদেরকে আল্লাহর কৌশল থেকে নিরাপদ ভাবে।
অতঃপর বলেছেন- ইন্নাহু লা ইয়াইয়াসু মির রাওহিল্লা-হি ইল্লাল ক্বাওমুল কা-ফিরুন (إِنَّهُ لَا يَيْئَسُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ إِلَّا الْقَوْمُ الْكَافِرُونَ) অর্থ: আল্লাহর করুণা থেকে হতাশ হয়ো না। আল্লাহর করুণা থেকে কেবল কাফের সম্প্রদায়ই হতাশ হয়।
টিকাঃ
৫০০. সূরা আরাফ: আয়াত-৯৯
৫০১. সূরা ইউসুফ: আয়াত-৮৭
📄 সবর (ধৈর্য) সর্বশ্রেষ্ঠ আমল
হযরত ইয়াযিদ রাকাশী রহ. বলেন, মানুষ কবরে গমনের পর নামায তার ডানে দাঁড়ায়, যাকাত তার বামে দাঁড়ায়, তার ভালোকাজগুলো উপর থেকে তাকে ছায়া দেয়, আর ধৈর্য তার পক্ষে যুক্তিতর্কে লিপ্ত হয় এবং অন্যান্য আমলকে লক্ষ্য করে বলে, তোমরা তোমাদের সঙ্গীকে রক্ষা কর। যদি পারো তাহলে তো ভালো। অন্যথায় আমি তার পিছনে-ই আছি।
এ হাদীসে এ বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ধৈর্য হলো, সর্বোত্তম আমল। উপরন্তু পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন-
ইন্নামা ইউওয়াফ্ফাস সা-বিরুনা আজরাহুম বিগাইরি হিসা-ব (إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍ) অর্থ: নিশ্চয় ধৈর্যশীলদেরকে তাদের প্রতিদান বেহিসাব দান করা হবে।
টিকাঃ
৫০২. সূরা যুমার: আয়াত-১০
📄 বিপদাপদ গুনাহের কাফ্ফারা স্বরূপ
عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ مَالِي وَسَقِمَ جِسْمِي. فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ : لَا خَيْرَ فِي عَبْدٍ لَا يَذْهَبُ مَالُهُ وَلَا يَسْقَمُ جِسْمُهُ، إِنَّ اللَّهَ إِذَا أَحَبَّ عَبْدًا ابْتَلَاهُ. وَإِذَا ابْتَلَاهُ صَبَّرَهُ.
মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি রাসূল ﷺ কে বলল, আমার সম্পদ নিঃশেষ হয়ে গেছে, আমার দেহ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রাসূল ﷺ বললেন, যার সম্পদ নিঃশেষ হয় না এবং দেহ অসুস্থ হয় না এমন ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। কারণ, আল্লাহ যখন বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন তাকে পরীক্ষা করেন। যখন তাকে পরীক্ষা করেন, তখন তাকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করেন।
হযরত আলী রাযি. বলেন, কোনো ব্যক্তিকে যদি অন্যায়ভাবে বাদশাহ বন্দি করে, আর এতে তার মৃত্যু হয়, তাহলে সে শহীদ। অনুরূপ যদি সে বাদশাহর হাতে প্রহৃত হয়ে মৃত্যুবরণ করে, তাহলেও সে শহীদ।
عَنْ أَبِي فَاطِمَةَ الضَّمْرِيُّ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ الرَّجُلَ لَتَكُونُ لَهُ الدَّرَجَةُ عِنْدَ اللهِ لَا يَبْلُغُهَا بِعَمَلِهِ حَتَّى يُبْتَلَى بِبَلَاءٍ فِي جِسْمِهِ فَيَبْلُغَهَا بِذَلِكَ.
আবু ফাতিমা যামরী থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, কখনো কখনো আল্লাহ বান্দাকে এমন স্তর দান করেন, কিন্তু সে নিজ আমলের মাধ্যমে সে স্তরে পৌঁছতে সক্ষম না। তখন আল্লাহ তাকে দৈহিকভাবে বিপদে ফেলেন। আর এতে সে ধৈর্য ধারণের ফলে সে উক্ত স্তর লাভ করে।
বলা হয়, যখন কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হলো- মঁই ইয়ামাল সূ-আঁ ইজযা বিহি (مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ) অর্থ: যে ব্যক্তি মন্দ করবে, তাকে তার মন্দ আমলের প্রতিদান দেয়া হবে। তখন আবূ বকর রাযি. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আয়াত নাযিলের পর আমাদের আনন্দ লাভের সুযোগ রইল না। রাসূল ﷺ বললেন, 'হে আবু বকর, আল্লাহ তোমাকে মাগফেরাত দান করুন। তুমি কি অসুস্থ হও না? কষ্ট, ক্লান্তি ও দুঃখের সম্মুখীন হও না? এগুলোই তোমাদের মন্দ আমলের প্রতিদান।'
عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ (مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ) خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ وَقَالَ: قَدْ أُنْزِلَتْ عَلَيَّ آيَةٌ هِيَ خَيْرٌ لِأُمَّتِي مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا. ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الْآيَةَ : مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ (النساء: ১২৩) ثُمَّ قَالَ : إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا أَذْنَبَ ذَنْبًا فَتُصِيبُهُ شِدَّةٌ أَوْ بَلاءٌ فِي الدُّنْيَا، فَاللَّهُ أَكْرَمُ مِنْ أَنْ يُعَذِّبَهُ ثَانِيًا.
হযরত আলী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ (অর্থ: যে ব্যক্তি মন্দ করবে, তাকে তার মন্দ আমলের প্রতিদান দেয়া হবে) এ আয়াত নাযিল হলে রাসূল ﷺ আমাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলেন, আমার নিকট এক আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে, যা আমার উম্মতের জন্য দুনিয়া ও তৎমধ্যবর্তী সবকিছুর তুলনায় উত্তম। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন। এরপর বললেন, বান্দা যখন কোনো গুনাহ করে, অতঃপর কোনো কষ্ট বা বিপদে আক্রান্ত হয়, তখন তা তার জন্য ভবিষ্যতের আযাব থেকে মুক্তির কারণ হয়।
টিকাঃ
৫৩৩. আল-মারায লিইবনে আবিদ দুনিয়া; ফায়জুল কাদীর: ৬/৪২৬; জয়ীফুল জামে হাদীস-৬৩০৩।
৫৩৪. সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-২৮৯৬; আত-তারগীব হাদীস-৪৯৬৩; হাদীসটি সহীহ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ২/২৯২]।
৫৩৫. সূরা নিসা: আয়াত-১২৩
৫৩৬. সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-২৯১০; মুসনাদে আহমাদ: ১/১১; শায়েখ আরনাউত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৫৩৭. সুনানে তিরযিমী হাদীস-২৬২৬; সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস-২৬০৪। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান গরীব বলেছেন।