📄 এক দিরহাম সদকা করা এক লক্ষ দিরহাম হতেও উত্তম
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: دِرْهَمٌ مِنَ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ مِنْ مِائَةِ أَلْفِ قِيلَ ك وَكَيْفَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ? قَالَ : أَخْرَجَ رَجُلٌ مِنْ عَرْضِ مَالِهِ مِائَةَ أَلْفٍ وَتَصَدَّقَ بِهَا، وَأَخَّرَ رَجُلٌ دِرْهَمًا مِنْ دِرْهَمَيْنِ لَمْ يَمْلِكُ غَيْرَهُمَا طِيبَةً مِنْ نَفْسِهِ، فَصَارَ صَاحِبُ الدَّرْهَمِ أَفْضَلُ مِنْ صَاحِبِ الْمِائَةِ أَلْفِ.
হযরত যায়েদ বিন আসলাম রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, কখনো কখনো এক দিরহামের সদকা এক লক্ষ দিরহামের সদকার তুলনায় উত্তম। জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! তা কীভাবে? রাসূল ﷺ বললেন, এক ব্যক্তির বিশাল ধনভাণ্ডার আছে। সেখান থেকে সে এক লক্ষ দিরহাম দান করল। অপরদিকে এক ব্যক্তির মাত্র দুই দিরহাম সম্পদ আছে। এছাড়া তার কোনো সম্পদ নাই। সেখান থেকে সে সন্তুষ্ট চিত্তে এক দিরহাম দান করল। এই এক দিরহামের দানকারী এক লক্ষ দিরহাম দানকরীর তুলনায় অনেক উত্তম।
عَنِ الْحَسَنِ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى عَنِ النَّبِيِّ اللهِ أَنَّهُ سَأَلَهُ بَعْضُ أَصْحَابِهِ إِذَا رَأَيْنَا أَشْيَاءَ نَشْتَهِيهَا لَا نَقْدِرُ عَلَيْهَا فَهَلْ لَنَا فِيهَا أَجْرٌ ? قَالَ : فَبِمَ تُؤْجَرُونَ إِنْ لَمْ تُؤْجَرُوا فِيهَا.
হযরত হাসান রহ. বলেন, রাসূল ﷺ-কে জনৈক সাহাবী জিজ্ঞেস করল, আমরা এমন কিছু দেখি, যা পাওয়ার সাধ জাগে আমাদের। কিন্তু আমরা তাতে সক্ষম হই না। এতে কি আমাদেরকে সওয়াব দেয়া হবে? রাসূল ﷺ বললেন, এতে যদি সওয়াব না দেওয়া হয় তাহলে আর কোথায় সওয়াব দেয়া হবে?
হযরত যাহ্হাক রহ. বলেন, যে বাজারে প্রবেশ করল। সেখানে মনের চাহিদা মতো কোনো কিছু দেখে সওয়াবের আশায় সে ধৈর্যধারণ করল, তবে তার জন্য এ ধৈর্যধারণ আল্লাহর রাস্তায় এক লক্ষ্য দীনার দান করার তুলনায় উত্তম।
টিকাঃ
৫০৫. সহীহ ইবনে হিব্বান ৫/১৪৪; নাসায়ী কুবরা ৫/৫৯; মুস্তাদরাকে হাকেম: ১/৪১৬। হাদীসটিকে হাকেম সহীহ বলেছেন; ইমাম যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।
📄 দরিদ্রদের ফযীলত
ফকীহ সমরকান্দী রহ. বলেন, নিম্নোক্ত আয়াত দরিদ্রদের ফযীলতেরই প্রমাণ বহন করে- وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ অর্থ: আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর, যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও। অর্থাৎ, সালাত আদায় কর আমার জন্য এবং যাকাত দাও দরিদ্রদেরকে। আল্লাহ এখানে আপন হকের পরই দরিদ্রদের হকের উল্লেখ করেছেন।
কথিত আছে, দরিদ্ররা হলো, ধনীদের চিকিৎসক, তাদের ধোপা, প্রতিনিধি, প্রহরী এবং তাদের জন্য সুপারিশকারী। ধনীদের চিকিৎসক এভাবে যে, যখন ধনীরা অসুস্থ হয় তখন দরিদ্রদেরকে দান করার দ্বারা তারা সুস্থতা লাভ করে। ধোপা এভাবে যে, ধনীরা দরিদ্রকে দান করলে সে তার জন্য দোয়া করে, ফলে ধনীরা গুনাহ মুক্ত হয় এবং তাদের সম্পদও পাক হয়ে যায়। প্রতিনিধি এভাবে যে, ধনীরা যখন তার মৃত পিতা-মাতা বা নিকটাত্মীয়ের জন্য দরিদ্রদেরকে দান করে তখন মৃত ব্যক্তি কবরে বসে তা প্রাপ্ত হয়। যেন দরিদ্র ব্যক্তি তার প্রতিনিধি হয়ে কবরে তা পৌঁছে দেয়। প্রহরী এভাবে যে, দরিদ্র ব্যক্তিকে দান করার ফলে তার দুআর বরকতেই ধনী ব্যক্তির সম্পদের সুরক্ষা হয়。
رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ : أَلَا أُخْبِرُكُمْ عَنْ مُلُوكِ الْجَنَّةِ فَقَالُوا : نَعَمْ. قَالَ : هُمُ الضُّعَفَاءُ الْمَظْلُومُونَ الَّذِينَ لَا يُزَوَّجُونَ الْمُتَنَعَمَاتِ وَلَا تُفْتَحُ لَهُمْ أَبْوَابُ السُّدَدِ، يَمُوتُ أَحَدُهُمْ وَحَاجَتُهُ تَتَلَجْلَجُ فِي صَدْرِهِ، وَلَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ.
রাসূল ﷺ থেকে বর্ণিত। তিনি ইরশাদ করেন, আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতের বাদশাহদের সম্পর্কে বলবো না? তারা বলল, বলুন। তিনি বললেন, জান্নাতের বাদশাহ হলো, ওই সমস্ত দুর্বল মজলুম ব্যক্তি, যারা উপভোগ্য রমণীদের বিবাহ করতে পারে না, যাদের প্রায়োজন পুরণের দরজাসমূহ উন্মুক্ত হয় না। প্রয়োজন পুরণের দুশ্চিন্তা নিয়েই তারা মৃত্যুবরণ করে। এরা যদি আল্লাহর উপর শপথ করে, তবে তিনি তা পূরণ করেন।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا : مَلْعُونَ مَنْ أَكْرَمَ بِالْغِنَى وَأَهَانَ بِالْفَقْرِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. বর্ণনা করেন, ঐ ব্যক্তি অভিশপ্ত যে ধনাট্যতার কারণে কাউকে সম্মান করছে, আর দরিদ্রকে অসম্মান করেছে।
টিকাঃ
৫০৬. সূরা নুর: আয়াত-৫৬
৫০৭. সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস-৪৩৩৩; [হাদীসটির প্রথম অংশ মুনকার; তবে এর কাছাকাছি অর্থে সহীহ বুখারী (৬২৮১), সহীহ মুসলিম (২৮৫২), মুস্তাদরাকে হাকেম (৭৯৩২), সহীহ ইবনে হিব্বান (৫৬৭৯), সুনানে তিরমিযী (২৬০৫) তে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। যার সারবাণী হলো: রাসূলুল্লাহ বলেছেন- 'আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতীদের সম্পর্কে বলবো? তারা হলো সেসব লোক, যারা দুর্বল, যাদেরকে লোকেরা দুর্বল মনে করে। এমনকি তাদের জন্যে কারো ঘরের দরজাও খোলা হয় না। অথচ তারা আল্লাহর নামে কোনো কসম করে ফেললে আল্লাহ পাক নিজেই তার বোঝা থেকে তাকে মুক্ত করেন। '...
📄 দরিদ্র ও ধনীর তুলনা
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّهُ قَالَ: مَا أَنْصَفْنَا إِخْوَانَنَا الْأَغْنِيَاءَ لِأَنَّهُمْ يَأْكُلُونَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ، وَيَشْرَبُونَ وَنَحْنُ نَشْرَبُ، وَيَلْبَسُونَ وَنَحْنُ نَلْبَسُ، وَلَهُمْ فُضُولُ أَمْوَالِهِمْ يَنْظُرُونَ إِلَيْهَا وَنَحْنُ نَنْظُرُ إِلَيْهَا مَعَهُمْ، وَهُمْ يُحَاسَبُونَ وَنَحْنُ بُرَاءُ مِنْهَا وَعَنْ شَقِيقِ الزَّاهِدِ أَنَّهُ قَالَ: اخْتَارَ الْفُقَرَاءُ ثَلَاثَةَ أَشْيَاءَ، وَالْأَغْنِيَاءُ ثَلَاثَةَ أَشْيَاءَ اخْتَارَ الْفُقَرَاءُ رَاحَةَ النَّفْسِ، وَفَرَاغَ الْقَلْبِ، وَخِفَّةَ الْحِسَابِ. وَاخْتَارَ الْأَغْنِيَاءُ تَعَبَ النَّفْسِ، وَشُغْلَ الْقَلْبِ، وَشِدَّةَ الْحِسَابِ.
হযরত আবু দারদা রাযি. বলেন, আমাদের ধনী ভাইয়েরা আমাদের প্রতি ইনসাফ করে না। তারা পানাহার করে, আমরাও পানাহার করি, তারা পরিধান করে, আমরাও পরিধান করি, তাদের কিছু সম্পদ রয়েছে, যার দিকে তারাও তাকায়, আমরাও তাদের সঙ্গে তাকাই। কিন্তু কিয়ামতের দিন তাদের থেকে হিসাব নেওয়া হবে, আমাদের থেকে হিসাব নেওয়া হবে না。
শাকীক বলখী রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, দরিদ্রগণ তিনটি জিনিস বেছে নিয়েছে। আর ধনীরাও তিনটি জিনিস বেছে নিয়েছে। দরিদ্ররা বেছে নিয়েছে ১. আত্মার প্রশান্তি, ২. কলবের মুক্তি ৩. এবং সহজতর হিসাব। ধনীরা বেছে নিয়েছে ১. আত্মার ক্লান্তি, ২. কলবের ব্যতিব্যস্ততা ৩. এবং কঠিন হিসাব।
📄 চারটি বিষয় ব্যতীত চারটি বিষয়ের দাবী অর্থহীন
عَنْ حَاتِمِ الزَّاهِدِ أَنَّهُ قَالَ: مَنِ ادَّعَى أَرْبَعًا مِنْ غَيْرِ أَرْبَعٍ فَهُৱ مُكَذِّبٌ، مَنِ ادَّعَى حُبَّ مَوْلَاهُ مِنْ غَيْرِ وَرَعٍ عَنْ مَحَارِمِهِ، وَمَنِ ادَّعَى حُبَّ الْجَنَّةِ مِنْ غَيْرِ إِنْفَاقِ مَالِهِ فِي طَاعَةِ اللهِ تَعَالَى، وَمَنِ ادَّعَى حُبَّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ غَيْرِ اتَّبَاعِ سُنَّتِهِ، وَمَنِ ادَّعَى حُبَّ الدَّرَجَاتِ مِنْ غَيْرِ صُحْبَةِ الْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ.
হযরত হাতেম রহ. বলেন, চারটি বিষয় ব্যতীত চারটি বিষয়ের দাবিদাররা মিথ্যাবাদী। যথা-
১. নিষিদ্ধ বিষয় পরিত্যাগ না করে আল্লাহর ভালোবাসার দাবী।
২. আল্লাহর আনুগত্যে ধন-সম্পদ ব্যয় করা ব্যতীতই জান্নাতের ভালোবাসার দাবী।
৩. রাসূল ﷺ-এর সুন্নতের অনুসরণ করা ব্যতীতই তাঁর ভালোবাসার দাবী।
৪. দরিদ্র ও মিসকীনদের সাহচর্য ব্যতীতই উঁচু মর্যাদার দাবী।
কোনো এক বিদ্বান ব্যক্তি বলেন, যার মধ্যে চার ধরনের ত্রুটি পাওয়া যায়, সে অবশ্যই যাবতীয় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। ১. الْمُتَطَاوِلُ عَلَى مَنْ تَحْتَهُ অর্থাৎ, অধীনস্তের প্রতি অত্যাচারের হাত প্রসারিত করা। ২. وَالْعَاقُ لِوَالِدَيْهِ অর্থাৎ, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। ৩. وَ مَنْ يُحَقَّرُ الْغَرِيبَ অর্থাৎ, ভিনদেশীদের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করা। ৪. وَ مَنْ يُعَيَّرُ الْمَسَاكِينَ لِمَسْكَنَتِهِمْ অর্থাৎ, দরিদ্রকে তার দারিদ্র্যের কারণে অবহেলা করা।
رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ أَنَّهُ قَالَ: مَا أَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى إِلَيَّ أَنْ أَجْمَعَ الْمَالَ وَأَكُونَ مِنَ التَّاجِرِينَ، وَلَكِنْ أَوْحَى إِلَيَّ أَنْ سَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ. وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ (الحجر : ٩٩)
রাসূল ﷺ থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা আমার নিকট এই ওহী পাঠাননি, আমি যেন সম্পদ জমা করি ও ব্যবসা করি। বরং আমাকে নিম্নোক্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ وَاعْبُدُ رَبَّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ (অর্থ : সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসার সাথে তাসবীহ পাঠ কর এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও আর মৃত্যু অবস্থায় উপনীত হওয়া পর্যন্ত তোমার রবের ইবাদত কর)।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : يَا أَيُّهَا النَّاسُ لَا تَحْمِلْكُمُ الْعُسْرَةُ عَلَى أَنْ تَطْلُبُوا الرِّزْقَ مِنْ غَيْرِ حِلَّةٍ ، فَإِذَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : اللَّهُمَّ تَوَفَّنِي فَقِيرًا وَلَا تَتَوَفَّنِي غَنِيًّا، وَاحْشُرْنِي فِي زُمْرَةِ الْمَسَاكِينِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَإِنَّ أَشْقَى الْأَشْقِيَاءِ مَنِ اجْتَمَعَ عَلَيْهِ فَقْرُ الدُّنْيَا وَعَذَابُ الْآخِرَةِ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে লোক সকল! অভাব-অনটন ও দরিদ্রতা যেন তোমাদেরকে নিষিদ্ধ উপায়ে রিযিক অন্বেষণে লিপ্ত না করে। কারণ, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, হে আল্লাহ! আমাকে দরিদ্র অবস্থায় মৃত্যু দান করুন, ধনী অবস্থায় না এবং কিয়ামতের দিন মিসকীনদের সঙ্গে আমার হাশর করুন। কারণ, সবচেয়ে দুর্ভাগা সে ব্যক্তি, যে দুনিয়াতে অভাবী থাকে আর আখেরাতে শাস্তি ভোগ করে।
টিকাঃ
৫০৮. সূরা হিজরাত: আয়াত-৯৮-৯৯। হাদীস: দাইলামী: ৬১৯৭; হিলইয়াতুল আউলিয়া: ২/১৩১।
৫০৯. মুস্তাদরাকে হাকেম: হাদীস-৭৯১১; সুনানে তিরমিযী, কাশফুল খাফা, ফায়যুল কাদীর। হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী বলেছেন, 'ইবনে তাইমিয়া ও ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে জাল বলে সঠিক করেননি।' কেন না অনেক মুহাদ্দিস হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। যেমন- হাকেম, যাহাবী, যিয়াউদ্দীন, আলবানী প্রমুখ।