📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 চোগলখোরের মুখোমুখি হলে করণীয়

📄 চোগলখোরের মুখোমুখি হলে করণীয়


ইমাম সমরকন্দী রহ. বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি তোমার নিকট এসে বলে, আপনার সাথে অমুকে এই এই আচরণ করেছে বা বলে, আপনার সম্পর্কে সে নানান খারাপ মন্তব্য করেছে, তাহলে তোমার কর্তব্য হলো ছয়টি কাজ করা। যথা-

১. তাকে বিশ্বাস না করা। কারণ, চোগলখোরের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَأَ فَتَبَيَّنُوا أَنْ تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصِبِحُوا عَلَى مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমাদের নিকট যদি কোনো ফাসেক কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তাহলে তোমরা তা যাচাই কর। যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো জাতিকে আক্রান্ত না করে ফেল। ফলে তার জন্য পরে তোমাদের অনুতাপ করতে হবে।

২. তাকে সে কাজ থেকে নিষেধ করা। কারণ, অসৎ কাজের নিষেধ করা মুমিনের কর্তব্য। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ অর্থ: তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ জাতি, তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের জন্য। তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজ থেকে বারণ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখবে।

৩. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাকে ঘৃণা করবে। কারণ, সে নাফরমান। আর নাফরমানকে ঘৃণা করা ওয়াজিব। কারণ, আল্লাহ তাকে অপছন্দ করেন।

৪. তুমি তোমার অনুপস্থিত কোনো ভাই সম্পর্কে মন্দ ধারণা করবে না। কারণ, কোনো মুসলিম সম্পর্কে মন্দ ধারণা হারাম। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ অর্থ: কোনো কোনো ধারণা গুনাহ।

৫. এই বিষয়ে আর ঘাঁটি-ঘাঁটি করবে না। কারণ, আল্লাহ তা'আলা তা করতে নিষেধ করেছেন। (লা তাজাস্সাসু)

৬. চোগলখোরের যে বিষয় তুমি অপছন্দ করছ, তা থেকে নিজেও বিরত থাকবে। অর্থাৎ, এ চোগলখোর তোমার কাছে যে সংবাদ নিয়ে এসেছে তুমি অন্যের কাছে তা নিয়ে যাবে না।

টিকাঃ
৩৮৩. সূরা হুজুরাত; আয়াত-৬
৩৮৪. সূরা আলে ইমরান: আয়াত-১১০
৩৮৫. সূরা হুজুরাত: আয়াত-১২

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية