📄 গীবত মৃত ব্যক্তির গোশত খাওয়া সমতুল্য
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ قَالَ : لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي إِلَى السَّمَاءِ مَرَرْتُ بِقَوْمٍ يُقْطَعُ اللَّحْمُ مِنْ جُنُوبِهِمْ، ثُمَّ يُلْقَمُونَهُ، ثُمَّ يُقَالُ لَهُمْ : كُلُوا مَا كُنْتُمْ تَأْكُلُونَ مِنْ لَحْمَ أَخِيكُمْ، فَقُلْتُ : يَا جِبْرِيلُ مَنْ هَؤُلَاءِ؟ قَالَ : هَؤُلَاءِ مِنْ أُمَّتِكَ الْهَمَّازُونَ اللَّمَّازُونَ يَعْنِي الْمُغْتَابِينَ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত- নবী কারীম ﷺ বলেন, মেরাজের রজনীতে আমি একদল লোকের নিকট দিয়ে গমন করলাম, যারা নিজেদের পাজরের গোশত কেটে ভক্ষণ করছে। আর জাহান্নামের ফেরেশতাগণ তাদের বলছেন, দুনিয়াতে তোমরা যেভাবে তোমাদের ভাইয়ের মাংস খেতে, আজ সেভাবে নিজেদের মাংস খাও। আমি জিবরীল আ. কে জিজ্ঞেস করলাম- এরা কারা? তিনি বললেন, এরা আপনার উম্মতের গীবতকারীরা।
ইমাম সমরকন্দী রহ. বলেন, এই বিষয়ে আমি আমার পিতার মুখে একটি ঘটনা শুনেছি। একদা নবী কারীম ﷺ বাড়িতে ছিলেন। আর সাহাবায়ে কেরাম মসজিদে সুফফায় ছিলেন। হযরত জায়েদ ইবনে সাবেত রাযি. সুফ্ফার সাহাবীদেরকে রাসূলের হাদীস বর্ণনা করে শুনাতেন। ইত্যবসরে রাসূল-এর দরবারে কিছু গোশত হাদিয়া এলো। তা দেখে উপস্থিত সাহাবীগণ হযরত জায়েদ রাযি. কে বললেন, তুমি রাসূলের নিকট যাও এবং বলো আমরা অনেক দিন হলো গোশত খাই না, তিনি যেন আমাদেরকে কিছু গোশত দেন। হযরত জায়েদ রাযি. উঠে গেলে তারা পরস্পর বলল, জায়েদ তো আমাদের মতই। আমরা যেমন রাসূল-এর হাদীস শুনি তেমনি সেও কিছু হাদীস শোনে। তাহলে সে কিভাবে আমাদের উপর উস্তাদি করে? জায়েদ রাসূল-এর নিকট গিয়ে গোশতের কথা বললে, রাসূল বললেন, তাদের গিয়ে বল, তোমরা তো এইমাত্র গোশত খেলে। তিনি ফিরে গিয়ে তাদের তা বললেন। তারা বলল, আল্লাহর কসম! আমরা অনেক দিন হলো গোশত খাই না। জায়েদ রাযি. রাসূল-এর নিকট ফিরে এসে তাদের বক্তব্য শুনালেন। রাসূল বললেন, তারা তো এইমাত্র গোশত খেল। জায়েদ ফিরে এসে তাদের সে কথা বললে তারা সবাই উঠে রাসূল-এর নিকট গমন করে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো অনেক দিন হলো, গোশত খাই না। রাসূল বললেন, তোমরা এইমাত্র তোমাদের এক ভাইয়ের গোশত খেয়েছ এবং তোমাদের মুখে এখনো সে মাংস লেগে আছে। তোমরা সবাই থুথু ফেল, দেখবে তার সাথে গোশতের রক্ত বেরিয়ে আসবে। তারা থুথু ফেললে তার সাথে গোশতের রক্ত বেরিয়ে এল। তখন তারা সবাই তাওবা করল। আর বলল, আমরা তো ভালো ছাড়া মন্দের ইচ্ছা করিনি।
টিকাঃ
৩৬৩. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৮৭৮; শুআবুল ঈমান হাদীস-৬৭১৬।
৩৬৪. আব্দ ইবনে হুমাইদ ইকরিমা থেকে কাছাকাছি শব্দে এরুপ একটি বিবরণ তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন। [দুররে মানছুর : ৭/৫৭১-৫৭২]। মুসনাদে আহমাদে (৩৯/৫৯) জয়ীফ সনদে দুজন মহিলার সিয়ামরত অবস্থায় এরুপ ঘটনার কথা বর্ণিত হয়েছে।
📄 গীবতের দুর্গন্ধ
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا قَالَ : هَاجَتْ رِيحٌ مُنْتِنَةٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : إِنَّ نَاسًا مِنَ الْمُنَافِقِينَ قَدِ اغْتَابُوا أُنَاسًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَلِذَلِكَ هَاجَتْ هَذِهِ الرِّيحُ الْمُنْتِنَةُ.
হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূল-এর জীবিত অবস্থায় একবার দুর্গন্ধময় বাতাস বইতে লাগলে রাসূল ﷺ ইরশাদ করলেন, একদল মুনাফিক মুসলমানদের গীবত করছে, ফলে এই দুর্গন্ধময় বাতাস বইছে।
জনৈক দরবেশ কে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূল-এর সময় বাতাসে গীবতের দুর্গন্ধ অনুভূত হতো কিন্তু এখন তেমনটি হয় না। এর কারণ কী? তিনি বললেন, আমাদের যুগে গীবত বেশি হওয়ায় নাক অসাড় হয়ে গেছে। ফলে তার দুর্গন্ধ অনুভূত হয় না। যেমন চামড়ার দোকানে সাধারণ কোনো মানুষ প্রবেশ করলে চামড়ার দুর্গন্ধে সে এক মুহূর্তও সেখানে থাকতে পারে না। কিন্তু চামাড়রা সেখানে বসে পানাহার করে। অথচ কোনো দুর্গন্ধ অনুভূত হয় না। কারণ, এ দুর্গন্ধ তাদের নাকে সয়ে গেছে। তেমনি আমাদের গীবতের বিষয়টিও। আমাদের নাকে তার দুর্গন্ধ সয়ে গেছে। তাই আমরা এখন আর বাতাসে তার দুর্গন্ধ টের পাই না।
হযরত সাদী রহ. থেকে বর্ণিত- একদা হযরত সালমান ফারসী রাযি. একদল সাহাবীর সাথে কোথাও সফরে বের হলেন। তাদের সাথে হযরত উমর রাযি.ও ছিলেন। পথিমধ্যে তারা একস্থানে যাত্রাবিরতি দিলেন এবং সেখানে তাঁবু স্থাপন করে রান্নার ব্যবস্থা করতে লাগলেন। ইতোমধ্যে হযরত সালমান শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। তাই দেখে একজন মন্তব্য করল, গোলামটার অবস্থা দেখ! এর উদ্দেশ্য হলো, স্থাপন করা তাঁবু পাওয়া ও রান্না করা খাবার খাওয়া। পরে তিনি ঘুম থেকে উঠলে তারা তাকে বললেন, তুমি রাসূল ﷺ-এর নিকট গিয়ে কিছু তরকারী নিয়ে আস। তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট গিয়ে তরকারী চাইলে তিনি বললেন, তাদের গিয়ে বল তারা তো ইতোমধ্যে তরকারী খেয়ে ফেলেছে। সালমান রাযি. ফিরে এসে সাথীদের সে কথা বললে তারা বলল, আমরা তরকারী খাইনি এবং রাসূলও মিথ্যা বলতে পারেন না। এরপর তারা সবাই রাসূলের দরবারে উপস্থিত হলো। তিনি বললেন, তোমাদের সাথী ঘুমন্ত অবস্থায় তোমরা তার সম্পর্কে যা বলেছ, তাতেই তো তোমরা তার গোশতের তরকারী খেয়ে ফেলেছ। তারপর এই আয়াত টি নাযিল হয়-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَعْضُكُم بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ.
অর্থ: হে মুমিনগণ! এমন অনেক অনুমান আছে যা থেকে তোমাদের বেঁচে থাকা উচিত। কারণ, কোনো-কোনো অনুমান গুনাহ হয়ে থাকে এবং তোমরা তোমাদের সাথীদের দোষ খুজে বেড়িও না এবং পরস্পর গীবত কর না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করে? নিশ্চয় তোমরা তা অপছন্দ কর।
হযরত সুফইয়ান রহ. বলেন, ধারণা দুই ধরনের। যথা- ১. যাতে গুনাহ রয়েছে। ২. যাতে কোনো গুনাহ নেই। যে ধারণায় গুনাহ হয়, তাহলো ধারণার পাশাপাশি তা মুখে প্রকাশ করা। আর যে ধারণায় গুনাহ হয় না, তাহলো যা ধারণা করা হয় কিন্তু মুখে প্রকাশ করা হয় না।
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ-এর দুই ধনী সাহাবীর ব্যাপারে আয়াতটি নাযিল হয়। ঘটনাটি এ রকম যে, এক সফরে রাসূল দুই জন ধনী সাহাবীর সাথে দরিদ্র সালমান ফারসী রাযি. কেও মিলিয়ে দিলেন। যাতে তিনি তাদের খানা প্রস্তুত করে দিতে পারেন এবং আগে-আগে চলে তাদের যাত্রাবিরতির স্থান ঠিক করে তাদের জন্য তাঁবু প্রস্তুত করতে পারেন। এক স্থানে পৌঁছে তারা দেখল সালমান কিছু প্রস্তুত করে রাখেননি। তখন তারা তাকে বলল, রাসূল ﷺ-এর নিকট গিয়ে কিছু অতিরিক্ত তরকারি নিয়ে এসো। তিনি চলে গেলে তাদের একজন বলল, এই লোকটা অমুক কূপের নিকট গেলেও পানি কমে যাবে। সালমান রাযি. রাসূল ﷺ-এর নিকট গিয়ে তাদের জন্য তরকারি চাইলে তিনি বললেন, তাদের গিয়ে বল, তারা তো তরকারি খেয়ে ফেলেছে। তিনি ফিরে গিয়ে তাদের সে কথা বললে তারা রাসূলের নিকট এসে বলল, আমরা তো তরকারি খাইনি। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের মুখে গোশতের রক্ত দেখতে পাচ্ছি। তারা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আজ আমাদের নিকট কোনো খাবারই ছিল না এবং আমরা কোনো গোশতও খাইনি। রাসূল ইরশাদ করলেন, তোমরা তোমাদের সাথীর গীবত করেছ। তোমরা কি মৃত ব্যক্তির গোশত খেতে চাও? তারা বলল, না। রাসূল বললেন, তোমরা মৃত ব্যক্তির গোশত খেতে যেমন অপছন্দ কর, তেমনি গীবত করাকেও অপছন্দ কর। কারণ, কারো গীবত করা তার গোশত খাওয়ার সমতুল্য। তখনই এই আয়াতটি নাযিল হয়- وَلَا يَغْتَب بَعْضُكُم بَعْضًا অর্থ: তোমরা পরস্পর গীবত কর না।
টিকাঃ
৩৬৫. আদাবুল মুফরাদ: হাদীস-৭৩২; মুসনাদে আহমাদ: ২৩/৯৭; মুসনাদে হুমাইদী: হাদীস-১০২৮। শায়েখ আরনাউত সনদটিকে হাসান বলেছেন。
৩৬৬. তাফসীরে দুররে মানছুর: ৬/৫৭০。
৩৬৭. সূরা হুজুরাত: আয়াত-১২
📄 গীবত নেকিকে বরবাদ করে দেয়
একদা হযরত হাসান বসরী রহ.কে বলা হলো, অমুক ব্যক্তি আপনার গীবত করছে। তিনি সাথে সাথে তার নিকট কিছু খেজুর হাদিয়া পাঠিয়ে দিলেন এবং বললেন আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে আপনি আমাকে কিছু নেকি হাদিয়া দিয়েছেন। তাই তার বিনিময় হিসাবে আমি আপনাকে এই হাদিয়া পাঠালাম। কিন্তু আফসোস! পূর্ণ বিনিময় দিতে পারলাম না। আমাকে তার জন্য ক্ষমা করে দিয়েন।
একদা হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম রহ. কিছু লোককে দাওয়াত করলেন। মেহমানরা খেতে বসে এক লোকের নিন্দা করতে লাগল। শুনে হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম বললেন, লোকে আগে রুটি তারপর গোশত খায়, তোমরা তো দেখছি রুটির সাথে গোশত খেতে শুরু করেছ।
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِي رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : إِنَّ الْعَبْدَ لَيُعْطَى كِتَابَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَرَى فِيهِ حَسَنَاتٍ لَمْ يَكُنْ عَمِلَهَا، فَيَقُولُ يَا رَبُّ مِنْ أَيْنَ لِي هَذَا؟ فَيَقُولُ هَذَا بِمَا اغْتَابَكَ النَّاسُ وَأَنْتَ لَا تَشْعُرُ.
হযরত আবূ উমামা আল-বাহেলী রহ. বলেন, কিয়ামতের দিন মুমিন তার আমলনামায় এমন কিছু নেক আমলের সওয়াবের অংশ দেখতে পাবে, যা সে কখনো করেনি। তখন সে বলবে, হে রব! এই আমল আমার আমলনামায় কোত্থেকে এলো, অর্থ আমি এই আমল করিনি? আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করবেন, তোমার অগোচরে তোমার গীবত করা হয়েছিল, কিন্তু তুমি তা জানতে না। এগুলো তার বিনিময়।
হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম রহ. বলেন- 'হায়রে বোকা মানুষ! তুমি দুনিয়ার ব্যাপারে বন্ধুদের সাথে কৃপণতা করছ কিন্তু আখেরাতের ক্ষেত্রে উদার হস্তে আপন শত্রুদেরকে দান করছ। তোমার এ কৃপণতাও ক্ষমার যোগ্য না আর তোমার এই উদারতাও প্রশংসনীয় না।'
জনৈক আরেফ বলেন, গীবত হলো, পাঠকদের জন্য ফলস্বরূপ, ফাসেকদের মেহমানদারী স্বরূপ, মহিলাদের চারণভূমি স্বরূপ, কুকুর স্বভাবী মানুষদের জন্য সুস্বাদু তরকারী স্বরূপ। আর মুত্তাকীদের জন্য ডাষ্টবিন স্বরূপ。
টিকাঃ
৩৬৮. মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাহ হাদীস-২৬৬৮; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/৯৪; আল-মাতালেবুল আলিয়া: ২/৪আল-মাতালেবুল আলিয়া ২/৪৩১।
📄 চারটি বিষয় থেকে বেঁচে থাকো
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ : أَرْبَعُ يُفْطِرْنَ الصَّائِمَ وَيَنْقُضْنَ الْوُضُوءَ وَيَهْدِمْنَ الْعَمَلَ الْغِيبَةُ، وَالْكَذِبُ، وَالنَّمِيمَةُ وَالنَّظَرُ إِلَى مَحَاسِنِ الْمَرْأَةِ الَّتِي لَا يَحِلُّ لَهُ النَّظَرُ إِلَيْهَا، وَهُنَّ يَسْقِينَ أُصُولَ الشَّرِّ كَمَا يُسْقِي الْمَاءُ أُصُولَ الشَّجَرِ. وَشُرْبُ الْخَمْرِ يَعْلُو الْخَطَايَا.
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত- রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, চার জিনিস রোজা নষ্ট করে দেয়, উযূ ভেঙ্গে দেয় এবং আমল বরবাদ করে দেয়। যথা- ১. গীবত। ২. মিথ্যা। ৩. চোগলখোরী। ৪. যে নারীর দিকে তাকানো অবৈধ, তার সৌন্দর্য দর্শন। এগুলো মন্দের গোড়ায় পানি প্রবাহ দেয়। যেমন গাছের গোড়ায় পানি দেওয়া হয়। আর মদপানের অবস্থান সমস্ত গুনাহের শীর্ষ।
হযরত কা'ব আল-আহবার রহ. বলেন, যে ব্যক্তি গীবত থেকে তাওবা করে মৃত্যুবরণ করবে সে সবার শেষে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি গীবতের তাওবা না করে মৃত্যুবরণ করবে সে সবার আগে জাহান্নামে প্রবেশ করবে。
টিকাঃ
৩৬৯. আল-ফিরদাউস, দাইলামী হাদীস-২৯৭৯; আল-লাআ'লী আল-মাসনুয়াহ ২/১০৬। হাফেজ সুয়ূতী হাদীসটিকে জাল বলেছেন।