📄 মিথ্যা বলার ক্ষেত্রসমূহ
عَنْ سُفْيَانَ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ عَن النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ قَالَ : الْكَذِبُ لَا يَصْلُحُ إِلَّا فِي ثَلَاثٍ فِي الْحَرْبِ، لِأَنَّ الْحَرْبَ خُদْعَةُ وَالرَّجُلُ يُصْلِحُ بِهِ بَيْنَ اثْنَيْنِ، وَالرَّجُلُ يُصْلِحُ بِهِ بَيْنَهُ وَبَيْنَ امْرَأَتِهِ.
হযরত সুফিয়ান ইবনে আবূ হাসীন রহ. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, তিন স্থান ছাড়া অন্য কোথাও মিথ্যে বলা জায়েজ নাই-
১. যুদ্ধ ক্ষেত্রে। কারণ, যুদ্ধ কৌশলের ব্যাপার।
২. দুই ব্যক্তির মাঝের সম্পর্ক সংশোধনের সময়।
৩. নিজ স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক শোধরানোর জন্য।
টিকাঃ
৩৫৫. সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৬০৫; সহীহ বুখারী হাদীস-২৬৯২; সুনানে আবী দাউদ হাদীস- ৪৯২১।
📄 মিথ্যা হতভাগাদের আলামত
জনৈক তাবেঈ রহ. বলেন, সত্য ওলীদের সাজ, আর মিথ্যা হতভাগাদের আলামত। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-
هُذَا يَوْمُ يَنْفَعُ الصَّادِقِينَ صِدْقُهُمْ
অর্থ: আজ সে দিন যখন সত্য উপকারে আসবে সত্যবাদীদের।
অপর এক আয়াতে এসেছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক।
আল্লাহ তা'আলা আরো ইরশাদ করেন-
وَالَّذِي جَاءَ بِالصِّدْقِ وَصَدَّقَ بِهِ أُولَئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ لَهُمُ مَا يَشَاءُونَ عِنْدَ رَبِّهِمْ
অর্থ: যারা সত্য নিয়ে এসেছে এবং সত্যকে সত্যায়ন করেছে তারাই প্রকৃত মুত্তাকী, তাদের রবের নিকট তারা যা চায়, তাই রয়েছে। এটি হলো, ইহসানকারীদের প্রতিদান। সত্যবাদীদের প্রশংসা করার পাশাপাশি আল্লাহ মিথ্যাবাদীদের নিন্দাও করেছেন এবং তাদের উপর লানত দিয়েছেন। যেমন ইরশাদ হয়েছে-
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ
অর্থ: অভিশপ্ত হোক মিথ্যাচারীরা। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَى عَلَى اللهِ الْكَذِبَ وَهُৱ يُدْعَى إِلَى الْإِسْلَامِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ
অর্থ: সে ব্যক্তির চেয়ে বড় জালেম আর কে আছে যে আল্লাহর নামে মিথ্যা অপবাদ দেয় অথচ তাকে ইসলামের দিকে ডাকা হচ্ছে। নিশ্চয় আল্লাহ জালেমদের হেদায়েত করেন না।
টিকাঃ
৩৫৬. সূরা মায়েদা: আয়াত-১১৯
৩৫৭. সূরা তাওবা: আয়াত-১১৯
৩৫৮. সূরা যুমার: আয়াত-৩৩-৩৪
৩৫৯. সূরা যারিয়াত: আয়াত-১০
৩৬০. সূরা সাফ: আয়াত-৭