📄 মদ্যপের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা
যে মদপান করে তার কাছে তোমাদের মেয়েদের বিয়ে দেবে না, সে অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাবে না, সে সাক্ষ্য দিলে সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না। সে সত্তার কসম, যিনি আমাকে নবী বানিয়ে পাঠিয়েছেন, মদ্যপকে তওরাত, ইঞ্জিল, যাবুর ও কুরআনে অভিশাপ দেওয়া হয়েছে। যে মদপান করে, সে সমস্ত নবীদের উপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করে। কাফের ব্যতীত কেউ মদকে হালাল মনে করতে পারে না। যে ব্যক্তি মদকে হালাল মনে করবে দুনিয়াতে ও আখেরাতে আমি তার থেকে মুক্ত।
📄 মদ্যপ কিয়ামতের দিন পিপাসিত থাকবে
হযরত আতা ইবনে ইয়াসার রহ. থেকে বর্ণিত- এক ব্যক্তি হযরত কা'ব আল-আহবারকে জিজ্ঞেস করল, তাওরাতে কি মদ্যপকে হারাম করা হয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ এই আয়াতটি তাওরাতেও ছিল। তাতে আরো ছিল, আমি সত্য নাযিল করেছি তা দ্বারা বাতিলকে অপসারিত করার জন্য এবং খেল-তামাশা, ঢোল-তবলা বাঁশি এবং মদকে বাতিল করার জন্য। ধ্বংস মদ্যপের জন্য। আল্লাহ তার ইজ্জত ও জালালের কসম খেয়ে বলেন, যে ব্যক্তি এই বিধানকে অমান্য করে দুনিয়াতে মদপান করবে, আমি তাকে আখেরাতে পিপাসার্ত রাখব। আর যে ব্যক্তি এই বিধান মেনে মদপান বর্জন করবে, পরকালে আমি তাকে জান্নাতের সুপেয় শরাব পান করাব।
📄 মদপানের দশটি মন্দ স্বভাবের জন্ম হয়
ইমাম সমরকন্দী রহ. বলেন, তোমরা মদ পান থেকে বিরত থাক। কারণ, মদপানের কারণে মানুষের মধ্যে দশটি মন্দ স্বভাব জন্ম নেয়। যথা-
১. মদপানের ফলে মানুষ পাগল হয়ে যায়, বাচ্চাদের নিকট হাসি-তামাশা এবং জ্ঞানীদের নিকট তিরষ্কারের পাত্র হয়ে যায়। নেশাগ্রস্ত মানুষের কোনো হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। যেমন ইবনে আবু দারদা থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, আমি বাগদাদের সড়কে এক মাতালকে দেখছি নিজের গায়ের উপর পেশাব করে মলছে আর এই দোয়া পাঠ করছে, اللهم اجعلني من التوابين واجعلني من المتطهرين (অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তাওবাকারী ও পবিত্র বানিয়ে দাও)। কথিত আছে এক মদ্যপ রাস্তায় বমি করল। আর কুকুর তার মুখ ও দাড়ি লেহন করলে, সে বলছে, হে উস্তাদজী! আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুন। অতঃপর কুকুরটি তার চেহারায় পেশাব করে দেয় আর সে মাতাল অবস্থায় বলতে থাকে, আহ কি গরম! আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুন।
২. মদপান মস্তিষ্কবিকৃতি ঘটায় এবং সম্পদ নষ্ট করে। হযরত উমর রাযি. বলেন, মদপান সম্পর্কে আপনি তো আপনার মত আমাদের জানিয়েছেন যে, এই অভ্যাসের ফলে মস্তিষ্কবিকৃতি হয় এবং সম্পদ নষ্ট হয়।
৩. এর ফলে ভাই, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ (অর্থ: শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ছড়াতে চায়)।
৪. মদপান মানুষকে আল্লাহর যিকির ও সালাত থেকে বিরত রাখে। যেমন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- وَيَصُدَّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللَّهِ وَعَنِ الصَّلَاةِ فَهَلْ أَنْتُمْ مُنْتَهُونَ (অর্থ: তা তোমাদেরকে আল্লাহর যিকির এবং সালাত থেকে বিরত রাখে, তোমরা কি তা থেকে বিরত হবে না?) এই আয়াত নাযিল হলে হযরত উমর রাযি. বলতে লাগলেন- হে রব! আমরা বিরত হলাম।
৫. মদপান মানুষকে যিনা ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যায়। কারণ, মদপান করে নেশাগ্রস্ত হয়ে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ফেলে。
৬. মদপান যাবতীয় অপকর্মের চাবি। কারণ, মদপানের ফলে মানুষ বে-পরোয়াভাবে যাবতীয় পাপে জড়িয়ে যায়।
৭. এ ধরনের ব্যক্তি তার সাথে থাকা ফেরেশতাদেরকে কষ্ট দেয়। কারণ, মদ পান করে সে গুনাহগারের মজলিসে উপস্থিত হতে এবং দুর্গন্ধ সহ্য করতে বাধ্য করে। অথচ যাকে কষ্ট দেওয়া উচিত ছিল না, তাকে কষ্ট দেয়。
৮. এর ফলে মদ্যপ নিজের উপর আশি দোররা ওয়াজিব করে। দুনিয়াতে সে এই শাস্তি থেকে বেঁচে গেলেও আখেরাতের দিন তাকে আগুনের চাবুক দিয়ে তার বাবা মা আত্মীয়স্বজন সবার সামনে আশিটি আঘাত করা হবে।
৯. এর ফলে তার জন্য আসমানের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, মদপান করলে চল্লিশ দিন তার কোনো ইবাদত বা দোয়া আসমানে উঠানো হয় না।
১০. মদপান করে মদ্যপ নিজেকে কুফরীর মত বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। এ তো হলো দুনিয়াবী তুচ্ছ শাস্তি। আখেরাতে তো তার জন্য আরো কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। সুতরাং বিবেকবান ব্যক্তি সামান্য উপভোগের জন্য চিরস্থায়ী আনন্দ ছাড়তে পারে না。
টিকাঃ
৩২৮. সূরা মায়েদা: আয়াত-৯১
৩২৯. সূরা মায়েদা: আয়াত-৯১
📄 মদপান বর্জনের ফযীলত
আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- يَوْمَ نَحْشُرُ الْمُتَّقِينَ إِلَى الرَّحْمَنِ وَفُدًا وَنَسُوقُ الْمُجْرِمِينَ إِلَى جَهَنَّمَ وِرْدًا (অর্থ: যেদিন আমি মুত্তাকীদেরকে দলে দলে রহমানের দরবারে সমবেত করব এবং গুনাহগারদেরকে পিপাসিত অবস্থায় হাঁকিয়ে নিয়ে যাব জাহান্নামে)।
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় হযরত মুকাতিল ইবনে সুলায়মান রহ. বলেন, মুত্তাকিদের জান্নাতের দিকে আহ্বান করা হবে। জান্নাতের মূল ফটকের নিকটে পৌঁছে তারা একটি বৃক্ষ দেখতে পাবেন, যার নিচ দিয়ে দুটি ঝর্ণা প্রবাহিত হলো। তার একটি থেকে তারা পান করবেন। এর ফলে তাদের ভিতরের কলুষতা দূর হয়ে যাবে। অপর ঝর্ণাটিতে তারা সকলে স্নান করবেন। ফলে তাদের শরীরের যাবতীয় ময়লা ও অপবিত্রতা ধুয়ে যাবে। সে দিকে ইশারা করেই আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন- سَلَامٌ عَلَيْكُمُ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ (অর্থ: তোমাদের উপর সালাম, তোমরা পবিত্র হয়েছ। এখন তোমরা চিরদিনের জন্য জান্নাতে প্রবেশ কর)।
অতঃপর তাদের জন্য লাল ইয়াকুত পাথরের উত্তম উট নিয়ে আসা হবে। উটগুলোর পা হবে মণি ও ইয়াকুত পাথর খচিত স্বর্ণের। তারপর তাদের সবাইকে দু'টি করে চাদর পরানো হবে। তার একটি চাদর যদি দুনিয়াতে আনা হয়, তাহলে সমগ্র দুনিয়া আলোকিত হয়ে যাবে। তাদের প্রত্যেকের সাথে থাকবে পাহারাদার ফেরেশতা, যারা তাদেরকে জান্নাতে তাদের বাড়ি-ঘর চিনিয়ে দিবেন। জান্নাতে প্রবেশ করার পর তাদেরকে রুপার তৈরি এক প্রাসাদে নিয়ে যাওয়া হবে। যার বারান্দা হবে স্বর্ণের। সেখানে তাদেরকে বিক্ষিপ্ত মুক্তার মত বিভিন্ন প্রকার গহনা সজ্জিত একদল সেবক স্বর্ণের জগ এবং রুপার গ্লাস হাতে এসে অভ্যর্থনা জানাবে। ফেরেশতা তাদের সালাম করতে থাকবেন। তারাও তাদের সালামের উত্তর দিতে থাকবেন। অভ্যর্থনা পর্ব শেষ হলে তারা প্রাসাদে প্রবেশ করে আল্লাহ তাদের যে নেয়ামত দান করেছেন, তা দেখে মুগ্ধ হয়ে যাবেন এবং সেখানে অবস্থানের জন্য উদ্যত হলেই ফেরেশতাগণ আরজ করবেন, কী করছেন? তারা উত্তর দিবেন, আমাদের রবের দান করা নেয়ামতরাজির মাঝে অবস্থান করতে চাচ্ছি। ফেরেশতাগণ বলবেন, এগিয়ে চলুন আপনার জন্য আরো নেয়ামত আছে। কিছু দূর এগিয়ে গিয়ে তারা একটি স্বর্ণের প্রাসাদ দেখতে পাবেন, যার বারান্দা হবে মুক্তার। সেখানেও রুপার পেয়ালা এবং স্বর্ণের গ্লাস হাতে বিক্ষিপ্ত মুক্তার মতো একদল সেবিকা তাদের অভ্যর্থনা জানাবেন। তারা তাদেরকে সালাম করতে থাকবে, তারা তাদের সালামের উত্তর দিবেন। তখন তারা সেখানে অবস্থানের জন্য উদ্যত হলে ফেরেশতাগণ আরজ করবেন। এগিয়ে চলুন, আপনাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম নেয়ামত রয়েছে। আরো কিছু দূর এগিয়ে গিয়ে তারা লাল ইয়াকুত পাথরের একটি প্রাসাদ দেখতে পাবেন। তা এত স্বচ্ছ হবে যে বাহির থেকেই তার ভিতরের অংশ দেখা যাবে। সেখানেও সেবিকারা তাদের অভ্যর্থনা জানানোর জন্য এগিয়ে আসবে। তারা তাদেরকে সালাম করতে থাকবে এবং তারা তাদের সালামের উত্তর দিবেন। সে প্রাসাদে প্রবেশ করে তারা ডাগর এক হুরের সাক্ষাৎ পাবেন, যে ভিন্ন ভিন্ন নকশার সত্তর টি পোশাক পরে থাকবে। তার দেহের প্রতিটি গ্রন্থিতে থাকবে নানা ধরনের গহনা। তার দেহের সুঘ্রাণ এক শত বছরের পথের দূরত্ব থেকেও পাওয়া যাবে। তার চেহারা এত স্বচ্ছ হবে যে, জান্নাতী তার চেহারার দিকে তাকিয়ে নিজের চেহারা দেখতে পাবে। তার পায়ের গোছার হাড় ভেদ করে মগজ দেখা যাবে। সে এক বর্গ ফারছাখ ছড়িয়ে থাকা এক গৃহে থাকবে, যার থাকবে চার হাজার স্বর্ণনির্মিত কপাট। সারা বাড়ি মোড়া থাকবে মণিমুক্তা খচিত স্বর্ণের চাদর। তাতে রয়েছে একটি সজ্জিত শয্যা, যার উপর দুনিয়ার বাড়ির হিসাবে সাত তলা উচু বিছানা বিছানো থাকবে। সেখানে বসে জান্নাতীরা যখন ফল ফলাদি খাবার ইচ্ছা করবে, তখন সব সেবিকারা তার নিকট ছুটে আসবে, কিংবা তার খাট ছুটে যাবে ফলের বাগানে। তিনি বসে বসে যা খুশি খাবেন। এই সবই হলো, সে সব মুত্তাকীদের প্রতিদান যারা দুনিয়াতে অশ্লীলতা ও মদপান থেকে বেঁচে ছিল। তিনি বলেন, অনুরূপ জাহান্নামীদের হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে। তারা জাহান্নামের দোড়গোড়ায় পৌঁছলে জাহান্নামের দরজা খুলে যাবে এবং ফেরেশতারা লোহার হাতুড়ি হাতে তাদের স্বাগতম জানাবে। জাহান্নামে প্রবেশ করলেই দেখবে প্রতিটি অঙ্গ আযাব আক্রান্ত হয়েছে। হয় সাপে কেটেছে, কিংবা আগুনে ঝলসে গেছে কিংবা তাদের হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে। তারপর এক ফেরেশতা এসে তাদের এমন এক আঘাত করবে যার ধাক্কায় তারা চল্লিশ বছরের পথের দূরত্ব পরিমাণ গভীর এক গর্তে গিয়ে পড়বে। তবে তার কোনো তল নেই, আগুনের লেলিহান শিখা তাদের আবার উপরে তুলে আনবে। যখন তাদের মাথা জেগে উঠবে, তখনই সে মাথায় ফেরেশতারা আঘাত করতে থাকবে। আল্লাহ তা'আলা এর প্রতি ইশারা করেই বলেছেন-
كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا الْعَذَابَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمًا.
অর্থ: যখনই তাদের চামড়া পেকে যাবে তখনই আমি তাদেরকে নতুন চামড়া দিয়ে বদলে দিব। যাতে তারা শাস্তি ভোগ করতে পারে। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী এবং প্রজ্ঞাবান।
তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন জাহান্নামীদের চামড়া সত্তরবার বদলে দেওয়া হবে। তারা পিপাসার্ত হয়ে পানি চাইলে তাদের তপ্ত পানি দেওয়া হবে। সে পানি মুখের সামনে নিতেই মুখের মাংস খসে পড়বে। সে পানি মুখে যাওয়ার সাথে সাথে মুখের সমস্ত দাঁত পড়ে যাবে, পেটে ঢুকার সাথে পেটের সমস্ত নাড়ি-ভুঁড়ি ও চামড়া গলে যাবে। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ وَالْجُلُودُ وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدٍ (অর্থ: তা দ্বারা তাদের পেটে যা রয়েছে সব ঝলসে দেওয়া হবে, তাদের জন্য রয়েছে লোহার হাতুড়ি)। আযাব ভোগ করতে করতে এক সময় অসহ্য হয়ে জাহান্নামবাসী জাহান্নামের ফেরেশতাদেরকে ডেকে বলবে- ادْعُوا رَبَّكُمْ يُخَفِّفُ عَنَّا يَوْمًا مِنَ الْعَدَابِ (অর্থ: তোমাদের রবকে বল, তিনি একদিনের জন্য যেন আমাদের আযাব লাঘব করে দেন)। কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবেন না। এরপরও তারা চল্লিশ বছর জাহান্নামের সরদার মালেককে ডাকতে থাকবে। তিনি তাদের কোনো উত্তর দিবেন না। তখন তারা বলবে, চল আমরা ধৈর্য ধরে পড়ে থাকি। তাদের ডেকে তো কোনো লাভ হলো, না। তখন তারা ধৈর্য ধরে থাকবে। কিন্তু তাতেও তাদের কোনো লাভ হবে না, তখন তারা বলবে- سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَجَزِعْنَا أَمْ صَبَرْنَا مَا لَنَا مِنْ مَحِيصٍ (অর্থ: আমরা অস্থির হই আর ধৈর্য ধরে থাকি, দুটিই আমাদের জন্য বরাবর। আমাদের কোনো রেহাই নেই)।
এই সব হলো, কাফেরদের আযাবের বিবরণ। তবে মুসলমান যদি মদপান করে, তাহলে মৃত্যুর সময় তারা কাফের হয়ে মরার আশঙ্কা রয়েছে। তখন তাকেই এই শাস্তি ভোগ করতে হবে। সুতরাং প্রতিটি মুসলমানের উচিত মদপান থেকে বেঁচে থাকা এবং মদ্যপদের সাথে উঠা বসা না করা। কারণ, মদ্যপায়ীর সাথে উঠাবসা করলে তার গায়ে এর নাপাকীর ছিটা লাগতে পারে।
টিকাঃ
৩৩০. সূরা মারইয়াম: আয়াত-৮৫-৮৬
৩৩১. সূরা যুমার: আয়াত-৭৩
৩৩২. সূরা নিসা: আয়াত-৫৬
৩৩৩. সূরা হজ্ব: আয়াত-২০-২১
৩৩৪. সূরা আল-মুমিন: আয়াত-৪৯
৩৩৫. সূরা ইবরাহীম: আয়াত-২১