📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত

📄 আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত


আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্দেশ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এবং নবী করিম (ﷺ) তাঁর হাদিসে এ বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করাকে একটি মারাত্মক গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এর পরিণতি হিসেবে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। [2, 3]

**কুরআনের আলোকে:**

আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "ক্ষমতা লাভ করলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। এদের প্রতিই আল্লাহ অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদের বধির করে দেন এবং তাদের দৃষ্টিসমূহ অন্ধ করে দেন।" (সূরা মুহাম্মদ: ২২-২৩) [9]

এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, যারা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাদের ওপর আল্লাহর লা'নত বা অভিশাপ বর্ষিত হয়। [26]

**হাদিসের আলোকে:**

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
> "আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (বুখারি ও মুসলিম) [2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26, 27, 28, 29, 30, 31, 32]

এই হাদিসটি অত্যন্ত কঠোরভাবে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার ভয়াবহতা বর্ণনা করে। জান্নাতে প্রবেশ করতে না পারা মানেই হলো আল্লাহর চিরস্থায়ী রহমত থেকে বঞ্চিত হওয়া।

অন্য একটি হাদিসে রাসূল (ﷺ) বলেন:
> "(আল্লাহর) রহমত ঐ কওমের উপর অবতীর্ণ হয় না, যাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি থাকে।" (শু'আবুল ঈমান, বায়হাকী)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, একজন ব্যক্তির কারণে পুরো সমাজ বা সম্প্রদায় আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

**আত্মীয়তার সম্পর্ক (রেহেম) এর আবেদন:**
একটি হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ তাআলা যখন 'রেহেম' বা আত্মীয়তার সম্পর্ককে সৃষ্টি করলেন, তখন সে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে আরজ করল, 'এটা কি সম্পর্ক ছিন্ন করা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার স্থান?' আল্লাহ বললেন, 'হ্যাঁ। তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যে তোমার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবে, আমিও তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখব। আর যে তোমাকে ছিন্ন করবে, আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব?' রেহেম বলল, 'হ্যাঁ, হে আমার রব! আমি এতে সন্তুষ্ট।' আল্লাহ বললেন, 'তবে তোমার জন্য তাই হলো।' (বুখারি)

এই হাদিস থেকে পরিষ্কার যে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা সরাসরি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রক্ষার শামিল। যে এই সম্পর্ক ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সাথে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন এবং তাকে তাঁর রহমত থেকে দূরে ঠেলে দেন। তাই, যেকোনো মূল্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 জান্নাতীদের স্বভাব ও চরিত্র

📄 জান্নাতীদের স্বভাব ও চরিত্র


জান্নাতীরা হবেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী। তাদের অন্তর হবে হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা ও যাবতীয় মন্দ স্বভাব থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে জান্নাতীদের বিভিন্ন গুণাবলী ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

**কুরআনের বর্ণনা:**

আল্লাহ তাআলা জান্নাতীদের সম্পর্কে বলেন:

> "আর তাদের অন্তরে যা কিছু বিদ্বেষ ছিল, আমি তা দূর করে দেব; তারা ভাইয়ের মতো পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসনে অবস্থান করবে।" (সূরা হিজর: ৪৭) [21, 26]

এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, জান্নাতে প্রবেশের পূর্বে আল্লাহ তাআলা জান্নাতীদের অন্তরকে সব ধরনের কলুষতা থেকে পবিত্র করে দেবেন, যাতে তাদের মধ্যে কোনো প্রকারের শত্রুতা বা হিংসা অবশিষ্ট না থাকে। [21, 26]

অন্যত্র আল্লাহ বলেন:

> "তাদের (জান্নাতীদের) মন থেকে আমি বিদ্বেষ দূর করে দেব, তাদের তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে। তারা বলবে, 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাদেরকে এর পথ দেখিয়েছেন।'" (সূরা আরাফ: ৪৩) [21]

জান্নাতীরা হবেন কৃতজ্ঞ এবং আল্লাহর প্রশংসায় সর্বদা মগ্ন থাকবেন। তাদের কথাবার্তা হবে সুন্দর, শালীন ও শান্তিदायक। আল্লাহ বলেন:

> "সেখানে তারা কোনো অনর্থক ও পাপপূর্ণ কথা শুনবে না, শুধু শুনবে সালাম আর সালাম।" (সূরা ওয়াকিয়াহ: ২৫-২৬) [21]

**হাদিসের বর্ণনা:**

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জান্নাতীদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেছেন:

> "জান্নাতে প্রথম যে দলটি প্রবেশ করবে, তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল। তারপর যারা প্রবেশ করবে, তাদের চেহারা হবে আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারার মতো। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, তাদের নাকে শ্লেষ্মা আসবে না এবং তারা থুথুও ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের, তাদের ঘাম হবে কস্তুরীর মতো সুগন্ধযুক্ত। তাদের ধূপদানি হবে চন্দন কাঠের। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগরচোখা হুর। তারা সকলেই এক ব্যক্তির আকৃতিতে (আদম আ.-এর মতো ৬০ হাত লম্বা) হবে এবং তাদের অন্তর হবে এক ও অভিন্ন। তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ বা পারস্পরিক বিদ্বেষ থাকবে না। তারা সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করবে।" (সহীহ বুখারি ও মুসলিম) [21]

**অন্যান্য গুণাবলী:**

* **সত্যবাদিতা:** জান্নাতীরা হবেন সত্যবাদী।
* **বিনয়:** তারা হবেন বিনয়ী ও নিরহংকারী।
* **উদারতা:** তাদের অন্তর হবে প্রশস্ত ও উদার।
* **ধৈর্য ও ক্ষমা:** তারা হবেন ধৈর্যশীল এবং ক্ষমাশীল।

সংক্ষেপে, জান্নাতীরা হবেন সেই সকল মানুষ, যাদেরকে আল্লাহ তাআলা শারীরিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি চারিত্রিক মাধুর্যের সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করবেন। তাদের জীবন হবে শান্তি, সম্প্রীতি ও অফুরন্ত আনন্দে পরিপূর্ণ।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 আত্মীয়তা বজায় রাখা দীর্ঘ জীবন লাভের কারণ

📄 আত্মীয়তা বজায় রাখা দীর্ঘ জীবন লাভের কারণ


ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি সামাজিক দায়িত্বই নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে। আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার अनेक পার্থিব ও পারলৌকিক উপকারিতার মধ্যে অন্যতম হলো হায়াত বা জীবনকাল বৃদ্ধি পাওয়া।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে সুসংবাদ দিয়েছেন। হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি:

> "যে ব্যক্তি চায় যে, তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং তার হায়াত বৃদ্ধি পাক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (সহীহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৮৬; সহীহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৫৭) [1, 2, 4, 11, 12, 18, 20]

এই হাদিসটি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণ করে যে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা দীর্ঘ জীবনের একটি অন্যতম কারণ। 'হায়াত বৃদ্ধি' বলতে আলেমগণ দুটি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন:

1. **আক্ষরিক অর্থ:** আল্লাহ তাআলা আক্ষরিক অর্থেই তার জীবনকাল বাড়িয়ে দেন। এটি আল্লাহর ইচ্ছাধীন এবং তিনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।
2. **আলঙ্কারিক অর্থ:** এর দ্বারা জীবনের বরকত বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, ব্যক্তি তার জীবনে এত বেশি ভালো কাজ করার সুযোগ পাবে এবং তার জীবন এত বেশি ফলপ্রসূ হবে যে, তা একটি দীর্ঘ জীবনের সমান হয়ে যাবে। তার মৃত্যুর পরও তার সুনাম ও কীর্তি টিকে থাকবে, যা তার জীবনকে দীর্ঘায়িত করার শামিল।

উভয় ব্যাখ্যাই গ্রহণযোগ্য। মূল কথা হলো, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখলে আল্লাহ তাআলা বান্দার জীবনে এমন কল্যাণ ও বরকত দান করেন, যা তার জীবনকে অর্থবহ ও দীর্ঘায়িত করে তোলে।

**কিভাবে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে হয়?**

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। যেমন:
* তাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করা।
* ফোন বা অন্য কোনো মাধ্যমে তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া।
* সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়ানো।
* উপহার দেওয়া।
* তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করা।
* আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলে সাহায্য করা।

এই সম্পর্ক ছিন্ন করাকে ইসলামে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং এটিকে একটি কবিরা গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও দীর্ঘ জীবনের বরকত লাভ করা। [4, 6, 20]

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 আত্মীয়দের হক

📄 আত্মীয়দের হক


ইসলামে আত্মীয়-স্বজনের হক বা অধিকার আদায় করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একে বলা হয় 'সিলাতুর রাহম'। আল্লাহ তা'আলা এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) এ বিষয়ে বারবার তাগিদ দিয়েছেন। আত্মীয়দের হক আদায় না করা বা সম্পর্ক ছিন্ন করা একটি বড় ধরনের গুনাহ।

**কুরআনের আলোকে আত্মীয়দের হক:**

কুরআনুল কারীমে আল্লাহ তা'আলা বিভিন্ন স্থানে আত্মীয়দের হক আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।

> "আর আত্মীয়-স্বজনকে তার হক দিয়ে দাও এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। এবং কিছুতেই অপব্যয় করো না।" (সূরা বনি ইসরাইল: ২৬) [15, 20]

এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে আত্মীয়দের হক আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য এক আয়াতে আল্লাহ মুত্তাকিদের গুণাবলী বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন:

> "...এবং আল্লাহর ভালোবাসায় আত্মীয়-স্বজন, এতিম, মিসকিন, মুসাফির, সাহায্যপ্রার্থী এবং দাসমুক্তির জন্য অর্থ ব্যয় করে..." (সূরা বাকারা: ১৭৭)

এখানেও আত্মীয়দের অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

**হাদিসের আলোকে আত্মীয়দের হক:**

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অসংখ্য হাদিসে আত্মীয়দের হক সম্পর্কে বলেছেন:

* **রিজিক ও হায়াত বৃদ্ধি:** আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং তার আয়ু বৃদ্ধি পাক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বুখারি ও মুসলিম) [4]
* **ঈমানের অঙ্গ:** আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।" (বুখারি ও মুসলিম) [4, 12]
* **সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না:** জুবাইর ইবনু মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (বুখারি ও মুসলিম) [2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26, 27, 28, 29, 30, 31, 32]

**আত্মীয়দের হকসমূহ:**

1. **সদাচরণ ও সম্মান:** তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করা, সম্মান দেওয়া এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখা।
2. **আর্থিক সহায়তা:** যদি তারা অভাবগ্রস্ত হয়, তবে তাদের আর্থিক সাহায্য করা। আত্মীয়কে দান করলে দ্বিগুণ সওয়াব পাওয়া যায়—এক. দানের সওয়াব, দুই. আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার সওয়াব। [15]
3. **উপহার বিনিময়:** একে অপরকে হাদিয়া বা উপহার দেওয়া, যা ভালোবাসা বৃদ্ধি করে।
4. **সুখে-দুঃখে পাশে থাকা:** তাদের আনন্দ ও দুঃখে শরিক হওয়া। অসুস্থ হলে সেবা করা এবং বিপদে সাহায্য করা।
5. **ক্ষমা ও উদারতা:** তাদের কোনো ভুল বা কষ্টদায়ক আচরণকে ক্ষমা করে দেওয়া এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য নিজে থেকে উদ্যোগী হওয়া। রাসূল (ﷺ) বলেন, "সে ব্যক্তি প্রকৃত আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী নয়, যে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সম্পর্ক বজায় রাখে না। বরং প্রকৃত আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী তো সে-ই, যার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হলেও সে তা পুনরায় স্থাপন করে।" (বুখারি) [10]
6. **হেদায়েতের পথে ডাকা:** তাদেরকে দ্বীনের পথে ডাকা, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।

আত্মীয়দের মধ্যে মা-বাবা, ভাই-বোন, চাচা-ফুফু, মামা-খালা এবং তাদের সন্তানরা অন্তর্ভুক্ত। রক্তের সম্পর্কের দিক থেকে যে যত নিকটবর্তী, তার হক তত বেশি। [15, 20]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00