📄 যাযান গায়কের তাওবা
ذُكِرَ عَنْ زَاذَانَ، أَنَّهُ كَانَ غُلَامًا حَسَنَ الْوَجْهِ، حَسَنَ الصَّوْتِ، يُجِيدُ ضَرْبَ الطُّنْبُورِ، وَكَانَ مُجَالِسًا لِأَصْحَابِ الشَّرَابِ وَكَانَ يَوْمًا مِنْ أَيَّامِ الرَّبِيعِ مَعَ أَصْحَابِهِ إِلَى شَطِّ النَّهْرِ، يَشْرَبُونَ وَهُوَ يَضْرِبُ، وَيُغَنِّي، فَمَرَّ بِهِ عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَلَمَّا سَمِعَ صَوْتَهُ، قَالَ: يَا لَهُ مِنْ صَوْتٍ لَوْ كَانَ فِي قِرَاءَةِ كِتَابِ اللهِ. ثُمَّ غَطَّى رَأْسَهُ وَمَضَى. فَسَأَلَ زَاذَانُ مَنْ هَذَا؟ فَقِيلَ لَهُ: عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ صَاحِبُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَقَعَ فِي قَلْبِهِ شَيْءٌ فَضَرَبَ الطُّنْبُورَ عَلَى الْأَرْضِ فَكَسَرَهُ، ثُمَّ أَسْرَعَ حَتَّى لَحِقَ بِابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، فَجَعَلَ يَبْكِي بَيْنَ يَدَيْهِ فَاعْتَنَقَهُ ابْنُ مَسْعُودٍ، وَجَعَلَ يَبْكِي ثُمَّ قَالَ: كَيْفَ لَا أُحِبُّ مَنْ أَحَبَّهُ اللَّهُ تَعَالَى، ثُمَّ تَابَ زَاذَانُ، وَلَزِمَ ابْنَ مَسْعُودٍ، وَأَخَذَ عَنْهُ عِلْمَ الْقُرْآنِ، حَتَّى صَارَ إِمَامًا فِي الْعِلْمِ.
হযরত যাযান রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন সুশ্রী ও সুকণ্ঠের অধিকারী একজন গায়ক। তিনি বাদ্যযন্ত্র বাজানোতে পারদর্শী ছিলেন। তিনি মদপানকারীদের সাথে ওঠাবসা করতেন। একদিন বসন্তকালে তিনি বন্ধুদের সাথে নদীর তীরে বসে মদপান করছিলেন আর গান গাইছিলেন। তখন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. সেদিক দিয়ে যাচ্ছিলেন। যাযানের কণ্ঠ শুনে তিনি বললেন, কী সুন্দর কণ্ঠ! যদি সে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াতে এ কণ্ঠ ব্যবহার করত! এ কথা বলে তিনি মাথা ঢেকে চলে গেলেন। যাযান জিজ্ঞেস করলেন, উনি কে? লোকেরা বলল, ইনি রাসূল ﷺ-এর সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি.। কথাটি যাযানের মনে দাগ কাটল। সে বাদ্যযন্ত্রটি মাটিতে আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলল। তারপর দৌড়ে গিয়ে ইবনে মাসউদ রাযি.-এর সাথে মিলিত হলো এবং তাঁর সামনে কাঁদতে লাগল। ইবনে মাসউদ রাযি. তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন আমি তাকে কেন ভালোবাসব না? এরপর যাযান তওবা করলেন এবং ইবনে মাসউদ রাযি.-এর সান্নিধ্যে থেকে কুরআন শিখতে লাগলেন। একসময় তিনি কুরআনের একজন বড় আলেম হয়ে গেলেন।
**ইসলাম দ্বারা উপকৃত না হওয়ার কারণ**
জনৈক দরবেশকে জিজ্ঞেস করা হলো, কী কারণে আমরা জ্ঞানার্জন করেও উপকৃত হতে পারি না? তিনি বললেন, পাঁচটি কারণে। যথা-
১. عَلَيْكُمْ قَدْ أَنْعَمَ اللَّهُ فَلَمْ تَشْكُرُوهُ অর্থাৎ, আল্লাহর নেয়ামত পেয়ে তোমরা তার শুকর আদায় কর না।
২. إِذَا أَذْنَبْتُمْ فَلَمْ تَسْتَغْفِرُوهُ অর্থাৎ, নাফরমানী করে তার জন্য তাওবা কর না।
১. لَمْ تَعْمَلُوا بِمَا عَلِمْتُمْ مِنَ الْعِلْمِ অর্থাৎ, ইলম অনুসারে আমল কর না।
৪. صَحِبْتُمُ الْأَخْيَارَ وَلَمْ تَقْتَدُوا بِهِمْ অর্থাৎ, নেককারদের সোহবত লাভ করেও তাদের আদর্শ গ্রহণ কর না।
৫. دَفَنْتُمُ الْأَمْوَاتَ فَلَمْ تَعْتَبِرُوا بِهِمْ অর্থাৎ, মৃতদের নিজহাতে দাফন করেও তা থেকে শিক্ষাগ্রহণ কর না।
**আসমানের পাঁচজন ফেরেশতার ঘোষণা**
رُوِيَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ يَوْمِ إِلَّا وَيَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ خَمْسٌ مِنَ الْمَلَائِكَةِ. أَحَدُهُمْ بِمَكَّةَ، وَالثَّانِي: بِالْمَدِينَةِ. وَالثَّالِثُ : بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، وَالرَّابِعُ: بِمَقَابِرِ الْمُسْلِمِينَ. وَالْخَامِسُ: بِأَسْوَاقِ الْمُسْلِمِينَ . فَأَمَّا الَّذِي يَنْزِلُ بِمَكَّةَ فَيُنَادِي : أَلَا مَنْ تَرَكَ فَرَائِضَ اللَّهِ تَعَالَى، فَقَدْ خَرَجَ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ تَعَالَى وَأَمَّا الَّذِي يَنْزِلُ بِالْمَدِينَةِ فَيُنَادِي أَلَا مَنْ تَرَكَ سُنَنَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَدْ خَرَجَ مِنْ شَفَاعَتِهِ، وَأَمَّا الَّذِي يَنْزِلُ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، فَيُنَادِي أَلَا مَنِ اكْتَسَبَ مَالًا حَرَامًا لَمْ يَقْبَلِ اللهُ تَعَالَى سَائِرَ عَمَلِهِ، وَأَمَّا الَّذِي يَنْزِلُ بِمَقَابِرِ الْمُسْلِمِينَ، فَيُنَادِي يَا أَهْلَ الْمَقَابِرِ بِمَاذَا تَغْتَبِطُونَ؟ وَ عَلَى مَاذَا تَنْدَمُونَ؟ فَيَقُولُونَ : نَدَامَتُنَا عَلَى مَا فَاتَ مِنْ أَعْمَارِنَا، وَنَغْتَبِطُ بِأَهْلِ الْجَمَاعَاتِ لِقِرَاءَتِهِمْ كَلَامَ اللَّهِ تَعَالَى، وَتَذَاكُرِهِمْ بِالْعِلْمِ وَصَلَوَاتِهِمْ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتِغْفَارِهِمْ لِذُنُوبِهِمْ وَنَحْنُ لَا نَقْدِرُ عَلَى شَيْءٍ مِنْ ذُلِكَ، وَأَمَّا الَّذِي يَنْزِلُ فِي الْأَسْوَاقِ، فَيُنَادِي وَيَقُولُ: يَا مَعْشَرَ النَّاسِ مَهْلًا، مَهْلًا فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى سَطْوَاتٍ وَنِقْمَاتٍ فَمَنْ خَشِيَ سَطْوَاتَهِ، وَنِقْمَاتِهِ فَلْيُدَاوِ جِرَاحَتَهُ حَتَّى يَتُوبَ مِنْ ذُنُوبِهِ شَوَّقْنَاكُمْ فَلَمْ تَشْتَاقُوا وَخَوَّفْنَاكُمْ فَلَمْ تَخَافُوا لَوْلَا رِجَالٌ خُشَعُ وَصِبْيَانُ رُضَعُ وَبَهَائِمُ رُتَّعٌ، وَشُيُوخُ رُكَّعٌ، لَصُبَّ عَلَيْكُمُ الْعَذَابُ صَبًّا.
রাসূল ইরশাদ করেন, প্রতিদিন পাঁচজন ফেরেশতা দুনিয়াতে নেমে আসে। একজন অবতরণ করেন মক্কায়, দ্বিতীয়জন মদীনায়, তৃতীয়জন বাইতুল মুকাদ্দাসে, চতুর্থজন মুসলমানদের গোরস্থানে এবং পঞ্চমজন বাজারে।
মক্কায় অবতরণকারী ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, যে ব্যক্তি ফরজ বিধানগুলো ছেড়ে দেবে সে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে।
মদীনায় অবতরণকারী ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, যে ব্যক্তি নবী-এর সুন্নতের অনুসরণ ছেড়ে দিবে, সে তার শাফায়াত বা সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হবে।
বাইতুল মুকাদ্দাসে অবতরণকারী ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, যে ব্যক্তি হারাম উপায়ে উপার্জন করবে আল্লাহ তা'আলা তার কোনো আমল কবুল করবেন না।
গোরস্থানে অবতরণকারী ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, হে কবরবাসীরা! তোমরা আজ কীসের জন্য অনুতপ্ত? কাদের ঈর্ষা কর? তারা বলে, আমাদের বিগত জীবনের জন্য অনুতপ্ত। আর যে জীবিত আজ কুরআন তিলাওয়াত করছে, ইলমের আলোচনা করছে, নবী -এর উপর দরূদ পাঠ করছে এবং নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইছে, তাদের প্রতি আমাদের খুব ঈর্ষা হয়। কারণ, আজ আমরা চাইলেও এই আমলগুলো করতে পারি না।
বাজারে অবতরণকারী ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, হে লোকসকল! দাঁড়াও! একটু ভাবো!! আল্লাহ তা'আলার ক্রোধ ও ক্ষমতার একটি বিষয় আছে। যদি তোমরা তার ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকতে চাও এবং তার শাস্তিকে ভয় কর। তাহলে তোমাদের ক্ষতগুলোর চিকিৎসা কর এবং আল্লাহর কাছে তাওবা কর। আমরা তোমাদেরকে নেক আমলের ভয় দেখিয়েছি কিন্তু তোমরা ভয় পাওনি, তোমাদেরকে নেক আমলের প্রতি উৎসাহিত করেছি কিন্তু তোমরা উৎসাহিত হওনি, তোমাদেরকে আযাবের ভয় দেখিয়েছি কিন্তু তোমরা ভয় পাওনি। যদি কিছু খোদাভীরু লোক, নিরীহ শিশু, জীব-জানোয়ার, নামাযী ও বৃদ্ধরা না থাকত তাহলে অবশ্যই তোমাদের উপর আল্লাহর আযাব নেমে আসত।
টিকাঃ
৯৫. মীযানুল এতেদাল: ১/৯৮; হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৬/১০০ (হাদীসের কিছু অংশ)।
📄 বনী ইসরাইলের জনৈকা নারীর তাওবা
عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ امْرَأَةً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ قَالَتْ لِعَابِدِهِمْ : أَخْبِرْنِي هَلْ يُغْفَرُ مِثْلِي، فَقَدِ ابْتُلِيتُ بِثَلَاثَةٍ مِنَ الْأَوْلَادِ مِنَ الزِّنَى، ثُمَّ قَتَلْتُهُمْ. فَقَالَ لَهَا الْعَابِدُ: قَدْ هَلَكْتِ، وَأَهْلَكْتِ، وَلَا يُغْفَرُ لَكِ. فَانْصَرَفَتْ وَهِيَ تَحْثُو التُّرَابَ عَلَى رَأْسِهَا، وَتَقُولُ: وَا خَيْبَتَاهُ خُلِقْتُ لِجَهَنَّمَ، فَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى لِنَبِيِّ ذَلِكَ الزَّمَانِ: إِنِّي قَدْ غَفَرْتُ لِهَذِهِ الْمَرْأَةِ، وَقَدْ أَحْبَطْتُ عَمَلَ ذَلِكَ الْعَابِدِ، لِأَنَّهُ قَنَّطَ عِبَادِي مِنْ رَحْمَتِي.
হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত। বনী ইসরাঈলের এক মহিলা এক আবেদের নিকট এসে বলল, বলুন তো, আমার মতো পাপীর কি ক্ষমা আছে? আমি যিনার মাধ্যমে তিনটি সন্তান জন্ম দিয়েছি এবং তাদের হত্যা করেছি। আবেদ বললেন, তুমি ধ্বংস হয়ে গেছ, অন্যদেরও ধ্বংস করেছ। তোমার কোনো ক্ষমা নেই। মহিলাটি মাথায় মাটি ঢালতে ঢালতে ফিরে গেল এবং বলতে লাগল, হায়! আমার কপাল! আমাকে তো জাহান্নামের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে। তখন আল্লাহ তা'আলা সে যুগের নবীর নিকট ওহী পাঠালেন, আমি ঐ মহিলাকে ক্ষমা করে দিয়েছি এবং ঐ আবেদের আমল নষ্ট করে দিয়েছি। কারণ সে আমার বান্দাদেরকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করেছে।
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ لَهَا: يَا عَائِشَةُ إِيَّاكِ وَمُحَقِّرَاتِ الذُّنُوبِ فَإِنَّ لَهَا مِنَ اللَّهِ تَعَالَى طَالِبًا.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল তাকে বললেন, হে আয়েশা! ছোট গুনাহ থেকেও বেঁচে থাক। কারণ, এর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাব দিতে হবে।
বলা হয়, ছোট ছোট গুনাহগুলো, ছোট ছোট লাকড়ির ন্যায়। অনেকগুলো ছোট লাকড়ি একত্র করে লাগিয়ে দিলে বিশাল হয়ে যায়।
বলা হয়, তাওরাতে লেখা ছিল, যে ব্যক্তি পুণ্যের চাষ করবে সে নিরাপত্তায় ফসল কাটবে।
ইঞ্জিলে ছিল, যে ব্যক্তি গুনাহের চাষ করবে, অনুতাপ তার ফসল হবে।
কুরআনেও অনুরূপ এসেছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন-
مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ
অর্থ: যে ব্যক্তি গুনাহ করবে তাকে তার বিনিময় দেওয়া হবে।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ كَثِيرِ الذُّنُوبِ كَثِيرِ الْعَمَلِ أَعْجَبُ إِلَيْكَ أَمْ رَجُلٍ قَلِيلِ الذُّنُوبِ قَلِيلِ الْعَمَلِ قَالَ: مَا أُعْدِلُ بِالسَّلَامَةِ شَيْئًا، يَعْنِي قَلِيلَ الذُّنُوبِ أَعْجَبُ إِلَيَّ. হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. কে জিজ্ঞেস করা হলো কে উত্তম ব্যক্তি? যার গুনাহও অনেক এবং নেকিও অনেক সে ব্যক্তি? নাকি যার গুনাহও কম নেকিও কম সে ব্যক্তি? তিনি বললেন, যার গুনাহ কম নেকিও কম সে ব্যক্তি উত্তম।
জনৈক ব্যক্তি বলেন, নেক আমল সাধারণ মানুষও করতে পারে। কিন্তু অসাধারণ সে, যে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, কুরআন পর্যালোচনা করলে বুঝা যায় যে, গুনাহ বর্জন নেকি অর্জন থেকে উত্তম। নেকির ক্ষেত্রে কিয়ামাতের দিন তা নিয়ে হাজির হওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। পক্ষান্তরে গুনাহের ক্ষেত্রে শুধু বর্জনের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-
مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا.
অর্থ: যে ব্যক্তি নেক আমল নিয়ে আসবে তাকে তার দশগুন প্রতিদান দেওয়া হবে।
গুনাহ বর্জন সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-
وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى
অর্থ: যে ব্যক্তি নিজেকে প্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে বিরত রাখবে নিশ্চয় জান্নাত হবে তার ঠিকানা।
হাদীসে রাসূল বলেন, আল্লাহ তা'আলার নিষিদ্ধ বিষয়গুলো বর্জন করা, জিন ও ইনসানের ইবাদত থেকেও উত্তম।
টিকাঃ
৯৬. সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস-৪২৪৩; মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২৪৪১৫; সুনানে দারেমী: হাদীস-২৭২৯। হাদীসটি সহীহ [শুয়াইব আরনাউত]।
৯৭. সূরা নিসা ১২৩
৯৮. সূরা আনআম: আয়াত-১৬০
৯৯. সূরা নাযিআত: আয়াত-৪০-৪১