📄 সৎকজের আদেশকারীর পাঁচটি গুণ থাকা আবশ্যক
হযরত সুফইয়ান সাওরী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে তার মধ্যে পাঁচটি গুণ থাকা আবশ্যক।
১. সে আল্লাহকে ভয় করবে।
২. সে যা বলবে তা নিজে আমল করবে।
৩. সে দয়ালু হবে।
৪. সে আলেম হবে।
৫. সে মানুষের সাথে কোমল আচরণ করবে।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা ফরজ। তবে যখন আশঙ্কা হবে যে, এতে কোনো ফিতনা সৃষ্টি হবে এবং তার কোনো উপকার হবে না, তখন মুখ দিয়ে বলা থেকে বিরত থাকবে এবং অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে।
হযরত সুফইয়ান সাওরী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে তার মধ্যে পাঁচটি গুণ থাকা আবশ্যক।
১. সে আল্লাহকে ভয় করবে।
২. সে যা বলবে তা নিজে আমল করবে।
৩. সে দয়ালু হবে।
৪. সে আলেম হবে।
৫. সে মানুষের সাথে কোমল আচরণ করবে।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা ফরজ। তবে যখন আশঙ্কা হবে যে, এতে কোনো ফিতনা সৃষ্টি হবে এবং তার কোনো উপকার হবে না, তখন মুখ দিয়ে বলা থেকে বিরত থাকবে এবং অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে।
📄 দীন রক্ষা করার লক্ষ্যে হিজরতের ফযীলত
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ حُبْشِيٍّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: طُولُ الْقِيَامِ، قِيلَ: فَأَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: جُهْدُ الْمُقِلِّ، قِيلَ: فَأَيُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: مَنْ هَجَرَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ، قِيلَ: فَأَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ. قِيلَ: فَأَيُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ؟ قَالَ: مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ، وَعُقِرَ جَوَادُهُ.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুবশী রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেন, লম্বা ক্বিয়াম। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন সদকা উত্তম? তিনি বললেন, অভাবীর সদকা। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন হিজরত উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলো ত্যাগ করে। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন জিহাদ উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মাল ও জান দিয়ে জিহাদ করে। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মৃত্যু উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এমনভাবে শহীদ হয় যে, তার রক্ত প্রবাহিত হয় এবং তার বাহনও মারা যায়। ১৩৬
টিকাঃ
১৩৬. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১৪৪৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৫৫৬৬; হাদীসটি সহীহ।
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ حُبْشِيٍّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: طُولُ الْقِيَامِ، قِيلَ: فَأَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: جُهْدُ الْمُقِلِّ، قِيلَ: فَأَيُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: مَنْ هَجَرَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ، قِيلَ: فَأَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ. قِيلَ: فَأَيُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ؟ قَالَ: مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ، وَعُقِرَ جَوَادُهُ.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুবশী রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেন, লম্বা ক্বিয়াম। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন সদকা উত্তম? তিনি বললেন, অভাবীর সদকা। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন হিজরত উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলো ত্যাগ করে। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন জিহাদ উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মাল ও জান দিয়ে জিহাদ করে। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মৃত্যু উত্তম? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এমনভাবে শহীদ হয় যে, তার রক্ত প্রবাহিত হয় এবং তার বাহনও মারা যায়। ১৩৬
টিকাঃ
১৩৬. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১৪৪৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৫৫৬৬; হাদীসটি সহীহ।
📄 জিহাদ, হজ্জ বা আল্লাহ তা'আলার আনুগত্যের জন্য বের হওয়া
فِي بَعْضِ الْأَخْبَارِ: مَنْ خَرَجَ حَاجًّا فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ مُعْتَمِرًا فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ فِي طَاعَةِ اللَّهِ تَعَالَى فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ لِشَيْءٍ سِوَى ذَلِكَ فَلَا ضَمَانَ عَلَيْهِ.
কোনো কোনো রেওয়ায়াতে আছে, যে ব্যক্তি হজ্বের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি উমরার উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যের জন্য বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। আর যে ব্যক্তি এগুলো ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বের হয় তার ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা নেই।
فِي بَعْضِ الْأَخْبَارِ: مَنْ خَرَجَ حَاجًّا فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ مُعْتَمِرًا فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ فِي طَاعَةِ اللَّهِ تَعَالَى فَمَاتَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ خَرَجَ لِشَيْءٍ سِوَى ذَلِكَ فَلَا ضَمَانَ عَلَيْهِ.
কোনো কোনো রেওয়ায়াতে আছে, যে ব্যক্তি হজ্বের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি উমরার উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যের জন্য বের হয়ে মারা যায়, আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। আর যে ব্যক্তি এগুলো ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বের হয় তার ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা নেই।