📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 আল্লাহর প্রিয় ও অপ্রিয় আমল

📄 আল্লাহর প্রিয় ও অপ্রিয় আমল


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।

عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 গুনাহাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তোলার পরিণাম

📄 গুনাহাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তোলার পরিণাম


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 দাওয়াত ও তাবলীগ ত্যাগ করার পরিণাম

📄 দাওয়াত ও তাবলীগ ত্যাগ করার পরিণাম


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كَانَ بَنُو إِسْرَائِيلَ زَمَنًا طَوِيلًا لَا يُوَاقِعُونَ الْمَعَاصِيَ، وَلَا يَعْمَلُونَ بِهَا، ثُمَّ ظَهَرَ فِيهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي، فَكَانُوا يُنْكِرُونَ عَلَيْهِمْ وَيُجَالِسُونَهُمْ وَيُؤَاكِلُونَهُمْ وَيُشَارِبُونَهُمْ، فَلَمَّا رَأَوُا أَنَّهُمْ لَا يَنْتَهُونَ سَكَتُوا عَنْهُمْ فَضَرَبَ اللَّهُ قُلُوبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ، فَلَعَنَهُمْ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, বনী ইসরাঈল দীর্ঘকাল গুনাহ করত না। তারপর তাদের মাঝে এমন লোকের আবির্ভাব হয়, যারা গুনাহ করতে থাকে। তখন লোকেরা তাদেরকে নিষেধ করত, কিন্তু তাদের সাথে উঠাবসা, খানাপিনা সবই ঠিক রাখত। তারা যখন দেখল যে, তারা গুনাহ থেকে বিরত থাকছে না, তখন তারাও চুপ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাদের একজনের অন্তরকে অপরের অন্তরের সাথে মিলিয়ে দিলেন এবং দাউদ ও ঈসা আ.-এর যবানীতে তাদের প্রতি অভিশাপ দিলেন। তা এই কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছিল এবং সীমালঙ্ঘন করত। ১৩৩

عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّ النَّاسِ شَرٌّ؟ قَالَ: الْعُلَمَاءُ إِذَا فَسَدُوا.

হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মানুষ সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন, আলেম সমাজ, যখন তারা নষ্ট হয়ে যায়।

عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيَعُمَّنَّكُمُ اللَّهُ بِعَذَابٍ.

হযরত জারীর রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের সকলকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিবেন।১৩৪

টিকাঃ
১৩৩. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৬; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৩০৮৯; হাদীসটি হাসান গরীব।
১৩৪. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৯২১৪; আল-মুজামুল কাবীর লিত্ ত্ববারানী: হাদীস-২৩০২; হাদীসটি সহীহ।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كَانَ بَنُو إِسْرَائِيلَ زَمَنًا طَوِيلًا لَا يُوَاقِعُونَ الْمَعَاصِيَ، وَلَا يَعْمَلُونَ بِهَا، ثُمَّ ظَهَرَ فِيهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي، فَكَانُوا يُنْكِرُونَ عَلَيْهِمْ وَيُجَالِسُونَهُمْ وَيُؤَاكِلُونَهُمْ وَيُشَارِبُونَهُمْ، فَلَمَّا رَأَوُا أَنَّهُمْ لَا يَنْتَهُونَ سَكَتُوا عَنْهُمْ فَضَرَبَ اللَّهُ قُلُوبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ، فَلَعَنَهُمْ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, বনী ইসরাঈল দীর্ঘকাল গুনাহ করত না। তারপর তাদের মাঝে এমন লোকের আবির্ভাব হয়, যারা গুনাহ করতে থাকে। তখন লোকেরা তাদেরকে নিষেধ করত, কিন্তু তাদের সাথে উঠাবসা, খানাপিনা সবই ঠিক রাখত। তারা যখন দেখল যে, তারা গুনাহ থেকে বিরত থাকছে না, তখন তারাও চুপ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাদের একজনের অন্তরকে অপরের অন্তরের সাথে মিলিয়ে দিলেন এবং দাউদ ও ঈসা আ.-এর যবানীতে তাদের প্রতি অভিশাপ দিলেন। তা এই কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছিল এবং সীমালঙ্ঘন করত। ১৩৩

عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّ النَّاسِ شَرٌّ؟ قَالَ: الْعُلَمَاءُ إِذَا فَسَدُوا.

হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মানুষ সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন, আলেম সমাজ, যখন তারা নষ্ট হয়ে যায়।

عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيَعُمَّنَّكُمُ اللَّهُ بِعَذَابٍ.

হযরত জারীর রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের সকলকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিবেন।১৩৪

টিকাঃ
১৩৩. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৬; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৩০৮৯; হাদীসটি হাসান গরীব।
১৩৪. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৯২১৪; আল-মুজামুল কাবীর লিত্ ত্ববারানী: হাদীস-২৩০২; হাদীসটি সহীহ।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 দীনের শ্রেষ্ঠত্ব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সৎকাজের লক্ষ্য হওয়া চাই

📄 দীনের শ্রেষ্ঠত্ব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সৎকাজের লক্ষ্য হওয়া চাই


عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يُقَاتِلُ شَجَاعَةً، وَيُقَاتِلُ حَمِيَّةً، وَيُقَاتِلُ رِيَاءً، فَأَيُّ ذَلِكَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ.

হযরত আবূ মূসা আশআরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোনো ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য, কোনো ব্যক্তি গোত্রীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য এবং কোনো ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য যুদ্ধ করে। এর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ? রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর দীনকে বিজয়ী করার জন্য যুদ্ধ করে, সে-ই আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে। ১৩৫

ٹکا:
১৩৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-১২৩; সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৯০৪।

عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يُقَاتِلُ شَجَاعَةً، وَيُقَاتِلُ حَمِيَّةً، وَيُقَاتِلُ رِيَاءً، فَأَيُّ ذَلِكَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ.

হযরত আবূ মূসা আশআরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোনো ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য, কোনো ব্যক্তি গোত্রীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য এবং কোনো ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য যুদ্ধ করে। এর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ? রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর দীনকে বিজয়ী করার জন্য যুদ্ধ করে, সে-ই আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে। ১৩৫

ٹکا:
১৩৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-১২৩; সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৯০৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00