📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 সৎকাজে আদেশ কর অসৎকাজে নিষেধ কর

📄 সৎকাজে আদেশ কর অসৎকাজে নিষেধ কর


عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَفِّرْ كَبِيرَنَا وَيَأْمُرْ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَ عَنِ الْمُنْكَرِ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দের সম্মান করে না এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে বারণ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ১৩১

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ.

হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় কাজ দেখলে তা যেন হাত দ্বারা প্রতিহত করে। যদি তাতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাতেও সক্ষম না হয় তাহলে যেন মনে মনে ঘৃণা করে। আর এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।১৩২

ٹکا:
১৩১. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯১৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-৬৭৩৩; হাদীসটি হাসান।
১৩২. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৯; সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১১৪০।

عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَفِّرْ كَبِيرَنَا وَيَأْمُرْ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَ عَنِ الْمُنْكَرِ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দের সম্মান করে না এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে বারণ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ১৩১

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ.

হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় কাজ দেখলে তা যেন হাত দ্বারা প্রতিহত করে। যদি তাতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাতেও সক্ষম না হয় তাহলে যেন মনে মনে ঘৃণা করে। আর এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।১৩২

ٹکا:
১৩১. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯১৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-৬৭৩৩; হাদীসটি হাসান।
১৩২. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৯; সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১১৪০।

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. রাসূল থেকে বর্ণনা করেন। নবী করীম ইরশাদ করেন, তোমরা ভালোকাজ না করতে পারলেও তার আদেশ কর এবং মন্দকাজ থেকে বিরত না থাকতে পারলেও তা থেকে অন্যকে বারণ কর।

হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত— রাসূল ইরশাদ করেন, একদল মানুষ আছে যারা ভালো কাজের চাবি এবং মন্দ কাজের তালা, আরেক দল মানুষ আছে যারা মন্দ কাজের চাবি এবং ভালো কাজের তালা। ভাগ্যবান সে ব্যক্তি যার হাতে আল্লাহ ভালো কাজের চাবি দিয়েছেন। আর সে ব্যক্তির ধ্বংস অনিবার্য যার হাতে আল্লাহ মন্দকাজের চাবি দিয়েছেন। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন— 'ওয়াল মু'মিনূনা ওয়াল মু'মিনাতু বা'দ্বুহুম আউলিয়া-উ বা'দ্বিন ইয়া'মুরুনা বিল মা'রূফি ওয়া ইয়ানহাওনা আনিল মুনকারি' অর্থ: মুমিন পুরুষ ও নারী পরস্পর বন্ধু, তারা সৎকাজের আদেশ করে এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে। অসৎকাজের আদেশ এবং সৎকাজ থেকে বারণ মুনাফিকীর আলামত। যেমন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন— 'আল মুনাফিক্বূনা ওয়াল মুনাফিক্বাতু বা'দ্বুহুম মিম বা'দ্বিন ইয়া'মুরুনা বিল মুনকারি ওয়া ইয়ানহাওনা আনিল মা'রূফি' অর্থ: মুনাফিক নারী ও পুরুষ পরস্পর বন্ধু, তারা অসৎকাজের আদেশ করে এবং সৎকাজ থেকে বারণ করে।

টিকাঃ
১৭৩. শুআবুল ঈমান হাদীস-৭৫৭০; আল-কামেল লি-ইবনে আদী: ৬/২৯৮। হাদীসটি জয়ীফ।
১৭৪. সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-২৩৭; আসুন্নাহ লি ইবনে আবি আসেম: হাদীস- ২৬৭। শায়েখ আলবানি হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।
১৭৫. সূরা তাওবা: আয়াত-৭১
১৭৬. সূরা তাওবা: আয়াত-৬৭

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আল্লাহর প্রিয় ও অপ্রিয় আমল

📄 আল্লাহর প্রিয় ও অপ্রিয় আমল


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।

عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।

আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবু তালিব রাযি. বলেন— আফদ্বালুল আ’মালি আলআমরু বিলমা’রুফি ওয়ান্নাহ্‌য়ী আ’নিল মুনকারি ওয়া শানআনুল ফাসিকি। ইয়ানি বুগ্‌দুহু। ফামান আমারা বিলমা’রুফি ফাক্বাদ শাদ্‌দা জোহারাল মু’মিনি ওয়ামান নাহা আ’নিল মুনকারি আরগামা আনফাল মুনাফিকি।

সর্বোত্তম আমল হলো, সৎ কাজের আদেশ করা, অসৎ কাজের নিষেধ করা এবং গুনাহাচারীর প্রতি ঘৃণা রাখা। কারণ, সৎকাজের আদেশ মানে মুমিনদেরকে শক্তিশালী করা। আর অসৎকাজের নিষেধ মানে মুনাফিকদেরকে লাঞ্ছিত করা।

হযরত কাতাদা রহ. থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, আমাদের সামনে ঘটনা বলা হলো যে, এক লোক রাসূলের নিকট এসে বলল, তুমিই কি সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর রাসূল দাবী কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, তাহলে বলো, কোন কর্ম আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয়? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান। তারপর কোন আমল? তিনি বললেন আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা। তারপর কোন আমল? তিনি বললেন, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কজের নিষেধ করা। তারপর সে বলল, কোন আমল আল্লাহর নিকট সর্বাধিক অপছন্দনীয়? রাসূল ইরশাদ করলেন, আল্লাহর সাথে শিরক করা। তারপর কোন আমল? তিনি বললেন, আত্মীয়তা ছিন্ন করা। সে বলল, তারপর কোন আমল? তিনি বললেন, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ থেকে বিরত থাকা।

হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন, যদি কোনো আলেমকে দেখতে পাও সে তার প্রতিবেশীদের কাছে খুব জনপ্রিয় এবং বন্ধুদের প্রশংসার পাত্র তাহলে ধরে নিবে যে, সে তোষামোদকারী।

টিকাঃ
১৭৭. মুসনাদে আবু ইয়ালা হাদীস-৬৮৩৯; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/২৭৭(১৩৪৫)। আল্লামা হাইসামী হাদীসটির সনদকে সহীহ বলেছেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 গুনাহাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তোলার পরিণাম

📄 গুনাহাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তোলার পরিণাম


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জারির তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল বলেন, কোনো জাতির মাঝে যদি গুনাহগার ব্যক্তি অবাধে গুনাহ করে যায়, আর তাদের সামর্থ থাকা সত্ত্বেও বারণ না করে, তাহলে মৃত্যুর পূর্বে হলেও আল্লাহ তাদেরকে এর শাস্তি দিবেন।

ইমাম সমরকন্দী রহ. বলেন, রাসূল সক্ষমতার শর্ত জুড়ে দিয়েছেন অর্থাৎ, কোনো জনগোষ্ঠীতে যদি নেককারগণ তুলনামুলক শক্তিশালী হয়, আর সে সমাজে কেউ প্রকাশ্যে গুনাহ করে, তাহলে তাকে বাধা দেওয়া ওয়াজিব। কারণ, আল্লাহ তা'আলা এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই এই উম্মতের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন— 'কুনতুম খাইরা উম্মাতিম উখরিজাত লিন-নাসি তা'মুরুনা বিল মা'রূফি ওয়া তানহাওনা আনিল মুনকারি ওয়া তু'মিনুনা বিল্লাহি...' অর্থ: তোমরা হলে সর্বোত্তম জাতি, তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের জন্য, তোমরা সৎকাজের আদেশ কর এবং অসৎকাজ থেকে বারণ কর এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখ। আহলে কিতাবরা যদি ঈমান আনত, তাহলে সেটাই হতো তাদের জন্য কল্যাণকর। তাদের মাঝে অনেক মুমিন রয়েছে, তবে তাদের অধিকাংশই গুনাহাচারী।

কোনো কোনো তাফসীরবিদের মতে এই আয়াতের অর্থ হলো, লওহে মাহফুজে লেখা আছে, এই উম্মত হলো, সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত এবং আল্লাহ তা'আলা তাদের সৃষ্টি করেছেন মানুষকে সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করার জন্য। আর সৎকাজ বলতে এমন কাজ বুঝানো হয়েছে, যা কুরআন ও যুক্তিসম্মত। আর যা কুরআন ও যুক্তিসম্মত নয়, তা অসৎকাজ হিসাবে বিবেচ্য।

অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন— 'ওয়াল তাকুম মিনকুম উম্মাতুইঁ ইয়াদউনা ইলাল খাইরি ওয়া ইয়া'মুরুনা বিল মা'রূফি ওয়া ইয়ানহাওনা আনিল মুনকারি...' অর্থ: তোমাদের মধ্যে যেন এমন একটি দল থাকে যারা কল্যাণের প্রতি আহ্বান করে, সৎকাজের আদেশ করে এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে। তারাই হবে সফলকাম।

ফায়দা: আয়াতের শুরুতে আদেশসূচক যে লাম আনা হয়েছে, তদ্দ্বারা বুঝা যায় যে, তোমাদের একটি দল অবশ্যই সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে বারণ করবে। আর সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ বর্জন করার কারণে আল্লাহ তা'আলা পূর্ববর্তী জাতির নিন্দাবাদ করেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন— 'কানূ লা ইয়াতানাহাওনা আন মুনকারিন ফায়ালূহু লাবি'সা মা কানূ ইয়াফআলুন' অর্থ: তারা যে অপকর্ম করেছে তারা তা থেকে বারণ করত না, তারা যা করত তা খুবই মন্দ।

অন্য আরেক আয়াতে এসেছে— 'লাউলা ইয়ানহাহুমুর রব্বানিয়্যূনা ওয়াল আহবারু আন ক্বাওলিহিমুল ইছমা ওয়া আক্লিহিমুস্ সুহতা লাবি'সা মা কানূ ইয়াসনাঊন' অর্থ: রাব্বানীগণ ও পণ্ডিতগণ কেন তাদেরকে গুনাহের কথা বলতে ও অবৈধ ভক্ষণে নিষেধ করে না? তারা যা করে নিশ্চয় তা নিকৃষ্ট। অর্থাৎ, আলেম এবং নেককারদের উচিত তাদেরকে মন্দ কাজ, মন্দ কথা ও হারাম হতে বারণ করা। আর সৎ কাজের আদেশকারীর উচিত গোপনে এ কাজ করা। কারণ, এটা অতি সুফলজনক।

হযরত আবুদ দারদা রাযি. বলেন, যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে তার ভাইকে উপদেশ দেয় সে তাকে অপছন্দ করে। আর যে গোপনে উপদেশ দেয় সে তাকে অলঙ্কৃত করে। কিন্তু যদি গোপনে উপদেশ কাজ না হয়, তাহলে প্রকাশ্যে উপদেশ দিবে। প্রয়োজনে অন্যান্য নেককাররে সহায়তা নিবে, অন্যায় গুনাহ থেকে বিরত রাখার জন্য। কেননা, যদি এমনটি না করে, তাহলে অন্যথায় গুনাহগাররা সমাজ প্রভাবশালী হয়ে উঠবে এবং গুনাহচার গোটা সমাজে ছড়িয়ে পরবে। ফলে সকলেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

টিকাঃ
১৭৮. মুসনাদে আহমাদ ৩১/৫৭১; সুনানে আবী দাউদ হাদীস-৪৩৩৯; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৪০০৯। শায়েখ শুয়াইব আরনাউত সনদটিকে হাসান বলেছেন。
১৭৯. সূরা আলে ইমরান: আয়াত-১১০
১৮০. সূরা আলে ইমরান: আয়াত-১০৪
১৮১. সূরা মায়েদা: আয়াত-৭৯
১৮২. সূরা মায়েদা: আয়াত-৬৩

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 দাওয়াত ও তাবলীগ ত্যাগ করার পরিণাম

📄 দাওয়াত ও তাবলীগ ত্যাগ করার পরিণাম


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كَانَ بَنُو إِسْرَائِيلَ زَمَنًا طَوِيلًا لَا يُوَاقِعُونَ الْمَعَاصِيَ، وَلَا يَعْمَلُونَ بِهَا، ثُمَّ ظَهَرَ فِيهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي، فَكَانُوا يُنْكِرُونَ عَلَيْهِمْ وَيُجَالِسُونَهُمْ وَيُؤَاكِلُونَهُمْ وَيُشَارِبُونَهُمْ، فَلَمَّا رَأَوُا أَنَّهُمْ لَا يَنْتَهُونَ سَكَتُوا عَنْهُمْ فَضَرَبَ اللَّهُ قُلُوبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ، فَلَعَنَهُمْ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, বনী ইসরাঈল দীর্ঘকাল গুনাহ করত না। তারপর তাদের মাঝে এমন লোকের আবির্ভাব হয়, যারা গুনাহ করতে থাকে। তখন লোকেরা তাদেরকে নিষেধ করত, কিন্তু তাদের সাথে উঠাবসা, খানাপিনা সবই ঠিক রাখত। তারা যখন দেখল যে, তারা গুনাহ থেকে বিরত থাকছে না, তখন তারাও চুপ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাদের একজনের অন্তরকে অপরের অন্তরের সাথে মিলিয়ে দিলেন এবং দাউদ ও ঈসা আ.-এর যবানীতে তাদের প্রতি অভিশাপ দিলেন। তা এই কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছিল এবং সীমালঙ্ঘন করত। ১৩৩

عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّ النَّاسِ شَرٌّ؟ قَالَ: الْعُلَمَاءُ إِذَا فَسَدُوا.

হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মানুষ সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন, আলেম সমাজ, যখন তারা নষ্ট হয়ে যায়।

عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيَعُمَّنَّكُمُ اللَّهُ بِعَذَابٍ.

হযরত জারীর রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের সকলকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিবেন।১৩৪

টিকাঃ
১৩৩. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৬; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৩০৮৯; হাদীসটি হাসান গরীব।
১৩৪. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৯২১৪; আল-মুজামুল কাবীর লিত্ ত্ববারানী: হাদীস-২৩০২; হাদীসটি সহীহ।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كَانَ بَنُو إِسْرَائِيلَ زَمَنًا طَوِيلًا لَا يُوَاقِعُونَ الْمَعَاصِيَ، وَلَا يَعْمَلُونَ بِهَا، ثُمَّ ظَهَرَ فِيهِمْ مَنْ يَعْمَلُ بِالْمَعَاصِي، فَكَانُوا يُنْكِرُونَ عَلَيْهِمْ وَيُجَالِسُونَهُمْ وَيُؤَاكِلُونَهُمْ وَيُشَارِبُونَهُمْ، فَلَمَّا رَأَوُا أَنَّهُمْ لَا يَنْتَهُونَ سَكَتُوا عَنْهُمْ فَضَرَبَ اللَّهُ قُلُوبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ، فَلَعَنَهُمْ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, বনী ইসরাঈল দীর্ঘকাল গুনাহ করত না। তারপর তাদের মাঝে এমন লোকের আবির্ভাব হয়, যারা গুনাহ করতে থাকে। তখন লোকেরা তাদেরকে নিষেধ করত, কিন্তু তাদের সাথে উঠাবসা, খানাপিনা সবই ঠিক রাখত। তারা যখন দেখল যে, তারা গুনাহ থেকে বিরত থাকছে না, তখন তারাও চুপ হয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাদের একজনের অন্তরকে অপরের অন্তরের সাথে মিলিয়ে দিলেন এবং দাউদ ও ঈসা আ.-এর যবানীতে তাদের প্রতি অভিশাপ দিলেন। তা এই কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছিল এবং সীমালঙ্ঘন করত। ১৩৩

عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّ النَّاسِ شَرٌّ؟ قَالَ: الْعُلَمَاءُ إِذَا فَسَدُوا.

হযরত হুযায়ফা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন মানুষ সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন, আলেম সমাজ, যখন তারা নষ্ট হয়ে যায়।

عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيَعُمَّنَّكُمُ اللَّهُ بِعَذَابٍ.

হযরত জারীর রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের সকলকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিবেন।১৩৪

টিকাঃ
১৩৩. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৬; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৩০৮৯; হাদীসটি হাসান গরীব।
১৩৪. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৯২১৪; আল-মুজামুল কাবীর লিত্ ত্ববারানী: হাদীস-২৩০২; হাদীসটি সহীহ।

নুমান ইবনে বাশির রাযি. থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর হকের ব্যাপারে (অলস) তোষামোদকারী ব্যক্তি, আল্লাহর হক বিনষ্টকারী ব্যক্তি এবং আল্লাহর হকের ব্যাপারে যত্নবান ব্যক্তি, এই তিন জনের উদাহরণ ওই তিন ব্যক্তির ন্যায়, যারা সকলেই একটি জাহাজে আরোহণ করে। তারা তাদের অবস্থান এভাবে ভাগ করে নেয় যে, একজন নিচের অংশে, আরেকজন মাঝের অংশে এবং অপরজন উপরের অংশে থাকবে। এভাবেই তাদের সফর চলতে থাকে। হঠাৎ একদিন এক শরীক কুড়াল নিয়ে বের হয়ে আসে। সবাই বলে, তুমি কী করতে চাও? সে বলল, আমি আমার অংশের একস্থান ছিদ্র করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে নিবো, যাতে পানি নিষ্কাশন আমার জন্য সহজ হয়। এখন কেউ বলল, তাকে ছেড়ে দাও, নিজের অংশে যে যা ইচ্ছা করুক। কিন্তু অপর ব্যক্তি বলল, না তাকে ছিদ্র করতে দিও না। কারণ, এতে সে নিজেও মরবে আমাদেরকেও মারবে। সুতরাং তারা যদি তাকে এই কাজ থেকে বিরত রাখতে না পারে, তাহলে সে নিজেও মরবে এবং অপরজনও মরবে。

হযরত আবুদ দারদা রাযি. থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, তোমরা সৎ কাজের আদেশ কর এবং অসৎ কাজ থেকে বারণ কর। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের উপর এমন কোনো শাসক চাপিয়ে দিবেন, যে তোমাদের বড়দেরকে সম্মান করবে না, ছোটদের প্রতি দয়া করবে না। তখন তোমাদের নেককাররা দোয়া করলে তাদের দুআও কবুল হবে না। তারা সাহায্য চাইলে তাদের সাহায্যও করা হবে না। আল্লাহর নিকট তার ক্ষমা চাইলে তাদেরকে ক্ষমাও করা হবে না।

হযরত হুযায়ফা রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল ইরশাদ করেন, তোমরা সৎকাজের আদেশ কর এবং অসৎ কাজ হতে বারণ কর। অন্যথায় তোমাদের উপর আল্লাহর সমূহ আযাব পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তখন তোমরা তার কাছে দোয়া করলেও তিনি তোমাদের দোয়া কবুল করবেন না。

হযরত আলী রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল ইরশাদ করেন, আমার উম্মত যখন জালেমদের সামনে তুমি জালেম এই কথা বলার সৎ সাহস হারিয়ে ফেলবে তখন তাদের সঙ্গত্যাগ করে সরে পড়বে।

হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যদি কোনো অন্যায় দেখতে পায়, তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা দমন করে। যদি তা না পারে তাহলে যেন মুখ দিয়ে এর প্রতিবাদ করে। তাও যদি না পারে, তাহলে যেন অন্তর দিয়ে ঘৃণা করে। আর এটাই হলো, ঈমানের দুর্বলতম স্তর।

এই হাদীসের ব্যাখ্যায় কেউ কেউ বলেন, হাত দিয়ে প্রতিরোধ হলো, শাসকশ্রেণীর কাজ। মুখে প্রতিবাদ করা আলেমদের কাজ। আর অন্তর দিয়ে ঘৃণা সাধারণ মানুষের কাজ। কিন্তু অপর আরেক দল আলেমের মতে, যার সামর্থ আছে তাকেই এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

টিকাঃ
১৮৩. সহীহ বুখারী: হাদীস-২৪৯৩; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৭৩।
১৮4. সুনানে তিরমিযী হাদীস-২১৬৯; মুসনাদে আহমদ: ৩৮/৩৩২। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।
১৮৫. প্রাগুক্ত।
১৮৬. মুসনাদে আহমদ: ১১/৭৩; মুসনাদে বায্যার: হাদীস-৩৩০২। আল্লামা হাইসামী, ইমাম হাকেম ও যাহাবী সনদটিকে সহীহ বলেছেন। (মাজমা ৭/২৬২; মুসতাদরাকে হাকেম ৪/৯৬। তবে, শায়েখ শুয়াইব আরনাউত সনদটিকে জয়ীফ বলেছেন।
১৮৭. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৯; সুনানে আবূ দাউদ: হাদীস-১১৪০; সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৭২।

ফন্ট সাইজ
15px
17px