📄 যে কারণে সবাইকে শাস্তি ভোগ করতে হবে
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، أَنَّهَا قَالَتْ : دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَرَفْتُ فِي وَجْهِهِ أَنْ قَدْ حَضَرَهُ شَيْءٌ، فَمَا تَكَلَّمَ حَتَّى تَوَضَّأَ ثُمَّ خَرَجَ، فَلَصِقْتُ بِالْحُجْرَةِ أَسْتَمِعُ مَا يَقُولُ، فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ لَكُمْ: مُرُوا بِالْمَعْرُوفِ، وَانْهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَدْعُونِي فَلَا أُجِيبَكُمْ، وَتَسْتَنْصِرُونِي فَلَا أَنْصُرَكُمْ، وَتَسْأَلُونِي فَلَا أُعْطِيَكُمْ.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল ﷺ আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তাঁর চেহারা দেখেই মনে হচ্ছিল তিনি কিছু বলতে চাচ্ছেন। কিন্তু তিনি উযু না করা পর্যন্ত কোনো কথা বললেন না। উযু করে বের হয়ে গেলেন। আমি তখন হুজরার সাথে লেগে কান পেতে রইলাম তিনি কী বলেন তা শোনার জন্য। তিনি মিম্বরে আরোহণ করে আল্লাহর হাম্দ ও সানা পাঠ করে বললেন, হে লোকসকল! আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে বলেন, তোমরা সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে বারণ করতে থাক। এমন সময় আসার পূর্বে যখন তোমরা আমাকে ডাকবে, কিন্তু আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব না, তোমরা আমার নিকট সাহায্য চাইবে, কিন্তু আমি তোমাদের সাহায্য করব না, তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করবে কিন্তু আমি তোমাদের কিছু দিব না।১২৯
عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِالْمَعَاصِي، هُمْ أَعَزُّ وَأَكْثَرُ مِمَّنْ يَعْمَلُهُ، ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوهُ إِلَّا عَمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابٍ مِنْ عِنْدِهِ.
হযরত জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, কোনো সম্প্রদায়ে যদি গুনাহের কাজ হয় এবং সেখানে তা প্রতিরোধ করার মত লোক থাকা সত্ত্বেও প্রতিরোধ করা না হয়, তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাদের সকলকে শাস্তি দিবেন।১৩০
টিকাঃ
১২৯. সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৪০০৪; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-২৩৯২২; হাদীসটি হাসান।
১৩০. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৮; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৪০০৯; হাদীসটি হাসান।
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، أَنَّهَا قَالَتْ : دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَرَفْتُ فِي وَجْهِهِ أَنْ قَدْ حَضَرَهُ شَيْءٌ، فَمَا تَكَلَّمَ حَتَّى تَوَضَّأَ ثُمَّ خَرَجَ، فَلَصِقْتُ بِالْحُجْرَةِ أَسْتَمِعُ مَا يَقُولُ، فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ لَكُمْ: مُرُوا بِالْمَعْرُوفِ، وَانْهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَدْعُونِي فَلَا أُجِيبَكُمْ، وَتَسْتَنْصِرُونِي فَلَا أَنْصُرَكُمْ، وَتَسْأَلُونِي فَلَا أُعْطِيَكُمْ.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল ﷺ আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তাঁর চেহারা দেখেই মনে হচ্ছিল তিনি কিছু বলতে চাচ্ছেন। কিন্তু তিনি উযু না করা পর্যন্ত কোনো কথা বললেন না। উযু করে বের হয়ে গেলেন। আমি তখন হুজরার সাথে লেগে কান পেতে রইলাম তিনি কী বলেন তা শোনার জন্য। তিনি মিম্বরে আরোহণ করে আল্লাহর হাম্দ ও সানা পাঠ করে বললেন, হে লোকসকল! আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে বলেন, তোমরা সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে বারণ করতে থাক। এমন সময় আসার পূর্বে যখন তোমরা আমাকে ডাকবে, কিন্তু আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব না, তোমরা আমার নিকট সাহায্য চাইবে, কিন্তু আমি তোমাদের সাহায্য করব না, তোমরা আমার নিকট প্রার্থনা করবে কিন্তু আমি তোমাদের কিছু দিব না।১২৯
عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِالْمَعَاصِي، هُمْ أَعَزُّ وَأَكْثَرُ مِمَّنْ يَعْمَلُهُ، ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوهُ إِلَّا عَمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابٍ مِنْ عِنْدِهِ.
হযরত জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, কোনো সম্প্রদায়ে যদি গুনাহের কাজ হয় এবং সেখানে তা প্রতিরোধ করার মত লোক থাকা সত্ত্বেও প্রতিরোধ করা না হয়, তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাদের সকলকে শাস্তি দিবেন।১৩০
টিকাঃ
১২৯. সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৪০০৪; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-২৩৯২২; হাদীসটি হাসান।
১৩০. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৩৩৮; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৪০০৯; হাদীসটি হাসান।
📄 সৎকাজে আদেশ কর অসৎকাজে নিষেধ কর
عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَفِّرْ كَبِيرَنَا وَيَأْمُرْ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَ عَنِ الْمُنْكَرِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দের সম্মান করে না এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে বারণ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ১৩১
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় কাজ দেখলে তা যেন হাত দ্বারা প্রতিহত করে। যদি তাতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাতেও সক্ষম না হয় তাহলে যেন মনে মনে ঘৃণা করে। আর এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।১৩২
ٹکا:
১৩১. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯১৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-৬৭৩৩; হাদীসটি হাসান।
১৩২. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৯; সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১১৪০।
عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَفِّرْ كَبِيرَنَا وَيَأْمُرْ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَ عَنِ الْمُنْكَرِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করে না, বড়দের সম্মান করে না এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে বারণ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ১৩১
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ কোনো অন্যায় কাজ দেখলে তা যেন হাত দ্বারা প্রতিহত করে। যদি তাতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাতেও সক্ষম না হয় তাহলে যেন মনে মনে ঘৃণা করে। আর এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।১৩২
ٹکا:
১৩১. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-১৯১৯; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-৬৭৩৩; হাদীসটি হাসান।
১৩২. সহীহ মুসলিম: হাদীস-৪৯; সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-১১৪০।
📄 আল্লাহর প্রিয় ও অপ্রিয় আমল
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: أَحَبُّ الْعِبَادِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى أَنْفَعُهُمْ لِعِبَادِهِ، وَأَقْوَاهُمْ عَلَى طَاعَتِهِ، وَأَصْبَرُهُمْ عَلَى مَا يَنُوبُهُ مِنْ أَمْرِهِ، وَأَبْغَضُ الْعِبَادِ إِلَى اللهِ مَنْ كَانَ ثَوْبَاهُ خَيْرًا مِنْ عَمَلِهِ، أَنْ تَكُونَ ثِيَابُهُ ثِيَابَ الْأَنْبِيَاءِ وَعَمَلُهُ عَمَلَ الْجَبَّارِينَ، وَمَنْ أَقْبَلَ عَلَى اللَّهِ صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَ عِبَادِهِ إِلَيْهِ، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنِ اللَّهِ تَعَالَى أَعْرَضَ اللَّهُ عَنْهُ، وَأَعْرَضَ بِقُلُوبِ الْعِبَادِ عَنْهُ.
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো, যে তাঁর বান্দাদের বেশি উপকার করে, যে তাঁর আনুগত্য পালনে অধিক দৃঢ় এবং যে তাঁর পক্ষ থেকে আসা বিপদে অধিক ধৈর্যশীল। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি সে, যার পোশাক তার আমল থেকে উত্তম। অর্থাৎ, যার পোশাক নবীদের মতো অথচ তার আমল অহংকারীদের মত। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়, আল্লাহও তার বান্দাদের অন্তর তার দিকে ফিরিয়ে দেন। আর যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হয়, আল্লাহও তার থেকে বিমুখ হন এবং তাঁর বান্দাদের অন্তরও তার থেকে বিমুখ করে দেন।
📄 গুনাহাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে না তোলার পরিণাম
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: مَا مِنْ قَوْمٍ يُعْمَلُ فِيهِمْ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ وَهُمْ أَعَزُّ مِمَّنْ يَعْمَلُ بِهَا ثُمَّ لَمْ يُغَيِّرُوا مَا بِهِمْ إِلَّا أَصَابَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِعُقُوبَةٍ مِنْ عِنْدِهِ، أَوْ بِأَيْدِي مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে যদি আল্লাহর নাফরমানী হয় এবং তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তিশালী লোক থাকার পরও তারা তা প্রতিরোধ না করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে কিংবা তাঁর বান্দাদের মাধ্যমে শাস্তি দেন।