📄 রহমত লাভের দুআ
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ أَحَبَّ أَنْ لَا يَقِفَ عَلَى مَسَاوِئِ عَمَلِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَأَنْ لَا تُنْشَرَ لَهُ دَوَاوِينُهُ فَلْيَقُلْ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ: اللَّهُمَّ إِنَّ ذُنُوبِي وَإِنْ كَثُرَتْ وَجَلَّتْ فَهِيَ صَغِيرَةٌ فِي جَنْبِ عَفْوِكَ، فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي، وَعَلَى هَذَا فَإِنَّهُ لَا يُنْشَرُ لَهُ دِيوَانٌ، وَلَا يُوقَفُ عَلَى مَسَاوِئِ عَمَلِهِ.
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তার আমলের হিসাবের সম্মুখীন হতে চায় না এবং তার আমলনামা প্রকাশ হোক তা চায় না, সে যেন প্রত্যেক নামাযের পর এই দোয়া পাঠ করে-
اللَّهُمَّ إِنَّ ذُنُوبِي وَإِنْ كَثُرَتْ وَجَلَّتْ فَهِيَ صَغِيرَةٌ فِي جَنْبِ عَفْوِكَ، فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার গুনাহ যদিও বেশি ও বড়, আপনার ক্ষমার তুলনায় তা খুবই নগণ্য। সুতরাং আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন। যে ব্যক্তি এই দোয়া পাঠ করবে, তার আমলনামা প্রকাশ করা হবে না এবং তাকে হিসাবের জন্য দাঁড় করানো হবে না। ১১৫
ٹکا:
১১৫. কানযুল উম্মাল: হাদীস-৫০০১; মাওযুআতে সাগানী: হাদীস-৬২।
ইয়াহইয়া ইবনে মুআয রাযি. থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলতেন, إِلَهِي قَدْ أَنْزَلْتَ إِلَيْنَا رَحْمَةً وَاحِدَةً، وَأَكْرَمْتَنَا بِتِلْكَ الرَّحْمَةِ، وَهِيَ الْإِسْلَامُ، فَإِذَا أَنْزَلْتَ عَلَيْنَا مِائَةَ رَحْمَةٍ فَكَيْفَ لَا نَرْجُو مَغْفِرَتَكَ. হে আল্লাহ! যখন আপনি আমাদের জন্য রহমতের এক ভাগ নাযিল করেছেন, আপনি আমাদের উপর এক শ' ভাগ রহমত নাযিল করবেন তখন কি আমরা আপনার মাগফেরাতের আশা করতে পারি না? তিনি আরো বলতেন— إِلَهِي إِنْ كَانَ ثَوَابُكَ لِلْمُطِيعِينَ، وَرَحْمَتُكَ لِلْمُذْنِبِينَ، فَإِنِّي وَإِنْ كُنْتُ لَسْتُ مُطِيعًا لَا أَرْجُو ثَوَابَكَ فَأَنَا مِنَ الْمُذْنِبِينَ، فَأَرْجُو رَحْمَتَكَ. হে আল্লাহ! যখন সওয়াব আপনার আনুগত্যশীলদের জন্য। আর রহমত গুনাহগার বান্দাদের জন্য। সুতরাং আমি আনুগত্যশীল বান্দা নই যে, সওয়াবের আশা রাখব। তবে আমি তো আপনার রহমতের আশা করতে পারি। কারণ, আমি আপনার গুনাহগার বান্দা। তিনি আরো বলতেন— إِلَهِي خَلَقْتَ الْجَنَّةَ وَجَعَلْتَهَا وَلِيمَةً لِأَوْلِيَائِكَ، وَآيَسْتَ الْكُفَّارَ مِنْهَا وَخَلَقْتَ مَلَائِكَتَكَ غَيْرَ مُحْتَاجِينَ إِلَيْهَا، وَأَنْتَ مُسْتَغْنِ عَنْهَا، فَإِنْ لَمْ تُعْطِنَا الْجَنَّةَ فَلِمَنْ تَكُونُ الْجَنَّةُ হে আল্লাহ! আপনি জান্নাত সৃষ্টি করেছেন এবং তা আপনার ওলীদের আতিথ্যের জন্য রেখে দিয়েছেন। জান্নাতের ব্যাপারে কাফেরদের হতাশ করে দিয়েছেন। আপনার ফেরেশতাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, তাদের জান্নাতের দরকার নেই। আপনি নিজেও তার থেকে অমুখাপেক্ষী। সুতরাং আপনি যদি আমাদেরকে জান্নাত দান না করেন, তাহলে কার জন্য এই জান্নাত?
📄 জনৈক গুনাহগারের ক্ষমা লাভ
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: كَانَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ شَابٌّ قَدْ عَبَدَ اللَّهَ عِشْرِينَ سَنَةً، ثُمَّ عَصَاهُ عِشْرِينَ سَنَةً، ثُمَّ نَظَرَ فِي الْمِرْآةِ يَوْمًا فَرَأَى الشَّيْبَ فِي لِحْيَتِهِ، فَسَاءَهُ ذَلِكَ، فَقَالَ: إِلَهِي أَطَعْتُكَ عِشْرِينَ سَنَةً، وَعَصَيْتُكَ عِشْرِينَ سَنَةً، فَإِنْ رَجَعْتُ إِلَيْكَ أَتَقَبَّلُنِي؟ فَسَمِعَ صَوْتًا مِنْ خَلْفِهِ يَقُولُ: أَحْبَبْتَنَا فَأَحْبَبْنَاكَ، وَتَرَكْتَنَا فَتَرَكْنَاكَ، وَعَصَيْتَنَا فَأَمْهَلْنَاكَ، وَإِنْ رَجَعْتَ إِلَيْنَا قَبِلْنَاكَ.
হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেন, বনী ইসরাঈলে এক যুবক ছিল, যে বিশ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছে, তারপর বিশ বছর নাফরমানী করেছে। এরপর একদিন সে আয়নায় নিজের দাড়িতে সাদা চুল দেখে লজ্জিত হলো এবং বলল, হে আল্লাহ! আমি বিশ বছর আপনার ইবাদত করেছি আর বিশ বছর নাফরমানী করেছি। এখন যদি আমি আপনার নিকট ফিরে আসি আপনি কি আমাকে গ্রহণ করবেন? তখন সে অদৃশ্য থেকে আওয়াজ শুনতে পেল, তুমি আমাকে ভালোবেসেছিলে, আমিও তোমাকে ভালোবেসেছিলাম। তুমি আমাকে ছেড়ে দিয়েছিলে, আমিও তোমাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। তুমি আমার নাফরমানী করেছ, আমি তোমাকে অবকাশ দিয়েছি। আর তুমি যদি আমার দিকে ফিরে আস আমি তোমাকে গ্রহণ করব।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত— রাসূল ইরশাদ করেন, এমন এক ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করেছে, যে আল্লাহ তা'আলার তাওহীদের (একত্ববাদের) উপর ঈমান আনা ছাড়া আর কখনো কোনো ভালো কাজ করে নাই। তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে সে তার পরিজনদের বলল, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আমাকে পুড়িয়ে ভস্ম করে ছাই করে ফেলবে। তারপর অর্ধেক ছাই জলে এবং বাকী অর্ধেক ছাই স্থলে ছড়িয়ে দিবে। তার মৃত্যু হলে পরিবারের লোকেরা তাই করল। আল্লাহ তা'আলার আদেশে জল ও স্থলের সমস্ত ছাইগুলো একত্রিত করা হলো। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন এমন করেছো? সে বলল, তোমার ভয়ে হে আল্লাহ! এই কথা শুনে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
টিকাঃ
১৫৩. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৪৭৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৭৫৭; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস- ১১০৯৬।
📄 আল্লাহর বান্দারা তার রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে না
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: مَا أَدْرِي أَيُّ الرَّجُلَيْنِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ جُرْمًا: رَجُلٌ قَنَطَ عِبَادَ اللَّهِ مِنْ رَحْمَتِهِ، أَوْ رَجُلٌ آمَنَ عِبَادَ اللَّهِ مِنْ مَكْرِهِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জানি না কোন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট বেশি অপরাধী, যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ করে, নাকি যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর পাকড়াও থেকে নির্ভয় করে দেয়।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে কাউকে নিরাশ করাও যেমন উচিত নয়, তেমনি তাঁর পাকড়াও থেকেও নির্ভয় করে দেওয়া উচিত নয়। বরং উভয়টার মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। যাতে মানুষ না নিরাশ হয়ে যায়, আর না নির্ভয় হয়ে আমল ছেড়ে দেয়।
হযরত আতা রহ. থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, জনৈক সাহাবী বলেন, একদা রাসূল আমাদের নিকট এসে দেখলেন, আমরা হাসা-হাসি করছি। তিনি ইরশাদ করলেন, তোমরা হাসছ, অথচ জাহান্নাম তোমাদের পিছনেই রয়েছে? আল্লাহর কসম! তোমরা হাসা-হাসি কর এটা আমার পছন্দনীয় না। এরপর তিনি চলে গেলেন। আমাদের উপর যেন পাহাড় ভেঙ্গে পড়লো এমন স্তব্ধ হয়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর তিনি পুনরায় আমাদের নিকট ফিরে এলেন। ইরশাদ করলেন, জিবরাঈল আ. আমার নিকট বললেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আমার বান্দারা আমার রহমত থেকে নিরাশ হয় না। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন— نَبِّئُ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ অর্থ: আমার বান্দাদের বলে দাও : আমি ক্ষমাশীল এবং দয়ালু এবং আমার আযাবই হলো, প্রকৃত যন্ত্রণাকর আযাব।
📄 শত ব্যক্তির খুনীর জান্নাত লাভ
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: كَانَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ رَجُلٌ قَتَلَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ إِنْسَانًا، ثُمَّ خَرَجَ يَسْأَلُ، فَأَتَى رَاهِبًا فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَهُ: هَلْ مِنْ تَوْبَةٍ؟ قَالَ: لَا، فَقَتَلَهُ، فَجَعَلَ يَسْأَلُ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: ائْتِ قَرْيَةَ كَذَا وَكَذَا، فَأَدْرَكَهُ الْمَوْتُ، فَنَأَى بِصَدْرِهِ نَحْوَهَا، فَاخْتَصَمَتْ فِيهِ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ وَمَلَائِكَةُ الْعَذَابِ، فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَى هَذِهِ أَنْ تَقَرَّبِي، وَأَوْحَى اللَّهُ إِلَى هَذِهِ أَنْ تَبَاعَدِي، وَقَالَ: قِيسُوا مَا بَيْنَهُمَا، فَوُجِدَ إِلَى هَذِهِ أَقْرَبَ بِشِبْرٍ، فَغُفِرَ لَهُ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেন, বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি নিরানব্বই জনকে হত্যা করে। তারপর সে মানুষের নিকট জানতে চায়, তার তওবা কবুল হবে কিনা? সে এক পাদ্রীর নিকট গিয়ে জানতে চাইল। পাদ্রী বলল, তোমার জন্য তওবার কোনো সুযোগ নেই। সে পাদ্রীকেও হত্যা করে ফেলল। এরপর সে অন্য এক লোকের নিকট গিয়ে জানতে চাইল। লোকটি তাকে বলল, তুমি অমুক গ্রামে চলে যাও। সেখানে গেলে তুমি মুক্তি পেতে পার। লোকটি সেই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো। পথিমধ্যে তার মৃত্যু উপস্থিত হলে, সে বুক দিয়ে ঐ গ্রামের দিকে এগিয়ে গেল। তখন রহমতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতার মাঝে বিতর্ক শুরু হলো। রহমতের ফেরেশতারা বলল, লোকটি তাওবা করার জন্য এসেছে, সুতরাং আমরা তাকে নিয়ে যাবো। আর আযাবের ফেরেশতারা বলল, সে তো এখনো ভালো কোনো আমল করেনি, আমরা তাকে নিয়ে যাবো। তখন আল্লাহ তা'আলা যে গ্রামে যাচ্ছিল সে গ্রামকে কাছে চলে আসতে আর যে গ্রাম থেকে বের হয়েছে তাকে দূরে সরে যেতে বললেন এবং ফেরেশতাদেরকে বললেন, তোমরা উভয় গ্রামের দূরত্ব মেপে দেখ, সে কোন গ্রামের বেশি নিকটবর্তী। তারা মেপে দেখল, লোকটি এক বিঘত পরিমাণ সামনের গ্রামের নিকটবর্তী হয়েছে। ফলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। ১১৬
টিকাঃ
১১৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৪৭০; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৭৬৬।
হযরত আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, বান্দাদের গুনাহ ক্ষমা করা আল্লাহর নিকট খুব কঠিন ব্যাপার নয়। তোমাদের পূর্ববর্তী এক ব্যক্তি ছিল। সে নিরানব্বই জন মানুষ হত্যা করে। অতঃপর এক ধর্মগুরুর কাছে এসে বলল, আমি নিরানব্বইটি খুন করেছি, আমার কি তাওবার কোনো রাস্তা আছে? সে বলল, না, তুমি সীমা ছাড়িয়ে গেছ। এ কথা শুনে লোকটি তাকেও হত্যা করে ফেলল। তারপর অন্য আরেক ধর্মগুরুর কাছে গিয়ে বলল, আমি এক শত মানুষ খুন করেছি, আমার কি তাওবার কোনো রাস্তা আছে? তিনি বললেন, তুমি সীমা ছাড়িয়ে গেছ। তোমার সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারছি না। তবে বাছরা ও কাফরা নামে এখানে দুটি গ্রাম আছে। বাছরা অধিবাসীরা সব সৎকর্মশীল, তারা জান্নাতবাসীদের কর্ম করে, তাদের মাঝে গুনাহগারদের স্থান নেই। আর কাফরাবাসীরা জাহান্নামীদের কর্ম করে, তাদের মাঝে অন্য কোনো লোক থাকতে পারে না। তুমি যদি বাছরা গ্রামে গিয়ে তাদের সাথে থেকে তাদের অনুরূপ আমল করতে পার, তাহলে নিঃসন্দেহে তোমার তাওবা কবুল হবে। এই কথা শুনেই লোকটি রওনা হয়ে গেল। সে যখন দুই গ্রামের মাঝামাঝি পৌঁছল তখন তার মৃত্যু হলো। সাথে সাথে রহমত ও আযাবের ফেরেশতা উভয়ে এসে হাজির হলো। তারা পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ বললেন, তোমরা মেপে দেখ, দুই গ্রামের মধ্যে কোন গ্রামের দিকে সে তুলনামূলক অধিক নিকটবর্তী। তারা মেপে দেখলেন, সে বাছরার দিকে এক আঙ্গুল পরিমাণ নিকটবর্তী। ফলে তাকে বাছরাবাসীদের মধ্যে গণ্য করা হলো।
টিকাঃ
১৫৫. সহীহ বুখারী: হাদীস-৩৪৭০ (সামান্য শাব্দিক তারতম্যসহ বর্ণিত); সহীহ মুসলিম হাদীস- ২৭৬৬; মুসনাদে আহমাদ হাদীস-১১১৫। উল্লেখ্য: সহীহ বুখারী-মুসলিমে গ্রামের নামের কথা উল্লেখ নেই।