📄 জাহান্নামের সাপ-বিচ্ছু
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ فِي النَّارِ حَيَّاتٌ لَهَا أَنْيَابٌ أَمْثَالُ النَّخْلِ الطُّوَالِ، تَلْسَعُ اللَّسْعَةَ، فَيَجِدُ حَرَارَتَهَا أَرْبَعِينَ خَرِيفًا، وَإِنَّ فِيهَا عَقَارِبَ أَمْثَالَ الْبِغَالِ الْمُؤَكَّفَةِ تَلْدَغُ أَحَدَهُمْ لَدْغَةً يَجِدُ أَلَمَهَا أَرْبَعِينَ سَنَةً.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে জাযয়ি রাযি. বলেন, জাহান্নামে এমন কিছু সাপ আছে, যেগুলোর দাঁত খেজুর গাছের সমান লম্বা। সেগুলো একবার দংশন করলে চল্লিশ বছর তার যন্ত্রণা অনুভব হয়। এবং সেখানে এমন বিচ্ছুও আছে যেগুলো সওয়ারীর মত বড়। সেগুলো একবার দংশন করলে চল্লিশ বছর পর্যন্ত তার যন্ত্রণা থাকবে। ৭৭
টکا:
৭৭. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৭৮০৫; মুস্তাদরাকে হাকেম: ৪/৫৯৩। ইমাম হাকেম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ فِي النَّارِ حَيَّاتٌ لَهَا أَنْيَابٌ أَمْثَالُ النَّخْلِ الطُّوَالِ، تَلْسَعُ اللَّسْعَةَ، فَيَجِدُ حَرَارَتَهَا أَرْبَعِينَ خَرِيفًا، وَإِنَّ فِيهَا عَقَارِبَ أَمْثَالَ الْبِغَالِ الْمُؤَكَّفَةِ تَلْدَغُ أَحَدَهُمْ لَدْغَةً يَجِدُ أَلَمَهَا أَرْبَعِينَ سَنَةً.
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে জাযয়ি রাযি. বলেন, জাহান্নামে এমন কিছু সাপ আছে, যেগুলোর দাঁত খেজুর গাছের সমান লম্বা। সেগুলো একবার দংশন করলে চল্লিশ বছর তার যন্ত্রণা অনুভব হয়। এবং সেখানে এমন বিচ্ছুও আছে যেগুলো সওয়ারীর মত বড়। সেগুলো একবার দংশন করলে চল্লিশ বছর পর্যন্ত তার যন্ত্রণা থাকবে। ৭৭
টکا:
৭৭. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৭৮০৫; মুস্তাদরাকে হাকেম: ৪/৫৯৩। ইমাম হাকেম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।
📄 দোযখের আগুন
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَوْ أَنَّ غَرْبًا مِنْ جَهَنَّمَ أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا، لَأَحْرَقَ مَا عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ، وَلَوْ أَنَّ سِرْبَالًا مِنْ سَرَابِيلِ أَهْلِ النَّارِ، أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا لَأَمَاتَ مَنْ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ مِنْ نَتَنِ رِيحِهِ، وَلَوْ أَنَّ ذِرَاعًا مِنَ السِّلْسِلَةِ الَّتِي ذَكَرَ اللَّهُ تَعَالَى فِي الْقُرْآنِ أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا لَأَذَابَتِ الْحَدِيدَ، وَأَتَتْ عَلَى الْأَرْضِ السُّفْلَى.
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, জাহান্নাম থেকে যদি এক বালতি আগুনও দুনিয়াতে আসে তাহলে পৃথিবীর সব কিছু জ্বলে ছাই হয়ে যাবে। জাহান্নামীদের পোশাকের একটি টুকরাও যদি দুনিয়াতে আসে তাহলে তার গন্ধে দুনিয়ার সব জীব মারা যাবে। কুরআনে যে শিকলের কথা বলা হয়েছে, তার একহাতও যদি দুনিয়াতে আসে তাহলে লোহা গলে যাবে এবং সর্বনিম্ন জমিন পর্যন্ত তার প্রভাব পড়বে। ৭৮
ٹکا:
৭৮. মাজমাউজ যাওয়ায়েদ: ১০/৩৮৬। ইমাম হাইসামী সনদটি হাসান বলেছেন।
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَوْ أَنَّ غَرْبًا مِنْ جَهَنَّمَ أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا، لَأَحْرَقَ مَا عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ، وَلَوْ أَنَّ سِرْبَالًا مِنْ سَرَابِيلِ أَهْلِ النَّارِ، أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا لَأَمَاتَ مَنْ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ مِنْ نَتَنِ رِيحِهِ، وَلَوْ أَنَّ ذِرَاعًا مِنَ السِّلْسِلَةِ الَّتِي ذَكَرَ اللَّهُ تَعَالَى فِي الْقُرْآنِ أُرْسِلَ إِلَى الدُّنْيَا لَأَذَابَتِ الْحَدِيدَ، وَأَتَتْ عَلَى الْأَرْضِ السُّفْلَى.
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, জাহান্নাম থেকে যদি এক বালতি আগুনও দুনিয়াতে আসে তাহলে পৃথিবীর সব কিছু জ্বলে ছাই হয়ে যাবে। জাহান্নামীদের পোশাকের একটি টুকরাও যদি দুনিয়াতে আসে তাহলে তার গন্ধে দুনিয়ার সব জীব মারা যাবে। কুরআনে যে শিকলের কথা বলা হয়েছে, তার একহাতও যদি দুনিয়াতে আসে তাহলে লোহা গলে যাবে এবং সর্বনিম্ন জমিন পর্যন্ত তার প্রভাব পড়বে। ৭৮
ٹکا:
৭৮. মাজমাউজ যাওয়ায়েদ: ১০/৩৮৬। ইমাম হাইসামী সনদটি হাসান বলেছেন।
📄 জাহান্নামের সর্বাধিক লঘু আযাব
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ أَدْنَى أَهْلِ النَّارِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، مَنْ يُجْعَلُ لَهُ نَعْلَانِ مِنْ نَارٍ يَغْلِي مِنْهُمَا دِمَاغُهُ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব তার হবে, যার পায়ে আগুনের দুটি জুতা পরিয়ে দেওয়া হবে। এতে তার মগজ টগবগ করতে থাকবে।৭৯
টিকাঃ
৭৯. সহীহ মুসলিম: হাদীস-২১৩; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১০৯৮৭।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ أَدْنَى أَهْلِ النَّارِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، مَنْ يُجْعَلُ لَهُ نَعْلَانِ مِنْ نَارٍ يَغْلِي مِنْهُمَا دِمَاغُهُ.
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব তার হবে, যার পায়ে আগুনের দুটি জুতা পরিয়ে দেওয়া হবে। এতে তার মগজ টগবগ করতে থাকবে।৭৯
টিকাঃ
৭৯. সহীহ মুসলিম: হাদীস-২১৩; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১০৯৮৭।
📄 জাহান্নামীদের আর্তনাদ
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : يُلْقَى عَلَى أَهْلِ النَّارِ الْجُوعُ حَتَّى يَعْدِلَ مَا هُمْ فِيهِ مِنَ الْعَذَابِ فَيَسْتَغِيثُونَ، فَيُغَاثُونَ بِطَعَامٍ مِنْ ضَرِيعٍ، لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِنْ جُوعٍ فَيَسْتَغِيثُونَ، فَيُغَاثُونَ بِطَعَامٍ ذِي غُصَّةٍ فَيَذْكُرُونَ أَنَّهُمْ كَانُوا يُجِيزُونَ الْغَصَصَ فِي الدُّنْيَا بِالشَّرَابِ، فَيَسْتَسْقُونَ، فَيُرْفَعُ إِلَيْهِمُ الْحَمِيمُ بِكَلَالِيبِ مِنْ حَدِيدٍ، فَإِذَا دَنَتْ مِنْ وُجُوهِهِمْ شَوَتْ وُجُوهَهُمْ، فَإِذَا دَخَلَتْ بُطُونَهُمْ قَطَّعَتْ مَا فِي بُطُونِهِمْ، فَيَقُولُونَ ادْعُو خَزَنَةَ جَهَنَّمَ. فَيَقُولُونَ: أَوَلَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ، قَالُوا بَلَى قَالُوا: فَادْعُوا وَمَا دُعَاءُ الْكَافِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَالٍ، قَالَ: فَيَقُولُونَ: ادْعُوا مَالِكًا، فَيَقُولُونَ: يَا مَالِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ، قَالَ : فَيُجِيبُهُمْ إِنَّكُمْ مَاكِثُونَ. قَالَ الْأَعْمَشُ: نُبِّئْتُ أَنَّ بَيْنَ دُعَائِهِمْ وَبَيْنَ إِجَابَةِ مَالِكٍ إِيَّاهُمْ أَلْفَ عَامٍ، قَالَ: فَيَقُولُونَ: ادْعُوا رَبَّكُمْ، فَلَا أَحَدَ خَيْرٌ مِنْ رَبِّكُمْ فَيَقُولُونَ: رَبَّنَا غَلَبَتْ عَلَيْنَا شِقْوَتُنَا وَكُنَّا قَوْمًا ضَالِّينَ، رَبَّنَا أَخْرِجْنَا مِنْهَا فَإِنْ عُدْنَا فَإِنَّا ظَالِمُونَ. قَالَ : فَيُجِيبُهُمُ اخْسَنُوا فِيهَا وَلَا تُكَلِّمُونِ، قَالَ: فَعِنْدَ ذَلِكَ يَئِسُوا مِنْ كُلِّ خَيْرٍ، وَعِنْدَ ذَلِكَ يَأْخُذُونَ فِي الزَّفِيرِ وَالْحَسْرَةِ وَالْوَيْلِ.
হযরত আবুদ দারদা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, জাহান্নামীদের উপর ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া হবে। যা হবে তাদের আযাবের সমপরিমাণ। তারা খেতে চাইলে তাদেরকে যারী নামক কাঁটাযুক্ত ফল দেওয়া হবে। যা তাদের ক্ষুধা নিবারণ করবে না এবং তাদের পুষ্টিও যোগাবে না। আবার তারা খেতে চাইলে তাদেরকে এমন খাবার দেওয়া হবে, যা তাদের গলায় আটকে যাবে। তখন তাদের মনে হবে দুনিয়াতে তারা খাবার গলায় আটকে গেলে পানি পান করত। তাই তারা পানি চাইবে। তাদেরকে এমন গরম পানি দেওয়া হবে, যার কারণে তাদের চেহারা ঝলসে যাবে। তাদের পেটে প্রবেশ করলে পেটের নাড়িভুঁড়ি ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাবে। তখন তারা বলবে, জাহান্নামের প্রহরীদেরকে ডাক। জাহান্নামের প্রহরীরা এসে বলবে, তোমাদের নিকট কি স্পষ্ট প্রমাণসহ নবীগণ আসেনি? তারা বলবে, এসেছিল। তারা বলবে, তাহলে এখন তোমরাই ডাকো। কিন্তু কাফেরদের দোয়া কোনো কাজে আসবে না। এরপর তারা বলবে, মালিক (জাহান্নামের প্রধান প্রহরী)-কে ডাক। তারা ডাকবে, হে মালিক! তোমার রবকে বল, তিনি যেন আমাদেরকে মেরে ফেলেন। সে উত্তরে বলবে, তোমাদেরকে এভাবেই থাকতে হবে।
হযরত আমাশ বলেন, এই আহ্বানের পর থেকে মালিক ফেরেশতার জবাব দেওয়া পর্যন্ত একহাজার বছর পার হয়ে যাবে। তারপর তারা বলবে, তোমাদের রবকে ডাক। কারণ, তিনি সবচেয়ে বেশি দয়ালু। তারা বলবে, হে আমাদের রব! দুর্ভাগ্য আমাদেরকে গ্রাস করেছিল এবং আমরা ছিলাম বিভ্রান্ত। হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান থেকে বের করে দিন। আর যদি এমন কাজ করি তবে আমরা অবশ্যই জালেম হিসেবে গণ্য হব। আল্লাহ বলবেন, এখানেই থাকো, আমার সাথে কোনো কথা বলো না। এ কথা শোনার পর তারা সকল কল্যাণ থেকে নিরাশ হয়ে যাবে এবং উচ্চস্বরে বিলাপ করতে থাকবে। ৮০
ٹکا:
৮০. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৫৮৬; মুস্তাদরাকে হাকেম: ২/৩৮১। হাদীসটি হাসান [আলবানী, সহীহুত তারগীব: ৩৬৬৭]।
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ : يُلْقَى عَلَى أَهْلِ النَّارِ الْجُوعُ حَتَّى يَعْدِلَ مَا هُمْ فِيهِ مِنَ الْعَذَابِ فَيَسْتَغِيثُونَ، فَيُغَاثُونَ بِطَعَامٍ مِنْ ضَرِيعٍ، لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِنْ جُوعٍ فَيَسْتَغِيثُونَ، فَيُغَاثُونَ بِطَعَامٍ ذِي غُصَّةٍ فَيَذْكُرُونَ أَنَّهُمْ كَانُوا يُجِيزُونَ الْغَصَصَ فِي الدُّنْيَا بِالشَّرَابِ، فَيَسْتَسْقُونَ، فَيُرْفَعُ إِلَيْهِمُ الْحَمِيمُ بِكَلَالِيبِ مِنْ حَدِيدٍ، فَإِذَا دَنَتْ مِنْ وُجُوهِهِمْ شَوَتْ وُجُوهَهُمْ، فَإِذَا دَخَلَتْ بُطُونَهُمْ قَطَّعَتْ مَا فِي بُطُونِهِمْ، فَيَقُولُونَ ادْعُو خَزَنَةَ جَهَنَّمَ. فَيَقُولُونَ: أَوَلَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ، قَالُوا بَلَى قَالُوا: فَادْعُوا وَمَا دُعَاءُ الْكَافِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَالٍ، قَالَ: فَيَقُولُونَ: ادْعُوا مَالِكًا، فَيَقُولُونَ: يَا مَالِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ، قَالَ : فَيُجِيبُهُمْ إِنَّكُمْ مَاكِثُونَ. قَالَ الْأَعْمَشُ: نُبِّئْتُ أَنَّ بَيْنَ دُعَائِهِمْ وَبَيْنَ إِجَابَةِ مَالِكٍ إِيَّاهُمْ أَلْفَ عَامٍ، قَالَ: فَيَقُولُونَ: ادْعُوا رَبَّكُمْ، فَلَا أَحَدَ خَيْرٌ مِنْ رَبِّكُمْ فَيَقُولُونَ: رَبَّنَا غَلَبَتْ عَلَيْنَا شِقْوَتُنَا وَكُنَّا قَوْمًا ضَالِّينَ، رَبَّنَا أَخْرِجْنَا مِنْهَا فَإِنْ عُدْنَا فَإِنَّا ظَالِمُونَ. قَالَ : فَيُجِيبُهُمُ اخْسَنُوا فِيهَا وَلَا تُكَلِّمُونِ، قَالَ: فَعِنْدَ ذَلِكَ يَئِسُوا مِنْ كُلِّ خَيْرٍ، وَعِنْدَ ذَلِكَ يَأْخُذُونَ فِي الزَّفِيرِ وَالْحَسْرَةِ وَالْوَيْلِ.
হযরত আবুদ দারদা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, জাহান্নামীদের উপর ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া হবে। যা হবে তাদের আযাবের সমপরিমাণ। তারা খেতে চাইলে তাদেরকে যারী নামক কাঁটাযুক্ত ফল দেওয়া হবে। যা তাদের ক্ষুধা নিবারণ করবে না এবং তাদের পুষ্টিও যোগাবে না। আবার তারা খেতে চাইলে তাদেরকে এমন খাবার দেওয়া হবে, যা তাদের গলায় আটকে যাবে। তখন তাদের মনে হবে দুনিয়াতে তারা খাবার গলায় আটকে গেলে পানি পান করত। তাই তারা পানি চাইবে। তাদেরকে এমন গরম পানি দেওয়া হবে, যার কারণে তাদের চেহারা ঝলসে যাবে। তাদের পেটে প্রবেশ করলে পেটের নাড়িভুঁড়ি ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাবে। তখন তারা বলবে, জাহান্নামের প্রহরীদেরকে ডাক। জাহান্নামের প্রহরীরা এসে বলবে, তোমাদের নিকট কি স্পষ্ট প্রমাণসহ নবীগণ আসেনি? তারা বলবে, এসেছিল। তারা বলবে, তাহলে এখন তোমরাই ডাকো। কিন্তু কাফেরদের দোয়া কোনো কাজে আসবে না। এরপর তারা বলবে, মালিক (জাহান্নামের প্রধান প্রহরী)-কে ডাক। তারা ডাকবে, হে মালিক! তোমার রবকে বল, তিনি যেন আমাদেরকে মেরে ফেলেন। সে উত্তরে বলবে, তোমাদেরকে এভাবেই থাকতে হবে।
হযরত আমাশ বলেন, এই আহ্বানের পর থেকে মালিক ফেরেশতার জবাব দেওয়া পর্যন্ত একহাজার বছর পার হয়ে যাবে। তারপর তারা বলবে, তোমাদের রবকে ডাক। কারণ, তিনি সবচেয়ে বেশি দয়ালু। তারা বলবে, হে আমাদের রব! দুর্ভাগ্য আমাদেরকে গ্রাস করেছিল এবং আমরা ছিলাম বিভ্রান্ত। হে আমাদের রব! আমাদেরকে এখান থেকে বের করে দিন। আর যদি এমন কাজ করি তবে আমরা অবশ্যই জালেম হিসেবে গণ্য হব। আল্লাহ বলবেন, এখানেই থাকো, আমার সাথে কোনো কথা বলো না। এ কথা শোনার পর তারা সকল কল্যাণ থেকে নিরাশ হয়ে যাবে এবং উচ্চস্বরে বিলাপ করতে থাকবে। ৮০
ٹکا:
৮০. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৫৮৬; মুস্তাদরাকে হাকেম: ২/৩৮১। হাদীসটি হাসান [আলবানী, সহীহুত তারগীব: ৩৬৬৭]।