📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 তিন জায়গায় কেউ কারো খোঁজ নিবে না

📄 তিন জায়গায় কেউ কারো খোঁজ নিবে না


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، أَنَّهَا ذَكَرَتِ النَّارَ فَبَكَتْ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ : مَا يُبْكِيكِ؟ قَالَتْ : ذَكَرْتُ النَّارَ فَبَكَيْتُ، فَهَلْ تَذْكُرُونَ أَهْلِيكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَمَّا فِي ثَلَاثَةِ مَوَاطِنَ فَلَا يَذْكُرُ أَحَدٌ أَحَدًا عِنْدَ الْمِيزَانِ حَتَّى يَعْلَمَ أَيَخِفُ مِيزَانُهُ أَوْ يَثْقُلُ، وَعِنْدَ تَطَايُرِ الْكُتُبِ حَتَّى يَعْلَمَ أَيْنَ يَقَعُ كِتَابُهُ فِي يَمِينِهِ أَمْ فِي شِمَالِهِ أَمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِهِ، وَعِنْدَ الصِّرَاطِ إِذَا وُضِعَ بَيْنَ ظَهْرَيْ جَهَنَّمَ.

হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা জাহান্নামের কথা স্মরণ করে তিনি কাঁদছিলেন। রাসূল তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আয়েশা কাঁদছো কেন? তিনি বললেন, জাহান্নামের কথা স্মরণ হলো তাই কাঁদছি। কিয়ামতের দিন আপনি কি আপনার পরিবারের কথা স্মরণ করবেন? তিনি বললেন, তিনটি স্থান এমন যেখানে কেউ কারো খোঁজ নিবে না। যথা- ১. মীযানের নিকট, যতক্ষণ না জানবে তার আমলের পাল্লা ভারী হয়েছে নাকি হালকা হয়েছে। ২. আমলনামা বিতরণের সময়। যতক্ষণ না জানবে আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হয়েছে নাকি বাম হাতে নাকি পিছন দিক দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৩. পুলসিরাতের উপর, যখন তা জাহান্নামের উপরে স্থাপন করা হবে।৬২

টিকা:
৬২. সুনানে আবী দাউদ: হাদীস-৪৭৫৫; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-২৪৯৯৩। সনদ জয়ীফ [শুয়াইব আরনাউত]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 শিঙ্গায় ফুৎকার

📄 শিঙ্গায় ফুৎকার


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ خَلَقَ الصُّورَ فَأَعْطَاهُ إِسْرَافِيلَ، فَهُوَ وَاضِعُهُ عَلَى فِيهِ شَاخِصُ بِبَصَرِهِ إِلَى الْعَرْشِ يَنْتَظِرُ مَتَى يُؤْمَرُ، قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا الصُّورُ؟ قَالَ: قَرْنٌ مِنْ نُورٍ. قُلْتُ: كَيْفَ هُوَ؟ قَالَ: عَظِيمٌ وَالَّذِي بَعَثَنِي بِالْحَقِّ، إِنَّ دَائِرَةَ فِيهِ لَعَرْضُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَنْفُخُ فِيهِ ثَلَاثَ نَفَخَاتٍ. الْأُولَى نَفْخَةُ الْفَزَعِ، وَالثَّانِيَةُ نَفْخَةُ الصَّعْقِ، وَالثَّالِثَةُ نَفْخَةُ الْقِيَامِ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ، فَيَأْمُرُ اللَّهُ تَعَالَى إِسْرَافِيلَ بِالنَّفْخَةِ الْأُولَى، فَيَقُولُ: انْفُخْ نَفْخَةَ الْفَزَعِ، فَيَنْفُخُ فَيَفْزَعُ أَهْلُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ وَيَأْمُرُهُ اللَّهُ فَيُدِيمُهَا وَيُطَوِّلُهَا، فَلَا يَفْتُرُ وَهِيَ الَّتِي يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى: وَمَا يَنْظُرُ هَؤُلَاءِ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً مَا لَهَا مِنْ فَوَاقٍ (ص: ١٥).

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। আল্লাহ যখন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি শিংগাও সৃষ্টি করলেন। তা তিনি হযরত ইস্রাফিল আ. কে দিলেন। তখন থেকে তিনি তা মুখে লাগিয়ে রেখে আরশের দিকে তাকিয়ে আছেন। কখন ফুৎকারের আদেশ হয় সে অপেক্ষায়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! শিংগা কী? তিনি বললেন, আলোর শিং। আমি বললাম, তা কেমন? তিনি বললেন, বিশাল, ওই সত্তার কসম যিনি আমাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন, এর ভেতরের বৃত্ত আসমান ও জমিনের সমান। এতে তিনবার ফুঁ দেওয়া হবে। ১ম বার ভয় প্রদর্শনের ফুঁ, ২য় বার অজ্ঞান হওয়ার ফুঁ, তৃতীয় বার রাব্বুল আলামীনের জন্য দণ্ডায়মান হওয়ার ফুঁ। আল্লাহ তা'আলা হযরত ইস্রাফিল আ.-কে প্রথম ফুঁ দিতে বলবেন, তিনি ফুঁ দিবেন এবং আল্লাহ তা'আলা যাকে ইচ্ছা করেন সে ছাড়া আসমান জমিনের সকলেই ভীত হয়ে পড়বে। আল্লাহ তাকে আদেশ করবেন, এটা যেন দীর্ঘায়িত হয় এবং সে বিরতিহীনভাবে ফুঁ দিতে থাকবে। এ সম্পর্কেই আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, وَمَا يَنْظُرُ هَؤُلَاءِ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً مَا لَهَا مِنْ فَوَاقٍ অর্থ: এরা তো কেবল একটি প্রচন্ড শব্দের অপেক্ষা করছে যাতে কোনো বিরাম থাকবে না।৬৩

টিকাঃ
৬৩. সূরা সোয়াদ: আয়াত-১৫

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 পৃথিবী যেভাবে ধ্বংস হবে

📄 পৃথিবী যেভাবে ধ্বংস হবে


ثُمَّ يُسَيِّرُ اللَّهُ الْجِبَالَ فَتَكُونُ سَرَابًا، وَتُرَجُّ الْأَرْضُ بِأَهْلِهَا رَجَّا، فَتَكُونُ كَالسَّفِينَةِ الْمُوبَقَةِ فِي الْبَحْرِ، تَضْرِبُهَا الْأَمْوَاجُ وَتَكْفَأُهَا، وَكَالْقِنْدِيلِ الْمُعَلَّقِ بِالْعَرْشِ تُرَجْرِجُهُ الْأَرْوَاحُ، فَتَمِيدُ النَّاسُ عَلَى ظَهْرِهَا، فَتَذْهَلُ الْمَرَاضِعُ عَمَّا أَرْضَعَتْ، وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا، وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ (الحج : (٢) فَيَشِيبُ الْوِلْدَانُ وَتَطِيرُ الشَّيَاطِينُ هَارِبَةً مِنْ هَذَا الْفَزَعِ، حَتَّى تَأْتِيَ أَقْطَارَ الْأَرْضِ فَتَتَلَقَّاهَا الْمَلَائِكَةُ فَتَضْرِبُ وُجُوهَهَا وَتَرُدُّهَا عَلَى أَدْبَارِهَا، وَيُنَادِي النَّاسُ بَعْضُهُمْ بَعْضًا وَيَمُوجُ بَعْضُهُمْ فِي بَعْضٍ.

অতঃপর আল্লাহ পাহাড়গুলো চালু করে দিবেন এবং সেগুলো মরীচিকার মতো হয়ে যাবে, জমিন তার অধিবাসীদের নিয়ে কম্পন করতে থাকবে। তার অবস্থা সাগরে ভাসমান নৌকার মতো হবে, যা উপর-নীচ হতে থাকে। অথবা এমন লণ্ঠনের মতো হবে যা বাতাসে দুলতে থাকে। তখন মানুষ দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করবে, স্তন্যদানকারী মাতা তার দুগ্ধপোষ্য সন্তানকে ভুলে যাবে। প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করে ফেলবে। তুমি মানুষকে দেখবে মাতালের মতো, অথচ তারা মাতাল নয়; বস্তুত আল্লাহর শাস্তি কঠিন। ৬৪ সেদিন বালক বৃদ্ধ হয়ে যাবে। শয়তানও ভয়ে পালাতে থাকবে। এমন সময় ফেরেশতাদের একটি দলের সাথে তার সাক্ষাৎ হবে। তারা তার চেহারা ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করে তাকে ফিরিয়ে দেবে। মানুষ একে অপরকে ডাকতে থাকবে এবং একে অপরের উপর পতিত হতে থাকবে।

টিকাঃ
৬৪. সূরা হজ্জ: আয়াত-২

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 পুনরায় জীবিতকরণ

📄 পুনরায় জীবিতকরণ


فَبَيْنَمَا هُمْ عَلَى ذَلِكَ إِذْ تَصَدَّعَتِ الْأَرْضُ مِنْ قُطْرِ إِلَى قُطْرٍ، وَرَأَوْا أَمْرًا عَظِيمًا لَمْ يَرَوْا مِثْلَهُ، فَأَخَذَهُمُ الْفَزَعُ حَتَّى ذَهِلَتْ عُقُولُهُمْ، ثُمَّ نَظَرُوا إِلَى السَّمَاءِ، فَإِذَا هِيَ كَالْمُهْلِ ثُمَّ خُسِفَتْ شَمْسُهَا وَقَمَرُهَا، وَانْتَثَرَتْ نُجُومُهَا، ثُمَّ كُشِطَتْ عَنْهُمْ، قَالَ: فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: يَا جِبْرِيلُ أَنْتَ عَلَى مَا وَكَّلْتُكَ، وَيَا مَلَكَ الْمَوْتِ أَنْتَ عَلَى مَا وَكَّلْتُكَ. ثُمَّ يَأْمُرُ اللهُ تَعَالَى إِسْرَافِيلَ بِنَفْخَةِ الصَّعْقِ فَيَنْفُخُ، فَيُصْعَقُ أَهْلُ السَّمَوَاتِ وَأَهْلُ الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ، فَإِذَا هُمْ قَدْ خَمَدُوا فَيَأْتِي مَلَكُ الْمَوْتِ إِلَى الْجَبَّارِ، فَيَقُولُ: قَدْ مَاتَ أَهْلُ السَّمَوَاتِ، وَأَهْلُ الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ، فَيَقُولُ وَهُوَ أَعْلَمُ: فَمَنْ بَقِيَ؟ فَيَقُولُ: بَقِيتَ أَنْتَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ، وَبَقِيتُ أَنَا، وَبَقِيَ حَمَلَةُ الْعَرْشِ، وَبَقِيَ جِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ، وَيَقُولُ: فَيَمُوتُ جِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ، ثُمَّ يَقُولُ لِحَمَلَةِ الْعَرْشِ فَيَمُوتُونَ، ثُمَّ يَأْتِي مَلَكُ الْمَوْتِ، فَيَقُولُ: يَا رَبِّ قَدْ مَاتَ حَمَلَةُ الْعَرْشِ. فَيَقُولُ وَهُوَ أَعْلَمُ: فَمَنْ بَقِيَ؟ فَيَقُولُ: بَقِيتَ أَنْتَ الْحَيُّ الَّذِي لَا يَمُوتُ وَبَقِيتُ أَنَا فَيَقُولُ: يَا مَلَكَ الْمَوْتِ أَنْتَ خَلْقٌ مِنْ خَلْقِي، خَلَقْتُكَ لِمَا أَرَدْتُ، فَمُتْ. فَيَمُوتُ ثُمَّ يُنَادِي الْجَبَّارُ: لِمَنِ الْمُلْكُ الْيَوْمَ فَلَا يُجِيبُهُ أَحَدٌ، فَيَقُولُ لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ. ثُمَّ يَبْعَثُهُمُ اللَّهُ تَعَالَى وَأَوَّلُ مَنْ يُبْعَثُ إِسْرَافِيلُ وَجِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ وَمَلَكُ الْمَوْتِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ. فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى: كَمْ لَبِثْتُمْ؟ فَيَقُولُونَ: لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ إِلَّا أَنَّكَ لَمْ تُمِتْنَا. فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى لِإِسْرَافِيلَ: قُمْ فَانْفُخْ فِي الصُّورِ نَفْخَةَ الْبَعْثِ، فَيَنْفُخُ، فَيَكُونُ الْعِبَادُ فَرِيقَيْنِ فَرِيقًا فِي الْجَنَّةِ، وَفَرِيقًا فِي السَّعِيرِ.

এমন অবস্থায় যখন জমিন বিদীর্ণ হয়ে যাবে এবং এমন সব বিষয় ঘটবে যা মানুষ কখনো দেখেনি। এতে মানুষ অস্থির হয়ে জ্ঞান হারাতে থাকবে। তারপর তারা আসমানের দিকে তাকিয়ে দেখবে, তা গলিত তামার মতো হয়ে গেছে। সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ লেগে যাবে। তারাগুলোও একে একে খসে পড়বে এবং আকাশকে গুটিয়ে নেওয়া হবে। আল্লাহ তা'আলা জিবরাঈল আ. ও মালাকুল মওতকে বলবেন, তোমরা নিজেদের দায়িত্বে স্থির থাকো। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা ইসরাফিল আ.কে ফুঁক দেওয়ার আদেশ দিলে তিনি ফুঁক দিবেন। ফলে আল্লাহ যাদের চাইবেন, তারা ছাড়া আসমান জমিনের সকলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে। তাদের মধ্যে কোনোরূপ প্রাণ থাকবে না। তখন মালাকুল মওত বলবেন, হে পরওয়ারদিগার! আসমান ও জমিনের সকলেই মৃত্যুবরণ করেছে শুধু আপনি, আমি, আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ, জিবরাঈল ও মিকাইল ছাড়া। তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, জিবরাঈল ও মিকাইলকেও মৃত্যু দাও। অতঃপর তারা উভয়ে মৃত্যুবরণ করলে, আল্লাহ তা'আলা আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের মৃত্যু ঘটাবেন। তারপর মালাকুল মওত বলবেন, হে রব! আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও মৃত্যুবরণ করেছেন। আল্লাহ তা'আলা জিজ্ঞেস করবেন, আর কে বাকি আছে? মালাকুল মওত বলবেন, আপনি চিরঞ্জীব এবং আমি। আল্লাহ বলবেন, তুমি তো আমার সৃষ্টি। আমি তোমাকে যে জন্য সৃষ্টি করেছিলাম তা তুমি করেছ, এবার তুমিও মরে যাও। তখন মালাকুল মওতও মারা যাবেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা করবেন- لِمَنِ الْمُلْكُ الْيَوْمَ আজ রাজত্ব কার? কেউ কোনো উত্তর দিবে না। তখন তিনিই জবাব দিবেন- لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ একচ্ছত্র অধিপতি আল্লাহ্র। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা জিবরাঈল, মিকাইল ও ইসরাফিল এবং মালাকুল মওতকে জীবিত করবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন, তোমরা কী অবস্থায় ছিলে? তারা বলবে, আপনি তো আমাদেরকে মৃত্যু দেননি, আমরা তো একদিন বা তার চেয়ে কম সময় ছিলাম। অতঃপর আল্লাহ ইসরাফিলকে বলবেন, যাও তুমি শিংগায় ফুঁক দাও। তিনি শিংগায় ফুঁক দিবেন এবং সকল মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত হবে। একদল জান্নাতে অপরদল জাহান্নামে যাবে। ৬৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00