📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 চোগলখোরী ও নামাযে অবহেলা কবরের আযাবের কারণ

📄 চোগলখোরী ও নামাযে অবহেলা কবরের আযাবের কারণ


فَقِيهٌ آخَرُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لَمَّا رَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ مَا يُعْرَضُ عَلَيَّ مِنْ أَمْرِ أُمَّتِي، رَأَيْتُ رَجُلًا قَدْ وَكَّلَ بِهِ مَلَكٌ مِنْ مَلَائِكَةِ الْعَذَابِ، فَجَاءَتْهُ الصَّلَاةُ فَاسْتَنْقَذَتْهُ مِنْ يَدِهِ، وَرَأَيْتُ رَجُلًا تَجْتَمِعُ عَلَيْهِ ظُلْمَةُ الْقَبْرِ فَجَاءَهُ الْوُضُوءُ فَأَنْجَاهُ مِنْ ذَلِكَ، وَرَأَيْتُ رَجُلًا تَنَاوَشُهُ زَبَانِيَةُ الْعَذَابِ فَجَاءَتْهُ صَدَقَتُهُ فَخَلَّصَتْهُ مِنْ أَيْدِيهِمْ، وَرَأَيْتُ رَجُلًا يَلْهَثُ عَطَشًا فَجَاءَهُ صِيَامُهُ فَسَقَاهُ، وَرَأَيْتُ رَجُلًا وَبَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّبِيِّينَ حِجَابٌ، فَجَاءَهُ غُسْلُهُ مِنَ الْجَنَابَةِ فَأَخَذَ بِيَدِهِ فَأَجْلَسَهُ إِلَى جَنْبِي.

জনৈক ফকীহ থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন, আমি আমার উম্মতের আমলগুলো স্বপ্নে দেখলাম। দেখলাম, এক ব্যক্তিকে আযাবের ফেরেশতা ধরে নিয়ে যাচ্ছে, ইত্যবসরে তার নামায এসে তাকে তার হাত থেকে মুক্ত করে নিয়ে গেল। এক ব্যক্তিকে দেখলাম কবরের অন্ধকারে সে নিপতিত, তার উযু এসে তাকে উদ্ধার করল। আরেক ব্যক্তিকে দেখলাম আযাবের ফেরেশতারা তাকে মারার জন্য ঘিরে ধরেছে, এমন সময় তার সদকা এসে তাকে মুক্ত করল। এক ব্যক্তিকে পিপাসার্ত অবস্থায় হাঁপাতে দেখলাম, তার রোযা এসে তাকে পানি পান করাল। আরেক ব্যক্তিকে দেখলাম নবীগণের এবং তার মাঝে একটি পর্দা রয়েছে, এমন সময় তার গোসল এসে তাকে আমার পাশে বসিয়ে দিল। ৫৩

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بِقَبْرَيْنِ فَقَالَ: إِنَّهُمَا لَيُعَذِّبَانِ، وَمَا يُعَذِّبَانِ فِي كَبِيرٍ، أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ، وَأَمَّا الْآخَرُ فَكَانَ لَا يَسْتَبْرِئُ مِنْ بَوْلِهِ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, রাসূল ﷺ একদা দু'টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন, এ কবরবাসীকে আযাব দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে এমন কোনো বড় গুনাহের কারণে আযাব দেওয়া হচ্ছে না, যা থেকে বেঁচে থাকা অসম্ভব। তাদের একজন পেশাব থেকে পবিত্রতা অর্জন করত না, অপরজন চোগলখোরী করত। ৫৪

টিকাঃ
৫৩. জামেউল বায়ান আন তা'বীলি আয়িল কুরআন, তাবারী: ৮/১৪৮; তারীখে দামেশক: ৫৯/৩৯২; মুজামুল আওসাত: ৪/৩৫; হাদীসটি মুরসাল সহীহ।
৫৪. সহীহ বুখারী: হাদীস-২১৬; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৯২।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 দুনিয়া ও আখেরাতে অবিচলতার স্বরূপ

📄 দুনিয়া ও আখেরাতে অবিচলতার স্বরূপ


عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ (إبراهيم: (۲۷) قَالَ: إِذَا سُئِلَ الْمُؤْمِنُ فِي قَبْرِهِ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى: يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ.

হযরত বারা ইবনে আযিব রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ আল্লাহ তা'আলার বাণী
يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ
অর্থ: আল্লাহ মুমিনদেরকে অবিচল রাখবেন দুনিয়া ও আখেরাতে। ৫৫
এ আয়াতের তাফসীরে তিনি বলেন, মুমিনকে যখন তার কবরে প্রশ্ন করা হবে তখন সে لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ এই সাক্ষ্য দিবে। এটাই হলো, আয়াতে উল্লিখিত কথা। ৫৬

টিকাঃ
৫৫. সূরা ইবরাহিম: আয়াত-২৭
৫৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-৪৭৫০; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২৮৭১।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 কবরে প্রশ্নোত্তরের স্বরূপ

📄 কবরে প্রশ্নোত্তরের স্বরূপ


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسلَّمَ، قَالَ: أَتَدْرُونَ فِيمَا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى} [طه: ١٢٤] قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: عَذَابُ الْكَافِرِ فِي الْقَبْرِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّهُ لَيُسَلَّطُ عَلَيْهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ تِنِّينًا كُلُّ تِنِّينٍ سَبْعَةُ رُؤُوسٍ، يَنْفُخُونَ فِي جِسْمِهِ، وَيَلْسَعُونَهُ وَيَخْدِشُونَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল ﷺ সাহাবায়ে কেরামকে বললেন, তোমরা কি জান فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَىٰ অর্থ: তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। ৫৭-এ আয়াতটি কার ব্যাপারে নাযিল হয়েছে? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, কাফেরের কবরের আযাব সম্পর্কে। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, তার কবরে নিরানব্বইটি এমন সাপ নিযুক্ত করা হবে, যার প্রত্যেকটির সাতটি করে মাথা থাকবে। সাপগুলো তাকে কিয়ামত পর্যন্ত দংশন করতে থাকবে। ৫৮

عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: يُعَذِّبُ الْكَافِرَ تِسْعَةً وَتِسْعُونَ تِنِّينًا، لِأَنَّهُ لَمْ يُؤْمِنْ بِأَسْمَاءِ اللَّهِ تَعَالَى الْحُسْنَى، وَهِيَ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ.

হযরত আনাস রাযি. বলেন, কাফেরকে নিরানব্বইটি সাপ দিয়ে আযাব দেওয়া হবে। কারণ, সে আল্লাহর নিরানব্বইটি গুণবাচক নামের প্রতি ঈমান আনেনি।

টিকাঃ
৫৭. সূরা ত্বহা: আয়াত-১২৪
৫৮. সুনানে দারেমী: হাদীস-২৮৪২; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১১৭৪৭; হাদীসটি সহীহ [শুয়াইব আরনাউত]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 কবরের প্রশ্নোত্তর

📄 কবরের প্রশ্নোত্তর


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رُوحَ الْعَبْدِ إِذَا قُبِضَ وَأُدْخِلَ قَبْرَهُ تَصَوَّرَتْ لَهُ أَعْمَالُهُ الصَّالِحَةُ، وَأَحَاطَتْ بِهِ، فَتَجِيءُهُ الْمَلَائِكَةُ مِنْ قِبَلِ رِجْلَيْهِ، فَتَقُولُ الصَّلَاةُ: لَيْسَ لَكُمْ عَلَيْهِ سَبِيلٌ، فَقَدْ أَطَالَ الْقِيَامَ عَلَيْهِمَا يَبْتَغِي رِضْوَانَ اللَّهِ، ثُمَّ يَأْتُونَ مِنْ قِبَلِ رَأْسِهِ فَيَقُولُ الصِّيَامُ: لَيْسَ لَكُمْ عَلَيْهِ سَبِيلٌ، فَقَدْ أَظْمَأَ نَفْسَهُ فِي حَرِّ الدُّنْيَا يَبْتَغِي رِضْوَانَ اللَّهِ، ثُمَّ يَأْتُونَ مِنْ قِبَلِ يَمِينِهِ فَتَقُولُ الصَّدَقَةُ لَيْسَ لَكُمْ عَلَيْهِ سَبِيلٌ، فَقَدْ وَصَلَ بِي رَحِمًا، وَأَدَّى بِي أَمَانَةً، وَبَرَّ بِي يَتِيمًا، فَيَقُولَانِ: اجْلِسْ فَيَجْلِسُ فَتُمَثَّلُ لَهُ الشَّمْسُ وَقَدْ دَنَتْ لِلْغُرُوبِ فَيَقُولَانِ لَهُ: مَا تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ الَّذِي كَانَ فِيكُمْ؟ فَيَقُولُ: دَعُونِي حَتَّى أُصَلِّيَ. فَيَقُولَانِ: إِنَّكَ سَتُصَلِّي، وَلَكِنْ أَخْبِرْنَا عَمَّا نَسْأَلُكَ. فَيَقُولُ: عَمَّنْ تَسْأَلَانِ؟ فَيَقُولَانِ عَنْ هَذَا الرَّجُلِ الَّذِي كَانَ فِيكُمْ. فَيَقُولُ: أَشْهَدُ أَنَّهُ رَسُولُ اللهِ، وَأَنَّهُ جَاءَنَا بِالْبَيِّنَاتِ مِنْ عِنْدِ رَبَّنَا فَصَدَّقْنَاهُ، وَآمَنَّا بِهِ وَاتَّبَعْنَاهُ فَيُقَالُ لَهُ: عَلَى ذَلِكَ عِشْتَ، وَعَلَيْهِ مُتَّ، وَعَلَيْهِ تُبْعَثُ، ثُمَّ يُفْسَحُ لَهُ فِي قَبْرِهِ مَدَّ بَصَرِهِ وَيُفْتَحُ لَهُ بَابٌ إِلَى الْجَنَّةِ، قَالَ : وَأَمَّا الْكَافِرُ فَلَا يُحَامِي عَنْهُ أَحَدٌ، فَيَأْتِيهِ مَلَكَانِ يُجْلِسَانِهِ، فَيَقُولَانِ لَهُ: مَنْ رَبُّكَ؟ فَيَقُولُ: هاه هاه، فَيُقَالُ لَهُ مَا تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ الَّذِي كَانَ فِيكُمْ؟ فَيَقُولُ أَيُّ رَجُلٍ؟ فَيَقُولُونَ: مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ. فَيَقُولُ: هاه هاه فَيَضْرِبَانِهِ بِمِرْزَبَّةٍ مِنْ حَدِيدٍ، فَيَصِيحُ صَيْحَةً يَسْمَعُهَا الْخَلْقُ إِلَّا الثَّقَلَيْنِ.

হযরত আনাস রাযি. বলেন, আমার নিকট এই রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, যখন কোনো মুমিন বান্দাকে কবরে রেখে আসা হয় তখন তার নেক আমলগুলো তাকে ঘিরে রাখে। ফেরেশতারা তার পায়ের দিক থেকে আসতে চাইলে নামায বলবে, তোমাদের এদিক দিয়ে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। কারণ, সে এই পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অনেক লম্বা কিয়াম করেছে। ফেরেশতারা তখন মাথার দিক দিয়ে আসতে চাইলে রোযা বলবে, তোমাদের এদিক দিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, সে দুনিয়াতে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রচÐ গরমে পিপাসার্ত থেকেছে। অতঃপর তারা ডান দিক থেকে আসতে চাইলে যাকাত বলবে, তোমাদের কোনো সুযোগ নেই। কারণ, সে আমার মাধ্যমে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেছে, আমানত আদায় করেছে এবং ইয়াতীমের প্রতি সদয় হয়েছে। তখন তারা বলবে, বস। সে বসবে। তার সামনে সূর্যকে অস্তমিত প্রায় অবস্থায় উপস্থাপন করা হবে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করবে, এ ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী, যিনি তোমাদের মাঝে ছিলেন? সে বলবে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি নামায পড়ব। তারা বলবে, তুমি নামায পড়বে, কিন্তু প্রথমে বলো, আমরা যা জিজ্ঞেস করছি তার উত্তর কী? সে বলবে, তোমরা কার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছো? তারা বলবে, এ ব্যক্তির ব্যাপারে যিনি তোমাদের মাঝে ছিলেন। সে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তিনি আল্লাহর রাসূল। তিনি আমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট বিধান নিয়ে এসেছিলেন, আমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস করেছি, তার উপর ঈমান এনেছি এবং তাকে অনুসরণ করেছি। তখন তাকে বলা হবে, এর উপরই তুমি ছিলে, এর উপরই তুমি মৃত্যুবরণ করেছ এবং এর উপরই তোমাকে উঠানো হবে। অতঃপর তার কবর দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করে দেওয়া হবে এবং জান্নাতের দিকে তার জন্য একটি দরজা খুলে দেওয়া হবে।
আর কাফের ব্যক্তিকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না। তার নিকট মুনকার ও নাকীর এসে তাকে বসিয়ে জিজ্ঞেস করবেন, তোমার রব কে? সে বলবে, হায়! হায়! আমি তো জানি না। তারা বলবেন, ইনি কে, যিনি তোমাদের কাছে এসেছিলেন? সে বলবে, কে? তারা বলবেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ। সে বলবে, হায়! হায়! তখন তারা তাকে এমন এক লোহার হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করবে যে, সে এমন জোরে চিৎকার করবে, যা মানুষ ও জিন ছাড়া সকল সৃষ্টি শুনতে পাবে।৫৯

টিকাঃ
৫৯. মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১৩০৩৫; তাফসীরে ইবনে কাসীর: ৪/৪২৯; আত-তারগীব, মুনযিরী: ৪/২৬৮। হাদীসটির সনদ হাসান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00