📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 মৃত্যুর স্বরূপ

📄 মৃত্যুর স্বরূপ


عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ أَنَّ إِبْرَاهِيمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ لَمَّا قَبَضَ اللهُ رُوحَهُ، قَالَ: كَيْفَ وَجَدْتَ الْمَوْتَ يَا خَلِيلَ الرَّحْمَنِ؟ فَقَالَ: كَصُفُودٍ أُدْخِلَ فِي صُوفٍ رَطْبٍ، ثُمَّ نُزِعَ فَتَعَلَّقَ الصُّوفُ بِالشَّوْكِ. فَقَالَ لَهُ: إِنَّا قَدْ هَوَّنَّا عَلَيْكَ

আবূল খলীল রহ. থেকে বর্ণিত। মৃত্যুর পর আল্লাহ তা'আলা ইবরাহীম আ.-কে জিজ্ঞেস করলেন, মৃত্যুর স্বাদ কেমন পেয়েছেন? তিনি উত্তর দিলেন, ভেজা পশমে গরম লোহার শিক ঢুকিয়ে তা টেনে বের করলে পশমগুলো যেভাবে শিকের কাঁটায় আটকে যায়, আমি মৃত্যুর সময় তেমন কষ্ট পেয়েছি। আল্লাহ তা'আলা বললেন, আমি তো আপনার উপর তা সহজ করে দিয়েছিলাম। ৩২

টিকাঃ
৩২. মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: হাদীস-৩৪৫৬৩; আয-যুহদ, আহমাদ: হাদীস-৪৪২; তারিখে দামেশক: ৬/৪০০।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 স্মরণীয় ও উপদেশমূলক উক্তি

📄 স্মরণীয় ও উপদেশমূলক উক্তি


আবুদ দারদা রাযি. বলেন, তিনটি বিষয়ের জন্য আমি দুনিয়া ভালোবাসি- গরমের দিনে রোযা রাখা, রাতের বেলা ইবাদত করা, আর এমন লোকদের সাথে উঠাবসা করা যারা উত্তম কথা বলে, যেমন উত্তম ফল বাছাই করা হয়।
ক্বাতাদা রহ. বলেন, এই ইলমের মজলিসগুলো হলো গনীমতের মাল। এতে হেকমত থেকে কিছু নাও। কারণ, নেককাররা হেকমতের কথা বলে থাকেন। তুমি সেই বৈঠকে বস। হতে পারে তুমিও এর বরকত পেয়ে যাবে এবং তাদের কাতারে শামিল হয়ে যাবে।
আলী রাযি. বলেন, তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করতে থাক। এটা সর্বোত্তম যিকির। আর সে বিষয়ের আকাঙ্ক্ষা কর, যার প্রতিশ্রুতি আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে দিয়েছেন। কারণ, আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আর রাসূল ﷺ এর হেদায়েতকে অনুসরণ কর, কারণ তা সর্বোত্তম হেদায়েত। নবীজির সুন্নতকে ধারণ কর, কারণ তা সর্বোত্তম আদর্শ। কুরআন পাঠ শিক্ষা কর, কারণ তা সর্বোত্তম কালাম। দীনের জ্ঞান অর্জন কর, কারণ তা অন্তরের বসন্ত।
عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: مَنْ خَافَ الْمَوْتَ هَانَتْ عَلَيْهِ مَصَائِبُ الدُّنْيَا.

কাতাদা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি মৃত্যুকে ভয় করে তার জন্য দুনিয়ার যাবতীয় বিপদ সহজ হয়ে যায়।

قَالَ رَجُلٌ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ رَحِمَهُ اللهُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنِّي أَحْبَبْتُكَ حُبًّا شَدِيدًا فَقَالَ: وَلِمَ؟ قَالَ: رَأَيْتُكَ وَأَنْتَ بِالْمَدِينَةِ وَأَبُوكَ وَالِيَهَا، وَأَنْتَ لَمْ تَزَلْ أَخَشَنَ النَّاسِ لِبَاسًا، وَأَجْفَاهُمْ عَيْشًا، وَأَكْثَرَهُمْ صِيَامًا قَالَ عُمَرُ: مَنْ تَذَكَّرَ الْمَوْتَ أَكْثَرَ مِنْهُ، ارْتَضَى مِنَ الدُّنْيَا بِالْيَسِيرِ

এক ব্যক্তি উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহ.কে বলল, আমি আপনাকে খুবই ভালোবাসি। তিনি বললেন, কেন? সে বলল, যখন আপনার বাবা মদীনার গভর্নর ছিলেন আর আপনি তাঁর ছেলে ছিলেন, তখনো আপনি খুব সাধারণ পোশাকে থাকতেন, সাধারণ জীবন যাপন করতেন এবং বেশি বেশি রোযা রাখতেন। এ জন্য আমি আপনাকে ভালোবাসি। উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহ. বললেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি মৃত্যুর স্মরণ করে সে তো দুনিয়ার খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে।

وَقَالَ أَيْضًا: لَوْ فَارَقَنِي ذِكْرُ الْمَوْتِ سَاعَةً لَفَسَدَ قَلْبِي.

তিনি আরো বলেন, এক মুহূর্তের জন্য যদি আমি মৃত্যুর কথা ভুলে যাই, আমার অন্তর নষ্ট হয়ে যাবে।

وَقَالَ يَزِيدُ بْنُ تَمِيمٍ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى: مَنْ لَمْ يَكُنِ الْمَوْتُ لَهُ مَوْعِظَةٌ، فَلَا مَوْعِظَةَ لَهُ.

ইয়াযিদ ইবনে তামীম রহ. বলেন, যার জন্য মৃত্যু কোনো উপদেশ হতে পারল না, তার জন্য আর কোনো উপদেশ নেই।

وَقَالَ دَاوُدُ الطَّائِي رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى: الدُّنْيَا سُوقٌ رَبِحَ مِنْهَا قَوْمٌ وَخَسِرَ فِيهَا آخَرُونَ.

দাউদ তায়ী রহ. বলেন, দুনিয়া একটি বাজার, এখানে কেউ লাভবান হয় আর কেউ লোকসানের শিকার হয়।

وَقَالَ بَعْضُ الْحُكَمَاءِ: مَنْ أَكْثَرَ ذِكْرَ الْمَوْتِ أُكْرِمَ بِثَلَاثَةِ أَشْيَاءَ: تَعْجِيلُ التَّوْبَةِ، وَقَنَاعَةُ الْقَلْبِ، وَنَشَاطُ الْعِبَادَةِ، وَمَنْ نَسِيَ ذِكْرَ الْمَوْتِ عُوقِبَ بِثَلَاثَةِ أَشْيَاءَ: تَسْوِيفُ التَّوْبَةِ وَتَرْكُ الرِّضَا بِالْكَفَافِ وَالتَّكَاسُلُ فِي الْعِبَادَةِ.

জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তি বলেন, যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে মৃত্যুর স্মরণ করে, তাকে তিনটি মর্যাদা দান করা হয়। যথা- ১. দ্রুত তাওবার তাওফীক দেওয়া হয়, ২. অল্পে তুষ্টির গুণ দান করা হয়, ৩. ইবাদতের উদ্যম দান করা হয়।
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি মৃত্যুকে ভুলে থাকে, তাকে তিন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়। যথা-
১. তাওবায় বিলম্ব করা।
২. অল্পে তুষ্ট না থাকা।
৩. ইবাদতে অলসতা।

فَكِّرْ يَا ابْنَ آدَمَ فِي فَنَاءِ عُمُرِكَ، وَذَهَابِ قُوَّتِكَ وَانْحِنَاءِ قَامَتِكَ، وَشَيْبِ شَعْرِكَ، وَقُرْبِ أَجَلِكَ، وَمَا يَكُونُ حَالُكَ عِنْدَ مُعَالَجَةِ سَكَرَاتِ الْمَوْتِ وَمَا تُجِيبُ بِهِ مُنْكَرًا وَنَكِيرًا، وَبَيْنَ يَدَيْ مَنْ تَقِفُ غَدًا، وَإِلَى أَيِّ دَارٍ تُحْمَلُ؟ فَتَدَارَكَ مَا بَقِيَ مِنْ عُمُرِكَ، فَعَسَى أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكَ مَا مَضَى.

হে আদম সন্তান! একটু ভাবুন তো, আপনার জীবন কীভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে! আপনার শক্তি কোথায় চলে যাচ্ছে! আপনার কোমড় কীভাবে বেকে যাচ্ছে! আপনার চুলগুলো কীভাবে সাদা হয়ে যাচ্ছে! আর আপনার মৃত্যুর সময়ও ঘনিয়ে আসছে! যখন মৃত্যুর যন্ত্রণা শুরু হবে তখন আপনার কী অবস্থা হবে! মুনকার নাকীরের প্রশ্নের উত্তরে আপনি কী বলবেন! কিয়ামতের দিন আপনি কার সামনে দাঁড়াবেন! আপনাকে কোন ঘরে নিয়ে যাওয়া হবে! সুতরাং আপনার জীবনের অবশিষ্ট অংশের সদ্ব্যবহার করুন। হয়তো আল্লাহ আপনার অতীত জীবনের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 মৃত্যুর স্মরণ ও তা থেকে গাফেল থাকার পরিণতি

📄 মৃত্যুর স্মরণ ও তা থেকে গাফেল থাকার পরিণতি


عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: كَفَى بِالْمَوْتِ وَاعِظًا، وَكَفَى بِالدَّهْرِ مُفَرِّقًا، وَكَفَى بِالْيَوْمِ ذَاهِبًا وَغَدًا جَائِيًا.

হযরত আবুদ দারদা রাযি. বলেন, ওয়ায নসীহতের জন্য মৃত্যুই যথেষ্ট, শিক্ষ গ্রহণের জন্য দুনিয়া যথেষ্ট, আজ চলে যাওয়া আর কাল আসা এই তো জীবন।
ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, মৃত্যু স্মরণের অনেক ফযীলত রয়েছে, যা দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য উপকারী। দুনিয়াতে উপকারী এভাবে যে, দুনিয়া ত্যাগী ও অল্পে তুষ্ট হওয়া যায় এবং ইবাদতের প্রতি মনোযোগ বাড়ে। আর আখেরাতের উপকার হলো, আল্লাহর সাক্ষাতে আনন্দ পাওয়া যায়, অন্তরে আল্লাহর রহমতের আশা জাগে। আর যে ব্যক্তি মৃত্যুকে ভুলে থাকে তার জন্য রয়েছে শাস্তিস্বরূপ তিনটি বিষয়- প্রথমত, তওবায় বিলম্ব করা। দ্বিতীয়ত, অল্পে তুষ্ট না থাকা। তৃতীয়ত, ইবাদতে অলসতা।
মৃতদেরকে দেখে মৃত্যুর ব্যাপারে গাফেল থাকার আলামত চারটি-
১. তাদের কবর দেখে অথচ এর দ্বারা কোনো শিক্ষাগ্রহণ করে না।
২. মৃতের সম্পদ ভক্ষণ করে, অথচ এর দ্বারা কোনো শিক্ষাগ্রহণ করে না।
৩. জানাযায় শরীক হয় কিন্তু তার কোনো চিন্তা থাকে না।
৪. মৃত্যুর আলোচনা হয়, কিন্তু কোনো উপকার হয় না।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ > 📄 মৃত্যুর বিভীষিকা

📄 মৃত্যুর বিভীষিকা


عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: بَعَثَ اللهُ تَعَالَى مَلَكَ الْمَوْتِ إِلَى إِدْرِيسَ عَلَيْهِ السَّلَامُ لِيَقْبِضَ رُوحَهُ، فَحَمَلَهُ مَعَهُ إِلَى السَّمَاءِ. قَالَ: فَمَرُّوا بِمَلَكِ يُشْرِفُ عَلَى الْجِنَانِ، فَقَالَ لَهُ إِدْرِيسُ: يَا مَلَكَ الْمَوْتِ سَلْ هَذَا الْمَلَكَ أَنْ يَفْتَحَ لَنَا بَابَ الْجَنَّةِ حَتَّى أَرَاهَا قَبْلَ مَوْتِي، فَإِنَّهُ أَطْيَبُ لِنَفْسِي. فَسَأَلَهُ فَأَبَى، فَقَالَ لَهُ مَلَكُ الْمَوْتِ: قَدْ أَمَرَهُ اللهُ تَعَالَى أَنْ لَا يَفْتَحَ لِأَحَدٍ قَبْلَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَإِذَا بِإِدْرِيسَ عَلَيْهِ السَّلَامُ تَحْتَ الْعَرْشِ، فَقَالَ لَهُ مَلَكُ الْمَوْتِ: يَا إِدْرِيسُ أَلَمْ أَقُلْ لَكَ إِنَّهُ لَا يَفْتَحُ لِأَحَدٍ قَبْلَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَكَيْفَ دَخَلْتَهَا؟ فَقَالَ إِدْرِيسُ عَلَيْهِ السَّلَامُ: يَا مَلَكَ الْمَوْتِ أَلَمْ تُذِقْنِي الْمَوْتَ؟ قَالَ: بَلَى، قَالَ: وَكَذَلِكَ كَانَ أَمْرُ رَبِّي لِي فَقَدْ وَفَّيْتَ، قَالَ مَلَكُ الْمَوْتِ: أَوَ لَمْ تَسْأَلْ رَبَّكَ أَنْ تَنْظُرَ إِلَى النَّارِ فَتَرَى أَهْوَالَهَا؟ فَرَأَيْتُهَا وَدَخَلَتْهَا كَمَا أَمَرَكَ رَبُّكَ، قَالَ: بَلَى. قَالَ إِدْرِيسُ عَلَيْهِ السَّلَامُ: فَقَدْ أَدْخَلَنِي رَبِّي الْجَنَّةَ، وَقَدْ قَالَ رَبِّي: وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ (الحجر : ٤٨) فَدَخَلَهَا، وَقَدْ قَبَضَ اللهُ رُوحَهُ.

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। আল্লাহ তা'আলা মালাকুল মওতকে হযরত ইদরীস আ.-এর রূহ কবয করার জন্য প্রেরণ করলেন। তিনি ইদরীস আ.-কে নিয়ে আকাশের দিকে রওয়ানা হলেন। পথে জান্নাতের দায়িত্বশীল ফেরেশতার সাথে সাক্ষাৎ হলো। ইদরীস আ. মালাকুল মওতকে বললেন, এই ফেরেশতাকে বলো, তিনি যেন আমার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেন, আমি মৃত্যুর পূর্বে তা দেখে নিতে চাই, তাহলে আমার মনটা শান্ত হবে। তিনি তাকে বললে সে অস্বীকৃতি জানাল। মালাকুল মওত বললেন, হে ইদরীস, আল্লাহ তাকে নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর পূর্বে কারো জন্য জান্নাতের দরজা খুলতে নিষেধ করেছেন। ইদরীস আ. তখন আরশের নীচে গেলেন। মালাকুল মওত তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে ইদরীস! আমি কি বলিনি মুহাম্মদ ﷺ-এর পূর্বে জান্নাতের দরজা খোলা হবে না। তাহলে তুমি কীভাবে জান্নাতে প্রবেশ করলে? ইদরীস আ. বললেন, তুমি কি আমাকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করাও নি? তিনি বললেন, অবশ্যই। ইদরীস আ. বললেন, আল্লাহ আমাকে এ নির্দেশই দিয়েছিলেন, আমিও তা পালন করেছি। তখন মালাকুল মওত বললেন, আল্লাহ কি তোমাকে জাহান্নাম দেখতে বলেন নি? তুমি কি তা দেখেছ এবং তাতে প্রবেশ করেছ? ইদরীস আ. বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আর আল্লাহ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন এবং বলেছেন, وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ অর্থ: তাদেরকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হবে না। তাই আমি এখানেই থাকবো। আল্লাহ তা'আলা তার রুহ কবজ করে নিলেন। ৩৪

টিকাঃ
৩৪. আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন লিল-হাকেম: হাদীস-৪০৪৯; ইবনে আবি হাতিম: ৭/২২৫৫, ২/৭০০; ইবনে কাসীর রহ. বলেছেন, এর সনদ ইবনে আব্বাস পর্যন্ত সহীহ [তাফসীরে ইবনে কাসীর: ৫/২৪২]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00