📄 ফরজ ইবাদতে লৌকিকতা
عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَدْهَمَ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى أَنَّهُ قَالَ : مَنْ صَلَّى مَعَ النَّاسِ فَلْيُكْمِلْ صَلَاتَهُ فَإِنْ تَرَكَ فَقَدْ جَهِلَ وَإِنْ زَادَ فِيهَا فَقَدْ أَدْخَلَ الرِّيَاءَ. وَرُوِيَ عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّهُ قَالَ: كَانُوا يَكْرَهُونَ الرِّيَاءَ فِي كُلِّ عَمَلٍ فِي الْجِهَادِ، وَالْحَجِّ، وَالصَّدَقَةِ، وَالصَّلَاةِ، وَفِي كُلِّ عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ الْبِرِّ وَالْخَيْرِ.
হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম রহ. বলেন, যে ব্যক্তি জামাতে নামায পড়বে, সে যেন তার নামাযকে পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় করে। কেউ যদি নামাযের কোনো রোকন ছেড়ে দেয় তাহলে সে মূর্খ। আর যদি তাতে কিছু অতিরিক্ত করে তাহলে সে রিয়াকার।
হযরত হাসান বসরী রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পূর্ববর্তীরা জিহাদ, হজ্ব, সদকা, নামায এবং অন্য যেকোনো নেক আমলে রিয়াকে অপছন্দ করতেন।