📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 আরবী শিখতে গিয়ে আমাদের প্রান্তিকতা

📄 আরবী শিখতে গিয়ে আমাদের প্রান্তিকতা


এখানে প্রসঙ্গত একথা বলা মুনাসিব মনে করছি যে, আজকাল আরবী ভাষায় কথা বলা ও লিখতে পারার যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা প্রান্তিকতার শিকার। কেউ তো এমন আছেন যারা একে মোটেও মূল্য দেন না এবং এ বিষয়ে মেহনত তো দূরের কথা কোন ভাল সুযোগ থাকলেও তার সদ্ব্যবহার করেন না। বলাবাহুল্য এই কর্মনীতি ঠিক নয়। আবার এর বিপরীতে কিছু বন্ধু এমনও আছেন যারা কিতাবী ইসতি'দাদেরও ততটা গুরুত্ব দেন না যতটা এ বিষয়ের ক্ষেত্রে দেন। শুধু ভাষাজ্ঞানই তাদের কাছে কৃতিত্বের ব্যাপার। অনেকে আবার এই বিষয়টি অর্জিত না হলে একেবারে হীনমন্যতার শিকার হন। ফলাফল এই দাঁড়ায় যে, না কিতাবী ইসতি'দাদ অর্জিত হয়, না আরবী বলা ও লেখার যোগ্যতা!! এই মানসিকতাও ভুল।

এরপর যারা ভারসাম্য রক্ষা করে ভাষা শিক্ষার প্রতি মনোযোগ দেন তারা একদিকে যেমন বাহবা পাওয়ার যোগ্য, পাশাপাশি তাদের জন্য এ বিষয়টিও জরুরি যে, তারা যেন নিজের নিয়তের প্রতি লক্ষ্য রাখেন। আরবী শেখার উদ্দেশ্য কেবল এই হওয়া উচিত যে, আরবী যেহেতু ইসলামী ভাষা তাই মুসলমান হিসেবে আমাদের প্রতি এ ভাষার দাবি হল এ ভাষায় বলার ও লিখার যোগ্যতা অর্জন করা। দাওয়াত ও তাবলীগেরও এটি একটি চমৎকার মাধ্যম। এছাড়া দুনিয়াবী কোন উদ্দেশ্য না থাকা উচিত।

মোটকথা আরবী ভাষায় বলা ও লিখার মেহনত সহীহ নিয়তে হওয়া উচিত, শুধু ফ্যাশন হিসেবে বা অন্য কোন জাগতিক উদ্দেশ্যে নয়। সেই মেহনত অবশ্যই যথাযথ নিয়মানুযায়ী ভারসাম্য রক্ষা করে হতে হবে এবং ইলমী ইসতি'দাদ তৈরির প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখাতো সবসময়ই জরুরি।

📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 মেয়েদের দ্বীনি শিক্ষার পথ ও পদ্ধতি

📄 মেয়েদের দ্বীনি শিক্ষার পথ ও পদ্ধতি


৩২. প্রশ্ন: বর্তমান যুগে মেয়েদের দ্বীনী শিক্ষা বা উচ্চতর দ্বীনী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? এবং এ শিক্ষা লাভের পদ্ধতি কেমন হওয়া উচিত? অধুনা আমাদের দেশে উলামায়ে কেরামের একটি দল তাদের শিক্ষাদানের লক্ষ্যে গড়ে তুলেছেন মহিলা মাদরাসা। দিন দিন এসব মাদরাসার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, মুহতারাম উলামায়ে কেরামের এক বৃহৎ অংশ এ ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করছেন এবং রীতিমত মানুষকে এ ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করছেন। এ প্রসঙ্গে বিজ্ঞ মুফতী সাহেব মহোদয়ের সুচিন্তিত অভিমত কামনা করছি।

উত্তর: এই বিষয়টি শুধু ফতওয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়ার নয়। এ ব্যাপারে ফতওয়া কী তাতো সবাই জানে। এখন যে বিষয়টির প্রয়োজন তা হল, এ বিষয়ে নেতৃস্থানীয় উলামায়ে কেরামের মনোযোগ দান। তাঁরা এমন কিছু অনাবাসিক আদর্শ মহিলা মাদরাসা স্থাপন করবেন, যাতে সকল শর্ত ও আদবের প্রতি যথাযথ লক্ষ্য রাখা হবে। সকল শিক্ষকই যোগ্য ও দ্বীনদার মহিলা হবে। পুরুষ শিক্ষক যারা ওই শিক্ষিকাদের কারো মাহরাম হবেন তারা কেবল বাইরের ব্যবস্থাপনার বিষয়টি দেখবেন। পাশাপাশি মাদরাসার সকল ব্যবস্থাপনা উন্নত থেকে উন্নততর হবে। মনোযোগ দেওয়া হলে বিষয়টি মোটেই অসম্ভব কিছু নয়।

📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 বানান ঠিক করব কিভাবে

📄 বানান ঠিক করব কিভাবে


২৪৪. প্রশ্ন : আরবী, বাংলা, উর্দু-ইংরেজি সব লেখায় আমার ভুল হয়ে থাকে। এ সমস্যা সমাধাণের উপায় কী?

উত্তর : 'লেখায় ভুল হয়ে থাকে' বলে সম্ভবত বানানের ভুলই আপনার উদ্দেশ্য। তাই যদি হয় তবে এই সমস্যার সমাধান একটিই। তা হল, যা পড়বেন, মনোযোগের সাথে পড়ুন। যে ভাষাতেই হোক, প্রতিটি শব্দ পড়ার সময় খেয়াল করবেন যেন, এই শব্দটি আপনি মুখস্তও লিখতে পারেন।

শুধু এতটুকু কাজ করলেই আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। এরপরও কিছু জটিলতা বাংলা বানানের ক্ষেত্রে থেকে যেতে পারে। সেজন্য বাংলা একাডেমীর অভিধান বা অন্য কোনো অভিধানের সাহায্য নিতে থাকুন। সাথে প্রতিদিন তিন-চারটি করে শব্দ বানানশুদ্ধির জন্য নিয়মিত লিখুন এবং হযরত মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ দামাত বারাকাতুহুমের 'এসো কলম মেরামত করি' থেকে বানান সংক্রান্ত লেখাগুলো ভালো করে পড়ুন। এভাবে ধীরে ধীরে এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px