📄 ‘তাখাসসুস’-এর উদ্দেশ্য
'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।
'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।
আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরী করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।
'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।
'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।
আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরি করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।
'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।
'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।
আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরি করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।