📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর ইলম অন্বেষণ

📄 হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর ইলম অন্বেষণ


যদি আমার এই বন্ধুরা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.)-এর ইলম অন্বেষণের ওই ঘটনাটি স্মরণ করতেন তাহলে তাদের এই ভুল ধারণার অবসান ঘটত।

ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের সময় আমি ছিলাম কিশোর।

আমি একজন আনসারী তরুণকে বললাম, 'চল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের নিকটে গিয়ে আমরা ইলম অর্জন করি। তাঁদের অনেকেই এখনো জীবিত আছেন।' সে বলল, হে ইবনে আব্বাস! তোমার প্রতি আমার আশ্চর্য হচ্ছে! এত সাহাবী বিদ্যমান থাকতে লোকেরা তোমার শরণাপন্ন হবে কেন! ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, একথা বলে সে ঘরে বসে রইল আর আমি সাহাবীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইলম অন্বেষণ করতে লাগলাম। এমন হত যে, আমি একজন সাহাবীর নিকটে গেলাম, তিনি তখন বিশ্রাম করছেন। আমি তাকে জাগ্রত করা সমীচীন মনে করতাম না; বরং তিনি বিশ্রাম শেষে ঘর থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতাম। এই অপেক্ষার সময় চারদিকের ধুলাবালি বাতাসে উড়ে এসে আমার চেহারায় পড়ত। কাপড়-চোপড় হয়ে যেত ধূলিমলিন।

এভাবেই আমি ইলম অন্বেষণ করেছি। শেষে যখন এই আনসারী আমাকে দেখত যে, আমার চর্তুপার্শ্বে লোকেরা সমবেত হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করছে, তখন সে বলত,

هُذَا الْفَتَى كَانَ أَعْقَلَ مِنِّي

এই যুবক আমার চেয়ে বুদ্ধিমান ছিল। (আল মুস্তাদরাক, হাকিম ১/১৯৪; জামিউ বয়ানিল ইলম ১/১০৬; আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১/৮৫)

ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন-

إِنْ كُنْتُ لَأَسْأَلُ عَنِ الْأَمْرِ الْوَاحِدِ ثَلَاثِينَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

'আমি এক বিষয়ে ত্রিশ জন সাহাবীকেও জিজ্ঞাসা করতাম।' (সিয়ারু আলামিন নুবালা ৪/৪৪৯)

যদি আমার এই বন্ধুরা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.)-এর ইলম অন্বেষণের ওই ঘটনাটি স্মরণ করতেন তাহলে তাদের এই ভুল ধারণার অবসান ঘটত。

ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের সময় আমি ছিলাম কিশোর।

আমি একজন আনসারী তরুণকে বললাম, 'চল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের নিকটে গিয়ে আমরা ইলম অর্জন করি। তাঁদের অনেকেই এখনো জীবিত আছেন।' সে বলল, হে ইবনে আব্বাস! তোমার প্রতি আমার আশ্চর্য হচ্ছে! এত সাহাবী বিদ্যমান থাকতে লোকেরা তোমার শরণাপন্ন হবে কেন! ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, একথা বলে সে ঘরে বসে রইল আর আমি সাহাবীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইলম অন্বেষণ করতে লাগলাম। এমন হত যে, আমি একজন সাহাবীর নিকটে গেলাম, তিনি তখন বিশ্রাম করছেন। আমি তাকে জাগ্রত করা সমীচীন মনে করতাম না; বরং তিনি বিশ্রাম শেষে ঘর থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতাম। এই অপেক্ষার সময় চারদিকের ধুলাবালি বাতাসে উড়ে এসে আমার চেহারায় পড়ত। কাপড়-চোপড় হয়ে যেত ধূলিমলিন।

এভাবেই আমি ইলম অন্বেষণ করেছি। শেষে যখন এই আনসারী আমাকে দেখত যে, আমার চর্তুপার্শ্বে লোকেরা সমবেত হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করছে, তখন সে বলত,

هُذَا الْفَتَى كَانَ أَعْقَلَ مِنِّي

এই যুবক আমার চেয়ে বুদ্ধিমান ছিল। (আল মুস্তাদরাক, হাকিম ১/১৯৪; জামিউ বয়ানিল ইলম ১/১০৬; আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১/৮৫)

ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন-

إِنْ كُنْتُ لَأَسْأَلُ عَنِ الْأَمْرِ الْوَاحِدِ ثَلَاثِينَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

'আমি এক বিষয়ে ত্রিশ জন সাহাবীকেও জিজ্ঞাসা করতাম।' (সিয়ারু আলামিন নুবালা ৪/৪৪৯)

যদি আমার এই বন্ধুরা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.)-এর ইলম অন্বেষণের ওই ঘটনাটি স্মরণ করতেন তাহলে তাদের এই ভুল ধারণার অবসান ঘটত。

ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের সময় আমি ছিলাম কিশোর।

আমি একজন আনসারী তরুণকে বললাম, 'চল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের নিকটে গিয়ে আমরা ইলম অর্জন করি। তাঁদের অনেকেই এখনো জীবিত আছেন।' সে বলল, হে ইবনে আব্বাস! তোমার প্রতি আমার আশ্চর্য হচ্ছে! এত সাহাবী বিদ্যমান থাকতে লোকেরা তোমার শরণাপন্ন হবে কেন! ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, একথা বলে সে ঘরে বসে রইল আর আমি সাহাবীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইলম অন্বেষণ করতে লাগলাম। এমন হত যে, আমি একজন সাহাবীর নিকটে গেলাম, তিনি তখন বিশ্রাম করছেন। আমি তাকে জাগ্রত করা সমীচীন মনে করতাম না; বরং তিনি বিশ্রাম শেষে ঘর থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতাম। এই অপেক্ষার সময় চারদিকের ধুলাবালি বাতাসে উড়ে এসে আমার চেহারায় পড়ত। কাপড়-চোপড় হয়ে যেত ধূলিমলিন।

এভাবেই আমি ইলম অন্বেষণ করেছি। শেষে যখন এই আনসারী আমাকে দেখত যে, আমার চর্তুপার্শ্বে লোকেরা সমবেত হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করছে, তখন সে বলত,

هُذَا الْفَتَى كَانَ أَعْقَلَ مِنِّي

এই যুবক আমার চেয়ে বুদ্ধিমান ছিল। (আল মুস্তাদরাক, হাকিম ১/১৯৪; জামিউ বয়ানিল ইলম ১/১০৬; আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১/৮৫)

ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন-

إِنْ كُنْتُ لَأَسْأَلُ عَنِ الْأَمْرِ الْوَاحِدِ ثَلَاثِينَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

'আমি এক বিষয়ে ত্রিশ জন সাহাবীকেও জিজ্ঞাসা করতাম।' (সিয়ারু আলামিন নুবালা ৪/৪৪৯)

📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 ‘তাখাসসুস’-এর উদ্দেশ্য

📄 ‘তাখাসসুস’-এর উদ্দেশ্য


'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।

'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।

আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরী করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।

'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।

'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।

আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরি করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।

'দরসে নেযামী'র নির্ধারিত পড়াশোনা সমাপ্ত করার পর আজকাল আমাদের তালিবে ইলম ভাইদেরকে দেখা যায়, তারা 'তাখাসসুস' শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তাদের ভাষায় এর নাম হল 'তাখাসসুস করা'। অনেকে বলেন, 'তাখাসসুস পড়া'। এখান থেকেই বোঝা যায়, আজকাল তাখাসসুস বিষয়টি একটি রেওয়াজে পরিণত হতে চলেছে। অথচ তাখাসসুসের সূচনা হয়েছিল নামমাত্র রেওয়াজী পড়াশোনার ধারা থেকে তালিবে ইলমদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে।

'তাখাসসুসে'র বিভাগগুলো কখন, কাদের মাধ্যমে এবং কী লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আরম্ভ হয়েছিল, পাক-ভারত-বাংলা অঞ্চলে তাখাসসুসের উৎপত্তি ও বিকাশ কীভাবে হল, বর্তমানে এই উদ্যোগ কেন ফলদায়ক হচ্ছে না এবং এর প্রতিকার কীভাবে হতে পারে- এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ দরকার। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এবং তাওফীক দান করেন তাহলে এ বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।

আপাতত যে কথাটি বলতে চাই তা এই যে, 'তাখাসসুস'-এর উদ্দেশ্য হল বিশেষ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য আগ্রহী তালিবে ইলমের মাঝে পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ বিদ্যমান থাকা জরুরি। এর সঙ্গে 'তাফানী ফিল ইলম' ও 'ইহতিরাক লিল ইলম'-এর মেজাজও থাকতে হবে। তাকওয়া ও ইখলাস যা সকল দ্বীনী কাজে জরুরি, তাখাসসুসের জন্য তা অপরিহার্য বিশেষভাবে। 'তাখাসসুস' অসম্পূর্ণ কিতাবী ইসতিদাদ পূর্ণ করার জন্যও নয়, কিংবা বিশেষ কোনো উপাধী অর্জনের জন্যও নয়। তাখাসসুসের নিসাব ও পাঠদান প্রক্রিয়ায় এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত নেই, যা তালিবে ইলমের কিতাবী ইসতিদাদ তৈরি করতে পারে। বরং এখানে সকল কর্মসূচী এমনভাবে বিন্যস্ত যা কিতাবী ইসতিদাদ সম্পন্ন তালিবে ইলমের মাঝে ফন্নী ইসতিদাদ তৈরি করতে সহায়ক। যাতে সঠিক পন্থায় উস্তাদের তত্ত্বাবধানে কাজ অব্যাহত রাখলে ধীরে ধীরে ফন্নী ইখতিসাস অর্থাৎ বিশেষজ্ঞতা ও পারদর্শিতা হাসিল হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px