📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 ভাল ছাত্রের পরিচয়

📄 ভাল ছাত্রের পরিচয়


ভাল ছাত্র সে-ই, যার কোন কিতাবের পাঠ সম্পন্ন হওয়ার পর বা কোন শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পর উক্ত কিতাব বা শ্রেণীর কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জিত হয়েছে। 'ভাল ছাত্র' হওয়ার এ হল সর্বপ্রথম স্তর এবং এ স্তরের পরে রয়েছে অনেক স্তর আরো।
'নাহবেমীর' কিতাবটির আলোচনা করা যাক। মুসান্নিফের কথা অনুযায়ী, এ কিতাব থেকে তালিবে ইলমের তিনটি বৈশিষ্ট্য অর্জিত হবে। এক. আরবী তারকীব বোঝা। দুই. মু'রাব-মাবনী চিনতে পারা। তিন. আরবী ইবারত সহীহভাবে পড়তে পারা। এ কিতাবটি বা এর ধরনের কোন একটি কিতাব যথাযথভাবে পড়া হলে উপরোক্ত তিনটি যোগ্যতা অবশ্যই অর্জিত হবে। অতএব নাহবেমীর জামাআতের 'ভাল ছাত্র' সে, যে উপরোক্ত তিনটি বিষয়ের যোগ্যতা অর্জন করেছে; যে মু'রাব-মাবনী চেনে, আরবী তারকীব করতে পারে এবং ইবারত সহীহভাবে পড়তে পারে। যার এই যোগ্যতা অর্জিত হয়নি, তাকে আরো মেহনত করতে হবে। কেউ ইমতেহানে ভাল নম্বর পেলেই বা সহপাঠীদের মধ্যে 'ভাল ছাত্র' হিসেবে পরিচিত হলেই সে বাস্তবে ভাল হয়ে যায় না।
এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেক তালিবে ইলমের জন্য অপরিহার্য, নিজে চিন্তা-ভাবনা করে বা নিজের তালীমী মুরব্বীর পরামর্শ অনুসারে, শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই নিজের শ্রেণী ও পাঠ্য কিতাবসমূহের কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় মেহনত শুরু করা।

ভাল ছাত্র সে-ই, যার কোন কিতাবের পাঠ সম্পন্ন হওয়ার পর বা কোন শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পর উক্ত কিতাব বা শ্রেণীর কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জিত হয়েছে। 'ভাল ছাত্র' হওয়ার এ হল সর্বপ্রথম স্তর এবং এ স্তরের পরে রয়েছে অনেক স্তর আরো।
'নাহবেমীর' কিতাবটির আলোচনা করা যাক। মুসান্নিফের কথা অনুযায়ী, এ কিতাব থেকে তালিবে ইলমের তিনটি বৈশিষ্ট্য অর্জিত হবে। এক. আরবী তারকীব বোঝা। দুই. মু'রাব-মাবনী চিনতে পারা। তিন. আরবী ইবারত সহীহভাবে পড়তে পারা। এ কিতাবটি বা এর ধরনের কোন একটি কিতাব যথাযথভাবে পড়া হলে উপরোক্ত তিনটি যোগ্যতা অবশ্যই অর্জিত হবে। অতএব নাহবেমীর জামাআতের 'ভাল ছাত্র' সে, যে উপরোক্ত তিনটি বিষয়ের যোগ্যতা অর্জন করেছে; যে মু'রাব-মাবনী চেনে, আরবী তারকীব করতে পারে এবং ইবারত সহীহভাবে পড়তে পারে। যার এই যোগ্যতা অর্জিত হয়নি, তাকে আরো মেহনত করতে হবে। কেউ ইমতেহানে ভাল নম্বর পেলেই বা সহপাঠীদের মধ্যে 'ভাল ছাত্র' হিসেবে পরিচিত হলেই সে বাস্তবে ভাল হয়ে যায় না।
এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রত্যেক তালিবে ইলমের জন্য অপরিহার্য, নিজে চিন্তা-ভাবনা করে বা নিজের তালীমী মুরব্বীর পরামর্শ অনুসারে, শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই নিজের শ্রেণী ও পাঠ্য কিতাবসমূহের কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় মেহনত শুরু করা।

📘 তালিবানে ইলম পথ ও পাথেয় 📄 নেসাবী কিতাবসমূহের উদ্দেশ্য

📄 নেসাবী কিতাবসমূহের উদ্দেশ্য


ইলমের তিনটি পর্যায় রয়েছে- (এক) কিতাবী যোগ্যতা, (দুই) বিষয়ের পাণ্ডিত্য এবং (তিন) তাফাককুহ ফিদ্দীন বা দ্বীন ও শরীয়তের গভীর ও পরিপক্ক জ্ঞান এবং মুফাককির ও দাঈ পর্যায়ের যোগ্যতা।
একজন তালিবে ইলমকে প্রথম স্তর অতিক্রম করে অবশ্যই দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে উন্নীত হতে হবে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি, শেষোক্ত দুই স্তরে পৌঁছার জন্য কী কী প্রস্তুতি প্রয়োজন? বলাবাহুল্য, এই দুই স্তরের যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় মেহনতও আমাদেরকে ছাত্র থাকাকালীনই করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল, এই মেহনত কীভাবে হতে পারে?
এ ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা লাভ করার জন্য মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.)-এর এবং মাওলানা মুহাম্মদ মনযুর নুমানী (রহ.)-এর বক্তৃতা - মুতালাআ করা উচিত এবং অত্যন্ত বুঝে শুনে আমলের নিয়তে বারবার মুতালাআ করা উচিত। এছাড়া তলাবা ও উলামায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে লিখিত হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর রাসায়েল, মাওয়ায়েজ, মালফুযাত, মাকতুবাত এবং এসবের নির্বাচিত সংকলনসমূহ গুরুত্ব সহকারে নিয়মিত মুতালাআ করা উচিত।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে যথাযথ মেহনত করার এবং তাফাককুহ ফিদ্দীন অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

ইলমের তিনটি পর্যায় রয়েছে- (এক) কিতাবী যোগ্যতা, (দুই) বিষয়ের পাণ্ডিত্য এবং (তিন) তাফাককুহ ফিদ্দীন বা দ্বীন ও শরীয়তের গভীর ও পরিপক্ক জ্ঞান এবং মুফাককির ও দাঈ পর্যায়ের যোগ্যতা।
একজন তালিবে ইলমকে প্রথম স্তর অতিক্রম করে অবশ্যই দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে উন্নীত হতে হবে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি, শেষোক্ত দুই স্তরে পৌঁছার জন্য কী কী প্রস্তুতি প্রয়োজন? বলাবাহুল্য, এই দুই স্তরের যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় মেহনতও আমাদেরকে ছাত্র থাকাকালীনই করতে হবে। এখন প্রশ্ন হল, এই মেহনত কীভাবে হতে পারে?
এ ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা লাভ করার জন্য মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.)-এর এবং মাওলানা মুহাম্মদ মনযুর নুমানী (রহ.)-এর বক্তৃতা - মুতালাআ করা উচিত এবং অত্যন্ত বুঝে শুনে আমলের নিয়তে বারবার মুতালাআ করা উচিত। এছাড়া তলাবা ও উলামায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে লিখিত হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর রাসায়েল, মাওয়ায়েজ, মালফুযাত, মাকতুবাত এবং এসবের নির্বাচিত সংকলনসমূহ গুরুত্ব সহকারে নিয়মিত মুতালাআ করা উচিত।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে যথাযথ মেহনত করার এবং তাফাককুহ ফিদ্দীন অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px