📘 তাকফীরের মূলনীতি > 📄 কোনো ব্যক্তি থেকে ইসলাম বাদ দেয়ার অর্থ সে কাফের

📄 কোনো ব্যক্তি থেকে ইসলাম বাদ দেয়ার অর্থ সে কাফের


শরয়ী নসে কিছু কাজ বা দোষ সম্পর্কে এসেছে যে, উক্ত কাজে জড়িত ব্যক্তি মুসলিম নয়। সুতরাং উল্লিখিত মূলনীতি তার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে এ থেকে কুফর সাব্যস্ত হয় এবং উক্ত কর্মকারীকে তাকফীরের ক্ষেত্রে এ নীতিটি প্রয়োগ করা যায়।
কিন্তু অন্যদিকে দেখা যায় এ মূলনীতিটি সঠিক নয়। কেননা, “ইসলামে না থাকা” এ বাক্য দ্বারা সর্বদা কুফর সাব্যস্ত হয় না এবং যে ব্যক্তি নিষিদ্ধ কাজ করেছে তাকে তাকফীর করা যায় না; বরং কখনো এটি দ্বারা কুফরী সাব্যস্ত হয় আবার কখনো হয় না। প্রকৃতপক্ষে কুফরী সাব্যস্ত হবে কি হবে না- তা বিভিন্ন লক্ষণ ও নিদর্শন থেকে বোঝা যাবে।
মুসনাদে বাযযারে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَوْ أَنَّ رَجُلَيْنِ دَخَلَا فِي الْإِسْلَامِ فَاهْتَجَرَا لَكَانَ أَحَدُهُمَا خَارِجًا عَنِ الْإِسْلَامِ حَتَّى يَرْجِعَ، يَعْنِي: الظَّالِمَ مِنْهُمَا.
অর্থাৎ আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি দু'জন মুসলিম হওয়ার পর একে অপরের সাথে সম্পর্ক 비চ্ছেদ করে, তাহলে তাদের দু'জনের একজন ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে, যতোক্ষণ না সে সম্পর্ক রক্ষা করে। তথা যে যালেম সে বের হয়ে যাবে। ৩৩০
আর আমরা বিভিন্ন করীনা ও শরয়ী দলীল থেকে জেনেছি যে, একজন মুসলিমের জন্য অপর মুসলিম ভাইকে ত্যাগ করা যুলম, কিন্তু তা কুফরের স্তরে পৌঁছে না। অতএব আমরা জানলাম যে, উল্লিখিত হাদীসে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাওয়া দ্বারা এমন কুফর উদ্দেশ্য নয়, যা মিল্লাতে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কঠোর ধমকি ও সাবধান করা, যেনো সম্পর্ক ত্যাগ করার মতো গুনাহ থেকে মুসলমানগণ বেঁচে থাকে।
সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে- عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ شِبْرًا فَقَدْ خَلَعَ رِبْقَةَ الْإِسْلَامِ مِنْ عُنُقِهِ. আবু যার রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মুসলমানদের জামাত থেকে এক বিঘত পরিমাণ বিচ্ছিন্ন হলো, সে স্বীয় কাঁধ থেকে ইসলামের রজ্জুকে খুলে ফেলে দিলো।৩৩১
আর এটা সবারই জানা যে, খলীফা থেকে বিচ্ছিন্নতা এমন কুফরী নয়; যা মিল্লাতে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। দলীল হলো, সালাফের অনেকেই এ ব্যাপারে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে মুসলমানদের জামাত থেকে বিচ্ছিন্নতা অবলম্বন করেছেন, কিন্তু তাদের কেউই একে কুফরী বলেননি।
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ .... فَلَمَّا وَلَّى قَالَ: إِنَّ مِنْ ضِعْضِئِ هَذَا، أَوْ فِي عَقِبِ هَذَا قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ، يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ مُرُوقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ، يَقْتُلُونَ أَهْلَ الإِسْلَامِ وَيَدَعُونَ أَهْلَ الْأَوْثَانِ، لَئِنْ أَنَا أَدْرَكْتُهُمْ لَأَقْتُلَنَّهُمْ قَتْلَ عَادٍ.
আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন.... অতঃপর লোকটি যখন চলে যাচ্ছিলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তার বংশধর থেকে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআন পাঠ করবে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তির যেমন ধনুক থেকে বের হয়ে যায়, তারাও ঠিক সেইভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে। তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে এবং পৌত্তলিকদেরকে নিরাপদ রাখবে। যদি আমি তাদের সময় পর্যন্ত জীবিত থাকি, তাহলে তাদেরকে আদ জাতির মতো হত্যা করবো। ৩৩২
এ হাদীসটি খারেজীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে। কিন্তু এতদসত্ত্বেও আলী বিন আবু তালিব রাযি. ও অন্যান্য সালাফ তাদের তাকফীর করা থেকে বিরত থেকেছেন। অতএব তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুখ নিঃসৃত বাণী, “তারা ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে” দ্বারা এই উদ্দেশ্য বোঝেননি যে, তারা কাফের হয়ে ইসলাম থেকে পরিপূর্ণভাবে বের হয়ে যাবে। বরং উদ্দেশ্য হলো, তারা চরম গোমরাহ ও বিভ্রান্ত একটি দল, যারা অন্যান্য মুসলমানের জন্য কাফেরদের মতোই ক্ষতিকর।
অতএব এ সমস্ত হাদীস এবং অন্যান্য দলীলের ভিত্তিতে প্রমাণিত হলো যে, কারো ব্যাপারে ইসলাম নফী হলে তা সর্বদা কুফরকে সাব্যস্ত করে না। কিন্তু এটি অনেক তালিবে ইলমের মুখে প্রচলিত। অথচ এটি সঠিক ও ব্যাপক কোনো মূলনীতি নয়। আল্লাহ তাআলাই অধিক জ্ঞাত।

টিকাঃ
৩৩০. মুসনাদে বাযযার: ৫/১৭৬, হা. নং ১৭৭৩ (মাকতাবাতুল উলূম ওয়াল হিকাম, মদীনা)
৩৩১. সুনানে আবু দাউদ: ৪/২৪১, হা. নং ৪৭৫৮ (আল মাকতাবাতুল আসরিয়্যা, বৈরূত)
৩৩২. সহীহ বুখারী: ৪/১৩৭, হা. নং ৩৩৪৪ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরূত)

📘 তাকফীরের মূলনীতি > 📄 আলিফ-লামযুক্ত তথা ‘আলকুফর’ (الكفر) দ্বারা কুফরে আকবার উদ্দেশ্য হয়

📄 আলিফ-লামযুক্ত তথা ‘আলকুফর’ (الكفر) দ্বারা কুফরে আকবার উদ্দেশ্য হয়


এ মূলনীতিটিও সঠিক নয়। কেননা, আলিফ-লাম দ্বারা মারেফাকৃত 'আল-কুফর' (الكفر) শব্দের দ্বারা সর্বদা কুফরে আকবার উদ্দেশ্য হয় না; বরং কুফরে আসগর তথা ছোট কুফরও উদ্দেশ্য হয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন- وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ
“যেসব লোক আল্লাহর অবতীর্ণকৃত বিধানানুসারে ফয়সালা করে না, তারাই কাফের।”৩৩৩
উক্ত আয়াতে »الْكَافِرُونَ« শব্দটি আলিফ-লাম দ্বারা মারেফা হলেও সালাফ ও মুফাসসিরীনে কেরাম এখান থেকে দু'অর্থ উদ্দেশ্য নিয়েছেন। আর তা হলো কুফরে আকবার ও কুফরে আসগর। এক্ষেত্রে বিচারক ও তার প্রকারভেদ অনুযায়ী হুকুমের তারতম্য ঘটে।
সহীহ ইবনে হিব্বানে বর্ণিত হয়েছে- حَدَّثَتْنِي كَرِيمَةُ بِنْتُ الْخَسْحَاسِ الْمُزَنِيَّةُ، قَالَتْ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، وَهُوَ فِي بَيْتِ أُمَّ الدَّرْدَاءِ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ثَلَاثُ مِنَ الْكُفْرِ بِاللَّهِ: شَقُّ الْجَيْبِ، وَالتَّيَاحَةُ، وَالطَّعْنُ فِي النَّسَبِ.
অর্থাৎ আবু হুরাইরা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিনটি কাজ আল্লাহর সাথে কুফরী। পকেট কাটা, কারো মৃত্যুতে মাতম করা এবং বংশের উপর কটাক্ষ করা। ৩৩৪
এখানে কুফর শব্দটি আলিফ-লাম দ্বারা মারেফা হলেও এর দ্বারা কুফরে আকবার উদ্দেশ্য নয়। কেননা, আহলে ইলমের ঐকমত্যে পকেট কাটা, কারো মৃত্যুতে মাতম করা এবং কারো বংশ নিয়ে কটাক্ষ করা কুফরে আকবার নয়; বরং কুফরে আসগর।
এ সকল শরয়ী নসের কারণে আমরা বলতে পারি যে, এ মূলনীতিকে ব্যাপকভবে প্রয়োগ করা সঠিক নয়। এ ধরনের প্রচলিত ভুল মূলনীতি দ্বারা কাফের সাব্যস্ত করা সঠিক নয়।

টিকাঃ
৩৩৩. সূরা মায়িদা: ৪৪
৩৩৪. সহীহ ইবনে হিব্বান: ৪/৩২৬, হা. নং ১৪৬৫ (মুআসসাসাতুর রিসালা, বৈরূত)

📘 তাকফীরের মূলনীতি > 📄 الخلود في نار جهنم أبداً তথা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকার শাস্তির ভিত্তিতে তাকফীর করা

📄 الخلود في نار جهنم أبداً তথা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকার শাস্তির ভিত্তিতে তাকফীর করা


তাকফীরের প্রচলিত ভুল মূলনীতিগুলোর একটি হলো, যে পাপের শাস্তিস্বরূপ "الخلود في نار جهنم أبداً" তথা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থ াকার কথা এসেছে, সে পাপে লিপ্ত ব্যক্তিরা মুসলিম নয়; বরং তাদেরকে কাফের বলে আখ্যায়িত করা যাবে।
কিন্তু এ মূলনীতিটির প্রয়োগও সঠিক নয়। কেননা, জাহান্নামে চিরস্থায়ী হওয়া কুফরীর কারণে হয়। এজন্যই কাফেররা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে “জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে” এমন কথার দ্বারা কাফেরদের মতো চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকা উদ্দেশ্য হয় না।
যে সকল শরয়ী দলীলসমূহ থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়, তন্মধ্যে কয়েকটি হলো: আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِناً مُتَعَمِّداً فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِداً فِيهَا وَغَضِبَ اللهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَاباً عَظِيماً.
“যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো মুমিনকে হত্যা করে তার শাস্তি জাহান্নাম। তাতে সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তার জন্য ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।"৩৩৫
এ আয়াতে যেমন চিরস্থায়ী শান্তি হওয়ার দ্বারা কুফর আবশ্যক হয় না, তেমনিভাবে হত্যাকারী ব্যক্তি কাফেরদের মতো জাহান্নামে চিরস্থায়ীভাবেও থাকবে না। কেননা, অন্যান্য দলীলের আলোকে প্রমাণিত যে, ইচ্ছা করে হত্যাকারী ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না। যেহেতু অন্যায় হত্যা কবীরা গুনাহ, কুফরী নয়।
সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ حَسَا سُمًّا فَسُمُّهُ فِي يَدِهِ، يَتَحَسَّاهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا.
অর্থাৎ আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি বিষপানে আত্মহত্যা করে, সে বিষ তার হাতে থাকবে আর জাহান্নামের আগুনে চিরস্থায়ী কাল সে তা পান করতে থাকবে।
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ تَرَدَّى مِنْ جَبَلٍ فَقَتَلَ نَفْسَهُ، فَهُوَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ يَتَرَدَّى فِيهِ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا، وَمَنْ تَحَسَّى سُمًّا فَقَتَلَ نَفْسَهُ، فَسُمُّهُ فِي يَدِهِ يَتَحَسَّاهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا، وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِحَدِيدَةٍ، فَحَدِيدَتُهُ فِي يَدِهِ يَجَأُ بِهَا فِي بَطْنِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا.
আবু হুরাইরা রাযি. সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি পাহাড়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করবে, সে ঐরূপভাবে জাহান্নামের মাঝে সর্বদা ঝাঁপ দিতে থাকবে। আর যে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে, সেও সর্বদা ঐরূপ জাহান্নামে নিজ হাতে বিষপানরত থাকবে। আর যে কোনো ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করেছে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐরূপ ধারালো অস্ত্র দ্বারা স্বীয় হাতে নিজের পেটকে ফুঁড়তে থাকবে।
এ ধরনের বর্ণনা সত্ত্বেও উলামায়ে কেরামের ঐকমত্যে আত্মহত্যাকারী মুসলিম ব্যক্তি কাফের হবে না। তারা সব সময়ের জন্য কাফেরদের মতো জাহান্নামে থাকবে না। আল্লাহ চাহে তো কিয়ামতের মাঠে শাফাআতকারীদের শাফাআত তাদের উপকারে আসবে।

টিকাঃ
৩৩৫. সূরা নিসা: ৯৩
৩৩৬. সুনানে আবু দাউদ: ৪/৭ হা. নং ৩৮৭২ (আল মাকতাবাতুল আসরিয়‍্যা, বৈরূত)
৩৩৭. সহীহ বুখারী: ৭/১৩৯, হা. নং ৫৭৭৮ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরূত)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00