📘 তাকফীরের মূলনীতি > 📄 দলীল

📄 দলীল


সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে- عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، وَيُقِيمُوا الصَّلاةَ، وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ، فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّ الْإِسْلَامِ، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ.
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো মানুষদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাই, যতোক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করবে এবং যাকাত আদায় করবে। যখন তারা এগুলো সম্পাদন করবে, তখন তাদের রক্ত এবং সম্পদ আমার থেকে নিরাপদ হয়ে যাবে। তবে ইসলামের কোনো হক থাকলে তা আদায় করা হবে। আর তাদের হিসাব আল্লাহ তাআলার নিকট। ১৫৩
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে- عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ صَلَّى صَلَاتَنَا وَاسْتَقْبَلَ قِبْلَتَنَا، وَأَكَلَ ذَبِيحَتَنَا فَذَلِكَ الْمُسْلِمُ الَّذِي لَهُ ذِمَّةُ اللَّهِ وَذِمَّةُ رَسُولِهِ، فَلَا تُخْفِرُوا اللَّهَ فِي ذِمَّتِهِ.
আনাস বিন মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমাদের মতো নামায পড়বে, আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে দাঁড়াবে, আমাদের জবেহকৃত প্রাণী ভক্ষণ করবে, সে মুসলিম বলে গণ্য হবে, যার জন্য আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নিরাপত্তা রয়েছে। অতএব তার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে চুক্তি ভঙ্গ করো না। ১৫৪
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে- عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلًا مِنَ الْكُفَّارِ فَقَاتَلَنِي، فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَيَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا، ثُمَّ لَاذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ، فَقَالَ: أَسْلَمْتُ اللَّهِ، أَفَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، bَعْدَ أَنْ قَالَهَا؟ قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تَقْتُلْهُ. قَالَ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ قَدْ قَطَعَ يَدِي، ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ أَنْ قَطَعَهَا، أَفَأَقْتُلُهُ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تَقْتُلْهُ. فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلُهُ، وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ.
মিকদাদ বিন আসওয়াদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (একবার) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, এ ব্যাপারে আপনি কী বলেন, যদি আমি কোনো কাফেরের সম্মুখীন হই এবং সে আমার সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যায়। অতঃপর সে নিজ তলোয়ার দ্বারা আমার একটি হাতে আঘাত করে তা কেটে ফেলে। এরপর কোনো গাছের আড়ালে গিয়ে বলে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইসলাম গ্রহণ করলাম। ইয়া রাসূলাল্লাহ, এ কথা বলার পর আমি কি তাকে হত্যা করতে পারি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাকে হত্যা করো না। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল, সে আমার একটি হাত কেটে ফেলে এ কথা বলেছে, তবুও কি আমি তাকে হত্যা করবো না? তিনি বললেন, না, হত্যা করতে পারবে না। যদি তুমি তাকে হত্যা করো, তাহলে এ হত্যার পূর্বে তোমার যে অবস্থান ছিলো সে ব্যক্তি সে স্থানে পৌঁছবে এবং কালেমা পড়ার আগে সে ব্যক্তি যে অবস্থানে ছিলো তুমি সে স্থানে পৌঁছবে। ১৫৫
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ - وَهَذَا حَدِيثُ ابْنِ أَبِي شَيْبَةَ - قَالَ: بَعَثَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَرِيَّةٍ، فَصَبَّحْنَا الْحُرَقَاتِ مِنْ جُهَيْنَةَ، فَأَدْرَكْتُ رَجُلًا فَقَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَطَعَنْتُهُ فَوَقَعَ فِي نَفْسِي مِنْ ذَلِكَ، فَذَكَرْتُهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَقَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَقَتَلْتَهُ؟ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّمَا قَالَهَا خَوْفًا مِنَ السِّلَاحِ، قَالَ: أَفَلَا شَقَقْتَ عَنْ قَلْبِهِ حَتَّى تَعْلَمَ أَقَالَهَا أَمْ لَا؟ فَمَا زَالَ يُكَرِّرُهَا عَلَيَّ حَتَّى تَمَنَّيْتُ أَنِّي أَسْلَمْتُ يَوْمَئِذٍ.
উসামা বিন যায়েদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি অভিযানে পাঠালেন। আমরা সকাল বেলা জুহাইনা গোত্রের হুরুকাত শাখার নিকট গিয়ে উপনীত হলাম। তখন আমি একজন ব্যক্তিকে সামনে পেলে সে বলে উঠলো, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। অতঃপর আমি তাকে হত্যা করে ফেললাম। অতঃপর এ বিষয়ে আমার অন্তরে সংশয় কাজ করায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট তা বর্ণনা করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলা সত্ত্বেও তুমি তাকে হত্যা করে ফেললে? উসামা রাযি. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, সে তো অস্ত্রের ভয়ে কালেমা পড়েছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি তার অন্তর চিড়ে দেখলে না কেনো? যাতে করে তুমি জানতে যে, সে সত্যিই মন থেকে কালেমা পাঠ করেছে কিনা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কথাটিকে বারবার বলতে থ াকলেন। এমনকি আমি আকাঙ্খা করছিলাম যে, হায়! যদি আমি আজই ইসলাম গ্রহণ করতাম! ১৫৬
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে-
عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي نُعْمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: بَعَثَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ اليَمَنِ بِذُهَيْبَةٍ فِي أَدِيمٍ مَقْرُوطٍ، لَمْ تُحَصَّلْ مِنْ تُرَابِهَا، قَالَ: فَقَسَمَهَا بَيْنَ أَرْبَعَةِ نَفَرٍ، بَيْنَ عُيَيْنَةَ بْنِ بَدْرٍ، وَأَقْرَعَ بْنِ حَابِسٍ، وَزَيْدِ الخَيْلِ، وَالرَّابِعُ : إِمَّا عَلْقَمَةُ وَإِمَّا عَامِرُ بْنُ الطَّفَيْلِ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ : كُنَّا نَحْنُ أَحَقَّ بِهَذَا مِنْ هَؤُلَاءِ، قَالَ: فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَلَا تَأْمَنُونِي وَأَنَا أَمِينُ مَنْ فِي السَّمَاءِ، يَأْتِينِي خَبَرُ السَّمَاءِ صَبَاحًا وَمَسَاءٌ، قَالَ: فَقَامَ رَجُلٌ غَائِرُ العَيْنَيْنِ، مُشْرِفُ الوَجْنَتَيْنِ، نَاشِزُ الجَبْهَةِ، كَثُ اللَّحْيَةِ، مَحْلُوقُ الرَّأْسِ، مُشَمَّرُ الإِزارِ، فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اتَّقِ اللَّهَ، قَالَ: وَيْلَكَ، أَوَلَسْتُ أَحَقَّ أَهْلِ الْأَرْضِ أَنْ يَتَّقِيَ اللَّهُ؟ قَالَ: ثُمَّ وَلَّى الرَّجُلُ، قَالَ خَالِدُ بْنُ الوَلِيدِ : يَا رَسُولَ اللهِ، أَلَا أَضْرِبُ عُنُقَهُ؟ قَالَ: لَا ، لَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ يُصَلِّي. فَقَالَ خَالِدٌ: وَكَمْ مِنْ مُصَلَّ يَقُولُ بِلِسَانِهِ مَا لَيْسَ فِي قَلْبِهِ، قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنِّي لَمْ أُومَرْ أَنْ أَنْقُبَ عَنْ قُلُوبِ النَّاسِ وَلَا أَشُقَّ بُطُونَهُمْ. قَالَ: ثُمَّ نَظَرَ إِلَيْهِ وَهُوَ مُقَفٌ، فَقَالَ: إِنَّهُ يَخْرُجُ مِنْ ضِنْضِي هَذَا قَوْمٌ يَتْلُونَ كِتَابَ اللَّهِ رطبًا، لَا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ، يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ، وَأَظُنُّهُ قَالَ: لَئِنْ أَدْرَكْتُهُمْ لَأَقْتُلَنَّهُمْ قَتْلَ ثَمُودَ.
অর্থাৎ আব্দুর রহমান বিন আবী নুআঈম রহ. বর্ণনা করেন, আমি আবু সাঈদ রাযি.-কে বলতে শুনেছি, আলী রাযি. ইয়ামান থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট সিলম বৃক্ষের পাতা দ্বারা পরিশোধিত এক প্রকার রঙিন চামড়ার থলিতে করে কিছু স্বর্ণের টুকরো পাঠিয়েছিলেন, যেগুলো থেকে এখনো খনিজ মাটি পরিষ্কার করা হয়নি। আবু সাঈদ রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণগুলো চারজন ব্যক্তির মাঝে বন্টন করে দিলেন। তারা হলেন, উআইনা বিন বদর রাযি., আকরা বিন হাবিস রাযি., যায়েদ আল খাইল রাযি. এবং চতুর্থজন হলেন আলকামা বা আমের বিন তুফাইল রাযি.। তখন তাঁর সাহাবীদের মধ্য হতে একজন বলে উঠলেন, এ স্বর্ণগুলোর ব্যাপারে এদের চাইতে আমরাই অধিক হকদার ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, কথাটি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট পৌঁছলো। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি আমার উপর আস্থা রাখছো না? অথচ আমি আসমানবাসীদের নিকট আস্থাভাজন। সকাল-বিকাল আমার নিকট আসমানের খবর আসে। ইতোমধ্যে একব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো। লোকটির চোখ দু'টি ছিলো কোটরাগত, চোয়ালের হাড় যেনো বেরিয়ে পড়ছে, উঁচু কপালধারী, তার দাড়ি ছিল অতিশয় ঘন, মাথাটি ন্যাড়া, পরনের লুঙ্গি ছিলো উপরের দিক উঠানো। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহকে ভয় করুন। ১৫৭ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার জন্য আফসোস! আল্লাহকে ভয় করার ব্যাপারে দুনিয়াবাসীদের মধ্যে আমিই কি বেশি হকদার নই? আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বলেন, লোকটি (এ কথা বলে) চলে যেতে লাগলে খালিদ বিন ওয়ালীদ রাযি. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি কি লোকটির গর্দান উড়িয়ে দিবো না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, হতে পারে সে সালাত আদায় করে। খালিদ রাযি. বললেন, অনেক সালাত আদায়কারী এমন আছে, যারা মুখে এমন এমন কথা উচ্চারণ করে, যা তাদের অন্তরে নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমাকে মানুষের দিল ছিদ্র করে, পেট ফেঁড়ে (ঈমানের উপস্থিতি) দেখার জন্য বলা হয়নি। তারপর তিনি লোকটির দিকে তাকিয়ে দেখলেন। তখন লোকটি পিঠ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছিলো। তিনি বললেন, এ ব্যক্তির বংশ থেকে এমন এক জাতির উদ্ভব ঘটবে, যারা শ্রুতিমধুর কণ্ঠে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করবে, অথচ আল্লাহর বাণী তাদের গলদেশের নিচে নামবে না। তারা দীন থেকে এভাবে বেরিয়ে যাবে, যেভাবে নিক্ষেপকৃত জন্তুর দেহ থেকে তির বেরিয়ে যায়। যদি আমি তাদেরকে পাই, তাহলে অবশ্যই আমি তাদেরকে সামুদ জাতির মতো হত্যা করবো। ১৫৮
সুনানে নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَاءَ رَجُلٌ فَسَارَّهُ، فَقَالَ: اقْتُلُوهُ، ثُمَّ قَالَ: أَيَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، وَلَكِنَّمَا يَقُولُهَا تَعَوَّذَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تَقْتُلُوهُ، فَإِنَّمَا أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، فَإِذَا قَالُوهَا عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ، إِلَّا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللهِ.
নুমান বিন বাশীর রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। এমন সময় এক লোক এসে তার পাশ দিয়ে গমন করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা একে হত্যা করো। তারপর ওই লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই? সে বললো, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু সে বাঁচার জন্য এমন বলেছিলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো না। কেননা, আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আমি যেনো মানুষের সাথে ততোক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করি, যতোক্ষণ না তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলে। সুতরাং যখন তারা তা বলবে, তখন তারা নিজেদের রক্ত ও মাল আমার কাছ থেকে নিরাপদ করে নিলো। তবে ইসলামের হক থাকলে সেটা ভিন্ন বিষয়। আর তাদের হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত। ১৫৯
সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: خَرَجَ عِبْدَانُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يَعْنِي يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ قَبْلَ الصُّلْحِ - فَكَتَبَ إِلَيْهِ مَوَالِيهُمْ فَقَالُوا : يَا مُحَمَّدُ وَاللَّهِ مَا خَرَجُوا إِلَيْكَ رَغْبَةً فِي دِينِكَ، وَإِنَّمَا خَرَجُوا هَرَبًا مِنَ الرِّقٌ. فَقَالَ نَاسُ: صَدَقُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ رُدَّهُمْ إِلَيْهِمْ، فَغَضِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ: مَا أُرَاكُمْ تَنْتَهُونَ يَا مَعْشَرَ قُرَيْشٍ حَتَّى يَبْعَثَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ مَنْ يَضْرِبُ رِقَابَكُمْ عَلَى هَذَا. وَأَبَى أَنْ يَرُدَّهُمْ وَقَالَ: هُمْ عُتَقَاءُ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ.
আলী বিন আবী তালিব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার দিন সন্ধির আগে কিছু গোলাম মক্কা থেকে বের হয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এলো। তাদের মনিবগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট চিঠি লিখে সে সকল গোলামকে ফেরত চাইলো। তারা বলল, হে মুহম্মাদ, তারা আপনার দীনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নয়; বরং গোলামি থেকে মুক্তির আশায় বের হয়ে গিয়েছে। সাহাবা রাযি. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, তারা ঠিকই বলছে। আপনি তাদেরকে ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাগান্বিত হয়ে বললেন, হে কুরাইশ জাতি, তোমরা কি ততোক্ষণ পর্যন্ত বিরত হবে না, যতোক্ষণ না আল্লাহ তাআলা তোমাদের নিকট এমন লোকদের পাঠান, যারা তোমাদের শরীর থেকে মস্তক আলাদা করবে? আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সকল গোলামদেরকে ফিরিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, তারা আল্লাহর আযাদকৃত।১৬০
সুনানে নাসায়ী কুবরাতে বর্ণিত হয়েছে-
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: لَحِقَ الْمُسْلِمُونَ رَجُلًا فِي غَنِيمَةٍ لَهُ فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ فَقَتَلُوهُ وَأَخَذُوا غَنِيمَتَهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَلَا تَقُولُوا لِمَنْ أَلْقَى إِلَيْكُمُ السَّلَامَ لَسْتَ مُؤْمِنًا تَبْتَغُونَ عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا} [النساء: ٩٤] تِلْكَ الْغَنِيمَةُ.
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরামের একটি দল স্বল্প গনীমতের সাথে এক ব্যক্তির দেখা পেলো। তখন সে সাহাবীদেরকে “আসসালামু আলাইকুম” বলে সালাম দিলো। অতঃপর সাহাবা রাযি. তাকে হত্যা করে তার থেকে উক্ত গনীমত নিয়ে নিলেন। ফলে আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন, “যে তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ করছো?”[সূরা নিসা: ৯৪] তথা স্বল্প গনীমত।১৬১
তাবাকাতে ইবনে সাদে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - لِلْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ حِينَ انْتُهِيَ بِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ: يَا عَبَّاسُ افْدِ نَفْسَكَ وَابْنَ أَخِيكَ عَقِيلَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ وَنَوْفَلَ بْنَ الْحَارِثِ وَحَلِيفَكَ عُتْبَةَ بْنَ عَمْرِو بْنِ جَحْدَمٍ أَخَا بَنِي الْحَارِثِ بْنِ فِهْرٍ فَإِنَّكَ ذُو مَالٍ. قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ مُسْلِمًا وَلَكِنَّ الْقَوْمَ اسْتَكْرَهُونِي. قَالَ: اللَّهُ أَعْلَمُ بِإِسْلَامِكَ إِنْ يَكُ مَا تَذْكُرُ حَقًّا فَاللَّهُ يُجْزِيكَ بِهِ. فَأَمَّا ظَاهِرُ أَمْرِكَ فَقَدْ كَانَ عَلَيْنَا. فَافْدِ نَفْسَكَ.
অর্থাৎ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব বন্দী হওয়ার পর তাকে মদীনায় নিয়ে আসলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, হে আব্বাস, আপনি নিজেকে, আপনার ভাতিজাদ্বয় আকিল বিন আবু তালিব এবং নাওফাল বিন হারিস এবং আপনার মিত্র বনী হারিস বিন ফিত্রের ভাই উতবা বিন আমর বিন জাহদামকে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে নিন। কেননা, আপনারা অঢেল সম্পত্তির মালিক। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি তো মুসলিম; কিন্তু আমার গোত্রের লোকজন আমাকে যুদ্ধে আসতে বাধ্য করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন, আল্লাহ আপনার ইসলাম সম্পর্কে ভালো জানেন। আপনি যেভাবে বলছেন, যদি তা সত্যি হয়; তাহলে আল্লাহ এর জন্য আপনাকে প্রতিদান দিবেন। কিন্তু যেহেতু আপনার প্রকাশ্য অবস্থা আমাদের বিরুদ্ধে তাই আপনি মুক্তিপণ দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিন। ১৬২
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আব্বাস রাযি.-এর বাহ্যিক অবস্থাকে বিবেচনা করেছেন। আর তা হলো, বদরের দিন মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সারিতে তাঁর অবস্থান। তাই তার সাথে আচরণ করা হবে একজন কাফেরের সাথে যেরূপ আচরণ করা হয়। তিনি বাধ্য হয়েছিলেন বা মুসলিম ছিলেন এখানে তা ওযর হিসেবে ধর্তব্য হবে না। কেননা, তার প্রকাশ্য অবস্থা তার দাবির বিপরীত। কারণ, সে সময় আব্বাস রাযি. দুর্বল ছিলেন না, যারা কোনো কৌশল অবলম্বন করতে পারে না। অনুরূপ তিনি হারবী কাফেরদের বলয় থেকে বের হওয়ার জন্য এবং মদীনাতে হিজরত করার জন্য কোনো পথ পাচ্ছিলেন না, এমন মুসলমানদের অন্তর্ভুক্তও ছিলেন না।
এমনিভাবে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুনাফিকদের বাহ্যিকভাবে ইসলাম প্রকাশের অবস্থাকে গ্রহণ করে নিয়েছেন। যদিও তিনি জানতেন, তারা মূলত কাফের এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর তারা ঈমান আনেনি।
আল্লাহ তাআলা বলেন-
إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ قَالُوا نَشْهَدُ إِنَّكَ لَرَسُولُ اللَّهِ وَاللَّهُ يَعلَمُ إِنَّكَ لَرَسُولُهُ وَاللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ.
"যখন আপনার নিকট মুনাফিকরা আগমন করে, তখন তারা বলে- আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রাসূল। আর আল্লাহ তো জানেন যে, আপনি তাঁর রাসূল। আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয় মুনাফিকরা চরম মিথ্যুক।”১৬৩
এতে মূলত তিনি তাঁর উম্মতকে এ বার্তা দিয়েছেন যে, কুফর ও ঈমানের বিষয়ে বাহ্যিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে আচরণ করা হবে। কার অন্তরে কী আছে, তার খোঁজ নেয়া এবং তার অনুসন্ধান চালানোর চেষ্টা করা যাবে না।
আর আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মুনাফিকদের ব্যাপারে জানিয়ে দেয়ার বিষয়টি একমাত্র রাসূল সা.-এর সাথে খাস। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মৃত্যুর পর তা জানার কারো সাধ্যে নেই। কেননা, মানুষের অন্তরে কী আছে, তা জানা আলিমুল গায়েব আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। এখন আমাদের জন্য কিছু আলামত এবং কথার মাধ্যমে বোঝার উপায় থাকলেও তা শুধু মুনাফিকদের থেকে সতর্ক থাকাকে আবশ্যক করে। কিন্তু আমরা নির্দিষ্ট করে কারো ব্যাপারে মুনাফিক হওয়ার সিদ্ধান্ত দিতে সক্ষম নই। তবে যখন তাদের কুফরী ও নিফাকীর স্পষ্ট দলীল পাওয়া যাবে, সেক্ষেত্রে তার সাথে সে অনুযায়ী আচরণ করা হবে।
এ ব্যাপারে ইমাম তাহাবী রহ বলেন-
وَلَا نَشْهَدُ عَلَيْهِمْ بِكُفْرٍ وَلَا بِشِرْكٍ وَلَا بِنِفَاقٍ مَّا لَمْ يَظْهَرْ مِنْهُمْ شَيْءٌ مِّنْ ذَلِكَ وَنَذَرُ سَرَائِرَهُمْ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى.
অর্থাৎ আমরা তাদেরকে কাফের, মুশরিক, মুনাফিক বলে ততোক্ষণ পর্যন্ত সাক্ষ্য দিবো না, যতোক্ষণ না তাদের মাঝে তা স্পষ্ট হবে। আর তাদের মনের গোপন বিষয়াদি আল্লাহ তাআলার উপর ন্যস্ত। ১৬৪
এর ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে আবীল ইয রহ. বলেন-
لِأَنَّا قَدْ أُمِرْنَا بِالْحُكْمِ بِالظَّاهِرِ، وَنُهِينَا عَنِ الظَّنِّ وَاتَّبَاعِ مَا لَيْسَ لَنَا بِهِ عِلْمٌ. قَالَ تَعَالَى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِنْ قَوْمٍ عَسَى أَنْ يَكُونُوا خَيْرًا مِنْهُمْ} [الحجرات: ١١]. وَقَالَ تَعَالَى: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمُ} [الحجرات: ١٢]. وَقَالَ تَعَالَى: {وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا} [الإسراء: ٣٦]
যেহেতু আমাদেরকে প্রকাশ্য অবস্থার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আদেশ করা হয়েছে। কারো ব্যাপারে ধারণা করা ও যে বিষয়ে আমাদের জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ তোমাদের একদল যেনো অন্যদলকে বিদ্রুপ না করে। হতে পারে তারা এদের চেয়ে উত্তম হবে।” [সূরা হুজুরাত: ১১] আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। নিশ্চয় কতক ধারণা গুনাহ।" [সূরা হুজুরাত: ১২] আল্লাহ তাআলা বলেন, “যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয় কান, চক্ষু ও অন্তর এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে।” [সূরা ইসরাঈল: ৩৬]

টিকাঃ
১৫৩. সহীহ বুখারী: ১/১৪, হা. নং ২৫ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরূত)
১৫৪. সহীহ বুখারী: ১/৮৭, হা. নং ৩৯১ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরূত)
১৫৫. সহীহ মুসলিম: ১/৯৫, হা. নং ৯৫ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরূত)
১৫৬. সহীহ মুসলিম: ১/৯৬, হা. নং ৯৬ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরূত)
১৫৭. চিন্তা করুন, আল্লাহর রাসূলের বিরুদ্ধে কথা বলে; খারেজীদের কত বড় স্পর্ধা। পরবর্তীতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে তারা এমনটিই করে চলছে। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন!
১৫৮. সহীহ বুখারী: ৫/১৬৩, হা. নং ৪৩৫১ (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরূত)
১৫৯. সুনানে নাসায়ী: ৭/৭৯, হা. নং ৩৯৭৯ (মাকতাবুল মাতবৃআতিল ইসলামিয়্যা, হালব)
১৬০. সুনানে আবু দাউদ: ৩/৬৫, হা. নং ২৭০০ (আল মাকতাবাতুল আসরিয়‍্যা, বৈরূত)
১৬১. সুনানে নাসায়ী কুবরা: ৪/১০, হা. নং ৪৫০৬ (মুআসসাসাতুর রিসালা, বৈরূত)
১৬২. আত-তাবাকাতুল কুবরা ইবনে সাদ: ৪/৯-১০ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরূত)
১৬৩. সূরা মুনাফিকূন: ১
১৬৪. আকীদাতুত তাহাবী: পৃ. নং ৬৭ (আল মাকতাবুল ইসলামী, বৈরূত)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00