📄 আখিরী যামানায় শয়তানি ফেতনা
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ : يَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي أُمَّتِي فَيَمْكُثُ أَرْبَعِيْنَ، ... فَيَبْعَثُ اللَّهُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ، كَأَنَّهُ عُرْوَةُ بْنُ مَسْعُودٍ، فَيَطْلُبُهُ فَيُهْلِكُهُ، ثُمَّ يَمْكُتُ النَّاسُ سَبْعَ سِنِينَ، لَيْسَ بَيْنَ اثْنَيْنِ عَدَاوَةٌ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ رِيحًا بَارِدَةً مِنْ قِبَلِ শَّامِ، فَلَا يَبْقَى عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ خَيْرٍ أَوْ إِيْمَانٍ إِلَّا قَبَضَتْهُ ، حَتَّى لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ دَخَلَ فِي كَبِدِ جَبَلٍ لَدَخَلَتْهُ عَلَيْهِ، حَتَّى تَقْبِضَهُ»، قَالَ: «فَيَبْقَى শِرَارُ النَّاسِ فِي خِفَّةِ الطَّيْرِ وَأَحْلَامِ السَّبَاعِ، لَا يَعْرِفُوْنَ مَعْرُوْفًا وَلَا يُنْكِرُوْنَ مُنكَرًا، فَيَتَمَثَّلُ لَهُمُ শَّيْطَانُ، فَيَقُوْلُ : أَلَا تَسْتَجِيبُوْنَ؟ فَيَقُوْلُوْنَ : فَمَا تَأْمُرُنَا ? فَيَأْمُرُهُمْ بِعِبَادَةِ الْأَوْثَانِ، وَهُمْ فِي ذُلِكَ دَارٌ رِزْقُهُمْ، حَسَنٌ عَيْشُهُمْ...
আবদুল্লাহ বিন আমর রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- আমার উম্মতের মাঝেই দাজ্জালের আবির্ভাব হবে এবং চল্লিশ (দিন) পর্যন্ত অবস্থান করবে, এ সময় আল্লাহ তাআলা ঈসা আলাইহিস সালাম-কে প্রেরণ করবেন, ... তিনি দাজ্জালকে তালাশ করে হত্যা করবেন। অতঃপর সাতটি বছর লোকেরা এমনভাবে অতিবাহিত করবে যে, কোনও দু'ব্যক্তির মাঝে শত্রুতা থাকবে না। তখন আল্লাহ তাআলা শামের দিক থেকে শীতল বাতাস প্রবাহিত করবেন। ফলে দুনিয়ার বুকে এমন কেউ অবশিষ্ট থাকবে না যার অন্তরে অণু পরিমাণ কল্যাণ বা ঈমান থাকবে, বরং এই বাতাসের মাধ্যমে এমন সকলের জান কবজ হয়ে যাবে। এমনকি তোমাদের কেউ যদি পাহাড়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তবে সেখানেও বাতাস তার নিকট প্রবেশ করে তার জান কবজ করবে।
তখন কেবল মন্দ লোকগুলো অবশিষ্ট থাকবে। (প্রবৃত্তি চাহিদা পূরণের দিকে) দ্রুতগামী পাখি ও (জুলুম ও অন্যায় কাজে) জ্ঞানশূন্য হিংস্র প্রাণীর ন্যায় তাদের অবস্থা হবে। তারা ভালোকে ভালো বলে জানবে না এবং মন্দ কাজ দেখে আপত্তি করবে না। এ সময় শয়তান তাদের সামনে দৃশ্যমান হবে এবং তাদেরকে বলবে- তোমরা কি আমার ডাকে সাড়া দেবে না? তারা বলবে- আপনি আমাদেরকে কী আদেশ করেন? তখন সে তাদেরকে আস্তানাসমূহের (অর্থাৎ কবর-মাযার-দরবার-দরগাহ ইত্যাদি) পূজা করতে নির্দেশ দেবে। এমতাবস্থায়ও তাদের রিযিকে প্রশস্ততা থাকবে এবং তাদের জীবন স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।⁹⁴
অর্থাৎ শেষ যামানায় ঈমানদার লোকেরা মারা যাবে। কেবল বেকুব লোকেরা অবশিষ্ট থাকবে, যারা রাত-দিন অন্যের সম্পদ গ্রাস করার ধান্দায় থাকবে, ভালো-মন্দ বাছবিচার করবে না। শয়তান তখন তাদেরকে বলবে- একেবারে বে-দ্বীন হয়ে যাওয়া তো অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। ফলে তাদের মাঝে দ্বীনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু তারা কুরআন-হাদীসের অনুসরণ না করে কেবল নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি দিয়ে দ্বীনের পথ-পন্থা নির্ধারণ করবে। যার দরুন তারা শিরকে লিপ্ত হয়ে পড়বে। আর এই অবস্থায়ও তাদের রিযিকে প্রশস্ততা ও জীবন-যাপনে স্বাচ্ছন্দ্য লাভ হবে। এ কারণে তারা আরও বেশি শিরকে লিপ্ত হবে। তারা ভাববে, আমরা তাদেরকে (অর্থাৎ দরবারসমূহকে) যত বেশি মান্য করি, আমাদের চাহিদাসমূহ তত বেশি পূরণ হয়!
সুতরাং আল্লাহর কৌশলকে ভয় করতে হবে। অনেকসময় বান্দা শিরকে লিপ্ত থাকে এবং গাইরুল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন প্রার্থনা করে। তখন আল্লাহ তাআলা পরীক্ষাস্বরূপ তার প্রয়োজন পূরণ করে দেন। কিন্তু বান্দা মনে করে, আমি সঠিক পথে আছি। অতএব উদ্দেশ্য পূরণ হওয়া-না হওয়াকে মাপকাঠি বানাবেন না এবং এর ভিত্তিতে হক ও তাওহীদের ধর্মকে কখনো ত্যাগ করবেন না। এই হাদীস থেকে বোঝা গেল, মানুষ যতই গুনাহের মাঝে ডুবে যাক, যতই নির্লজ্জ হয়ে যাক, অন্যের অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি না করুক এবং ভালো-মন্দের কোনও বাছবিচার না করুক, তারপরও শিরকে লিপ্ত হওয়া এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে মানার চেয়ে উত্তম। কারণ শয়তান চায়, মানুষ ওই সকল গুনাহ ত্যাগ করে হলেও শিরকে লিপ্ত হোক!
হাদীস- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ: «لَا تَقُوْমُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءٍ دَوْسٍ، حَوْلَ ذِي الْخَلَصَةِ»।
হযরত আবূ হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- কিয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত যুল খালাসার চারদিকে দাউস গোত্রের নারীদের নিতম্ব ঘুরপাক না খাবে।⁹⁵
দাউস আরবের একটি গোত্রের নাম। যুল খালাসা নামে তাদের একটি মূর্তি ছিল। রাসূলের যুগে সেটা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি বলে দিয়েছেন- কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে লোকেরা আবার এই মূর্তিকে মানতে শুরু করবে এবং নারীরা এর চারদিকে তাওয়াফ করবে, ফলে তাদের নিতম্ব দুলতে থাকবে। এই হাদীস থেকে বোঝা গেল, আল্লাহর ঘর ব্যতীত অন্যকিছুর তাওয়াফ করা শিরক এবং কাফেরদের রীতি। তাই কখনো তা করা যাবে না।
টিকাঃ
৯৪. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৯৪০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৬৫৫৫। -অনুবাদক
৯৫. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৯০৬; সহীহ বুখারী, হাদীস ৭১১৬। হাদীসের বাকি অংশ হলো- যুল খালাসা হলো তাবালা নামক স্থানে থাকা একটি মূর্তি, জাহিলী যুগে দাউস গোত্রের লোকেরা যার উপাসনা করত। ইমাম নববী এই হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেন- 'আল্ইয়াত' মানে নিতম্ব। উদ্দেশ্য হলো, যুল খালাসার চারদিকে তাওয়াফ করার সময় আন্দোলিত হবে। অর্থাৎ তারা কাফের হয়ে মূর্তিপূজায় ফিরে যাবে। আর তাবালা হলো ইয়ামানের একটি জায়গা (আল-মিনহাজ শরহে সহীহ মুসলিম ১৮/৩৩)। -নদভী
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ : يَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي أُمَّتِي فَيَمْكُثُ أَرْبَعِيْنَ، ... فَيَبْعَثُ اللَّهُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ، كَأَنَّهُ عُرْوَةُ بْنُ مَسْعُودٍ، فَيَطْلُبُهُ فَيُهْلِكُهُ، ثُمَّ يَمْكُتُ النَّاسُ سَبْعَ سِنِينَ، لَيْسَ بَيْنَ اثْنَيْنِ عَدَاوَةٌ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ رِيحًا بَارِدَةً مِنْ قِبَلِ শَّامِ، فَلَا يَبْقَى عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ خَيْرٍ أَوْ إِيْمَانٍ إِلَّا قَبَضَتْهُ ، حَتَّى لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ دَخَلَ فِي كَبِدِ جَبَلٍ لَدَخَلَتْهُ عَلَيْهِ، حَتَّى تَقْبِضَهُ»، قَالَ: «فَيَبْقَى শِرَارُ النَّاسِ فِي خِفَّةِ الطَّيْرِ وَأَحْلَامِ السَّبَاعِ، لَا يَعْرِفُوْنَ مَعْرُوْفًا وَلَا يُنْكِرُوْنَ مُنكَرًا، فَيَتَمَثَّلُ لَهُمُ শَّيْطَانُ، فَيَقُوْلُ : أَلَا تَسْتَجِيبُوْنَ؟ فَيَقُوْلُوْنَ : فَمَا تَأْمُرُنَا ? فَيَأْمُرُهُمْ بِعِبَادَةِ الْأَوْثَانِ، وَهُمْ فِي ذُلِكَ دَارٌ رِزْقُهُمْ، حَسَنٌ عَيْشُهُمْ...
আবদুল্লাহ বিন আমর রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- আমার উম্মতের মাঝেই দাজ্জালের আবির্ভাব হবে এবং চল্লিশ (দিন) পর্যন্ত অবস্থান করবে, এ সময় আল্লাহ তাআলা ঈসা আলাইহিস সালাম-কে প্রেরণ করবেন, ... তিনি দাজ্জালকে তালাশ করে হত্যা করবেন। অতঃপর সাতটি বছর লোকেরা এমনভাবে অতিবাহিত করবে যে, কোনও দু'ব্যক্তির মাঝে শত্রুতা থাকবে না। তখন আল্লাহ তাআলা শামের দিক থেকে শীতল বাতাস প্রবাহিত করবেন। ফলে দুনিয়ার বুকে এমন কেউ অবশিষ্ট থাকবে না যার অন্তরে অণু পরিমাণ কল্যাণ বা ঈমান থাকবে, বরং এই বাতাসের মাধ্যমে এমন সকলের জান কবজ হয়ে যাবে। এমনকি তোমাদের কেউ যদি পাহাড়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তবে সেখানেও বাতাস তার নিকট প্রবেশ করে তার জান কবজ করবে।
তখন কেবল মন্দ লোকগুলো অবশিষ্ট থাকবে। (প্রবৃত্তি চাহিদা পূরণের দিকে) দ্রুতগামী পাখি ও (জুলুম ও অন্যায় কাজে) জ্ঞানশূন্য হিংস্র প্রাণীর ন্যায় তাদের অবস্থা হবে। তারা ভালোকে ভালো বলে জানবে না এবং মন্দ কাজ দেখে আপত্তি করবে না। এ সময় শয়তান তাদের সামনে দৃশ্যমান হবে এবং তাদেরকে বলবে- তোমরা কি আমার ডাকে সাড়া দেবে না? তারা বলবে- আপনি আমাদেরকে কী আদেশ করেন? তখন সে তাদেরকে আস্তানাসমূহের (অর্থাৎ কবর-মাযার-দরবার-দরগাহ ইত্যাদি) পূজা করতে নির্দেশ দেবে। এমতাবস্থায়ও তাদের রিযিকে প্রশস্ততা থাকবে এবং তাদের জীবন স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।⁹⁴
অর্থাৎ শেষ যামানায় ঈমানদার লোকেরা মারা যাবে। কেবল বেকুব লোকেরা অবশিষ্ট থাকবে, যারা রাত-দিন অন্যের সম্পদ গ্রাস করার ধান্দায় থাকবে, ভালো-মন্দ বাছবিচার করবে না। শয়তান তখন তাদেরকে বলবে- একেবারে বে-দ্বীন হয়ে যাওয়া তো অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। ফলে তাদের মাঝে দ্বীনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু তারা কুরআন-হাদীসের অনুসরণ না করে কেবল নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি দিয়ে দ্বীনের পথ-পন্থা নির্ধারণ করবে। যার দরুন তারা শিরকে লিপ্ত হয়ে পড়বে। আর এই অবস্থায়ও তাদের রিযিকে প্রশস্ততা ও জীবন-যাপনে স্বাচ্ছন্দ্য লাভ হবে। এ কারণে তারা আরও বেশি শিরকে লিপ্ত হবে। তারা ভাববে, আমরা তাদেরকে (অর্থাৎ দরবারসমূহকে) যত বেশি মান্য করি, আমাদের চাহিদাসমূহ তত বেশি পূরণ হয়!
সুতরাং আল্লাহর কৌশলকে ভয় করতে হবে। অনেকসময় বান্দা শিরকে লিপ্ত থাকে এবং গাইরুল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন প্রার্থনা করে। তখন আল্লাহ তাআলা পরীক্ষাস্বরূপ তার প্রয়োজন পূরণ করে দেন। কিন্তু বান্দা মনে করে, আমি সঠিক পথে আছি। অতএব উদ্দেশ্য পূরণ হওয়া-না হওয়াকে মাপকাঠি বানাবেন না এবং এর ভিত্তিতে হক ও তাওহীদের ধর্মকে কখনো ত্যাগ করবেন না। এই হাদীস থেকে বোঝা গেল, মানুষ যতই গুনাহের মাঝে ডুবে যাক, যতই নির্লজ্জ হয়ে যাক, অন্যের অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি না করুক এবং ভালো-মন্দের কোনও বাছবিচার না করুক, তারপরও শিরকে লিপ্ত হওয়া এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে মানার চেয়ে উত্তম। কারণ শয়তান চায়, মানুষ ওই সকল গুনাহ ত্যাগ করে হলেও শিরকে লিপ্ত হোক!
হাদীস- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ: «لَا تَقُوْমُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءٍ دَوْسٍ، حَوْلَ ذِي الْخَلَصَةِ»।
হযরত আবূ হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- কিয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত যুল খালাসার চারদিকে দাউস গোত্রের নারীদের নিতম্ব ঘুরপাক না খাবে।⁹⁵
দাউস আরবের একটি গোত্রের নাম। যুল খালাসা নামে তাদের একটি মূর্তি ছিল। রাসূলের যুগে সেটা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি বলে দিয়েছেন- কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে লোকেরা আবার এই মূর্তিকে মানতে শুরু করবে এবং নারীরা এর চারদিকে তাওয়াফ করবে, ফলে তাদের নিতম্ব দুলতে থাকবে। এই হাদীস থেকে বোঝা গেল, আল্লাহর ঘর ব্যতীত অন্যকিছুর তাওয়াফ করা শিরক এবং কাফেরদের রীতি। তাই কখনো তা করা যাবে না।
টিকাঃ
৯৪. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৯৪০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৬৫৫৫। -অনুবাদক
৯৫. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৯০৬; সহীহ বুখারী, হাদীস ৭১১৬। হাদীসের বাকি অংশ হলো- যুল খালাসা হলো তাবালা নামক স্থানে থাকা একটি মূর্তি, জাহিলী যুগে দাউস গোত্রের লোকেরা যার উপাসনা করত। ইমাম নববী এই হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেন- 'আল্ইয়াত' মানে নিতম্ব। উদ্দেশ্য হলো, যুল খালাসার চারদিকে তাওয়াফ করার সময় আন্দোলিত হবে। অর্থাৎ তারা কাফের হয়ে মূর্তিপূজায় ফিরে যাবে। আর তাবালা হলো ইয়ামানের একটি জায়গা (আল-মিনহাজ শরহে সহীহ মুসলিম ১৮/৩৩)। -নদভী