📘 তাকবিয়াতুল ঈমান তাওহীদের পয়গাম 📄 অসুস্থ ব্যক্তিই ডাক্তারের বেশি মুখাপেক্ষী

📄 অসুস্থ ব্যক্তিই ডাক্তারের বেশি মুখাপেক্ষী


তাদের এই কথার দৃষ্টান্ত হলো, একজন বড় ডাক্তার আর একজন খুব অসুস্থ রোগী। রোগীকে কেউ পরামর্শ দিল, ঐ ডাক্তারের কাছে যাও এবং নিজের চিকিৎসা করাও। রোগী উত্তরে বলল, তাঁর মত বড় ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা করানো তো অত্যন্ত সুস্থ-সবল লোকদের কাজ, আমার মত ভীষণ অসুস্থ ব্যক্তির পক্ষে এটা কীভাবে সম্ভব?

এই রোগী মূলত আহমক এবং ঐ ডাক্তারের ডাক্তারি যোগ্যতাকে অস্বীকারকারী। কারণ ডাক্তারের কাজই তো অসুস্থদের চিকিৎসা করা। আর যে ব্যক্তি কেবল সুস্থদের চিকিৎসা করে এবং তার ঔষধে কেবল সুস্থদেরই ফায়দা হয়, অসুস্থদের কোন ফায়দা হয় না—সে আবার কিসের ডাক্তার?

মোটকথা, যে বেশি মূর্খ, কুরআন-হাদীসের কথা বোঝার জন্য তার বেশি আগ্রহ থাকা উচিত। আর যে বেশি গুনাহগার, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পথে চলার ক্ষেত্রে তার আরো বেশি সচেষ্ট হওয়া উচিত।

সুতরাং আম-খাস নির্বিশেষে সকলেরই কর্তব্য কুরআন-হাদীস অন্বেষণ করা, তা বোঝার চেষ্টা করা, তার উপর পরিচালিত হওয়া এবং সে অনুযায়ী নিজের ঈমানকে সহীহ করা।

📘 তাকবিয়াতুল ঈমান তাওহীদের পয়গাম 📄 ঈমানের দুটি অংশ

📄 ঈমানের দুটি অংশ


ঈমানের দুটি অংশ। আল্লাহকে আল্লাহ হিসেবে মেনে নেওয়া এবং রাসূলকে রাসূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

আল্লাহকে আল্লাহ হিসেবে মেনে নেওয়া হয় এভাবে যে, কাউকে তাঁর শরীক মনে করবে না। আর রাসূলকে রাসূল হিসেবে স্বীকার করা হয় এভাবে যে, তিনি ছাড়া আর কারও পথ অনুসরণ করবে না।

প্রথমটিকে তাওহীদ বলে এবং এর বিপরীতটিকে শিরক বলে। আর দ্বিতীয়টিকে ইত্তিবায়ে সুন্নাত বা সুন্নাতের অনুসরণ বলে এবং এর বিপরীতকে বিদআত বলে।

সুতরাং প্রত্যেকের কর্তব্য হলো, তাওহীদ ও ইত্তিবায়ে সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা এবং শিরক ও বিদআত থেকে সতর্কতার সাথে বেঁচে থাকা। শিরক ও বিদআত—এদুটি জিনিস ঈমানকে ত্রুটিযুক্ত করে আর অন্য সকল গুনাহ আমলকে ত্রুটিযুক্ত করে।

📘 তাকবিয়াতুল ঈমান তাওহীদের পয়গাম 📄 অনুসৃত হবার উপযুক্ত কে?

📄 অনুসৃত হবার উপযুক্ত কে?


সাথে সাথে এটাও খেয়াল রাখা উচিত যে, যিনি তাওহীদ ও ইত্তিবায়ে সুন্নাতের ক্ষেত্রে কামেল হবেন, শিরক-বিদআত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবেন এবং তার সোহবতে মানুষের মধ্যেও এসব গুণ অর্জিত হবে— এমন ব্যক্তিকেই নিজের শাইখ ও উস্তাদ নির্বাচন করবে।

📘 তাকবিয়াতুল ঈমান তাওহীদের পয়গাম 📄 কিতাবের বিষয়বস্তু ও বিন্যাস

📄 কিতাবের বিষয়বস্তু ও বিন্যাস


উক্ত উদ্দেশ্যে বক্ষ্যমাণ পুস্তিকায় সাবলীল অনুবাদ ও ভাবার্থসহ কিছু আয়াত-হাদীস সংকলিত করেছি, যেগুলোর মধ্যে তাওহীদ ও ইত্তিবায়ে সুন্নাতের বর্ণনা এসেছে এবং শিরক-বিদআতের নিন্দা করা হয়েছে। যেন আম-খাস সকলেই সমানভাবে উপকৃত হতে পারে এবং আল্লাহর তাওফীকপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরল পথে চলতে পারে। আর লেখকের জন্য যেন নাজাতের উসিলা হয়ে যায়। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px