📄 রচনাবলি
রচনাবলি
তিনি বেশকিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে চমৎকার হলো 'আস-সিরাতুল মুস্তাকীম'। ফারসী ভাষায় রচিত এই গ্রন্থে মূলত তার শাইখ সাইয়্যেদ আহমাদ শহীদের বাণী ও আমল সংকলন করেছেন। এতে দুটি অধ্যায় রয়েছে তার শাগরেদ শাইখ আবদুল হাই ইবনে হেবাতুল্লাহ সিদ্দীকী বুরহানভী রচিত।
২. 'ইযাহুল হাক্কিস সরীহ ফী আহকামিল মাওতা ওয়াদ্বরীহ'। এতে সুন্নাত-বিদআতের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
৩. 'মানসাবে ইমামাত'। নবুওয়াত ও ইমামাতের মাকাম ও মানসিবের তাহকীকে অদ্বিতীয় একটি কিতাব।
৪. 'মাবহাসু ইমকানিন নাযীরি ওয়ামতিনা'ঈন নাযীর' (পুস্তিকা)। এগুলো সবই ফারসী ভাষায় রচিত।
৫. উসূলে ফিকহ বিষয়ে একটি আরবী মুখতাসার।
৬. রদ্দুল আশরাকি ওয়াল বিদা'। আরবী রিসালাটি দুটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন।
৭. তানবীরুল আইনাইন ফী ইসবাতি রফঈল ইয়াদাইন (আরবী)।
৮. সিলকে নূর (উর্দু)। বিবিধ বিষয়ে।
৯. তাকবিয়াতুল ঈমান। উর্দু ভাষায় তার প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। এটা মূলত 'রদ্দুল আশরাকি ওয়াল বিদা' গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ের অনুবাদ।
১০. 'আবাকাত'। দর্শন ও হিকমত শাস্ত্রে রচিত। এতে তার মেধা ও এই শাস্ত্রে তার সক্ষমতা ফুটে উঠেছে।
স্যার সাইয়্যেদ আহমাদ খান 'আসারুস সানাদীদ' গ্রন্থে বলেন- তিনি মানতিক শাস্ত্রে একটি পুস্তিকা রচনা করেন, যাতে তার দাবি ছিল যে, শাক্লে রাবে' হলো সবচেয়ে সহজবোধ্য আর শাক্লে আউয়াল তার বিপরীত। এই দাবির স্বপক্ষে তিনি এমনসব দলীল হাজির করেছেন, সমসাময়িকদের মধ্যে কেউ সেগুলো খণ্ডন করার সাহস করেনি।
টিকাঃ
৬. মাওলানা সাইয়্যেদ মানাযির আহসান গীলানী রহ. একই নামে এর উর্দু অনুবাদ করেছেন। বর্তমানে এই অনুবাদটি পাওয়া যায়। অনলাইনে এর পিডিএফও সহজলভ্য। -অনুবাদক
📄 মৃত্যু
মৃত্যু
১২৪৬ হিজরীর ২৪ যিলকদে বালাকোট রণাঙ্গনে তিনি আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাতবরণ করেন। তার কবর সেখানে সুপরিচিত।
টিকাঃ
৭. আল্লামা সাইয়্যেদ আবদুল হাই হাসানী রহ-এর 'নুযহাতুল খাওয়াতির ওয়া বাহজাতুল মাসামিয়ি ওয়ান নাওয়াযির' গ্রন্থের ৭ম খণ্ড থেকে সংগৃহিত।