📄 প্রথম পরিচ্ছেদ : সনদের সূক্ষ্ম বিষয়াদি
সনদের সূক্ষ্ম বিষয়াদি [সনদে 'আলী ও নাযিল, মুসালসাল, বয়োকনিষ্ঠদের থেকে বয়োজ্যেষ্ঠদের রিওয়ায়াত, পুত্র থেকে পিতার রিওয়ায়াত, পিতা থেকে পুত্রের রিওয়ায়াত, সমবয়সীদের পরস্পরের রিওয়ায়াত, সাবিক ও লাহিক]
১. সনদে আলী ও নাযিল (الإسناد العالى والنازل)
উপক্রমনিকা: ইসনাদ বা সনদ হচ্ছে এ উম্মাতের জন্য একটি গৌরবময় বৈশিষ্ট্য, যা পূর্ববর্তী অন্য কোন জাতির ছিল না। আর এটি একটি নির্ভরযোগ্য সুন্নাত বা বৈশিষ্ট্য। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য হলো, হাদীস ও খবর বর্ণনায় এর উপর নির্ভর করা। ইবনুল মুবারক বলেছেন, ‘হাদীসের সনদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত। যদি সনদ বর্ণনার প্রথা না থাকতো, তাহলে যার যা খুশী তাই বলতো।’ ইমাম সাওরী বলেছেন, ‘সনদ হচ্ছে মুমিনদের হাতিয়ার।’ এবং এতে উঁচু মর্যাদা অন্বেষণ করাও সুন্নত। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (র) বলেছেন, ‘সনদে আলী (উচ্চ মানের সনদ) অন্বেষণ করা সালফে সালিহীনের সুন্নাত।’ এ কারণে হাদীস অন্বেষণের জন্য সফর করা মুস্তাহাব।
সংজ্ঞা:
(ক) আভিধানিক অর্থ: 'আল আলী' আরবী আল উলুষ্যুন থেকে ইসমে ফায়িল। অর্থ- উচ্চতর। আর আন্নাযিল অর্থ- নিম্নতর।
(খ) পারিভাষিক অর্থ: সনদে আলী ঐ সদনকে বলা হয়, যার বর্ণনাকারীর সংখ্যা অন্যান্য সনদের তুলনায় কম। সনদে নাযিল ঐ সনদকে বলা হয়, যার বর্ণনাকারীর সংখ্যা অন্যান্য সনদের তুলনায় অধিক।
উলূষ্য এর প্রকারভেদ: এটি পাঁচ ভাগে বিভক্ত।
(ক) বিশুদ্ধ ও উত্তম সনদের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছান। একে উলুয়্যে মুতলাক বলা হয়ে থাকে।
(খ) হাদীসের ইমামদের মধ্যে যে কোন একজন ইমাম পর্যন্ত পৌঁছা।
(গ) সিহাহ্ সিত্তার যে কোন গ্রন্থ অথবা অন্য যে কোন নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ পর্যন্ত পৌছান। মুতাআখখিরীনের মূল্যায়ন হলো, এর দ্বারা আলমুওয়াফাকাহ, আল আবদাল, আলমুসাওয়াহ এবং আলমুসাফাহ্ কে বুঝানো হয়েছে।
(ঘ) রাবীর পূর্ব মৃত্যু হিসেবে উলুয়্যু।¹⁹⁰
(ঙ) পূর্বের সামা হিসেবে উলুয়্য।
২. মুসালসাল (المسلسل)
সংজ্ঞা:
(ক) আভিধানিক অর্থ: এটি আরবী সিলসিলাহ থেকে ইসমে মাফউল। শিকলের আংটাগুলো যেমন পরস্পর সমান ও একটির সাথে অন্যটি সংযুক্ত থাকে, এর সাথে সাদৃশ্য থাকার কারণে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
(খ) পারিভাষিক অর্থ: যে হাদীসের রাবীগণ কখনো পূর্বের রাবীদের গুণাবলী বা অবস্থা আবার কখনো রওয়ায়াতের গুণাবলী বা অবস্থা ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করেছেন, তাকে মুসালসাল বলা হয়।
৩. বয়োকনিষ্ঠদের কাছ থেকে বয়োজ্যেষ্ঠদের রিওয়ায়াত (রওয়ায়েতুল আকাবির আনিস সাগির)
সংজ্ঞা: কোন রাবীর এমন কোন ব্যক্তি থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করা যিনি বয়সের দিক দিয়ে তাঁর চেয়ে ছোট এবং স্তর হিসেবে তাঁর থেকে নিম্নস্তরের।
উপকারিতা: এর উপকারিতা হলো এই, যাতে এ ধারণা সৃষ্টি না হয় যে, ছাত্র থেকে তার শিক্ষক উত্তম। আর যাতে এ ধারণা না জন্মে যে, সনদের মধ্যে উলট পালট হয়েছে।
৪. পুত্রের কাছ থেকে পিতার রিওয়ায়াত
হাদীসের সনদের মধ্যে কখনো এরূপ পরিলক্ষিত হয় যে, পিতা তাঁর পুত্র থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করেন। যেমন আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব তাঁর পুত্র ফদল থেকে একটি হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন।
৫. পিতার কাছ থেকে পুত্রের রিওয়ায়াত
সনদে কখনো এরূপ দেখা যায় যে, পুত্র শুধু তাঁর পিতা থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, অথবা রাবী তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। যেমন- আমর ইবনে শুআইব তার পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।¹⁹⁸
৬. সমবয়সীদের পরস্পরের রিওয়ায়াত (রিওয়ায়াতুল আকরান)
সনদ ও বয়সের দিক দিয়ে পরস্পর কাছাকাছি হওয়াকে পরিভাষায় আল আকরান বলা হয়। দুজন সতীর্থের একজন অপরজন থেকে রিওয়ায়াত করাকে পরিভাষায় মুদাব্বাজ বলে।
৭. সাবিক ও লাহিক
কোন শাইখ থেকে এমন দু'জন রাবী কর্তৃক হাদীস রিওয়ায়াত করা যাঁদের উভয়ের মৃত্যুসনের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান বিদ্যমান। যেমন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস সাররাজ একজন উস্তাদ, তাঁর থেকে ইমাম বুখারী ও খাফ্ফাফ উভয়ই হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। আর তাঁদের ইন্তিকালের মধ্যে ব্যবধান ১৩৭ বছর।²⁰⁴
টিকাঃ
১৮৭. অর্থাৎ ইমাম বুখারী যে সনদে রিওয়ায়াত করেছে হুবহু সে সনদে রিওয়ায়াত করলে।
১৮৮. আবুল আব্বাস আসসিরাজ ইমাম বুখারীর একজন উস্তাদ।
১৮৯. শারহু নুখবাতিল ফিকাহ পৃ. ৬১।
১৯০. আততাকরীব বিশারহিত তাদবীর ২য় খ. পৃ. ১৬৮।
১৯১. যেমন সনদে নাযিল-এর রাবী যদি সনদে আলী এর রাবী থেকে অধিক নির্ভরযোগ্য কিংবা অধিক হিফাযাত কারী অথবা ফিকহ সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী হন।
১৯২. ইমাম আবু দাউদ এ হাদীসটি সংকলন করেছেন।
১৯৩. ইমাম হাকিম, মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস পৃ. ৪২।
১৯৪. ইমাম হাকিম, মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস পৃ. ৪০।
১৯৫. মালিক হলেন ইমাম ও হাফিযে হাদীস। আর আবদুল্লাহ্ ইবনে দীনার হলেন শুধু একজন রাবী উস্তাদ। তবে তিনি মালিক থেকে বয়সে বড় ছিলেন।
১৯৬. কেননা রাবী খতীব থেকে বয়সে বড় ছিলেন। এছাড়া তিনি তাঁর শিক্ষক হওয়ার কারণে ইলম ও মর্যাদার দিক দিয়েও তাঁর চেয়ে অধিক সম্মানিত ছিলেন।
১৯৭. তাঁর নাম ও তাঁর পিতার নাম সম্পর্কে কয়েকটি অভিমত বর্ণিত হয়েছে। প্রসিদ্ধ অভিমত হলো, তাঁর নাম উসামা এবং তাঁর পিতার নাম মালিক।
১৯৮. জাদ্দিহি (দাদা) দ্বারা প্রসিদ্ধ সাহাবী আবদুল্লাহ্ ইবনে আমর কে বুঝানো হয়েছে।
১৯৯. আলকামুস ৪র্থ খ. পৃ. ২৬।
২০০. আত্তাকারুব ফিল ইস্সাদ মানে--একই স্তরের শাইখ থেকে উভয়েরই হাদীস রিওয়ায়াত করা।
২০১. সাধারণত ছাত্ররা শিক্ষক থেকে রিওয়ায়াত করে থাকেন। এর ব্যতিক্রমে যখন তাঁর সহপাঠী থেকে রিওয়ায়াত করবেন তখন এ বিষয়ে অনভিজ্ঞ লোকের ধারণা হতে পারে যে, সহপাঠী শিক্ষকের নাম উল্লেখে পাণ্ডুলিপি প্রণেতা ভুল করেছেন।
২০২. পাঠকের যেন এ ধারণা না জন্মে যে, এখানে ওয়াও দ্বারা আন কে পরিবর্তন করা হয়েছে।
২০৩. মুহাম্মদ ইবনে 'ইসহাক আস্সাররাজ' ২৯৬ হি. সনে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং ৩৯৩ হি. সনে ইন্তিকাল করেছেন। তিনি ৯৭ বছর বয়স পেয়েছিলেন।
২০৪. ইমাম বুখারী ইন্তিকাল করেছেন ২৫৬ হি. সনে আর আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল খাফফাফ নীসাপুরী মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৯৩ অথবা ৩৯৪ মতান্তরে ৩৯৫ হি. সনে।
📄 দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : রাবীগণের পরিচয়
১. সাহাবায়ে কিরাম এর পরিচয়
সংজ্ঞা: যিনি মুসলিম অবস্থায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ইসলামের ওপরই মৃত্যুবরণ করেছেন, তিনিই সাহাবী।
সমস্ত সাহাবায়ে কিরাম ই আদিল। আহলুসসুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সম্মিলিত মতানুযায়ী সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) অতঃপর উমর (রা)। সাহাবীদের সংখ্যা এক লাখ চৌদ্দ হাজারের অধিক ছিল।²⁰⁶ সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী সাহাবী হলেন আবূ তুফাইল আমির ইবনে ওয়াছিলাহ্ আললাইছী (১১০ হি.)।²⁰⁷
২. তাবিঈদের পরিচয়
যিনি মুসলিম অবস্থায় কোন সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ইসলামের ওপর মৃত্যুবরণ করেছেন, তিনিই তাবিঈ। তাবিঈগণের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়িব। মুখদারামুন হলেন তাঁরা, যাঁরা জাহিলিয়্যাতের যুগ ও নবী করীম (সা)-এর যুগ পেয়েছেন কিন্তু তাঁর দর্শন লাভ করেননি।
৩. ভাই-বোনদের পরিচয়
এর উপকারিতা হলো যাতে দু'জন রাবীর পিতার নাম এক হওয়াতে যেন এ সন্দেহ সৃষ্টি না হয় যে, এরা দু'জন পরস্পর ভাই। যেমন সাত ভাই-এর উদাহরণ: নুমান, মা'কিল, আকীল, সুওয়াইদ, সিনান, আবদুর রহমান ও আবদুল্লাহ (রা) এঁরা সবাই মিকরান এর পুত্র এবং মুহাজির সাহাবী ছিলেন।²¹¹
৪. মুত্তাফিক ও মুফতারিক
রাবীর নিজের নাম ও পিতার নাম লিখায় এবং উচ্চারণে এক হওয়া অথচ তাঁরা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি। যেমন- খলীল ইবনে আহমাদ নামের ছয় ব্যক্তি আছেন।
৫. মু'তালিফ ও মুখতালিফ
রাবীর নাম, লকব ও কুনিয়াত লিখায় মিল এবং উচ্চারণে গরমিল হওয়া। যেমন- সালাম এবং সাল্লাম (তাশদীদসহ)।
৬. মুতাশাবিহ
রাবীদের নাম লেখা ও উচ্চারণে এক হওয়া এবং পিতার নাম লেখায় এক ও উচ্চারণে বিভিন্ন হওয়া অথবা এর উল্টো হওয়া।
৭. মুহমাল
কোন রাবী কর্তৃক এমন দু'ব্যক্তি থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করা যাঁদের নাম এক ও অভিন্ন, আর অন্য কোন উপায়ে তাঁদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা যায় না।
৮. মুবহামাত
ঐ রাবী যাঁর নাম মতন অথবা সনদের মধ্যে অস্পষ্ট থাকে। যেমন- পুরুষ (রজুলুন) অথবা নারী (ইমরাআতুহু) শব্দ উল্লেখ করা।
৯. উদান
ঐসব রাবী যাঁদের কাছ থেকে শুধুমাত্র একজন রাবী ব্যতীত অন্য কেউ রিওয়ায়াত করেননি।
১০. একাধিক নাম অথবা গুণসম্পন্ন রাবী
ঐ রাবী যিনি একাধিক নাম অথবা উপাধি বা কুনিয়াতে ভূষিত হয়েছেন। যেমন- মুহাম্মাদ ইবনে আস সায়িব আল কালবীকে কেউ কেউ আবু নাদর বা আবু সাঈদ নামে ডাকেন।
১১. একক নাম, উপনাম ও লকব
রাবীর এমন নাম যা অন্য কারো নেই। যেমন- সাহাবীদের মধ্যে সানদার।
১২. উপনামে প্রসিদ্ধ রাবী
যিনি উপনামে (কুনিয়াত) পরিচিতি লাভ করেছেন। যেমন- আবু তুরাব হযরত আলী (রা)-এর উপাধি।
১৩. লকব-এর পরিচয়
গুণাবলী যা ব্যক্তির মর্যাদা বা অমর্যাদার ইঙ্গিত বহন করে। যেমন- গুনদুর (মুহাম্মাদ ইবনে জা'ফর)।
১৪. পিতা ছাড়া অন্যের সাথে সম্পৃক্ত রাবী
যাঁরা মা অথবা দাদার সাথে পরিচিত। যেমন- মুহাম্মাদ ইবনে হানফিয়্যাহ।
১৫. প্রকাশ্যের পরিপন্থি নসব
কোন রাবী স্থান বা পেশার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পরিচিত কিন্তু তা তাঁর প্রকৃত নসব নয়। যেমন- খালিদ আলহায্যা (তিনি মুচী ছিলেন না)।
১৬. রাবীগণের জীবন-ইতিহাস (তাওয়ারীখ)
রাবীদের জন্ম, মৃত্যু ও শিক্ষা সফরের তারিখ। তারিখ ব্যবহারের মাধ্যমেই মিথ্যাবাদীদের গোমর ফাঁস করা সম্ভব হয়।
১৭. ত্রুটি দেখা দিয়েছে এমন সিকাহ রাবী (ইখতিলাত)
অধিক বয়স বা অন্য কারণে স্মৃতিভ্রম হওয়া। যেমন- আতা ইবনে সা'য়িব। এঁদের ইখতিলাত-এর পূর্বের রিওয়ায়াত গ্রহণযোগ্য।
১৮. উলামায়ে কিরাম ও রাবীদের বিভিন্ন স্তর (তাবাকা)
এমন শ্রেণীর লোক যাঁরা বয়স এবং সনদ অথবা শুধু সনদের দৃষ্টিকোণ থেকে পরস্পর নিকটবর্তী।
১৯. আযাদকৃত রাবী (মাওলা)
যিনি কারো সাথে চুক্তিবদ্ধ আছেন অথবা আযাদকৃত। যেমন- ইমাম বুখারী আলজুফী (তিনি চুক্তিবদ্ধ মাওলা)।²²⁶
২০. সিকাহ্ ও দুর্বল রাবী
পূর্ণ সংরক্ষণশক্তি ও আদালাতসম্পন্ন রাবীকে সিকাহ বলা হয়। এর মাধ্যমেই সহীহ্ ও যঈফ হাদীসের পরিচয় জানা যায়।
২১. রাবীগণের জন্মস্থান ও দেশ
রাবীদের আবাসস্থলের পরিচয় জানা, যাতে অভিন্ন নামের রাবীদের মধ্যে পার্থক্য করা যায়।
টিকাঃ
১৮৪. মুকাসসিরীন (অধিক রিওয়ায়াতকারী) সাহাবীর সংখ্যা ছয় বা সাত জন।
২০৫. রাসূল (সা)-এর ওয়াফাতের পর একশ বছরের পরে কেউ সাহাবী হওয়ার দাবী করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
২০৬. আত্তাকরীর মাআততাদবীর ২য় খ. পৃ. ২২০।
২০৭. আবু তুফাইল এর মৃত্যুর ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। শেষোক্ত মতটিকে ইমাম যাহাবী সঠিক বলে অভিহিত করেছেন।
২০৮. মদীনার সাতজন শ্রেষ্ঠ ফকীহ সম্পর্কে বিভিন্ন ইমামের অভিমত।
২০৯. ছোট উন্মুদ দারদা হুজাইমা ছিলেন আবু দারদার স্ত্রী।
২১০. দেখুন: আর রিসালাহ্ আল মুস্তাত্রাফাহ পৃ. ১০৫।
২১১. মিকরান এর সাত পুত্রই ছিলেন সৌভাগ্যবান মুহাজির সাহাবী।
২১২. আবুল আব্বাস আস্সাররাজ (৩১৩ হি.) তাঁর যুগের নীসাপুরের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ছিলেন।
২১৩. শুধু নাম এক ও অভিন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার দৃষ্টান্ত বিরল।
২১৪. এটি খতীব বাগদাদীর গ্রন্থে উল্লেখিত একটি আশ্চর্য উদাহরণ।
২১৫. দেখুন: শারহু নুখবাতিল ফিকর পৃ. ৬৮।
২১৬. এ গ্রন্থের একটি অসম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপি ইস্তাম্বুলে পাওয়া যায়।
২১৭. গরমিল নূক্তাযুক্ত বা নুকতাহীন হওয়ার কারণে হতে পারে।
২১৮. নামের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে।
২১৯. এ প্রকারটি মুত্তাফিক ও মুফতারিক এবং মু'তালিফ ও মুখতালিফ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
২২০. যেমন রাবীদের নাম উচ্চারণে পার্থক্য হওয়া কিন্তু তাঁদের পিতার নাম লিখতে ও উচ্চারণে এক হওয়া।
২২১. একে আলমুশতাবাহ আলমাকলুবও বলা হয়।
২২২. এ বিষয়ের উপর খতীব আল বাগদাদীর গ্রন্থটি অতুলনীয়।
২২৩. এটি দ্বি-বচন তাস্ঙ্গীর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২২৪. ইমাম তিরমিযীর জন্ম তারিখের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।
২২৫. দেখুন: তাদরীবুর রাবী ২য় খ. পৃ. ৩৮১।
২২৬. দেখুন: আলকামূস ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৪০৪।