📄 প্রথম পাঠ : সনদের শেষাংশ হিসেবে খবর-এর প্রকারভেদ
সনদের শেষাংশ হিসেবে খবর চার ভাগে বিভক্ত: হাদীসে কুদসী, মারফু, মাওকুফ এবং মাকতূ।
১. হাদীসে কুদসী:
ঐ রিওয়ায়াত যা নবী করীম (সা) থেকে বর্ণিত এবং তিনি তা আল্লাহ রাব্বুল ইয্যাতের তরফ থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। এর অর্থ আল্লাহর পক্ষ থেকে কিন্তু শব্দ বা ভাষা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর।
২. মারফু:
যে খবর বা বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বাণী, কর্ম, সমর্থন অথবা তাঁর কোন গুণ বর্ণিত হয়েছে।
৩. মাওকূফ:
মাওকুফ ঐ হাদীস যাতে সাহাবীর বাণী, কর্ম অথবা সমর্থন বর্ণিত হয়েছে। এটি সাহাবা পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।
৪. মাকতূ:
মাকতূ ঐ রিওয়ায়াত যা তাবিঈ অথবা তাঁর নিম্ন স্তরের রাবীর সাথে সম্পৃক্ত।
টিকাঃ
১২৪. আলকামূস, ১ম খ., পৃ. ২৪৮।
১২৫. সহীহ্ মুসলিম, ১৬শ খ. পৃ. ১৩১।
১২৬. সহীহ বুখারী।
১২৭. সহীহ্ বুখারী, তায়াম্মুম পর্ব ১ম খ. পৃ. ৮২।
১২৮. যুহরী ও 'আতা উভয়ই তাবিঈ।
১৩৯. মুখারী ও মুসলিম।
১৪০. বুখারী ১ম খ. পৃ. ৪২।
১৪১. সহীহ্ বুখারী ১ম খ. পৃ. ৮৫, আযান পর্ব।
১৪২. সহীহ বুখারী ও মুসলিম, জানাযাহ্ পর্ব।
১৪৩. সহীহ্ বুখারী ও মুসলিম কিতাবুন্ নিকাহ।
১৪৪. সহীহ্ বুখারী, জিহাদ পর্ব।
১৪৫. সহীহ্ মুসলিম নিকাহ পর্ব।
১৪৬. তাবিঈ: যিনি সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং মুসলমান অবস্থায় ইন্তিকাল করেছেন।
১৪৭. সহীহ্ বুখারী: ১ম খ., পৃ. ১৫৭।
১৪৮. হুলিয়াতুল আওলিয়াই: ২য় খ., পৃ. ৯৬।
📄 দ্বিতীয় পাঠ : মাকবুল ও মারদুদ-এর মধ্যে সম্পর্কযুক্ত অন্যান্য রিওয়ায়াত
সনদের দৃষ্টিকোণ থেকে হাদীসের বিভিন্ন প্রকারগুলো হলো:
১. মুসনাদ:
ঐ মারফু রিওয়ায়াত যার সনদ নবী করীম (সা) পর্যন্ত মুত্তাসিল।
২. মুত্তাসিল:
যে রিওয়ায়াতের সনদ মুত্তাসিল (বা অবিচ্ছিন্ন) তা সে সনদ মারফু হোক, কিংবা মাওকুফ।
৩. সিকাহ রাবীর অতিরিক্ত বিবরণ:
কোন সিকাহ রাবীর ঐ অতিরিক্ত সংযোজন, যা অন্য কোন সিকাহ রাবী থেকে বর্ণিত হয়নি। এটি গ্রহণযোগ্য যদি তা অধিক শক্তিশালী রাবীর বর্ণনার পরিপন্থী না হয়।
৪. ই’তিবার, মুতাবি ও শাহিদ:
ই’তিবার হলো কোন রাবীর একাকী হাদীস রিওয়ায়াতের সময় অন্য কেউ তা বর্ণনা করেছেন কিনা তা অনুসন্ধান করা।
মুতাবি হলো ঐ হাদীস যা হাদীসে ফারদ-এর সাথে সামঞ্জস্য রাখে এবং সাহাবী রাবী অভিন্ন হন।
শাহিদ হলো ঐ হাদীস যা হাদীসে ফারদ-এর সাথে সামঞ্জস্য রাখে কিন্তু সাহাবী রাবী ভিন্ন হন।
টিকাঃ
১৪৯. এ পর্বে সনদের দৃষ্টিকোণ থেকে হাদীসের বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
১৫০. মুসনাদ এর এ সংজ্ঞাটি ইমাম হাকিম ও হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী প্রাধান্য দিয়েছেন।
১৫১. সহীহ্ বুখারী: ১ম খ. পৃ. ৪৭।
১৫২. এ সনদটি মুত্তাসিল। কেননা এর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কোন রাবী পরিত্যক্ত হয়নি।
১৫৩. এ সনদে কোন ইনকিতা নেই। তবে যেহেতু এটা সাহাবীর কথা তাই একে মাওকুফ বলা হয়েছে।
১৫৪. উলূমুল হাদীস: পৃ. ৭৭ এবং আলকিফায়াহ পৃ. ২৪২।
১৫৫. এটি হলো শাফিঈ ও মালিকী মাযহাব। হানাফীদের নিকট এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
১৫৬. সহীহ্ মুসলিম বিশারহিন নববী: ৩য় খ., পৃ. ১৮২।
১৫৭. সহীহ্ বুখারী: ১ম খ. পৃ. ২৯।
১৫৮. জামি তিরমিযী ১ম খ. পৃ. ১৩৬, আবওয়াবুস সাওম।
১৫৯. সহীহ মুসলিম: ২য় খ. পৃ. ৬৩।
১৬০. সহীহ মুসলিম: ২য় খ. পৃ. ৬৩।
১৬১. খতীব বলেছেন, এটাই আমাদের নিকট বিশুদ্ধ অভিমত।
১৬৩. শরহু নুখবাতিল ফিকর পৃ. ২৪৪।
১৬৪. শরহু নুখবাতিল ফিক্স, পৃ. ৩৪।
১৬৫. কিতাবুল উম, ২য় খ. পৃ. ৯৪।
১৬৬. সহীহ্ বুখারী: ১ম খ. পৃ. ২৫২।
১৬৭. সহীহ্ ইবনে যুখাইমাহ্ ৩য় খ. পৃ. ২০২।
১৬৮. সুনানু নাসাঈ, ৪র্থ খ., পৃ. ১৩৩।