📄 টাকশাল প্রতিষ্ঠা
'আবদুল মালিকের খিলাফতকালের পূর্বে ইসলামী খিলাফতে রোমান মুদ্রা চালু ছিল। তিনি সর্বপ্রথম টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী মুদ্রা চালু করেন।
টিকাঃ
৬৪৬. তারীখ আল-খুলাফা'-২১৮
'আবদুল মালিকের খিলাফতকালের পূর্বে ইসলামী খিলাফতে রোমান মুদ্রা চালু ছিল। তিনি সর্বপ্রথম টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী মুদ্রা চালু করেন।
টিকাঃ
৬৪৬. তারীখ আল-খুলাফা'-২১৮
📄 বস্ত্রশিল্পের উন্নতি
খলীফা সুলায়মান ইবন 'আবদিল মালিক পোশাকের ব্যাপারে অত্যন্ত রুচিশীল মানুষ ছিলেন। সুন্দর, দামী, মোলায়েম, বিভিন্ন রংগের ও নকশা করা কাপড়ের তৈরি পোশাক ছিল তাঁর অতি পছন্দের। নিজের বংশের লোক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকেও তিনি এ রকম কাপড় ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতেন। এর ফলে তাঁর পছন্দের কাপড় ভীষণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। আর এ কারণে বস্ত্র শিল্পের দারুণ উন্নতি ঘটে। মাস'উদী বলেন: তাঁর সময়ে ইয়ামন, কৃষ্ণা ও ইসকান্দারিয়ায় রঙ্গিন ও উৎকৃষ্ট কাপড় তৈরি হতো। মানুষ সেই কাপড়ের জুব্বা, চাদর, পায়জামা, পাগড়ী ও টুপি পরতো।
টিকাঃ
৬৪৭. মুরূজ আয-যাহাব (নাফহুত তীব)-২/৬১১
খলীফা সুলায়মান ইবন 'আবদিল মালিক পোশাকের ব্যাপারে অত্যন্ত রুচিশীল মানুষ ছিলেন। সুন্দর, দামী, মোলায়েম, বিভিন্ন রংগের ও নকশা করা কাপড়ের তৈরি পোশাক ছিল তাঁর অতি পছন্দের। নিজের বংশের লোক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকেও তিনি এ রকম কাপড় ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতেন। এর ফলে তাঁর পছন্দের কাপড় ভীষণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। আর এ কারণে বস্ত্র শিল্পের দারুণ উন্নতি ঘটে। মাস'উদী বলেন: তাঁর সময়ে ইয়ামন, কৃষ্ণা ও ইসকান্দারিয়ায় রঙ্গিন ও উৎকৃষ্ট কাপড় তৈরি হতো। মানুষ সেই কাপড়ের জুব্বা, চাদর, পায়জামা, পাগড়ী ও টুপি পরতো।
টিকাঃ
৬৪৭. মুরূজ আয-যাহাব (নাফহুত তীব)-২/৬১১
📄 জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতি ও প্রসারে অবদান
জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন কোন শাখা ও শাস্ত্র নেই যার উন্নতি, প্রসার, বিন্যাস, লিপিবদ্ধকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে উমাইয়্যা খলীফাদের অবদান লক্ষ্য করা যায় না।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন কোন শাখা ও শাস্ত্র নেই যার উন্নতি, প্রসার, বিন্যাস, লিপিবদ্ধকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে উমাইয়্যা খলীফাদের অবদান লক্ষ্য করা যায় না।
📄 কুরআন মাজীদ, তাফসীর ও অন্যান্য শাস্ত্রের ভাষান্তর
কুরআন মাজীদ: কুরআন মাজীদ হলো সকল ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস। এ মহাগ্রন্থের বিন্যাস ও লিপিবদ্ধকরণের কাজ খিলাফতে রাশেদার আমলে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে তখন তাতে নুকতা ও ই'রাব লাগানো হয়নি। এতে কুরআন পাঠ আরবদের জন্য বিশেষ কষ্টকর না হলেও অনারব মুসলমানদের জন্য ছিল দারুণ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ইরাকে কুরআনের ভুল পাঠ চালু হওয়া লক্ষ্য করে হাজ্জাজ ইবন ইউসুফ সাথে সাথে তা প্রতিবিধানে তৎপর হন এবং একই আকৃতির বর্ণে নুকতা লাগান। এর পরেও ভুল হতে থাকলে পরবর্তীতে অন্যরা ই'রাব প্রয়োগ করেন।
তাফসীর: এ যুগেই তাফসীর লিপিবদ্ধ হয় এবং বড় বড় মুফাস্সিরের জন্ম হয়। তাফসীরের প্রথম লিখিত গ্রন্থটি হযরত সা'ঈদ ইবন জুবায়র (রহ)-এর এবং তিনি এ কাজটি করেন খলীফা 'আবদুল মালিকের অনুরোধে।
হাদীছ: হাদীছ লেখা ও গ্রন্থাবদ্ধ করার যে অনন্য গৌরব তাও বানু উমাইয়্যাদের। 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযের (রহ) জীবনীতে তার কিছু আলোচনা এসেছে।
আরবী ব্যাকরণ: আরবী ব্যাকরণ লেখার প্রাথমিক কাজও এ যুগে হয়। আবুল আসওয়াদ আদ-দুওয়ালী যিয়াদ ইবন আবীহ্'র নিকট ইল্ম নাহ্'র মূল নীতিগুলো লেখার অনুমতি চান। যিয়াদ প্রথমে অনুমতি না দিলেও কিছু দিন পরে দেন।
ইতিহাস: ইতিহাস লেখা ও বিন্যস্ত করার কাজটির শুরু এবং আরবদের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচিত হয় এ যুগে। একদিকে সীরাত ও মাগাযী শাস্ত্রের বড় বড় 'আলিম, যেমন ওয়াহাব ইবন মুনাব্বিহ্, মুহাম্মাদ ইবন মুসলিম আয-যুহরী, মূসা ইবন 'উকবা, 'আওয়ানা প্রমুখ এই শাস্ত্রের বিষয়বস্তু সংগ্রহ, বিন্যাস ও লেখার কাজে ব্যস্ত ছিলেন, অন্যদিকে বানু উমাইয়্যা খলীফাদেরও ইতিহাসের প্রতি বিশেষ আগ্রহ ও আকর্ষণ ছিল। আল্লামা মাস'উদী তাঁর 'মুরূজ আয-যাহাব' গ্রন্থে হযরত মু'আবিয়ার (রা) প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি সর্বদা 'ঈশার নামাযের পর প্রথমে মন্ত্রীদের সাথে আলোচনা, পরামর্শ করতেন। তারপর প্রাচীন ইতিহাসের ঘটনাবলী শুনতেন। ইয়ামনের সান'আর 'উবাইদ ইবন শারিয়্যা নামক এই শাস্ত্রের একজন বিশেষজ্ঞকে ডেকে আনেন এবং তাঁর মুখে ইতিহাসের বহু কাহিনী ও ঘটনা শোনেন। তিনি তা একটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করান যা 'উবাইদ ইবন শারিয়্যার প্রতি আরোপ করা হয়।
খলীফা হিশামের আগ্রহ ও আনুকূল্যে আরবী সাহিত্য ভাণ্ডারে আরো অনেক রচনার সমাবেশ ঘটে। তাঁর জন্যই জাবালা ফার্সী ভাষার কিছু ইতিহাস গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। হিশাম নিজে "তারীখু মুলুক আল-ফুরস" আরবীতে অনুবাদ করান। এ গ্রন্থে বিধৃত হয়েছে পারস্য সাম্রাজ্যের আইন-কানুন ও শাহান শাহে ইরানের জীবন চিত্র।
গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভাষান্তর: গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের আরবীতে অনুবাদ করার সূচনাও হয় উমাইয়্যা যুগে। ইবন আছাল হযরত মু'আবিয়ার (রা) জন্য গ্রীক ভাষায় রচিত বেশ কয়েকটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাই ছিল কোন অনারব ভাষার গ্রন্থের আরবী অনুবাদ।
মারওয়ান ইবন হাকামের সময়ে মাসির জুওয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের একখানা গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। অনুবাদটি হযরত 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয (রহ) সরকারী গ্রন্থাগারে পান এবং সেটির একাধিক কপি করে খিলাফতের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান।
বানু উমাইয়্যা খান্দানে খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মু'আবিয়া ছিলেন এমন এক ব্যক্তি যাঁকে 'হাকীমু আলে মারওয়ান' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি গ্রীক ও কিবতী ভাষায় রচিত অনেকগুলো রসায়ন শাস্ত্রের গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করান। হিশাম ইবন 'আবদিল মালিকের সময় পারস্যের ইতিহাস ছাড়াও কিছু গ্রীক গ্রন্থেরও আরবী অনুবাদ হয়।
স্পেনের উমাইয়্যা শাসকরাও এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাঁদের সময়ে স্পেনবাসী গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের দিকে দৃষ্টি দেয়। তাঁদের সময়ে সেখানে চিন্তা-দর্শনের বড় বড় মনীষীর জন্ম হয়। স্পেনের এই নতুন জ্ঞান চর্চা শুরু হয় হিজরী তৃতীয় শতকের মাঝামাঝি এবং চতুর্থ শতকের মাঝামাঝিতে তা উন্নতির চূড়ান্তে পৌঁছে। এরপর আমীর আল-হাকাম আল-মুসতানসির বিল্লাহ ইবন 'আবদির রহমান আন-নাসির লি দীনিল্লাহ বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানচর্চার দিকে সীমাহীন মনোযোগ দেন। তিনি বাগদাদ, মিসর ছাড়াও প্রাচ্যের বিভিন্ন শহর থেকে পুরাতন ও নতুন জ্ঞানের বহু অনুপম গ্রন্থ সংগ্রহ করে স্পেনে নিয়ে যান।
টিকাঃ
৬৪৮. প্রাগুক্ত-২/৪২৭
৬৪৯. ইবন নাদীম, কিতাবুল ফিরিস্ত-১৩২
৬৫০. প্রাগুক্ত-৩৩৮, ৩৯৭; ইবন খাল্লিকান, ওয়াফয়াত আল-আ'লাম-১/১৬৮
৬৫১. ইবন সা'য়িদ আল-আন্দালুসী, তাবাকাত আল-উমাম-৬৬
কুরআন মাজীদ: কুরআন মাজীদ হলো সকল ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস। এ মহাগ্রন্থের বিন্যাস ও লিপিবদ্ধকরণের কাজ খিলাফতে রাশেদার আমলে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে তখন তাতে নুকতা ও ই'রাব লাগানো হয়নি। এতে কুরআন পাঠ আরবদের জন্য বিশেষ কষ্টকর না হলেও অনারব মুসলমানদের জন্য ছিল দারুণ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ইরাকে কুরআনের ভুল পাঠ চালু হওয়া লক্ষ্য করে হাজ্জাজ ইবন ইউসুফ সাথে সাথে তা প্রতিবিধানে তৎপর হন এবং একই আকৃতির বর্ণে নুকতা লাগান। এর পরেও ভুল হতে থাকলে পরবর্তীতে অন্যরা ই'রাব প্রয়োগ করেন।
তাফসীর: এ যুগেই তাফসীর লিপিবদ্ধ হয় এবং বড় বড় মুফাস্সিরের জন্ম হয়। তাফসীরের প্রথম লিখিত গ্রন্থটি হযরত সা'ঈদ ইবন জুবায়র (রহ)-এর এবং তিনি এ কাজটি করেন খলীফা 'আবদুল মালিকের অনুরোধে।
হাদীছ: হাদীছ লেখা ও গ্রন্থাবদ্ধ করার যে অনন্য গৌরব তাও বানু উমাইয়্যাদের। 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযের (রহ) জীবনীতে তার কিছু আলোচনা এসেছে।
আরবী ব্যাকরণ: আরবী ব্যাকরণ লেখার প্রাথমিক কাজও এ যুগে হয়। আবুল আসওয়াদ আদ-দুওয়ালী যিয়াদ ইবন আবীহ্'র নিকট ইল্ম নাহ্'র মূল নীতিগুলো লেখার অনুমতি চান। যিয়াদ প্রথমে অনুমতি না দিলেও কিছু দিন পরে দেন।
ইতিহাস: ইতিহাস লেখা ও বিন্যস্ত করার কাজটির শুরু এবং আরবদের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচিত হয় এ যুগে। একদিকে সীরাত ও মাগাযী শাস্ত্রের বড় বড় 'আলিম, যেমন ওয়াহাব ইবন মুনাব্বিহ্, মুহাম্মাদ ইবন মুসলিম আয-যুহরী, মূসা ইবন 'উকবা, 'আওয়ানা প্রমুখ এই শাস্ত্রের বিষয়বস্তু সংগ্রহ, বিন্যাস ও লেখার কাজে ব্যস্ত ছিলেন, অন্যদিকে বানু উমাইয়্যা খলীফাদেরও ইতিহাসের প্রতি বিশেষ আগ্রহ ও আকর্ষণ ছিল। আল্লামা মাস'উদী তাঁর 'মুরূজ আয-যাহাব' গ্রন্থে হযরত মু'আবিয়ার (রা) প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি সর্বদা 'ঈশার নামাযের পর প্রথমে মন্ত্রীদের সাথে আলোচনা, পরামর্শ করতেন। তারপর প্রাচীন ইতিহাসের ঘটনাবলী শুনতেন। ইয়ামনের সান'আর 'উবাইদ ইবন শারিয়্যা নামক এই শাস্ত্রের একজন বিশেষজ্ঞকে ডেকে আনেন এবং তাঁর মুখে ইতিহাসের বহু কাহিনী ও ঘটনা শোনেন। তিনি তা একটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করান যা 'উবাইদ ইবন শারিয়্যার প্রতি আরোপ করা হয়।
খলীফা হিশামের আগ্রহ ও আনুকূল্যে আরবী সাহিত্য ভাণ্ডারে আরো অনেক রচনার সমাবেশ ঘটে। তাঁর জন্যই জাবালা ফার্সী ভাষার কিছু ইতিহাস গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। হিশাম নিজে "তারীখু মুলুক আল-ফুরস" আরবীতে অনুবাদ করান। এ গ্রন্থে বিধৃত হয়েছে পারস্য সাম্রাজ্যের আইন-কানুন ও শাহান শাহে ইরানের জীবন চিত্র।
গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভাষান্তর: গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের আরবীতে অনুবাদ করার সূচনাও হয় উমাইয়্যা যুগে। ইবন আছাল হযরত মু'আবিয়ার (রা) জন্য গ্রীক ভাষায় রচিত বেশ কয়েকটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাই ছিল কোন অনারব ভাষার গ্রন্থের আরবী অনুবাদ।
মারওয়ান ইবন হাকামের সময়ে মাসির জুওয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের একখানা গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করেন। অনুবাদটি হযরত 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয (রহ) সরকারী গ্রন্থাগারে পান এবং সেটির একাধিক কপি করে খিলাফতের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান।
বানু উমাইয়্যা খান্দানে খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মু'আবিয়া ছিলেন এমন এক ব্যক্তি যাঁকে 'হাকীমু আলে মারওয়ান' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি গ্রীক ও কিবতী ভাষায় রচিত অনেকগুলো রসায়ন শাস্ত্রের গ্রন্থ আরবীতে অনুবাদ করান। হিশাম ইবন 'আবদিল মালিকের সময় পারস্যের ইতিহাস ছাড়াও কিছু গ্রীক গ্রন্থেরও আরবী অনুবাদ হয়।
স্পেনের উমাইয়্যা শাসকরাও এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাঁদের সময়ে স্পেনবাসী গ্রীক জ্ঞান-বিজ্ঞানের দিকে দৃষ্টি দেয়। তাঁদের সময়ে সেখানে চিন্তা-দর্শনের বড় বড় মনীষীর জন্ম হয়। স্পেনের এই নতুন জ্ঞান চর্চা শুরু হয় হিজরী তৃতীয় শতকের মাঝামাঝি এবং চতুর্থ শতকের মাঝামাঝিতে তা উন্নতির চূড়ান্তে পৌঁছে। এরপর আমীর আল-হাকাম আল-মুসতানসির বিল্লাহ ইবন 'আবদির রহমান আন-নাসির লি দীনিল্লাহ বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানচর্চার দিকে সীমাহীন মনোযোগ দেন। তিনি বাগদাদ, মিসর ছাড়াও প্রাচ্যের বিভিন্ন শহর থেকে পুরাতন ও নতুন জ্ঞানের বহু অনুপম গ্রন্থ সংগ্রহ করে স্পেনে নিয়ে যান।
টিকাঃ
৬৪৮. প্রাগুক্ত-২/৪২৭
৬৪৯. ইবন নাদীম, কিতাবুল ফিরিস্ত-১৩২
৬৫০. প্রাগুক্ত-৩৩৮, ৩৯৭; ইবন খাল্লিকান, ওয়াফয়াত আল-আ'লাম-১/১৬৮
৬৫১. ইবন সা'য়িদ আল-আন্দালুসী, তাবাকাত আল-উমাম-৬৬