📄 ডাক ব্যবস্থার প্রচলন
হযরত মু'আবিয়ার (রা) খিলাফতের পূর্বে কোন ডাক ব্যবস্থার প্রচলন ছিল না। এ কারণে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক খবরাখবর দ্রুত আদান-প্রদান সম্ভব হতো না। হযরত মু'আবিয়া (রা) এ সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে দ্রুত গতির ঘোড়া প্রস্তুত রাখেন। এতে খবর আদান-প্রদান অনেকটা সহজ হয়ে যায়। আরবীতে এই বিভাগের নাম 'বারীদ' (বরিদ)।
📄 দিওয়ানুল খাতাম
হযরত মু'আবিয়ার (রা) খিলাফতের পূর্বে খলীফাগণ আদেশ-নিষেধ সম্বলিত যে সকল চিঠিপত্র লিখতেন, তা কোন নিয়ম-নীতির ভিত্তিতে লেখা হতো না। এ কারণে কেউ জালিয়াতি করতে চাইলে সহজেই তা করতে পারতো। হযরত মু'আবিয়া (রা) 'দিওয়ানুল খাতাম' নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ চালু করেন। এরপর যে সকল চিঠি-পত্র লেখা হতো তার কপি করে নথিভুক্ত ও সীল-মোহর করা হতো। ৬৪৪
টিকাঃ
৬৪৪. প্রাগুক্ত: ৯৭-৯৮
📄 নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন দফতর প্রতিষ্ঠা
ইসলামের ইতিহাসে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন দফতরের প্রতিষ্ঠা হয় সর্বপ্রথম হযরত মু'আবিয়ার (রা) সময়ে। যিয়াদ প্রথম ব্যক্তি যিনি বিভিন্ন দফতর কায়েম করেন, বিভিন্ন সরকারী কাগজপত্রের কপি করার ব্যবস্থা করেন এবং কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করেন। ৬৪৫
টিকাঃ
৬৪৫. তারীখ আল-ইয়া'কূবী-২/২৭৯
📄 সরকারী দফতরে আরবী ভাষার প্রচলন
বিভিন্ন দফতর প্রতিষ্ঠিত হলেও সেখানে ফার্সী ভাষা চালু ছিল। খলীফা 'আবদুল মালিকের সময়ে তিনি আরবী ভাষা চালুর নির্দেশ দেন। এই প্রথমবারের মত আরবী সরকারী ভাষা হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আল-ওয়ালীদ খ্রীস্টানদের নির্দেশ দেন, তারা যেন সরকারী অফিসের কাগজপত্র লেখার ক্ষেত্রে রোমান ভাষার পরিবর্তে আরবী ভাষা ব্যবহার করে।