📄 উপদেশ গ্রহণ
আত্ম-অহমিকা শাসন কর্তৃত্বের অধিকারী ব্যক্তিবর্গকে সব সময় উপদেশ গ্রহণ থেকে বিরত রাখে কিন্তু 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযের অন্তরটি ছিল ভীষণ কোমল। তিনি বিশ্বাস করতেন, খিলাফতের বোঝাটি এমন যে, যদি তা সততার সাথে বহনের ইচ্ছে থাকে, তবে তা একা বহন করা সম্ভব না। এজন্য তিনি জ্ঞানী ব্যক্তিদের নিকট উপদেশ চাইতেন। তাঁদের উপদেশ শুনে দারুণ প্রভাবিত হতেন। একবার তিনি ইমাম হাসান আল-বসরীকে (রহ) লেখেন যে, আমাকে সংক্ষেপে কিছু উপদেশ লিখে পাঠান। জবাবে তিনি কিছু উপদেশ লিখেও পাঠান।
একবার তিনি ইরাকের সকল ফকীহকে এ উদ্দেশ্যে ডেকে পাঠান। তাঁরা উপস্থিত হলেন। কেবল ইমাম হাসান আল-বসরী (রহ) অসুস্থতার কথা বলে অনুপস্থিত থাকেন এবং উপদেশমূলক কিছু কথা লিখে পাঠান। লেখাটি পেয়ে 'উমার সেটি নিজের দু'চোখের উপর রাখেন। তারপর তা পাঠ করে এত প্রভাবিত হন যে, তাঁর দু'চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পর একদিন বিখ্যাত তাবি'ঈ সালিম ইবন 'আবদিল্লাহ ও মুহাম্মাদ ইবন কা'ব (রহ) দেখা করতে আসলেন। খলীফা একের পর এক দু'জনের নিকট কিছু উপদেশমূলক কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। তাঁরা কিছু উপদেশমূলক কথা শোনালেন। তিনি এতই প্রভাবিত হলেন যে, কেঁদে ফেললেন। কোন কোন 'আলিম তাঁর নিকট যেতেন এবং নিজেরাই তাঁকে কিছু উপদেশ বাণী শোনানোর ইচ্ছে ব্যক্ত করতেন। তিনি খুশী মনে অনুমতি দিতেন এবং তাঁরা উপদেশমূলক কথা শোনাতেন। একবার ইবন আত্তাম তাঁর নিকট আসলেন এবং বললেন, আপনাকে আমি একটু খুশী করবো। বললেন, না। বরং উপদেশমূলক কথা শোনান। একথার পর ইবন আহ্বাম একটি সাধারণ ভাষণ দেন এবং তাতে বিশেষভাবে 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযকে সম্বোধন করেন। তৎকালীন 'আলিমগণ তাঁকে যে সকল উপদেশমূলক কথা বলেছেন তা সবই 'আল্লামা ইবনুল জাওযী তাঁর "সীরাতু 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয" গ্রন্থে ২১তম অধ্যায়ে সংকলন করেছেন।
আত্ম-অহমিকা শাসন কর্তৃত্বের অধিকারী ব্যক্তিবর্গকে সব সময় উপদেশ গ্রহণ থেকে বিরত রাখে কিন্তু 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযের অন্তরটি ছিল ভীষণ কোমল। তিনি বিশ্বাস করতেন, খিলাফতের বোঝাটি এমন যে, যদি তা সততার সাথে বহনের ইচ্ছে থাকে, তবে তা একা বহন করা সম্ভব না। এজন্য তিনি জ্ঞানী ব্যক্তিদের নিকট উপদেশ চাইতেন। তাঁদের উপদেশ শুনে দারুণ প্রভাবিত হতেন। একবার তিনি ইমাম হাসান আল-বসরীকে (রহ) লেখেন যে, আমাকে সংক্ষেপে কিছু উপদেশ লিখে পাঠান। জবাবে তিনি কিছু উপদেশ লিখেও পাঠান।
একবার তিনি ইরাকের সকল ফকীহকে এ উদ্দেশ্যে ডেকে পাঠান। তাঁরা উপস্থিত হলেন। কেবল ইমাম হাসান আল-বসরী (রহ) অসুস্থতার কথা বলে অনুপস্থিত থাকেন এবং উপদেশমূলক কিছু কথা লিখে পাঠান। লেখাটি পেয়ে 'উমার সেটি নিজের দু'চোখের উপর রাখেন। তারপর তা পাঠ করে এত প্রভাবিত হন যে, তাঁর দু'চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পর একদিন বিখ্যাত তাবি'ঈ সালিম ইবন 'আবদিল্লাহ ও মুহাম্মাদ ইবন কা'ব (রহ) দেখা করতে আসলেন। খলীফা একের পর এক দু'জনের নিকট কিছু উপদেশমূলক কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। তাঁরা কিছু উপদেশমূলক কথা শোনালেন। তিনি এতই প্রভাবিত হলেন যে, কেঁদে ফেললেন। কোন কোন 'আলিম তাঁর নিকট যেতেন এবং নিজেরাই তাঁকে কিছু উপদেশ বাণী শোনানোর ইচ্ছে ব্যক্ত করতেন। তিনি খুশী মনে অনুমতি দিলেন এবং তাঁরা উপদেশমূলক কথা শোনাতেন। একবার ইবন আত্তাম তাঁর নিকট আসলেন এবং বললেন, আপনাকে আমি একটু খুশী করবো। বললেন, না। বরং উপদেশমূলক কথা শোনান। একথার পর ইবন আহ্বাম একটি সাধারণ ভাষণ দেন এবং তাতে বিশেষভাবে 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযকে সম্বোধন করেন। তৎকালীন 'আলিমগণ তাঁকে যে সকল উপদেশমূলক কথা বলেছেন তা সবই 'আল্লামা ইবনুল জাওযী তাঁর "সীরাতু 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয" গ্রন্থে ২১তম অধ্যায়ে সংকলন করেছেন।