📘 তাবিঈদের জীবনকথা 📄 হদ বা শরী‘আত নির্ধারিত শাস্তি প্রয়োগ

📄 হদ বা শরী‘আত নির্ধারিত শাস্তি প্রয়োগ


হদ তথা শরী'আত নির্ধারিত শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে 'উমারের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সালাত ও যাকাত কায়েমের মতো। এ ব্যাপারে তিনি আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের নিকট পাঠানো এক পত্রে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন এভাবে: ২২৬
'আমার নিকট হদ কায়েম করা সালাত ও যাকাত কায়েম করার মতো।' বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকলে সে ক্ষেত্রে হদ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন: ২২৭
'প্রত্যেক সন্দেহের ক্ষেত্রে তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী হদ কায়েম থেকে বিরত থাক। কারণ একজন ওয়ালী বা শাসকের জুলুম ও শাস্তির ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করার চেয়ে ক্ষমার ক্ষেত্রে ভুল করা শ্রেয়।'
তাঁর দৃষ্টিতে হদ কায়েম এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, নিজ হাতেও মাঝে মাঝে তা বাস্তবায়ন করেছেন। ‘উবাদা ইবনু নুসায় বর্ণনা করেছেন: ২২২
‘আমি ‘উমার ইবন ‘আবদিল ‘আযীযকে মদ পানের শাস্তি হিসেবে এক ব্যক্তিকে মারতে দেখেছি। তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির দেহের কাপড় খুলে ফেলেন। তারপর আশিটি বেত্রাঘাত করেন। আমি তার দেহের কিছু ত্বক আহত ও কিছু অক্ষত দেখতে পেয়েছি। তারপর তিনি লোকটির উদ্দেশ্যে বলেন: যদি আবার পান করো তাহলে আবার পেটাবো। তারপর কারাগারে আটকে রাখবো- যতদিন না ভালো হবে। সে বললো: হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি আল্লাহর নিকট তাওবা করছি যেন আর কখনো এ কাজ না করি। অতঃপর তাকে ছেড়ে দেন।’
হদ কায়েমের ব্যাপারে মিসরের ওয়ালীর নিকট পাঠানো তাঁর একটি পত্রে নিম্নের নির্দেশটিও ছিল: ২২৩
‘একমাত্র আল্লাহ নির্ধারিত কোন হদ ছাড়া সতর্কতামূলক শাস্তির ক্ষেত্রে তিরিশ বেত্রাঘাতের অধিক হবে না।’
পূর্ববর্তী উমাইয়্যা খলীফাদের সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যাপারটি খুবই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। বহু মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ কারণে তা রোধ করার উদ্দেশ্যে যে কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন। তিনি আঞ্চলিক কর্মকর্তাদেরকে এ নির্দেশও দেন যে, তাঁকে না জানিয়ে যেন কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা না হয়। কুফার ওয়ালী আবদুল হামীদ ইবন আবদুর রহমানকে লেখা একটি পত্রে বলেন: ২৩০
'আমাকে না জানিয়ে কারো হাত কাটা বা ফাঁসিতে ঝোলানোর ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করবেন না।'

টিকাঃ
২২৬. তাবাকাত-৫/৩৭৮
২২৭. ইবনুল জাওযী-১২৬; হিলয়াতুল আওলিয়া-৫/৩১১
২২২. (২২৮) তাবাকাত-৫/৩৬৫
২২৩. (২২৯) প্রাগুক্ত-৫/৩৬৫, ৩৮৫
২৩০. তাবারী-৭/৪৭৩-৪৭৪; কিতাবুল আমওয়াল-২৭

📘 তাবিঈদের জীবনকথা 📄 ইসলামের প্রচার

📄 ইসলামের প্রচার


খিলাফতের পরিধি বিস্তৃতির পরিবর্তে তিনি ইসলামের বিস্তার ও প্রসারকে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। আর এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সব ধরনের বস্তুগত ও নৈতিক উপায়-উপকরণের সুযোগ গ্রহণ করেন। রোমানদের সাথে যুদ্ধরত একজন সেনাপতিকে তিনি নির্দেশ দেন, রোমানদের কোন ছোট অথবা বড় দলের উপর কোনক্রমেই আক্রমণ করা যাবে না যতক্ষণ না তাদের নিকট ইসলামের দা'ওয়াত পৌঁছানো হয়। বিভিন্ন অঞ্চলের সকল ওয়ালীকে তাঁদের নিজ নিজ এলাকার যিম্মীদের নিকট ইসলামের দা'ওয়াত পৌঁছানোর নির্দেশ দেন। একথাও বলে দেন, কোন যিম্মী ইসলাম গ্রহণ করলে তার উপর ধার্যকৃত জিযিয়া রহিত করা হবে। এর ফলে ইসলামের ব্যাপক প্রসার ঘটে। একমাত্র খুরাসানের ওয়ালী 'আবদুল্লাহ ইবন আল জাররাহর হাতে চার হাজার যিম্মী ইসলাম গ্রহণ করে। ২৩১
তিনি ইসলামের প্রচার-প্রসারে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ ভরে কাজ করেন। বিজিত অঞ্চলসমূহের অধিবাসীদেরকে ইসলাম গ্রহণের জন্য নানাভাবে উৎসাহিত করেন। এমনকি তাদেরকে নগদ অর্থ-সম্পদসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও প্রদান করতেন। বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি একজন খৃস্টান সেনা কমান্ডারকে এক হাজার দীনার দান করেন যাতে ইসলামের প্রতি তার অন্তর আকৃষ্ট হয়। এমন কথাও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রোমান সম্রাট তৃতীয় লুইকে একটি পত্রের মাধ্যমে ইসলামের দা'ওয়াত দেন। ২০২
'উমারের বিভিন্নমুখী কর্মতৎপরতার ফলে খিলাফতের বিভিন্ন অঞ্চলের অমুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। মা ওয়ারা আন-নাহর-এর অঞ্চলসমূহের অসংখ্য মানুষ ইসলামে প্রবেশ করে। মরক্কোর বারবারদের মধ্যে ইসলামের দা'ওয়াত দানের জন্য তিনি দশজন বিখ্যাত ফকীহকে পাঠান। তাঁদের চেষ্টায় সেখানে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে। ২৩৩
'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয (রহ) ভারতবর্ষের রাজন্যবর্গের নিকট পত্র লেখেন এবং তাদেরকে ইসলাম ও আনুগত্যের আহ্বান জানান। তিনি তাঁদেরকে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দেন যে, যদি তাঁরা এই আহ্বানে সাড়া দেন তাহলে তাদেরকে নিজ নিজ সাম্রাজ্যের ক্ষমতায় রাখা হবে এবং তাঁদের অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য তাই হবে যা একজন মুসলমানের হয়ে থাকে। ‘উমার ইবন ‘আবদিল ‘আযীযের জীবন, চরিত্র ও মত-পথের সুখ্যাতি পূর্বেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল। তাই তাঁরা ইসলাম কবুল করে এবং আরবদের ন্যায় নিজেদের নামও রাখে।’ এ চিঠি তিনি লেখেন হিজরী ১০০ সনে। ২৩৪
ইসমা'ঈল ইবন ‘আবদিল্লাহ ইবন আবিল মুহাজিরকে- যিনি বানু মাখযূমের আযাদকৃত দাস ছিলেন, পশ্চিম আফ্রিকার ওয়ালী নিয়োগ করা হয়। তিনি সেখানে স্বীয় কর্মকাণ্ড ও উত্তম আচার-আচরণ দ্বারা স্থানীয় অধিবাসীদের মন জয় করেন। তারপর বার্বারদেরকে ইসলামের দা'ওয়াত দেন। হযরত ‘উমার ইবন ‘আবদিল ‘আযীযও সেখানকার লোকদের নিকট একটি পত্র পাঠান এবং তাদেরকে ইসলামের দা'ওয়াত দেন। এই পত্র ইসমা'ঈল প্রকাশ্যে জনসমাবেশে পাঠ করে শোনান। শেষ পর্যন্ত সেখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৩৬
খিলাফতের দায়িত্ব লাভের পর হযরত ‘উমার ইবন ‘আবদিল ‘আযীয (রহ) মা-ওয়ারা আন-নাহার-এর সুলতানদের নিকট ইসলামের দা'ওয়াত সম্বলিত পত্র লেখেন। তিনি সেখানে আবদুল্লাহ ইবন মা'মার আল-ইয়াশকুরীকে পাঠান। তাদের অনেকে ইসলাম গ্রহণ করেন। খুরাসানের যে সকল যিম্মী ইসলাম গ্রহণ করেছিল তিনি তাদের জিযিয়া রহিত করেন। আর যারা ইসলাম গ্রহণ করে সরাইখানা নির্মাণ করেছিল তাদেরকে পুরস্কৃত করেন এবং তাদের ভাতা নির্ধারণ করেন। ২৩৭ খিলাফতের বিভিন্ন অঞ্চলে এত বেশী সংখ্যক যিম্মী মুসলমান হয় যে, একাধিক ওয়ালী জিযিয়া-রাজস্বের ঘাটতির কথা খলীফাকে জানান। ‘উমার তাঁদের কথার কোন গুরুত্ব দিলেন না। বরং কারো কারো অভিযোগের জবাবে তিনি লেখেন : রাসূলুল্লাহকে (সা) হাদী বা পথ প্রদর্শক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল, জিযিয়া আদায়ের জন্য নয়। ২৩৮ অনেককে তিনি লেখেন, আমি তো চাই সকল যিম্মী মুসলমান হয়ে যাক, আমি ও তুমি কৃষক হয়ে যাই এবং নিজেদের শ্রমে অর্জিত অর্থে জীবিকা নির্বাহ করি। কোন কোন ওয়ালী এ প্রস্তাব দেন যে, যিম্মীরা জিযিয়া থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ইসলাম গ্রহণ করছে। এজন্য খাত্মা করে তাদের পরীক্ষা করা হোক। ‘উমার লিখলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) পথ প্রদর্শক ছিলেন, খাতনাকারী ছিলেন না। ২৩৯
তাঁর চারিত্রিক সৌন্দর্যের খ্যাতি এবং ইসলামের প্রচার-প্রসারের প্রতি প্রবল আগ্রহের কথা শুনে কোন কোন দেশের রাজন্যবর্গ তাঁদের দেশে মুবাল্লিগ বা প্রচারক পাঠানোর আবেদন জানান। এরই ধারাবাহিকতায় তিব্বতের একটি প্রতিনিধি দলের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি সুলাইত ইবন 'আবদিল্লাহ হানফীকে তিব্বতে পাঠান। এভাবে তাঁর সময়ে ইসলামের অভূতপূর্ব প্রচার-প্রসার ঘটে। ২৪০

টিকাঃ
২৩১. আল-বালাযুরী, ফুতুহ আল-বুলদান-৩৫৭
২৩২. তাবাকাত-২৫৮
২৩৩. ড. হাসান ইবরাহীম, তারীখ আল-ইসলাম-১/৩২৯
২৩৪. (২৩৫) আল-কামিল ফিত-তারীখ-৫/৫৪
২৩৬. ফুতূহ আল-বুলদান-৩৩৯; রিজালুল ফিক্স ওয়াদ দা'ওয়া-১/৫০
২৩৭. কুরদ ‘আলী, আল-ইসলাম ওয়াল হাদারা আল-‘আরাবিয়্যা-২/১৮৯
২৩৮. কিতাবুল খারাজ-৭৫; আ'জামু ‘উজামা' আল-ইসলাম-১৪৫
২৩৯. তাবাকাত-৫/৩৮৫
২৪০. তারীখ আল-ইয়া'কূবী-২/৩০২

📘 তাবিঈদের জীবনকথা 📄 ভারতবর্ষের রাজার চিঠি

📄 ভারতবর্ষের রাজার চিঠি


ভারতবর্ষের এক রাজা হযরত 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযকে নিম্নের এই চিঠিটি লেখেন: ২৪১
'রাজন্যবর্গের রাজার পক্ষ থেকে- যিনি হাজার রাজার বংশধর, যার অধীনে হাজার রাজার কন্যা, যাঁর হাতীশালে হাজার হাতী, যার আছে দু'টি নদী যার পানিতে মূল্যবান সুগন্ধি কাঠ, বাদাম ও কপূর উৎপন্ন হয় এবং যার সুগন্ধি বারো মাইল দূর থেকে পাওয়া যায়- আরবের বাদশার প্রতি- যিনি আল্লাহর সাথে অন্য কোন কিছু শরীক করেন না। অতঃপর, আমি আপনার নিকট একটি উপহার পাঠিয়েছি। আসলে সেটি কোন উপহার নয়, বরং তা একটি সালাম ও অভিবাদন। আমি চাই আপনি আমার নিকট এমন এক ব্যক্তিকে পাঠান যে আমাকে ইসলাম শিক্ষা দিবেন ও বুঝাবেন। ওয়াস-সালাম।' মূলতঃ হাদিয়া (উপহার) দ্বারা চিঠি বুঝিয়েছেন।

টিকাঃ
২৪১. আল-'ইকদ আল-ফারীদ-৩/৪০৪

📘 তাবিঈদের জীবনকথা 📄 খেল-তামাশা ও মাতমের উপর নিষেধাজ্ঞা

📄 খেল-তামাশা ও মাতমের উপর নিষেধাজ্ঞা


ইসলামী শরী'আত যে সকল জিনিসের প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, 'উমার অত্যন্ত কঠোরভাবে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করতেন। একবার তিনি জানতে পারেন যে, বহু মুসলমান খেল-তামাশায় মত্ত থাকে এবং বহু মুসলিম নারী লাশের খাটিয়ার পিছনে পিছনে মাথার চুল ছিঁড়ে, বুক চাপড়িয়ে মাতম করতে করতে চলতে থাকে। তিনি সকল আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের নামে একটি সাধারণ ফরমান জারী করেন। সেই ফরমানটির সারকথা নিম্নরূপ:
'আমি অবগত হয়েছি যে, নির্বোধ লোকদের নারীরা তাদের কোন আপনজনদের মৃত্যুর সময় জাহিলী যুগের নারীদের মতো মাথার চুল ছেড়ে দিয়ে মাতম করতে করতে ঘর থেকে বের হয়। অথচ নারীদেরকে আঁচল টেনে চলতে বলা হয়েছে এবং ওড়না ফেলে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই মাতমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। এই অনারব লোকেরা, যাদের দৃষ্টিতে শয়তান কয়েকটি জিনিস পসন্দনীয় করে দিয়েছিল, তাদের অন্তরকে সেদিকে আকৃষ্ট করেছিল। সুতরাং মুসলমানদেরকে এই খেল-তামাশা, গান- বাজনা থেকে বিরত রাখ। যে বিরত না হবে তাকে ইনসাফমূলক শাস্তি দাও।'
হাম্মামের দেওয়ালে ছবি অঙ্কন করা হতো। আর এটা ছিল ইসলামী শরী'আতের মূল নীতির পরিপন্থী। একবার তিনি একটি হাম্মামে এ ধরনের চিত্র দেখে তা মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়ে বলেন, যদি এই চিত্রকরের পরিচয় জানা যেত তাহলে আমি তাকে শাস্তি দিতাম।
ইসলামে বৈরাগ্যবাদের কোন স্থান নেই। তা সত্ত্বেও তিনি অনারবদের মতো বিলাসী জীবন-যাপন করাকেও বৈধ মনে করতেন না। রাসূলুল্লাহ (সা) যদিও কেশ পরিচর্যার নির্দেশ দিয়েছেন, তবে তার উদ্দেশ্য এই নয় যে, মাথার চুল ফুলিয়ে ট্যারা কেটে দু'দিকে ঝুলিয়ে দেবে। হযরত 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীযের সময়ে এ ধরনের সৌখিন কেশ পরিচর্যাকারী সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি পুলিশ বিভাগকে নির্দেশ দেন, তারা জুম'আর দিন নামাযের সময় মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে এবং এ রকম সৌখিন কেশ পরিচর্যাকারীকে মসজিদ থেকে বের হতে দেখলেই ধরে তার চুল কেটে দেবে। ২৪৩
আরবদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য যাতে বিনষ্ট হতে না পারে সে ব্যাপারে হযরত 'উমার ইবন 'আবদিল 'আযীয যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন। যেমন একবার তিনি অবগত হলেন যে, কিছু লোক যখন সামনে তশতরী রেখে ওযু করে তখন তা ভরে যাওয়ার আগেই পানি ফেলে দেয়। তিনি 'আদী ইবন আরতাতকে লিখলেন যে, এটা অনারব কৃষ্টি। এখন থেকে যতক্ষণ তশতরী ভরে না যাবে অথবা সব মানুষের ওযু শেষ না হবে, পানি ফেলা যাবে না।

টিকাঃ
২৪৩. তাবাকাত-৫/৩৮২

ফন্ট সাইজ
15px
17px