📄 চামড়ার পোশাক ও ইউরোপী জীবন
ডাক্তার কেওর কারীম ডব্লিউ এর গবেষণা অনুযায়ী চামড়ার পোশাক ব্যতিক্রম ধরনের হয়ে থাকে। আমি এমন অসংখ্য রোগী প্রত্যক্ষ করেছি, যাদের কেউ কেউ নান চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। এগুলোর ডাক্তারী পদ্ধতিতে কোন ঔষধ ও চিকিৎসা ছিল না। কিন্তু যখন এমন রোগীদেরকে চামড়ার পোশাক পরিধান করার কথা বলা হয়, তখন অতি দ্রুত তাদের রোগ নিরাময় হয়ে যায়। যারা বরফ-দেশে বসবাস করতে অভ্যস্ত, তাদের দেশে চতুর্দিকে শুধু বরফ আর বরফই দৃষ্টিগোচর হয়। এ সব লোকের জামা-কাপড়, বিছানা-পত্র সবই চামড়ার। কেমন যেন তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পোশাক শুধু চামড়াই।
ডাক্তার ডব্লিউ এর গবেষণা মোতাবেক যেসব অঞ্চলে শীত-গরম উভয় মৌসুমে শৈত্যপ্রবাহ থাকে, সেখানে চামড়ার পোশাকই এমন পোশাক, যাতে মানুষের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষা পায়। আবার যেসব অঞ্চলে শীত-গরম উভয় মৌসুমে লু-হাওয়া বয়, সেখানেও এমন পোশাক, যাতে চামড়ার অথবা যাতে চামড়ার সংমিশ্রণ থাকে, সেগুলো সীমাহীন উপকারী। এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশের মরুভূমি অঞ্চলে সাধারণত এমন পোশাকই পরিধান করা হয়। (আর্টিকেল ইন মাশরিক)
📄 সমুদ্র উত্তাল হবে এর রহস্য ও আধুনিক বিজ্ঞান
• পবিত্র কুরআনে কারীমে এসেছে— কেয়ামত দিবসে সমুদ্রে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হবে।
বস্তুতঃ দুটি জিনিস মিলে পানির সৃষ্টি হয়েছে— অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন (H₂O)। যখনই এ দুটি উপাদানে পরিবর্তন আসবে, তখনই পানিতে আগুন লেগে যাবে। গবেষকদের অভিজ্ঞতা থেকে প্রমাণিত, তারা যখনই অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের নির্ধারিত পরিমাণে পরিবর্তন আনেন, তৎক্ষণাত আগুন জ্বলে উঠে। (তাহকীকী রিপোর্ট)